রবিবার ০৯ আগস্ট ২০২০
Online Edition

ফুলতলায় আওয়ামী লীগ বোমা হামলা ও অগ্নিসংযোগের নাটক সাজিয়ে নির্বাচন বানচাল করতে পাঁয়তারা চালাচ্ছে

খুলনা অফিস : বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নায়েবে আমীর, খুলনা-৫ আসনের জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট ও ২০ দলীয় জোট মনোনীত ধানের শীষের প্রার্থী সাবেক এমপি অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেছেন, ধানের শীষের গণজোয়ার দেখে ক্ষমতাসীনরা দিশেহারা হয়ে পড়েছে। তারা পরাজয় আঁচ করতে পেরে নিজেদের রক্ষা করার জন্য বিরোধীদলের নেতাকর্মীদের উপর হামলা-মামলা ও অত্যাচার-নির্যাতন শুরু করেছে। প্রচার-প্রচারণার শুরুতেই আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা ধানের শীষের পোস্টার ছেড়া, গণসংযোগ ও প্রচার কাজে বাধা, প্রচারের জন্য ব্যবহৃত মাইক ভাংচুর, নেতাকর্মীদের হুমকি-ধামকি ও মারধর করে আহত করছে। সাধারণ ভোটাররা তাদের কর্মকান্ডের কারণে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছে। এরপর তারা নিজেদের অপকর্ম ঢাকতে এবং বিরোধী দলকে নির্বাচন থেকে দূরে সরিয়ে দিয়ে ফাকা মাঠে গোল দেয়ার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়েছে। তারই অংশ হিসেবে ফুলতলায় আওয়ামী লীগের দলীয় কার্যালয়ে বোমা হামলা ও অগ্নিসংযোগের নাটক সাজিয়ে বিএনপি-জামায়াতের নেতা-কর্মীদের নামে ষড়যন্ত্রমূলক মামলা দিয়েছে। বোমা হামলা ও অগ্নিসংযোগের চার ঘন্টা আগে খুলনা জেলা জামায়াতের আমীর প্রবীণ রাজনীতিবিদ মাওলানা এমরান হোসাইন, জামায়াতকর্মী জারজিস হোসেন মোড়ল ও শেখ আলী আকবারকে আটক করলেও ওই সাজানো মামলায় তাদেরকে আসামী বানিয়ে গ্রেফতার দেখিয়েছে। এটি একটি পরিকল্পিত কল্পকাহিনী। যার সত্যতা লেসমাত্র নেই। এ ঘটনার পর ফুলতলা এলাকায় গণগ্রেফতার শুরু করে এবং দামোদর ইউনিয়নের সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান ফিরোজ জমাদ্দার, জামিরা বণিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক হুমায়ুন কবীর মোল্লা, ছাত্রদল নেতা আনিসুর রহমান রনি, মিজানুর রহমান, মো. হাবিবুর রহমান, মো. সোহেল রানা ও রিপনসহ ১২ নেতাকর্মীকে গ্রেফতার করে।
এছাড়া বিএনপি-জামায়াতের নেতাকর্মীদের বাড়ি বাড়ি পুলিশ তল্লাশীর নামে হয়রানি করছে। এ সময় তারা পরিবারের সদস্য সাথে অসৌজন্যমূলক আচরণ করে  এবং এলাকা ছাড়ার হুমকি দিয়ে আসছে। এ সকল ঘটনার তীব্র নিন্দা ও গ্রেফতারকৃতদের নি:শর্ত মুক্তির দাবি জানিয়ে দেয়া এক বিবৃতিতে তিনি এ সব কথা বলেন।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ