সোমবার ১০ আগস্ট ২০২০
Online Edition

চৌগাছায় উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি ও পৌর জামায়াতের আমীর গ্রেফতার মুহাদ্দিস আবু সাঈদের নিন্দা

চৌগাছা (যশোর) সংবাদদাতা : যশোরের চৌগাছা উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি ও পাশাপোল ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান মাওলানা আব্দুল কাদের এবং চৌগাছা পৌর জামায়াতের আমীর মাওলানা আব্দুল খালেককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার বেলা ১১টার দিকে নিজ নিজ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এলাকা থেকে তাদের আটক করে গায়েবি মামলায় গ্রেফতার দেখানো হয়। মঙ্গলবার দুপুরে একটি গায়েবি বা নাশকতা মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে তাদের আদালতে পাঠানো হয়েছে।

মাওলানা আব্দুল কাদের উপজেলার পাশাপোল ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান এবং দশপাকিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ইসলাম ও নৈতিক শিক্ষা বিষয়ের শিক্ষক। তিনি একটি স্থানীয় পত্রিকায় সাংবাদিকতা করেন। আর মাওলানা আব্দুল খালেক হাজরাখানা পীর বলুহ দেওয়ান দাখিল মাদরাসার সহকারী মৌলভি শিক্ষক।

মাওলানা আব্দুল কাদের পাশাপোল গ্রামের বাসিন্দা। মাওলানা আব্দুল খালেক পৌরসভার পাঁচনমনা গ্রামে বসবাস করেন।

চৌগাছা থানার সেকেন্ড অফিসার উপ-পরিদর্শক (এসআই) এসএম আকিকুল ইসলাম বলেন নাশকতার মামলায় গেপ্তার দেখিয়ে তাদের আদালতে পাঠানো হয়েছে। এদিকে উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি এবং পৌর জামায়াতের আমীরকে সাজানো ভিত্তিহীন মামলায় গ্রেপ্তারের প্রতিবাদ জানিয়েছেন যশোর-২ (চৌগাছা-ঝিকরগাছা) আসনের ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী মুহাদ্দিস আবু সাঈদ মোহাম্মদ শাহাদৎ হুসাইন। যশোর জেলা পশ্চিম জামায়াতের আমীর মাওলানা রেজাউল করিম, সেক্রেটারী নাজির আহমেদ, চৌগাছা উপজেলা জামায়াতের আমীর আমিন উদ্দিন খান, নায়েবে আমীর মাওলানা গোলাম মোর্শেদ, সহ-সেক্রেটারি মাস্টার কামাল আহমেদ প্রমুখ।

এক প্রতিবাদবার্তায় ধানের শীষের প্রার্থী সাবেক সংসদ সদস্য মুহাদ্দিস আবু সাঈদ বলেন, ধানের শীষের পক্ষে গণজোয়ার দেখে তাদের মনে ভয় ধরে গেছে। এ কারণে ভীত হয়ে জামায়াত নেতাদের সাজানো ভিত্তিহীন মামলায় গ্রেফতার করা হচ্ছে। তিনি এধরনের একপেশে নীতি পরিহার করার জন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতি আহ্বান জানান। একই সাথে নির্বাচনে লেভেলপ্লেয়িং ফিল্ড তৈরির জন্য নির্বাচন কমিশনের প্রতি আহ্বান জানান।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ