শনিবার ৩০ মে ২০২০
Online Edition

সিএনসি’র গুচ্ছ স্মরণসভা

“এসো জ্যোতির্ময়তায় উদ্ভাসিত হই”-এই শিরোনামে সেন্টার ফর ন্যাশনাল কালচার (সিএনসি) গত সোমবার ২৬ শে নভেম্বর বিকেলে বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রে এক গুচ্ছ স্মরণসভার আয়োজন করে। সভায় বিশ্বনবী মুহাম্মদ (সাঃ), দার্শনিক দেওয়ান মোহাম্মদ আজরফ, কথাসাহিত্যিক অধ্যাপক শাহেদ আলী, সাহিত্যিক মোহাম্মদ বরকতুল্লাহ ও বিজ্ঞানী মুহাম্মদ-কুদরাত-এ-খুদার-জীবন ও কর্ম নিয়ে বিস্তারিত আলোচনার আয়োজন করা হয়। আয়োজক প্রতিষ্ঠানের সভাপতি মোহাম্মদ আবদুল মালেকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি ছিলেন সাবেক সচিব ও কবি অর্ণব আশিক। প্রধান আলোক ছিলেন সাহিত্যিক ও সুপ্রিম কোর্টের বিশিষ্ট আইনজীবী এ কে এম বদরুদ্দোজা। আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন ইতিহাস গবেষক মোহাম্মদ আশরাফুল ইসলাম, নাট্যকার সাইদুর রহমান সাঈদ, লেখক এমদাদুল হক চৌধুরী, গবেষক শাহ আব্দুল হালিম, সাবেক সিএসপি মোহাম্মদ ফয়জুল কবীর, শিক্ষাবিদ ড. মুহাম্মদ শফিকুল ইসলাম, গবেষক কে.এম আশরাফ, কবি ও সাহিত্যিক মনসুর জোয়ারদার, ইঞ্জিনিয়ার মোজাফফর হোসেন, স্বাগত ভাষণ প্রদান করেন সিএনসির নির্বাহী পরিচালক মাহবুবুল হক। 

প্রধান অতিথি তাঁর ভাষণে বলেন এ এক অভিনব স্মরণসভা। যেখানে বসে আমরা আমাদের ‘রোলমডেল’ মুহাম্মদ (সাঃ) থেকে শুরু করে আমাদের জাতীয় বীরদের মধ্যে অনেককে স্মরণ করতে পারছি। যারা এক সময় আমাদের জ্ঞানের আকাশকে সমুজ্জ্বল করেছিলেন। প্রধান আলোচক তাঁর আলোচনায় বলেন, আমাদের হতাশ হওয়ার কোন কারণ নেই। আমাদের ফেলে আসা পথেই ছিল অনেক আলো। সামনেও আমরা দেখছি অনেক আলোর মশাল। অতীতকে যারা স্মরণ করে তারাই আলোময় সুন্দর ভবিষ্যৎ রচনা করতে পারে। 

স্মরণসভার বিশেষ এক পর্বে “সিরাতুন্নবী পদক” প্রদান করা হয় ড. মুহাম্মদ শফিকুল ইসলামকে, “দেওয়ান মোহাম্মদ আজরফ পদক” প্রদান করা হয় কে, এম আশরাফকে, “শাহেদ আলী পদক” প্রদান করা হয় অর্ণব আশিককে, “কুদরাত-এ-খুদা পদক” প্রদান করা হয় ইঞ্জিনিয়ার মোজাফফর হোসেনকে এবং “বরকতুল্লাহ পদক” প্রদান করা হয় মনসুর জোয়ারদারকে। 

সংগীত ও কবিতা পাঠে অংশগ্রহণ করেন বিশিষ্ট কণ্ঠশিল্পী মাসুদ রানা ও আমিনুল ইসলাম, কবি ফাতিমা জহুরা, কবি শাহনাজ খান, কবি জাফর আহম্মদ, কবি খালিদ শাহাদাৎ হোসেন, কবি হালিমা মুক্তা, কবি আতিক হেলাল প্রমুখ। 

অনুষ্ঠান উপস্থাপনায় ও পরিচালনা করেছেন নুরুল ইসলাম মামুন ও এস, এ হান্নান।  

-এস, এ হান্নান

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ