মঙ্গলবার ০৪ আগস্ট ২০২০
Online Edition

মহান বিজয় দিবস উদযাপিত

গাজীপুর সংবাদদাতা : মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে গাজীপুরে জেলা প্রশাসন, পুলিশ প্রশাসন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, রাজনৈতিক , সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন নানা কর্মসূচীর আয়োজন করে।
সূর্যোদয়ের সঙ্গে সঙ্গে একত্রিশ বার তোপধ্বনির মাধ্যমে দিবসের কর্মসূচীর সুচনা করা হয়। পরে গাজীপুরের জেলা প্রশাসক ড. দেওয়ান মুহাম্মদ হুমায়ূন কবীর জেলা শহরের ভাওয়াল রাজবাড়ি মাঠ সংলগ্ন শহীদ স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন।
এদিকে শহীদ বরকত স্টেডিয়ামে আনুষ্ঠানিকভাবে জাতীয় পতাকা উত্তোলন, কুচকাওয়াজ ও বর্ণিল ডিসপ্লের আয়োজন করা হয়। জেলা প্রশাসক ড. দেওয়ান মুহাম্মদ হুমায়ূন কবীর ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মুহাম্মদ রাসেল শেখ কুচকাওয়াজে সালাম গ্রহণ করেন। পরে শহরে বঙ্গতাজ অডিটরিয়মে মুক্তিযোদ্ধাদের সংবর্ধনা প্রদান করা হয়।
গাইবান্ধা
এ উপলক্ষে  স্থানীয় স্টেডিয়ামে আনুষ্ঠানিকভাবে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন জেলা প্রশাসক সেবাস্টিন রেমা। অনুষ্ঠানে বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানসহ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছাত্রছাত্রীরা কুচকাওয়াজ ও শারীরিক কসরত প্রদর্শন করে।
জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) এবিএম সাদিকুর রহমানের সভাপতিত্বে ‘সুখী সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গঠনের লক্ষ্যে ডিজিটাল প্রযুক্তির সার্বজনীন ব্যবহার এবং মুক্তিযুদ্ধ’ শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন জেলা প্রশাসক সেবাস্টিন রেমা।
নীলফামারী
নীলফামারী হাইস্কুল মাঠে আনুষ্ঠানিকভাবে জাতীয় পতাকা উত্তোলন ও কুচকাওয়াজে ছালাম গ্রহণ করেন জেলা প্রশাসক নাজিয়া শিরিন ও পুলিশ সুপার আশরাফ হোসেন। একই মাঠে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের শারীরিক কসরত প্রদর্শন, ক্রীড়ানুষ্ঠান, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক প্রামাণ্য চিত্র প্রদর্শন, বীর মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদ পরিবারের সদস্যদের সংবর্ধনা, শিশু-কিশোরদের সঙ্গীতানুষ্ঠান, মহিলাদের খেলাধুলা, প্রীতি ফুটবল ম্যাচসহ বিভিন্ন অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। জোহর বাদ মসজিদে মসজিদে বিশেষ দোয়া এবং জেলখানা ও সরকারি শিশু পরিবারে উন্নতমানের খাবার পরিবেশন করা হয়।
মানিকগঞ্জ
যথাযোগ্য মর্যাদা ও বিপুল উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে গত রোববার মানিকগঞ্জে মহান বিজয় দিবস উদযাপন করা হয়েছে। এ উপলক্ষে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা, কুচকাওয়াজ, মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদ পরিবারের সদস্যদের সংবর্ধনা, শিশুদের চিত্রাঙ্কন, আবৃত্তি, রচনা ও সংগীত প্রতিযোগিতা এবং আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
শহরের বিজয় মেলা মঞ্চে জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে মুক্তিযোদ্ধাদের সংবর্ধনা দেওয়া হয়। অনুষ্ঠানে যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদ মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সদস্যদের হাতে উপহার সামগ্রী তুলে দেওয়া হয়।
মেহেরপুর
নানা কর্মসূচীর মধ্যে দিয়ে মেহেরপুরে, মুজিবনগর, গাংনীতে পালিত হচ্ছে মহান বিজয় দিবস। শহীদ শামসুজ্জোহা পার্কে ৩১ বার তপোধ্বনির মধ্যে দিয়ে দিনের কর্মসূচি হয়।
পরে কলেজ মোড়ে অবস্থিত স্মৃতিসৌধে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন সর্বস্তরের মানুষ। প্রথমে জেলার প্রশাসনের পক্ষে পুষ্পার্ঘ অর্পণ করেন জেলা প্রশাসক আতাউল গনি। পরে পুলিশ প্রশাসনের পক্ষে পুলিশ সুপার মোস্তাফিজুর রহমান ।
এরপর একে এক বিভিন্ন সরকারি-বেসকারি দপ্তর, বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও সামাজিক, সাংস্কৃতিক সংগঠনের পক্ষে শহীদ বেদীতে পুষ্পার্ঘ অর্পণ করা হয়। পরে শহীদদের আত্মার মাগফেরাত কামনায় দোয়া করা হয়।
চুয়াডাঙ্গা
চুয়াডাঙ্গায় যথাযোগ্য মর্যদায়  মহান বিজয় দিবস উদযাপন করা হয়েছে। স্থানীয় শহীদ হাসান চত্বরে ৩১ বার তোপধ্বনির মাধ্যমে দিনের কর্মসূচি শুরু হয়। এদিন সকাল সাড়ে ৬টায় স্থানীয় শহীদ স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পণ করা হয়।
এসময় জেলা প্রশাসন, পুলিশ প্রশাসন. জেলা পরিষদ, চুয়াডাঙ্গা পৌরসভা ও জেলা আওয়ামী লীগসহ বিভিন্ন  সংগঠন পুষ্পমাল্য অর্পণ করে। চুয়াডাঙ্গার  জেলা প্রশাসক গোপাল চন্দ্র দাস, পুলিশ সুপার মাহবুবুর রহমান, জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শেখ সামসুল আবেদীন খোকন, চুয়াডাঙ্গা পৌরসভার মেয়র ওবায়দুর রহমান চৌধুরী, জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার ও  জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রিয়াজুল ইসলাম জোয়ার্দ্দারসহ সরকারি কর্মকর্মকর্তা ও মুক্তিযোদ্ধারা এ সময় উপস্থিত ছিলেন।
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়
পতাকা উত্তোলন, আনন্দ শোভাযাত্রা, পুষ্পস্তবক অর্পণ এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানসহ নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) মহান বিজয় দিবস-২০১৮ পালিত হয়েছে।
রবিবার সকালে প্রশাসন ভবনের সামনে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করে কর্মসূচীর উদ্বোধন করেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. হারুন-উর-রশিদ আসকারী। এসময় উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. শাহিনুর রহমান বিশ্ববিদ্যালয়ের পতাকা উত্তোলন করেন।
ক্যাম্পাস সূত্রে, পতাকা উত্তোলন শেষে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসন ভবনের সামনে থেকে আনন্দ শোভাযাত্রা শুরু হয়। শোভাযাত্রাটি ক্যাম্পাসের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে মুক্তিযুদ্ধের স্মারক ভাস্কর্য ‘মুক্ত বাংলায়’ গিয়ে সমবেত হয়।
শেষে শহীদদের প্রতি সম্মান জানিয়ে এক মিনিট নিরবতা ও আত্মার মাগফিরাত কামনায় মোনাজাত করা হয়। মোনাজাত পরিচালনা করেন কেন্দ্রীয় মসজিদের পেশ ইমাম ড. আ.স.ম শোয়াইব আহমদ। পরে বিশ্বাবদ্যালয় ফুটবল মাঠে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে আন্তঃহল ভলিবল খেলা অনুষ্ঠিত হয়। দুপুর আড়ইটায় বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমান কেন্দ্রীয় মিলনায়তনে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মাধ্যেমে কর্মসূচীর সমাপ্তি ঘটে।
বাজিতপুর
এ উপলক্ষে ১৬ ডিসেম্বর থানা মাঠে উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে ৩১ বার তোপধ্বনির মাধ্যমে বিজয় দিবস উদযাপনের সূচনা করা হয়। দিনব্যাপী কর্মসূচীর অংশ হিসাবে
সূর্যোদয়ের সাথে সাথে সরকারি, আধা সরকারি, স্বায়ত্বশাসিত ও বেসরকারি ভবন সমূহে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয় । সকাল ৯টার পর থকে ক্রমান্বয়ে উপজেলা প্রশাসন, থানা প্রশাসন, রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগ ও বিএনপি, মুক্তিযোদ্ধা সংসদ, বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সহ সামাজিক সংগঠন ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে কেন্দ্রীয় শহীদ সেলিম স্মৃতি সংসদ প্রাঙ্গন স্বাধীনতা স্তম্ভে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয়।
এছাড়া অন্যান কর্মসূচীর মধ্যে রয়েছে বাদ যোহর মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের আত্মার মাগফেরাত এবং জাতির শান্তি, সমৃদ্ধি ও অগ্রগতি কামনা করে বিভিন্ন মসজিদ, মন্দির ও অন্যান্য ধর্মীয় উপাসনালয়ে বিশেষ মোনাজাত ও প্রার্থনা, বেলা ২ টার দিকে হাসপাতাল ও এতিমখানায় উন্নতমানের খাবার পরিবেশন, সিনেমা হল সমূহে বিনা টিকেটে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক চলচিত্র ও প্রামাণ্য চিত্র প্রদর্শন, বেলা আড়াইটার দিকে উপজেলা প্রশাসন একাদশ বনাম মুক্তিযোদ্ধা ও গণ্যমান্য একাদশ, মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতি বনাম প্রাথমিক শিক্ষক সমিতি প্রীতি ফুটবল ম্যাচ।
তাড়াশ (সিরাজগঞ্জ)
বিজয় দিবস উপলক্ষে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করে বিজয় দিবসের কর্মসুচীর উদ্বোধন করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার ইফফাত জাহান। পরে উপজেলা হেলিপ্যাড ময়দানে শহীদদের স্মরণে ৩১বার তোপধবনি, শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ এবং শহীদদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করা হয়। অপরদিকে সকাল সাড়ে আটটার সময় উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে কেন্দ্রীয় হেলিপ্যাড ময়দানে বিভিন্ন স্কুল, কলেজের শিক্ষার্থীদের নিয়ে বণর্াাঢ্য কুচকাওয়াজ ও শরীরচর্চা  প্রদর্শন অনুষ্ঠিত হয়।
উল্লাপাড়া (সিরাজগঞ্জ)
সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়ায় বিভিন্ন কর্মসূচীর মধ্যে দিয়ে মহান বিজয় দিবস উদযাপিত হয়েছে। বিজয় দিবস উদযাপন উপলক্ষে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করে বিজয় দিবসের কর্মসুচীর উদ্বোধন করেন উপজেলা নিবার্হী অফিসার মোঃ আরিফুজ্জামান।
 উল্লাপাড়া কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে শহীদদের স্মরণে তোপধ্বনি, শহীদ মিনারে পুস্পস্তবক অর্পণ এবং শহীদদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করা হয়।
 অপরদিকে সকাল সাড়ে আটটায় উপজেলা প্রসাশনের উদ্যোগে উল্লাপাড়া সরকারি আকবর আলী কলেজে বিভিন্ন স্কুল, কলেজের শিক্ষার্থীদের নিয়ে বর্ণাঢ্য কুচকাওয়াজ ও শরীরর্চচা প্রদর্শন অনুষ্ঠিত হয়।
 এ সময় সহকারী পুলিশ সুপার শরাফত ইসলাম, উপজেলা চেয়ারম্যান মারুফ বিন হাবিব, উপজেলা আওয়ামী লীগের আহ্বায়ক গোলাম মোস্তফা, পৌর মেয়র এস,এম নজরুল ইসলাম, উল্লাপাড়া মডেল থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা দেওয়ান কউশিক আহম্মেদ, সলংগা থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা তাজুল হুদাসহ আরো অনেকেই উপস্থিত ছিলেন। এ ছাড়া দিনব্যাপী অন্যান্য কর্মসূচীর মধ্যে রয়েছে বীর মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদ মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সদস্য সংবর্ধনা,  মোনাজাত, মিলাদ মাহফিল, মুক্তিযুদ্ধ ভিত্তিক চলচিত্র প্রদর্শন, আলোচনা সভা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।
আগৈলঝাড়া (বরিশাল)
মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ধারন করে জঙ্গি মুক্ত অ-সাম্প্রদায়িক দেশ গড়ার সংকল্প নিয়ে দেশ ও জাতির অগ্রগতি কামনার মধ্য দিয়ে র‌্যালী, আলোচনা সভার মধ্য দিয়ে বরিশালের আগৈলঝাড়া উপজেলা প্রশাসন, মুক্তিযোদ্ধা সংসদ, আওয়ামীলীগ যথাযোগ্য মর্যাদায় বিজয় দিবস পালন করেছে।
সরকারি শহীদ আব্দুর রব সেরনিয়াবাত ডিগ্রী কলেজ মাঠের স্বাধীনতা বিজয় মঞ্চে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বিপুল চন্দ্র দাসের সভাপতিত্বে বিজয় দিবসের আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন উপজেলা চেয়ারম্যান গোলাম মোর্তুজা খান, মুক্তিযোদ্ধা আব্দুর রইচ সেরনিয়াবাত, উপজেলা আওয়ামীলীগ সমন্বয়ক আবু সালেহ লিটন সেরনিয়াবাত, থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো.আফজাল হোসেন, মুক্তিযোদ্ধা ডেপুটি কমান্ডার আবু তাহের মিয়া, জেলা পরিষদ সদস্য এ্যাড. রনজিত সমদ্দার, পেয়ারা ফারুক বখতিয়ার, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান জসীম সরদার, মলিনা রানী রায়, শিক্ষক নির্মলেন্দু বাড়ৈ প্রমুখ।
মুক্তিযোদ্ধাদের সংবর্ধনা
বিজয় দিবস উপলক্ষে গতকাল রোববার সকালে বরিশালের আগৈলঝাড়া উপজেলা প্রশাসন সরকারি শহীদ আব্দুর রব সেরনিয়াবাত ডিগ্রী কলেজ মাঠে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বিপুল চন্দ্র দাসের সভাপতিত্বে স্বাধীনতা বিজয় মঞ্চে মুক্তিযুদ্ধে সর্বোচ্চ আত্মত্যাগের জন্য ১৬ জন শহীদ মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সদস্যদের সংবর্ধনা প্রদান করা হয়েছে।
সংবর্ধনা সভায় বক্তব্য রাখেন উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান গোলাম মোর্তুজা খান, অধ্যক্ষ কমলা রানী মন্ডল, মুক্তিযোদ্ধা আব্দুর রইচ সেরনিয়াবাত, উপজেলা আওয়ামীলীগ সমন্বয়ক আবু সালেহ লিটন, জেলা পরিষদ সদস্য এ্যাড. রনজিত কুমার সমদ্দার, পেয়ারা ফারুক বক্তিয়ার, থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো.আফজাল হোসেন, উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা সুশান্ত বালা ও শিক্ষক নির্মলেন্দু বাড়ৈ প্রমুখ।
চুয়েট)-এর মাননীয় ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ রফিকুল আলম মহোদয় বলেছেন, ডিসেম্বর বাঙালির গৌরবের মাস, অহংকারের মাস। বাংলাদেশের বিজয়ের পর ১৯৭২ সালে দেশে ফিরে বঙ্গবন্ধু দেশ গড়ার কাজে মনযোগ দেন। কিন্তু পঁচাত্তরে স্ব-পরিবারে বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করে ঘাতকরা সেই পথ আগলে ধরে। তবুও আমরা পিছিয়ে পড়িনি। নানা চড়াই-উৎরাই পেরিয়ে বঙ্গবন্ধুর রক্ত তাঁর সুযোগ্য কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নকে বৃথা যেতে দেয় নি। বর্তমানে আমাদের মাথাপিছু আয় ১৭৫১ ডলার এবং জিডিপি ৭.৫১ শতাংশ। এই দুটো পরিসংখ্যানই বিশ্ববাসীর কাছে বার্তা পৌঁছে দিয়েছে যে, বাংলাদেশ এখন আর তলাবিহীন ঝুড়ি নেই।
আমরা এখন উন্নত দেশের কাতারে নিজেদের অবস্থান তৈরি করে নিতে সক্ষম হয়েছি। পঁচাত্তরে যদি আমরা বঙ্গবন্ধুকে না হারাতাম তবে আমাদের বর্তমানের অর্জন আরো ২০ বছর আগেই হয়ে যেতো।
চুয়েট
চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়-এর ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ রফিকুল আলম বলেছেন, ডিসেম্বর বাঙালির গৌরবের মাস, অহংকারের মাস। বাংলাদেশের বিজয়ের পর ১৯৭২ সালে দেশে ফিরে বঙ্গবন্ধু দেশ গড়ার কাজে মনযোগ দেন। কিন্তু পঁচাত্তরে স্ব-পরিবারে বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করে ঘাতকরা সেই পথ আগলে ধরে। তবুও আমরা পিছিয়ে পড়িনি।
চুয়েটে জাতীয় দিবস উদযাপন কমিটির সভাপতি এবং স্থাপত্য ও পরিকল্পনা অনুষদের ডীন অধ্যাপক ড. মোঃ সাইফুল ইসলামের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন পুরকৌশল অনুষদের ডীন অধ্যাপক ড. মোঃ আব্দুর রহমান ভূঁইয়া, তড়িৎ ও কম্পিউটার কৌশল অনুষদের ডীন অধ্যাপক ড. কৌশিক দেব, ছাত্রকল্যাণ পরিচালক অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মশিউল হক, বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) জনাব মোঃ নুরুল হুদা। প্রেস বিজ্ঞপ্তি
বাগমারা (রাজশাহী)
রাজশাহীর বাগমারায় যথাযথ মর্যাদায় মহান বিজয় দিবস পালিত হয়েছে।
রোববার বিজয় দিবসের প্রথম প্রহরে উপজেলার কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয়েছে। ৩১ বার তপোতধ্বনির মধ্যে দিয়ে বিজয় দিবসের সকল কার্যক্রম আরম্ভ হয়।
বাগমারা আসনের সংসদ সদস্য ইঞ্জিনিয়ার এনামুল হক প্রথমে শহীদদের স্মরণে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। পরে উপজেলা প্রশাসন, উপজেলা পরিষদ, বাগমারা থানা, মুক্তিযোদ্ধা কমান্ড, উপজেলা আওয়ামী লীগ, ভবানীগঞ্জ পৌর সভা, বিদ্যুৎ অফিস এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক সংগঠনের পাশাপাশি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সহ বিভিন্ন শ্রমিক ইউনিয়নের পক্ষ থেকে শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয়।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ