শুক্রবার ১৪ আগস্ট ২০২০
Online Edition

আজ্ঞাবহ নির্বাচন কমিশনের লক্ষ্য হলো ভোটারবিহীন একতরফা নির্বাচনের নাটক করা -অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার

খুলনা : গতকাল খুলনা-৫ আসনের জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট ও ২০ দলীয় জোটের ধানের শীষের প্রার্থী জামায়াতের কেন্দ্রীয় নায়েবে আমীর সাবেক এমপি অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার ডুমুরিয়া এলাকায় গণসংযোগ করেন

খুলনা অফিস : খুলনা-৫ (ডুমুরিয়া-ফুলতলা) আসনের জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট ও ২০ দলীয় জোট মনোনীত ধানের শীষের প্রার্থী বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী কেন্দ্রীয় নায়েবে আমীর সাবেক এমপি অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেছেন, নির্বাচনের দিন যতই এগিয়ে আসছে সরকারের মধ্যে অস্থিরতা ততই বাড়ছে। তারা জুলুম-নির্যাতন, দলন-পীড়ন চালিয়ে গণরায় ছিনিয়ে নিতে চায়। আর আজ্ঞাবহ নির্বাচন কমিশন ও দলীয় প্রশাসন সরকারের সে পরিকল্পনা বাস্তবায়নে সহায়তা দিয়ে যাচ্ছে। নির্বাচনী তফসিল ঘোষণার পর বিরোধী দলীয় নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে শত শত গায়েবী মামলা দায়ের করা হয়েছে। নির্বাচনী ময়দানকে প্রতিপক্ষমুক্ত করতেই গায়েবী মামলার সূত্রধরে বিরোধী দলীয় নেতাকর্মীদের গ্রেফতার ও গুম করা হচ্ছে গণহারে। শুধু তাই নয় বিরোধী দলকে নির্বাচনী প্রচারণার ন্যুনতম সুযোগও দেয়া হচ্ছে না। এমনকি নির্বাচনী প্রচারণার সময় সরকার দলীয় সন্ত্রাসী ও আইনশৃঙ্খলাবাহিনী যুগপৎভাবে বিরোধী দলীয় নেতাকর্মীদের হামলা, মারধর, মামলা, অপহরণ ও গণগ্রেফতার অব্যাহত রেখেছে। এহেন পরিস্থিতিতে মানুষ ভোট দিতে ভোট কেন্দ্রে যাবে কিভাবে? সারা দেশেই আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও সরকারি দলের সন্ত্রাসীরা জনগণকে ভোট কেন্দ্রে না যাওয়ার জন্য হুমকি দিচ্ছে এবং ধানের শীষ প্রতীকের সমর্থক সক্রিয় নেতা-কর্মীদের গ্রেফতার এবং মারধর করে এলাকা ছাড়া করে দিচ্ছে। সরকার ও তার আজ্ঞাবহ নির্বাচন কমিশনের লক্ষ্য হলো ভোটারবিহীন একতরফা ভোট ডাকাতির প্রহসনের নির্বাচনের নাটক করা। অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন করতে তারা কিছুুতেই রাজী নয়। তারা আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে তাদের দলীয় সন্ত্রাসী বাহিনীর মত ব্যবহার করে তাদের ব্যর্থ ও অকার্যকর করে দিয়েছে।
গতকাল ফুলতলা ও ডুমুরিয়া উপজেলার ফুলতলা, আটরা গিলাতলা, রঘুনাথপুর, ধামালিয়া, শরাফপুর ইউনিয়নের বিভিন্ন স্থানে গণসংযোগ করেন। গণসংযোগকালে প্রার্থীর সাথে উপস্থিত ছিলেন ডুমুরিয়া উপজেলা বিএনপি সভাপকি খান আলী মুনসুর, সাধারণ সম্পাদক মোল্যা মোশারফ হোসেন মফিজ, আবুল বাশার, সরদার সেলিম, জহুরুল ইসলাম, সরোয়ার হোসেন, মোহাম্মদ বাবলু, মোহাম্মদ আমানুল্লাহ ও জামায়াত নেতা মাওলানা সিরাজুল ইসলাম, মাওলানা হাবিবুর রহমান, মাওলানা মোক্তার হোসেন, আব্দুল আলিম মোল্লা, মোস্তফা আল মুজাহিদ, গাজী মোর্শেদ মামুন প্রমুখ।
তিনি আরো বলেন, ২৪ ডিসেম্বর সশস্ত্র বাহিনী নিয়োগের পরও পরিস্থিতির কোন উন্নতি হয়নি বরং আরো অবনতি ঘটেছে। জাতির আশাভরসা ও ঐক্যের প্রতীক দেশের সশস্ত্র বাহিনীকে সরকার ব্যর্থ ও অকার্যকর করার ষড়যন্ত্র শুরু করেছে। আমরা আশা করি তারা জনগণকে সাথে নিয়ে এ ষড়যন্ত্র ব্যর্থ করে দিবেন ইনশা-আল্লাহ। সরকারের সকল ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে তীব্র গণপ্রতিরোধ গড়ে তোলা ছাড়া বিরাজমান সংকট থেকে জাতিকে কিছুতেই উদ্ধার করা সম্ভব নয়।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ