মঙ্গলবার ১৪ জুলাই ২০২০
Online Edition

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এতো শিক্ষার্থী কেন আত্মহত্যা করছে? 

মুহাম্মদ নূরে আলম: দেশের উচ্চ শিক্ষাঙ্গনে উদ্বেগজনক হারে বাড়ছে আত্মহত্যার প্রবণতা। তুচ্ছ কারণেও শিক্ষার্থী এমনকি শিক্ষকও আত্মহত্যার পথ বেছে নিচ্ছেন। মনোবিজ্ঞানীদের মতে, আর্থসামাজিক পরিবেশ, শিক্ষাজীবন শেষে চাকরিসংকট, পরিবেশ-প্রতিবেশ সম্পর্কে বিরূপ ধারণা, ঠুনকো আবেগ, ব্যক্তিজীবনে হতাশা, দুশ্চিন্তা ও আত্মবিশ্বাসের অভাবে শিার্থীদের মধ্যে আত্মঘাতী প্রবণতা তৈরি হচ্ছে। শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা বলছেন, বেশির ভাগক্ষেত্রে বেকারত্ব ও প্রেমঘটিত কারণে কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীরা আত্মহননের পথ বেছে নিচ্ছেন।

আত্মহত্যার চিন্তা মাথায় ঘুরপাক খাচ্ছে উল্লেখ করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক গোলাম রব্বানীকে একটি চিঠি দিয়েছেন এক শিক্ষার্থী। গত বুধবার  বেলা সাড়ে ১১ টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের ওই ছাত্র প্রক্টরকে চিঠিটি দেন। চলতি বছরের নবেম্বর পর্যন্ত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ৯ জন শিক্ষার্থী আত্মহত্যা করেছে। গণমাধ্যমে প্রকাশিত তথ্যানুযায়ী, ২০০৫ সাল থেকে ২০১৭ সাল পর্যন্ত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রায় ১৭ জন ছাত্রছাত্রী আত্মহত্যা করেছেন। ‘ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রক্টর অফিস সূত্রে এই তথ্য জানা যায়। জরিমানা মওকুফের আবেদন শিরোনামে একটি চিঠিতে বিষয়টি উল্লেখ করা হয়েছে। প্রক্টরের কাছে এমন সময় এই চিঠি গেল যখন একের পর এক ঢাবি শিক্ষার্থীদের আত্মহত্যার খবর পাওয়া যাচ্ছে। চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে নবেম্বর মাস পর্যন্ত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নয়জন শিক্ষার্থী আত্মহত্যা করেছেন। চিঠি পাওয়ার কথা স্বীকার করেছেন প্রক্টর গোলাম রব্বানী। চিঠির বিষয়টি তিনি দেখবেন বলে জানান প্রক্টর।

চিঠিতে ওই শিক্ষার্থী লিখেছেন, ‘আমি গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের ছাত্র। চলতি সেমিস্টারের একটি কোর্সের জন্য ডিনস কমিটি আমাকে পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন। আমার বাবা হার্ট অ্যাটাকের রোগী, যার ওপর পরিবারের সবাই নির্ভরশীল। তার পক্ষে এত টাকা দেয়া সম্ভব নয়। আগামী শনিবারের ওই পরীক্ষা আমি টাকার অভাবে দিতে পারব না, তাই হতাশায় ভুগছি। আর এই হতাশা থেকে আত্মহত্যার চিন্তা মাথায় ঘুরপাক খাচ্ছে।’ উল্লেখ্য, কোটা সংস্কার আন্দোলন চলার সময় ওই কোর্সটির পরীক্ষা দিতে না পারায় শিক্ষার্থীদের পাঁচ হাজার টাকা করে জরিমানা করে ডিনস কমিটি। গত ২৩ নবেম্বর ঢাবির আরেক শিক্ষার্থীর আত্মহত্যার খবর।

২০১৮ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আলোচিত কয়েকজন শিক্ষার্থীর আত্মহত্যার ঘটনার দিকে নজর দেয়া যাক: ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিন্যান্স বিভাগের তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী তরুণ হোসেন আত্মহত্যা করে। ১৫ আগস্ট ২০১৮ ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সংগীত বিভাগের ৪র্থ বর্ষের মুশফিক বাবু নিজ বাসার ছাদ থেকে লাফ দিয়ে আত্মহত্যা করে। ১৫ অক্টোবর ২০১৮ পারিবারিক অভাব-অনটনের কারণে সুইসাইড নোট লিখে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বিষয়ের চতুর্থ বর্ষের ছাত্র জাকির হোসেন নিজ ঘরে ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেন। ১২ নবেম্বর ২০১৮ রাজধানীর ফার্মগেটের একটি হোস্টেল থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিশ্ব ধর্ম ও সংস্কৃতি বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের ফাহমিদা রেজা সিলভির লাশ উদ্ধার করা হয়। ১৪ নবেম্বর ২০১৮ রাজধানীর আজিমপুরে গলায় ফাঁস দিয়ে ঢাবির হোম ইকোনমিকস কলেজের পুষ্টিবিজ্ঞান বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী লায়লা আঞ্জুমান ইভা আত্মহত্যা করেন। ১৬ নবেম্বর ২০১৮ ঢাবির ইংরেজি বিভাগের সাবেক ছাত্রী মেহের নিগার দানি আত্মহত্যা করেন। ২২ নবেম্বর ২০১৮ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের ২০১৪-১৫ সেশনের শিক্ষার্থী হুজাইফা রশিদ আত্মহত্যা করেন। ২০১৭ সালে একটি জাতীয় দৈনিকে প্রকাশিত প্রতিবেদনের অংশবিশেষ তুলে ধরছি: ‘ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রক্টর অফিস সূত্রে জানা যায়, ২০০৫ সাল থেকে ২০১৬ সাল পর্যন্ত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রায় ১৪ ছাত্রছাত্রী আত্মহত্যা করেছেন। তাদের মধ্যে ২০০৫ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি সূর্যসেন হলের ছাত্র হুমায়ুন কবির হলের ছাদ থেকে লাফিয়ে পড়ে আত্মহত্যা করেন। একই বছরের ২০ অক্টোবর রোকেয়া হলের ছাত্রী উদ্ভিদবিজ্ঞান বিভাগের শিল্পী রানী সরকার প্রেমঘটিত কারণে বিষপানে আত্মহত্যা করেন। ২০০৬ সালের ২৪ এপ্রিল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মাস্টার্সের ছাত্র আক্তার হোসেন চলন্ত ট্রেনের সামনে ঝাঁপ দিয়ে আত্মহত্যা করেন। একই বছরের ২৮ জুলাই রোকেয়া হলের ছাত্রী সাজিদা আক্তার চাচাতো ভাইয়ের সঙ্গে প্রেমঘটিত কারণে আত্মহত্যা করেন। ২০০৭ সালের ২৫ জুন গলায় রশি দিয়ে ঝুলে আত্মহত্যা করেন আইন বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী রোকেয়া হলের আবাসিক ছাত্রী জোহরা খাতুন প্রজ্ঞা। ওই বছরেই চারুকলা ইনস্টিটিউটের সাবেরা খাতুন পাপড়ি নামে এক শিক্ষার্থী অতিরিক্ত ঘুমের বড়ি খেয়ে মারা যান। আবার ২০১২ সালের ২৬ জানুয়ারি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিসংখ্যান বিভাগের শিার্থী ও ঢাবি ছাত্র ইউনিয়নের সভাপতি হাসান ইকবাল সজীব চলন্ত ট্রেনের সামনে ঝাঁপ দিয়ে আত্মহত্যা করেন। ২০১৪ সালে একই ভাবে ট্রেনের সামনে ঝাঁপ দিয়ে আত্মহত্যা করেন ভূগোল ও পরিবেশ বিভাগের মাস্টার্সের শিক্ষার্থী মাহবুব শাহিন। মৃত্যুর আগে তিনি ফেসবুকে ব্যক্তিজীবন নিয়ে হতাশার কথা উল্লেখ করে স্ট্যাটাস দেন। এরপর ২০১৫ সালের মাঝামাঝি সময়ে দীর্ঘদিনের প্রেমের সম্পর্ক ভেঙে যাওয়ায় ঢাবিছাত্র ও উদীয়মান সংগীতশিল্পী নাঈম ইবনে পিয়াস রেজা আত্মহত্যা করেন। রাজধানীর ভাষানটেকে নিজ ঘরে প্রেমিকার ওড়না পেঁচিয়ে আত্মহত্যা করেন তিনি। তারপর ২০১৬ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অনার্স ও মাস্টার্সে প্রথম শ্রেণিতে উত্তীর্ণ মেধাবী শিক্ষার্থী তারেক আজিজ চাকরি না পেয়ে হতাশায় আত্মহত্যা করেন। সবশেষ নতুন বছরের ৪ জানুয়ারি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জগন্নাথ হলে অপু সরকার নামে এক ছাত্রের অস্বাভাবিক মৃত্যু হয়েছে। তিনি আত্মহত্যা করেছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।

এ চিত্র কেবল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়েরই নয়, আত্মহত্যার দিক থেকে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ও এগিয়ে। সাম্প্রতিক সময়ে এই বিশ্ববিদ্যালয়ে অহরহ আত্মহত্যার ঘটনা ঘটছে। একই চিত্র জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়, জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়সহ দেশের প্রায় সবকটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে। এর থেকে মুক্ত নন বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরাও। বিগত বছরগুলোর আত্মহত্যার হার বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যেও আত্মহত্যার প্রবণতা বেড়েছে। 

আত্মহত্যার কারণ সর্ম্পকে মনোবিজ্ঞানীরা বলছে, সারা বিশ্ব জুড়ে দিন দিন কেন বাড়ছে আত্মহত্যা প্রবণতা? আত্মহত্যার কারণকে পারিপার্শ্বিক অবস্থার নানাবিধ চাপ বেড়ে যাওয়া, মূল্যবোধের অবক্ষয়, প্রতিযোগিতা বৃদ্ধি, চাকুরীর সংকট, আর্থিক অনটন, মাদকসেবন, প্রেমে ব্যর্থতা, বিবাহ বিচ্ছেদ, পারিবারিক কলহ ঠিক এইভাবে মোটা দাগে বললেই আমাদের দায় শেষ হবে না। বরং এখন প্রয়োজন একেবারে মাঠ পর্যায়ের মৌলিক গবেষণা। সময় বদলে গেছে। তার সাথে পালটে গেছে আমাদের জীবন ধারা। নতুন নতুন প্রযুক্তি আমাদের জন্য যেমন জানার সুযোগ কাজের সুযোগ বাড়াচ্ছে তেমনি তৈরি করছে নতুন নতুন সমস্যারও। আজকের আত্মহত্যার কারণের সাথে অতীতের কারণ কিংবা ভবিষ্যতের কারণ নাও মিলতে পারে। তাই আমাদের আরও ভাবতে হবে সময়ের সাথে তাল মিলিয়ে। ইন্টারনেট আসক্তি, সমাজের অরাজকতা, রাজনৈতিক অস্থিরতা, চাকুরীজীবী বাবা মায়ের সন্তানের জন্য সময় কম দেয়া, প্রিয়জনের সাথে দূরত্ব বেড়ে যাওয়া, ফেসবুকের বিমূর্ত বন্ধুর মাঝে বুদ হয়ে থেকে সামনের বন্ধুকে ভুলে যাওয়া, ভিডিও গেমের জগতে গিয়ে বিকেলে মাঠের ফুটবলের চল হারিয়ে যাওয়ার মত কারণগুলোকে নিয়ে ভাবতে হবে আমাদের।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মনোবিজ্ঞান বিভাগের চেয়ারপার্সন অধ্যাপক শামীম ফেরদৌস করিম বলেন, সমস্যা সমাধানের উপায় না পেয়ে শিক্ষার্থীরা আত্মহত্যার পথ বেছে নেয়। কয়েক বছর আগে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী হলগুলোতে আত্মহত্যার প্রবণতা বেড়ে গিয়েছিল। তখন হলগুলোতে কাউন্সেলিংয়ের ব্যবস্থা করা হয়। এতে বেশ ইতিবাচক ফল পাওয়া যায়। তখন সব হলে কাউন্সেলিং করার পরিকল্পনা নেয়া হয়। কিন্তু সেটি বাস্তবায়িত হয়নি। অনেক সময় মানুষ একাকি থাকতে পছন্দ করে। এক ধরনের অবস্থা থেকে মুক্তি পাওয়ার চিন্তা থেকে তারা আত্মহত্যার দিকে এগিয়ে যায়। ’ 

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র নির্দেশনা ও পরামর্শদান দপ্তরের সহকারী পরিচালক আশরাফুজ্জামান বাবুল বলেন, ‘কাউন্সেলিং বা পরামর্শভিত্তিক আলোচনা শিক্ষার্থীদের আত্মহত্যার পথ থেকে ফিরিয়ে আনতে সহায়তা করে। তবে সমাজে হতাশার অনেক কারণ বিদ্যমান। এগুলো দূর করা সম্ভব হলে ও শিক্ষার্থীদের মানসিক উন্নয়নে পর্যাপ্ত প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করলে আত্মহত্যার প্রবণতা কমে আসবে’। 

বর্তমান সময়ে আত্মহত্যা বৃদ্ধির পেছনে কারণ হিসেবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মনোবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক এবং এই বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র নির্দেশনা ও পরামর্শদান দফতরের পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) বিশিষ্ট মনোবিজ্ঞানী ড. শাহীন ইসলাম বলেন, পারিপার্শ্বিক অবস্থার নানাবিধ চাপ বেড়ে যাওয়া, মূল্যবোধের অবক্ষয়, প্রতিযোগিতা বৃদ্ধি প্রভৃতি কারণে বর্তমানে আত্মহত্যার মতো ঘটনা বেড়ে যাচ্ছে। তিনি মনে করেন, আত্মবিশ্বাস হচ্ছে মানুষের সবচেয়ে বড় জায়গা। একটি শিশু সামাজিক ও পারিবারিকভাবে বেড়ে ওঠার সময় যে পরিবেশ পায় সেই পরিবেশে যদি সেই শিশুটির আত্মমর্যাদা ঠিকভাবে বেড়ে না ওঠে, নিজের সম্পর্কে ইতিবাচক একটি সঠিক ধারণা তৈরি না হয় তবে পরবর্তী সময়ে জীবনে চলার পথে বিভিন্ন সময়ে তার সামনে যে বাধাগুলো আসে সেসব বাধা সে আর তখন সামাল দিতে পারে না। তাই আত্মবিশ্বাসে ঘাটতি থাকার কারণে এবং আত্মমর্যাদা ক্ষুণœ হওয়ার ভয় কিংবা কঠিন বাস্তবতার মুখোমুখি হওয়ার ভয়ের কারণে সেই ব্যক্তি তখন পারিপার্শ্বিক চাপ সহ্য করতে পারে না। মনের এমন একটি পর্যায়েই আত্মহত্যা করাকে সেই ব্যক্তি সমস্যা সমাধানের সহজ উপায় হিসেবে বেছে নেয়।

বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র নির্দেশনা ও পরামর্শ দান দফতরের পরিচালক অধ্যাপক মেহজাবীন হক বলেন, আমরা প্রযুক্তিগত দিক দিয়ে যত অগ্রসর হচ্ছি আমাদের মাঝে প্রতিযযোগিতার মনোভাব তত বাড়ছে। আমাদের পরিবার, বন্ধু-বান্ধব, আত্মীয়-স্বজনের সাথে সম্পর্কের বন্ধন কমতে শুরু করেছে। এতে করে আমাদের নিজেদের সমস্যাগুলি মনখুলে বলতে পারছি না অন্যকে। ফলে এক প্রকার হতাশা থেকে আত্মহত্যার জন্ম হয়। তবে প্রবণতা বাড়ার কারণ সম্পর্কে তিনি বলেন, একজন আত্মহত্যা করলে আশেপাশে থাকা ব্যক্তিরা একই ধরনের সমস্যার জন্য আত্মহত্যাকে সমাধান হিসেবে বেচে নেয়। যার কারণে এ ধরনের ঘটনা পুনরাবৃত্তি ঘটে এবং আত্মহত্যার প্রবণতা বাড়ে।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ