মঙ্গলবার ১৪ জুলাই ২০২০
Online Edition

সুষ্ঠু নির্বাচনে চাই নিরপেক্ষ প্রশাসন

স্টাফ রিপোর্টার: সরকার ও প্রশাসন নিরপেক্ষ আচরণ না করলে নির্বাচন সুষ্ঠু হবে না বলে মনে করেন সুশাসনের জন্য নাগরিকের (সুজন) সম্পাদক ড. বদিউল আলম মজুমদার। তিনি বলেন, নির্বাচন সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ করতে হলে তাদের পক্ষপাতমূলক আচরণ থেকে বিরত থাকতে হবে। তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ দেশের মধ্যে বিভাজনের রাজনীতি চালু করেছে, তা থেকে দলটিতে বেড়িয়ে আসতে হবে। এবার বিরোধীদল সমৃদ্ধ একটা সংসদ তৈরি হবে। নির্বাচনটা যে খুব শান্তিপূর্ণ হবে তা কিন্তু নয়, এখানে নানারকম চ্যালেঞ্জ থাকবে। ‘ব্যালট স্টাপিং’ হতে পারে। তবে সেক্ষেত্রেও লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড থাকবে। এটা ধানের শীষ এবং নৌকা উভয় পক্ষই করবে। যে যেখানে শক্তিশালী, জনপ্রিয় সে সেখানে এটা করবে। এটা একটা অদ্ভুত ধরনের নির্বাচন হতে যাচ্ছে। গতকাল বৃহস্পতিবার একটি বেসরকারি টিভি চ্যানেলকে এসব কথা বলেন তিনি।

তিনি বলেন, পুরো নির্বাচনটা এখন নৌকা আর ধানের শীষের। এখানে একটা ঝুঁকির ব্যাপার রয়েছে। কোনো কারণে শেষ মুহূর্তে যদি ধানের শীষ সব প্রার্থী প্রত্যাহার করে নেয় তাহলে পুরো নির্বাচনটাই প্রশ্নবিদ্ধ হবে। হয়তো বিএনপি নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়াবে না, তারপরও এ শঙ্কাকে কিন্তু উড়িয়ে দেওয়া যায় না। বিএনপি এখন সব রকমের ইস্যু নিয়েই কথা বলবে, এটা একটা ট্রাম্পিয়ান কৌশল। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প সবসময় একটু আলাদা রকমের কথা বলতেন, যাতে সিএনএন বাধ্য হয় তার ঐ নিউজটা দেখাত। এটা কিন্তু বিএনপির নির্বাচনী কৌশল এবং ক্যাম্পেইনের অংশ। মিডিয়া তাদেরকে অনেকটা সময় দিচ্ছে।

বর্তমান নির্বাচনে যে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড রয়েছে ১ মাস আগে এটা ছিলো না। বেশ দ্রুত অগ্রগতি হয়েছে। প্রত্যাহারের দিন পর্যন্ত এটা চলবে, কিন্তু তারপর কি হবে সেটাই দেখার ব্যাপার। বিএনপি গত ১ বছরে রাজনীতিতে কোনো ভুল করেনি। কৌশলগত দিক থেকে বিএনপি এখন অনেক পরিপূর্ণ বলে মনে করেন তিনি।

তিনি বলেন, আমাদের জাতীয় জীবনে ২ ধাপে এগোচ্ছি। ১ম ধাপ, নির্বাচন শেষে ফলাফল ঘোষণা পর্যন্ত। ২য় ধাপ হবে পরবর্তী সরকারের ৫ বছর। বাংলাদেশে যে গণতান্ত্রিক উন্নতি সেটা নির্দিষ্টভাবে পরিলক্ষিত হচ্ছে। যা আন্তর্জাতিকমহল ও দেশীয়মহল সাদরে গ্রহণ করেছে। 

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ