শুক্রবার ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২০
Online Edition

  ড্রোন শনাক্ত করার প্রযুক্তি আনছে অস্ট্রেলিয়া

স্বয়ংক্রিয়ভাবে ড্রোন ও তার চালক শনাক্ত করতে ‘হট স্পট’ চালু করছে অস্ট্রেলিয়া।

  দেশটির সিভিল এভিয়েশন সেইফটি অথরিটি জানায়, সামনের মাস থেকে এয়ারপোর্টগুলোতে এই প্রযুক্তি বসানো হবে।

অনেক আগে থেকেই এই প্রযুক্তি আনার পরিকল্পনা করছে অস্ট্রেলিয়ান সরকার। আগের সপ্তাহে ড্রোনের কারণে ৭২ ঘন্টা বন্ধ ছিল যুক্তরাজ্যের গ্যাটউইক এয়ারপোর্ট। এরপরই ড্রোন শনাক্তকারী এই প্রযুক্তি আনার ঘোষণা দিয়েছে অস্ট্রেলিয়া-- খবর বিবিসি’র।

২০১৯ সাল থেকে ড্রোন মালিকদের নিবন্ধনের একটি ছক চালু করবে অস্ট্রেলিয়া। 

 ড্রোন নিবন্ধনের ব্যবস্থা চালু রয়েছে যুক্তরাজ্যও। ফলে ২৫০ গ্রাম বা এর চেয়ে বেশি ওজনের বিনোদনমূলক ড্রোন নিবন্ধন করতে হবে এর মালিককে।

গত সপ্তাহেই গ্যাটউইক এয়ারপোর্টে ড্রোনের কারণে প্রায় এক লাখ ৪০ হাজার যাত্রী বিলম্বের মধ্যে পড়েন। এখনও অপরাধীদের শনাক্ত করতে কাজ করছে যুক্তরাজ্য পুলিশ। এমন সম্ভাবনাও রয়েছে যে এয়ারপোর্টে ড্রোন উড়তে দেখার বিষয়টি ভুল ছিল।

গ্যাটউইক এয়ারপোর্টের এই ঘটনা ড্রোন শনাক্তকারী ব্যবস্থার গুরুত্ব তুলে ধরেছে বলে মন্তব্য করেছেন অস্ট্রেলিয়ান সিভিল এভিয়েশন অথরিটির পিটার গিবসন।

অস্ট্রেলিয়ার নতুন ব্যবস্থা কী ধরনের ড্রোন ওড়ানো হচ্ছে এবং তাদের সিরিয়াল নাম্বার শনাক্ত করবে। আর ড্রোন চালকের অবস্থান জানাতেও কাজ করবে এটি।

“২০১৯ সাল হবে ড্রোন নিরাপত্তায় কঠোর ব্যবস্থার বছর,” বলেন গিবসন।

এয়ারপোর্টের পাশাপাশি অন্যান্য সংবেদনশীল স্থানগুলোতেও বসানো হবে ড্রোন শনাক্তকারী ব্যবস্থা। সিডনি হারবার ব্রিজের মতো জনপ্রিয় জায়গাগুলোতে বসানো হবে এই প্রযুক্তি।

কয়েক মাসে সংবেদনশীল এলাকাগুলোতে ড্রোন উড্ডয়নের সংখ্যা বাড়ায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছে অস্ট্রেলিয় কর্তৃপক্ষ।

আইন ভাঙলে ড্রোন মালিককে ১০ হাজার অস্ট্রেলিয়ান ডলার জরিমানা গুণতে হতে পারে বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ