বৃহস্পতিবার ২৬ নবেম্বর ২০২০
Online Edition

বৃটিশ জমিদাররা চলে গেলেও তাদের কর্মচারী আদিবাসীরা রয়েই গেছে

বৃটিশ আমলে জমিদাররা নীল চাষ করার জন্য কুষ্টিয়ায় এনেছিলেন আদিবাসীদের। নীলকর শাসক টমাস আইভান কেনী এ আদিবাসীদের জঙ্গল পরিষ্কার করে নীল চাষ করার জন্য  এনেছিলেন। তাদের দিয়ে কুষ্টিয়ার আমলা, সদরপুর, মিরপুরসহ বিভিন্ন স্থানে নীলের আবাদ করে। সেই সাথে কুষ্টিয়ার চাষীদেরও জোরপূর্বক তারা নীল চাষ করতে বাধ্য করে। পরবর্তীতে এ নীলচাষের বিরুদ্ধে দেশয়ি জমিদার প্যারী সুন্দরীসহ এ জেলার সচেতন ব্যক্তিবর্গ নীলকর বিরোধী আন্দোলন শুরু করে। গড়ে তোলেন ইংরেজ নীলকর বিরোধী সংগ্রাম। তীব্র আন্দোলনের মুখে তারা এদেশ থেকে বিদায় নেন। নীলকর জমিদাররা এদেশ থেকে চলে গেলেও আদিবাসীরা এদেশে রয়েই যায়। বর্তমানে ওই আদিবাসীরা জেলার বিভিন্ন স্থানে ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে। রাস্তার ধারে, জিকের পরিত্যক্ত জায়গায় এরা অতিকষ্টে বাস করে আসছে। এরা কোথাও বুনো নামে, কোথাও কোল সম্প্রদায় নামে, কোথাও সর্দার নামে, কোথাও বিন্দি, কোথাও বাগাদী নামে পরিচিত। বর্তমানে এরা সকল সুযোগ সুবিধা থেকে বঞ্চিত মিরপুরের আদিবাসী বা বুনো বিন্দি সম্প্রদায়।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ