রবিবার ২০ সেপ্টেম্বর ২০২০
Online Edition

গায়েবী মামলা!

চৌগাছা (যশোর) সংবাদদাতা, ৯ ডিসেম্বর: ঝিনাইদহের মহেশপুরে ধানের শীষের প্রার্থী অধ্যাপক মতিয়ার রহমানের বিরুদ্ধে তফসিল ঘোষণার পর থেকে তিন তিনটি গায়েবী মামলা দায়ের করেছে পুলিশ। এ তিনটি মামলায় তিনি ছাড়াও উপজেলা চেয়ারম্যান, সাবেক ইউপি চেয়ারম্যানসহ আসামী করা হয়েছে ৪০ জামায়াত-বিএনপি নেতাকর্মীকে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায় তফসিল ঘোষণার পর ধানের শীষের প্রার্থী ও কেন্দ্রীয় জামায়াত নেতা অধ্যাপক মতিয়ার রহমানের বিরুদ্ধে প্রথম মামলা দায়ের হয় ২৮ নভেম্বর। মহেশপুর থানার মামলা নম্বর ৩০। মহেশপুর থানা পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) কাঞ্চন মিয়া বাদি হয়ে ১৯৭৪ সালের বিশেষ ক্ষমতা আইনের ১৫(৩)/২৫-ডি এবং ১৯০৮ সালের বিষ্ফোরক উপাদানাবলী আইনের ৪/৫/৬ ধারায় এই মামলা দায়ের করেন। এ মামলায় প্রার্থী অধ্যাপক মতিয়ার রহমানসহ ১৩ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত আরো ৫/৬ জনকে আসামী করা হয়। মামলার আসামী হিসেবে মহেশপুর উপজেলা ছাত্র শিবিরের সভাপতি জামিল হাসানসহ দুইজনকে গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠানো হয়। ২ ডিসেম্বর আবারো প্রার্থী অধ্যাপক মতিয়ার রহমান ও মহেশপুর উপজেলা চেয়ারম্যান আব্দুল হাইসহ ১২ নেতাকর্মীর নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত আরো ৮/৯ জনের বিরুদ্ধে মহেশপুর থানার উপ-পরিদর্শক শামীম মিয়া বাদি হয়ে আরেকটি নাশকতার প্রচেষ্টার অভিযোগে মামলা করেন। মামলা নং-২। এ মামলায় চার জাময়াত নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠানো হয়। এরপর ৬ ডিসেম্বর আবারো প্রার্থী অধ্যাপক মতিয়ার রহমান ও মহেশপুর উপজেলা চেয়ারম্যান আব্দুল হাই, সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল আলীসহ ১৫ নেতাকর্মীর নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত আরো ৮/৯ জনের বিরুদ্ধে মহেশপুর থানার উপ-পরিদর্শক মনিরুজ্জামান বাদি হয়ে আরেকটি নাশকতার প্রচেষ্টার অভিযোগে মামলা করেন। মামলা নং-৫। এ মামলায় পাঁচ জাময়াত নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠানো হয়।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ