শনিবার ০৮ আগস্ট ২০২০
Online Edition

রফতানিমুখী শিল্পে উৎসে কর কমছে দশমিক ৩৫ শতাংশ

স্টাফ রিপোর্টার: নতুন বছরের তৈরি পোশাকসহ রফতানিকারকদের সুখবর দিয়েছে সরকার। এখন থেকে শতভাগ রফতানিমুখী শিল্পে ‘উৎসে কর’ দিতে হবে শূন্য দশমিক ২৫ শতাংশ। এর আগে শূন্য দশমিক ৬০ শতাংশ কর দিতে হতো। অর্থাৎ উৎসে কর কমছে শূন্য দশমিক ৩৫ শতাংশ।
জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) সম্প্রতি এ সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করেছে। চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে কর ছাড়ের এই সুবিধা পাবে রফতানিকারকরা।
উৎসে কর আদায় করা হয় মোট রফতানি মূল্যের ওপর। অর্থাৎ কোনো রফতানিকারক ১০০ টাকার পণ্য রফতানি করলে ২৫ পয়সা কর হিসেবে দিতে হবে। আগে যেখানে কর দিতে হতো ৬০ পয়সা। অর্থাৎ আগের চেয়ে কর কমেছে ৫৮ শতাংশ।
এদিকে তৈরি পোশাক রফতানিকারকদের সংগঠন বিজিএমইর দাবির পরিপ্রেক্ষিতে এ সুবিধা দেয়া হলেও এনবিআর বলেছে, পোশাকসহ অন্যসব রফতানিমুখী শিল্পে সমতা আনতে একই হারে উৎসে করহার নির্ধারণ করা হয়েছে।
এর আগে মজুরি বৃদ্ধির কারণে অনেক কারখানা বন্ধ হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে- এই যুক্তিতে পোশাক মালিকদের সংগঠন বিজিএমইএ উৎসে কর কমাতে এনবিআরে আবেদন করে। সেই আবেদন বিবেচনায় নিয়ে গত ২ জানুয়ারি এ সংক্রান্ত সংশোধিত প্রজ্ঞাপন জারি করে এনবিআর।
নতুন বেতন কাঠামো অনুযায়ী, পোশাক খাতের ন্যূনতম মজুরি মাসিক ৮ হাজার টাকা। অর্থাৎ একজন শ্রমিক কোনো পোশাক কারখানায় চাকরি পেলে শুরুতেই বেতন পাবেন ৮ হাজার টাকা, যা আগে ছিল ৫ হাজার ৩০০ টাকা। ফলে নতুন বেতন কাঠামোতে গড়ে বেতন বেড়েছে ৫১ শতাংশ।
সর্বশেষ, পোশাকসহ রফতানি খাতে ‘উৎসে কর’ কমানো হয়েছিল গত সেপ্টেম্বরে। তখন ১ টাকা থেকে ৬০ পয়সা (শূন্য দশমিক ৬০শতাংশ) নির্ধারণ করা হয়।
২০১৪-১৫ অর্থবছরে উৎসে করহার ছিল দশমিক ৩০ শতাংশ। ২০১৫-১৬ অর্থবছরে বাজেটে তা দ্বিগুণ করে দশমিক ৬০ শতাংশ করা হয়। ২০১৬-১৭ অর্থবছরের বাজেটে উৎসে কর এক দশমিক ৫০ শতাংশ করার প্রস্তাব দেয়া হলেও শেষ পর্যন্ত দশমিক ৭০ শতাংশ নির্ধারণ করা হয়। একই হারে ২০১৭-১৮ অর্থবছরে উৎসে কর দেন উদ্যোক্তারা। শেষ পর্যন্ত ২০১৮-১৯ অর্থবছর এটি দশমিক ২৫ শতাংশ করা হয়েছে।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ