মঙ্গলবার ১৪ জুলাই ২০২০
Online Edition

ফরিদপুর-৪ আসনে জাফরউল্লাহর পুরনো বাধা শেখ পরিবারের নিক্সন চৌধুরী

ফরিদপুর সংবাদদাতা : ফরিদপুর-৪ সংসদীয় আসনে আ’লীগ মনোনীত প্রার্থী সাবেক সাংসদ ও আ.লীগের সভাপতিমন্ডলীর সদস্য কাজী জাফরউল্লাহর সামনে পুরনো মূল বাধা স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন ওই আসনের বর্তমান স্বতন্ত্র সাংসদ মজিবুর রহমান চৌধুরী  নিক্সন।

কাজী জাফরউল্লাহ বুধবার ১০টার দিকে ভাঙ্গা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সহকারি রিটানিং কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালনকারী মুকতাদিরুল আহমেদের নিকট তার মনোনয়নপত্র জমা দেন।

এসময় তাঁর সাথে উপস্থিত ছিলেন সংরক্ষিত মহিলা সাংসদ নিলুফার জাফরউল্লাহ, ভাঙ্গা পৌরসভার মেয়র আবু ফয়েজ মো. রেজা, ভাঙ্গা বাজার বণিক সমিতির সভাপতি শহীদুল হক মুন্সী প্রমুখ।

অপরদিকে মঙ্গলবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে ফরিদপুরে জেলা প্রশাসক ও জেলা রিটানিং কর্মকর্তার দায়িত্ব পালনকারী উম্মে সালমা তানজিয়ার কাছে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র জমা দেন বর্তমান স্বতন্ত্র দলীয় সাংসদ মজিবুর রহমান চৌধুরী।

এসময় তাঁর সাথে উপস্থিত ছিলেন ভাঙ্গা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান সাহাদাত হোসেন, চরভদ্রাসন উপজেলা আ.লীগের সভাপতি আজিজুর হক, যুগ্ম সম্পাদক সানোয়ার মোল্লা, সদরপুরের উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান ও উপজেল আ.লীগের যুগ্ম সম্পাদক মো. হারেজুর রহমান প্রমুখ।

ফরিদপুরের ভাঙ্গা ও চরভদ্রাসন উপজেলা এবং কৃষ্ণপুর ইউনিয়ন ব্যাতিত সদরপুর উপজেলা নিয়ে গঠিত ফরিদপুর-৪ সংসদীয় আসন। ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারির নির্বাচনে এ আসনে আ.লীগ প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে স্বতন্ত্র প্রার্থী মজিবুর রহমানের কাছে হেরে যান আ.লীগের সভাপতিমন্ডলীর সদস্য কাজী জাফরউল্লাহ।

কাজী জাফরউল্লাহ বলেন, ২০১৪ সালে ‘বঙ্গবন্ধুর আত্মীয়’, ‘বঙ্গবন্ধুর রক্ত’, ‘ নৌকার মাঝি পাল্টাবে’- বলে জনগণকে বিভ্রান্ত করছেন স্বতন্ত্র সাংসদ। কিন্তু তিনি (স্বতন্ত্র সাংসদ) তো তার কিছুই করতে পারেননি।

‘আমি মনে করি আমার অবস্থা ভালো, জনগণ সঠিক পথে থাকবে’-মন্তব্য করে কাজী জাফরউল্লাহ বলেন, তিনি (স্বতন্ত্র সাংসদ) কোন উন্নয়ন করতে পারেননি। উন্নয়ন যা হয়েছে জেলা পরিষদ, এলজিউিডিসহ বিভিন্ন দপ্তরের রুটিন কাজ হিসেবেই হয়েছে। এতে তার কোন ভূমিকা নেই। তিনি একটা টয়লেট পর্যন্ত করতে পারেন নি।

স্বতন্ত্র সাংসদ মজিবুর রহমান বলেন, কাজী জফরউল্লাহ আমার প্রতিদ্বন্দ্বী তিনি আমার সম্পর্কে নানা কথা বলতেই পারেন। আমার বিগত পাঁচ বছরের কাজের মূল্যায়ন করবে জনগণ। এলাকার জনগণের প্রতি আমার আস্থা আছে। তারা আমার কাজের মূল্যায়ন অবশ্যই করবে।

ফরিদপুর জেলা পরিষদের সদস্য ও ফরিদপুর চার আসনের সাবেক এমপির সালেহা মোশাররফের ছেলে শাহেদীদ গামাল লিপু নির্বাচন প্রসঙ্গে বলেন, যে কোনো সময়ের চেয়ে এবার জাফরউল্লাহ সাহেবের এলাকার অবস্থান ভাল। এ নির্বাচনে বিভিন্ন দল অংশ নেওয়ায় স্বতন্ত্র প্রার্থী বেশি সুবিধা করতে পারবে না।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ