বুধবার ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২০
Online Edition

থানায় মামলার প্রস্তুতি জিজ্ঞাসাবাদের জন্য কয়েকজনকে আটক

গাজীপুর সংবাদদাতাঃ গাজীপুরে নির্বাচনী সহিংসতার ঘটনায় নিহত আওয়ামীলীগ নেতা লিয়াকত হোসেনের দাফন সোমবার অনুষ্ঠিত হয়েছে। আওয়ামীলীগ নেতা হত্যার এ ঘটনায় জড়িত থাকার সন্দেহে পুলিশ ৩/৪জনকে থানায় নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করছে। সন্ধ্যা পর্যন্ত ওই ঘটনায় মামলা দায়ের করা হয় নি। তবে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।
জানা গেছে, গাজীপুরে নির্বাচনী সহিংসতার ঘটনায় প্রতিপক্ষের ছুরিকাঘাতে ও মারধরে নিহত আওয়ামীলীগ নেতা লিয়াকত হোসেনের ময়না তদন্ত শেষে সোমবার বেলা ১১টার দিকে জেলা শহরের শহীদ বরকত ষ্টেডিয়ামে জানাজা অনূষ্ঠিত হয়। জানাজায় মুক্তিযুদ্ধ বিষয়কমন্ত্রী আকম মোজাম্মেল হক, গাজীপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য জাহিদ আহসান রাসেল, গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের মেয়র মোঃ জাহাঙ্গীর আলম, গাজীপুর মহানগর আওয়ামীলীগের সভাপতি এডভোকেট আজমত উল্লাহ খানসহ আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীসহ বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন। পরে তাকে পারিবারিক গোরস্থানে দাফন করা হয়।
গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সদর থানার ওসি সমির চন্দ্র সূত্রধর জানান, নির্বাচন অনুষ্ঠাণকালে নিহত লিয়কত হোসেন হত্যার ঘটনায় সোমবার সন্ধ্যা পর্যন্ত নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে মামলা দায়ের করা হয় নি। তবে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে। হত্যাকান্ডে জড়িতদের গ্রেফতারের জন্য পুলিশের একাধিক টিম ঘটনার পর থেকেই কাজ করছে। ইতোমধ্যে ওই ঘটনায় জড়িত থাকার সন্দেহে পুলিশ দুইজনকে থানায় এনে জিজ্ঞাসাবাদ করছে।
গাজীপুর মহানগর আওয়ামীলীগের সদস্য মোঃ রফিজ উদ্দিন জানান, গাজীপুর সিটি কর্পোরেশন এলাকার হাড়িনাল উচ্চ বিদ্যালয় ভোট কেন্দ্রে রবিবার দুপুরে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বানের ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠাণ চলছিল। এসময় কেন্দ্রের বাইরে বসে থাকা আওয়ামীলীগ ও যুবলীগের চার নেতার উপর লাঠি-সোটা ও ধারালো অস্ত্র নিয়ে হামলা চালায় ৪০-৫০ জনের একদল যুবক। এতে কাজী আজিম উদ্দিন কলেজের ছাত্রলীগের সাবেক ভিপি মো. লিয়াকত হোসেন (৪০)সহ যুবলীগের মো. আশরাফ (৪০), আওয়ামীলীগের খায়রুল ইসলাম (৪০) ও গণি মিয়া (৪২) আহত হয়। আহতদের হাসপাতালে নেওয়ার পর লিয়াকত হোসেন মারা যায়। নিহত লিয়াকত গাজীপুর মহানগর ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি মাসুদ রানা এরশাদের বড়ভাই।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ