মঙ্গলবার ০৪ আগস্ট ২০২০
Online Edition

খুলনায় প্রাথমিকের প্রায় ১১ লাখ নতুন বই শিক্ষার্থীদের অপেক্ষায়

খুলনা অফিস : খুলনা জেলায় আগামী শিক্ষাবর্ষের প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ক্ষুদে কোমলমতি শিক্ষার্থীদের জন্য অপেক্ষা করছে ১০ লাখ ৯৪ হাজার ৭৬৯টি নতুন বই। জেলার স্কুলগুলোর চাহিদা মাফিক ইতোমধ্যে সম্পূর্ণ বই উপজেলা পর্যায়ে পৌঁছেছে বলে জানান শিক্ষা কর্মকর্তা। শতভাগ বই পৌঁছালেও প্রথমদিনেই শিক্ষকদের কারণে সব বিষয়ের বই পাওয়া যায় না বলে জানিয়েছেন অভিভাবকরা। জানা গেছে, খুলনা জেলায় মহানগরসহ ১০টি উপজেলা রয়েছে। জেলায় মোট প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে ১১শ’ ৫৭টি। সরকারের প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী প্রতিবছরই প্রথম দিনে বই উৎসব করে শিক্ষার্থীদের হাতে নতুন বই দেওয়া হয়। যাতে খুশি হয় ক্ষুদে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা। এ বছরও স্কুলগুলোর চাহিদা অনুযায়ী ইতোমধ্যে উপজেলা পর্যায়ে পৌঁছেছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা কর্মকর্তা।

শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা জানান, বছরের প্রথম দিনে নতুন বই পাওয়া যায় ঠিকই। কিন্তু সকল বিষয়ের বই পাওয়া যায় না। এছাড়া প্রথম দিনে স্কুলে যেতে না পারলে নতুন বই  পেতেও  বেগ  পেতে হয়। মৌলভীপাড়া এলাকার সোনিয়া ইসলাম। স্কুলের ফলাফল প্রকাশের পর তৃতীয় শ্রেণিতে উত্তীর্ণ হবে। সোনিয়া বলেন, বছরের প্রথম দিন নতুন বই পাওয়া যায়। কিন্তু সকল বিষয়ের বই পাওয়া যায় না। এ জন্য অপেক্ষা করতে হয়।

দোলখোলা মোড় এলাকার সরকারি ইকবাল নগর স্কুলের এক শিক্ষার্থীর অভিভাবক আসমা খাতুন বলেন, নতুন বইতো একসাথে সকল বিষয় দেওয়া হয় না। এক এক বিষয় ভাগ করে করে দেওয়া হয়। শান্তিধাম মোড় এলাকার ইকবাল হোসেন বলেন, নতুন বছরের জন্য বই আসছে। কিন্তু সেই বই একসাথে ঘরে আসে না। কেননা শিক্ষকরা ব্যস্ততা দেখিয়ে সকল বিষয়ের বই একসাথে দেন না। খুলনা জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা গেছে, নতুন বছরের জন্য চাহিদামাফিক শতভাগ বই আসছে। তবে জেলায় কোনো বই আসেনি। সরাসরি উপজেলা পর্যায়ে বই সরবরাহ করা হয়েছে। খুলনা জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা রমেন্দ্র নাথ পোদ্দার বলেন, খুলনায় যে পরিমাণ বইয়ের চাহিদা ছিল তা ইতোমধ্যে উপজেলা পর্যায়ে পৌঁছেছে। কোথাও চাহিদার কম বই পেয়েছে এ ধরনের কোনো অভিযোগ আসেনি। এছাড়া নতুন বছরের প্রথম দিন শিক্ষার্থীদের হাতে নতুন বই তুলে দেয়া হবে।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ