সোমবার ১৮ জানুয়ারি ২০২১
Online Edition

অক্টোবর মাসে রাজনৈতিক সন্ত্রাস  

মুহাম্মদ ওয়াছিয়ার রহমান : [পাঁচ]  ১৬ অক্টোবর গাইবান্ধার পলাশবাড়ী উপজেলা ছাত্রদল সাবেক যুগ্ম-আহবায়ক মিল্লাত হোসেন মিলনের বাড়ী তল্লাশী ও তার স্ত্রীকে আটক করে মাদক দ্রব্য আইন ভ্রাম্যমাণ আদালত ২ মাসের কারাদন্ড দেয়। ৩০ অক্টোবর গাজীপুরের টঙ্গীতে ছাত্রদল কর্মী ও তিতুমীর কলেজের ছাত্র শাকির বিন হোসাইন এবং জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের এমফিলের ছাত্র জহিরুল ইসলাম জুয়েলকে আটক করে পুলিশ। ৩১ অক্টোবর গাজীপুরের টঙ্গী থেকে পুলিশ টঙ্গী কলেজ ছাত্র ও ছাত্রদল কর্মী আব্দুল্লাহ আল-নোমান, খালেদ ও মাহবুবুল আলম সিফাতকে আটক করে। একই দিন ভাওয়াল কলেজের ছাত্র আল-আমিনসহ দু’জনকে আটক করে পুলিশ। 

যুবদল : ৫ অক্টোবর ঠাকুরগাঁও জেলা যুবদল সভাপতি মহিবুল্লাহ চৌধূরী আবু নূর, ফিরোজুল হক প্রধান, গোবিন্দ বর্মণ ও শাহীনকে আটক করে পুলিশ। ১০ অক্টোবর বগুড়া শহরের তিনমাথা এলাকা থেকে যুবদল জেলা সহ-সভাপতি ফিরোজ হোসেন, কবির হোসেন, মনির হোসেন ও রুবেলকে আটক করে ডিবি পুলিশ। ১৪ অক্টোবর বরিশাল জেলা যুবদল কর্মী জাকির হোসেনকে পুলিশ আটক করে। ২৫ অক্টোবর সিলেটের দক্ষিণ সুরমা যুবদল প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ছালিক আহমদকে ছয়হারা গ্রামে নিজ বাড়ী থেকে পুলিশ আটক করে। ৩১ অক্টোবর নওগাঁর সাপাহার থেকে পুলিশ উপজেলা যুবদল সভাপতি শফিকুল ইসলামকে আটক করে। 

স্বেচ্ছাসেবক দল : ১১ অক্টোবর ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর থেকে পুলিশ স্বেচ্ছাসেবক দল অফিস সম্পাদক মাহফুজুর রহমান পুস্পকে আটক করে। ১৫ অক্টোবর সিলেট শহরে মিছিল থেকে স্বেচ্ছাসেবক দলের এক কর্মী আটক করে পুলিশ। ১৮ অক্টোবর ফেনীর ছাগলনাইয়া পৌর স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা আবুল বাশারকে পুলিশ আটক করে। 

জামায়াত : ৫ অক্টোবর খুলনা পাইকগাছার সরল গ্রাম থেকে ১০ জামায়াত-শিবির নেতা-কর্মীকে আটক করে পুলিশ। আটককৃতরা হলো- পাইকগাছা পৌর জামায়াত সেক্রেটারী আব্দুস সালাম, খুলনা দক্ষিণ জেলা শিবির সভাপতি মুনায়েম, শিবির নেতা আল-আমিন, ইসমাইল, ইছাহাক, মুজাহিদ, মহিবুল ও এনামুলসহ ১০ জন। গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ থেকে পৌর জামায়াত নেতা মোমিনকে পুলিশ মাগুরা গ্রাম থেকে আটক করে। ৬ অক্টোবর রাজশাহী জেলার মোহনপুর উপজেলা পরিষদ ভাইস-চেয়ারম্যান ও উপজেলা জামায়াত নায়েবে আমীর মাওলনা আবুল কালাম আজাদকে আটক করে পুলিশ। ৭ অক্টোবর নোয়াখালী পৌর জামায়াত আমীর নাছিমুল গনি চৌধূরীকে বেগমগঞ্জ চৌরাস্তা থেকে পুলিশ আটক করে। ৮ অক্টোবর দিনাজপুরের ঘোড়াঘাট মুংলিশপুর গ্রামের ইউসুফ আলী ও চেংগ্রামের মতিয়ার রহমানকে আটক করে পুলিশ। চট্টগামে ফটিকছড়িতে ভূজপুর থানা জামায়াত আমীর জিয়াউল হককে পুলিশ দাঁতমারা বাজার থেকে আটক করে। ৯ অক্টোবর ঠাকুরগাঁও জেলার বালিয়াডাঙ্গীতে আমজানখোর ইউনিয়ন জামায়াত নেতা শেখ আইউব আলীকে পুলিশ শিবদীঘি নিজ বাসা থেকে আটক করে। ১১ অক্টোবর কুমিল্লার বুড়িচং কালাকচুয়া থেকে পুলিশ উত্তর জেলা জামায়াত আমীর আলী আশ্রাফ খান, জামায়াত নেতা শাহজাহান, নজরুল, শরিফুল ইসলাম, মাওলানা আব্দুর রহমান, আবুল হোসেন, নজরুল ইসলাম ও আমিনুল ইসলামকে আটক করে। কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম উপজেলার পন্নারার জসিম উদ্দিন ভেন্ডার ও রাজবল্লভপুর গ্রাম থেকে রাজুকে আটক করে। ১৫ অক্টোবর মৌলভীবাজারের জুড়ী থেকে জামাযাত নেতা আকমল হোসেনকে আদালত প্রাঙ্গন থেকে আটক করে ডিবি পুলিশ। ১৭ অক্টোবর নড়াইল জেলা জামায়াতের সেক্রেটারী জননেতা আতাউর রহমান বাচ্চু, জামায়াত নেতা আবুল হাসান ও সমর্থক সেকেন্দার আলীকে দলজিতপুর গ্রাম থেকে আটক করে ডিবি পুলিশ। ১৮ অক্টোবর কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে উপজেলার কালিকাপুর ইউনিয়ন জামায়াত আমীর মাওলানা আবুল হাশেম জামিন নিয়ে জেল থেকে বের হওয়ার পথে পুনরায় তাকে আটক করে পুলিশ। ১৯ অক্টোবর নারায়নগঞ্জের ফতুল্লা পুলিশ জেলা জামায়াতের আমীর মাওলানা মঈনুদ্দিন আহমেদ, বন্দর থানা সেক্রেটারী জাকির হোসেন, জামায়াত নেতা আনোয়ার হোসেন, রাশেদ বেপারী, আলমগীর হোসেন, আল-আমিন, শহীদুল ইসলাম, হারুন-অর-রশীদ ও জয়নাল আবেদীনকে জেলা আমীরের হাজীগঞ্জের বাসা থেকে আটক করে। ২২ অক্টোবর সিলেটের বালাগঞ্জ পুলিশ উপজেলা জামায়াত আমীর মুহাম্মদ আব্দুল জলিলকে বুয়ালজুর বাজার থেকে আটক করে। ২৫ অক্টোবর চট্টগ্রাম থেকে জামায়াতে নেতা অধ্যাপক আহসান উল্লাহ, সাহাব উদ্দিন আকতার ও বাকালিয়ার আসাদুল্লাহকে আটক করে পুলিশ। ২৬ অক্টোবর বরিশাল মহানগরীর নবগ্রাম রোড থেকে ৬ জামায়াত নেতা-কর্মী আটক। আটককৃতরা হলো- আব্দুল হাই, মাওলানা ফজলুর রহমান, কামরুল ইসলাম খান, খলিলুর রহমান, মাহবুব আলম ও কেরামত আলী। ২৭ অক্টোবর খুলনা মহানগরী জামায়াত আমীর মাওলানা আবুল কালাম আজাদকে পুলিশ রয়্যাল মোড় থেকে আটক করে। ২৮ অক্টোবর পিরোজপুর সদর থেকে পৌর জামায়াত নেতা রুহুল আমিন, নামাজপুরের আব্দুল মান্নান ও আব্দুল গাফ্ফারকে পুলিশ আটক করে। গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জের রামভদ্র গ্রামের জামায়াত কর্মী সৈয়দ আলী ও ছাদেকুল ইসলামকে পুলিশ আটক করে। কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে জামায়াত নেতা মাসুম বিল্লাহকে পুলিশ ঢাকা যাওয়ার পথে বাস থেকে আটক করে। ২৯ অক্টোবর সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ থেকে পুলিশ জামায়াত কর্মী ব্রজপাটুলিয়া গ্রামের শহিদুল ইসলাম মিস্ত্রী, নূর মোহাম্মদ মিস্ত্রী ও সেয়ারা গ্রামের কাওছার আলী গাজীকে আটক করে। গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ থেকে পুলিশ কামারদহ ইউনিয়ন জামায়াত সভাপতি আব্দুল মান্নানকে আটক করে। ৩০ অক্টোবর গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ থেকে জামায়াত কর্মী আশেক আলী, ফয়জার রহমান, সিদ্দিকুর রহমান, আব্দুল কাদের মিয়া ও ফিরোজ মিয়াকে পুলিশ আটক করে। চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদরে বিস্ফোরক দ্রব্য ও সন্ত্রাস বিরোধী আইনে রাজশাহীর দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল এক মামলায় জামায়াত-শিবিরের ৫ নেতা-কর্মীকে ১০ বছরের কারাদন্ড ও দশ হাজার টাকা অর্থদন্ড দেয়। দন্ডপ্রাপ্তরা হলো- রেহাইচর এলাকার জামায়াত নেতা আব্দুল খালেক, চাঁদলাই এলাকার শিবির কর্মী কামাল উদ্দিন, বেলাল উদ্দিন, নয়ানশুকা এলাকার সোহেল রহমান ও হেলালপুর এলাকার আনোয়ার হোসেন। ২৮ নভেম্বর ২০১৩  এ ঘটনা ঘটে। ৩১ আক্টোবর ঝিনাইদারে মহেশপুর থেকে ৬ জামায়াত নেতা-কর্মীকে আটক করে পুলিশ। 

শিবির : ৬ অক্টোবর রাজশাহীর মতিহার থানা পুলিশ ৪ শিবির কর্মী জোনাল হোসাইন, আহসান হাবিব, তৌহিদুর রহমান ও হারুন-অর-রশীদকে আটক করে। ১১ অক্টোবর নোয়াখালীর সুবর্ণচরে সাবেক শিবির নেতা ছিফাত উল্লাহ দিদারকে খাসেরহাট বাজারে নিজ দোকান থেকে আটক করে পুলিশ। ২৫ অক্টোবর বরিশালের গৌরনদী থেকে শিবির নেতা মাসুম বিল্লাহকে পুলিশ আটক করে। 

২০ দলীয় জোট : ১০ অক্টোবর কুমিল্লা সদর দক্ষিণ উপজেলা থেকে উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মাহবুব চৌধূরীসহ ২০ দলীয় জোটের ১০২ নেতা-কর্মীকে আটক করে পুলিশ। টাঙ্গাইলের দেলদুয়ার থেকে ২০ দলীয় জোটের ৫ নেতা-কর্মীকে আটক করে পুলিশ। আটককৃতরা হলো- মামুদনগর গ্রামের শিবির কর্মী শাহ আলম শাহীন, একই গ্রামের বিএনপির আব্দুল মজিদ মিয়া, পাঁচরাইল গ্রামের বিএনপি নেতা রতন মিয়া, ছোট বাগজান গ্রামের যুবদল নেতা এনামুল করীম লিটন ও দুয়াজানী গ্রামের আজিজ। গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ থেকে ২০ দলীয় জোটের ৯ নেতা-কর্মীকে আটক করে পুলিশ। আটককৃতরা হলো- নিজপাড়া গ্রামের মাহবুব আলম, নূরুল হুদা, পূর্ব রামজীবন গ্রামের শাহজাদা, ধুমাইটারী গ্রামের জামায়াত নেতা ওসমান গণি, সর্বানন্দ গ্রামের মোকাব্বার আলী, লাল মিয়া, মকবুল হোসেন, জব্বার আলী, কিসমত ও সজীব ডাক্তার। যশোরের চৌগাছা থেকে ২০ দলীয় জোটের ৮ নেতা-কর্মীকে আটক করে পুলিশ। আটককৃতরা হলো- পৌর এলাকার যুবদল নেতা আনিছুর রহমান, অধ্যাপক বিএম হাফিজুর রহমান, বিএনপি কর্মী আল-মামুন শিবলী, সাঞ্চাডাঙ্গার জামায়াত নেতা আব্দুর রহীম, আবুল কাশেম, আবুল হোসেন, জগদীশপুর গ্রামের জামায়াত কর্মী জামাত আলী ও শহরের মুরগী ব্যবসায়ী আমির হোসেন। চট্টগ্রামের মিরসরাই থেকে ২০ দলীয় জোটের ৩ নেতা-কর্মীকে আটক করে পুলিশ। আটককৃতরা হলো- জাফরাবাদের মাঈন উদ্দিন, শহীদ উল্লাহ ও ওয়াহেদপুরের আবু বক্কর। টাঙ্গাইল জেলার বিভিন্ন স্থান থেকে পুলিশ ২০ দলীয় জোটের ২৪ নেতা-কর্মীকে আটক করে। ১২ অক্টোবর টাঙ্গাইলের বাসাইল পৌরসভার পূর্বপাড়া থেকে ২০ দলীয় জোটের ৭ নেতা-কর্মীকে আটক করে পুলিশ। আটককৃতরা হলো- উপজেলা জামায়াত আমীর আফজাল হোসেন, সাংগঠনিক সম্পাদক কবির খানশুর, কাঞ্চনপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি রমজান আলী, কালিশ ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সিনিয়র সহ-সভাপতি নূরুল ইসলাম, সাবেক সাধারণ সম্পাদক আরিফুল ইসলাম লাভলু, বিএনপি নেতা আলম মিয়া ও হোসাইন জমাদ্দার। সিলেট শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় ২০ দলীয় জোট কর্মী ছাত্রদলের তানজিল নাফি ও শিবিরের ইলিয়াসকে ধরে ছাত্রলীগ পুলিশ দেয়। ১৫ অক্টোবর যশোরের শার্শা থেকে ২০ দলীয় জোটের ১২ নেতা-কর্মীকে আটক করে পুলিশ। আটককৃতরা হলো- বেনাপোল পৌর জামায়াত নেতা ও কাউন্সিলর ওয়াহিদুল ইসলাম খোকন, সাগর, রফিকুল ইসলাম, আনোয়ার হোসেন পাশা, আতিয়ার রহমান, মোস্তফা, ইসমাইল হোসেন, আনোয়ার হোসেন বাবু, রুহুল আমিন, হাবিব, আবু জাফর ও শামসুর রহমান। পুলিশ দাবি করে এ সময় ১৫টি তাজা হাত বোমা উদ্ধার করা হয়। ২৬ অক্টোবর মেহেরপুরের গাংনীতে কল্যাণপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠ থেকে বিশ দলীয় জোটের ২৩ নেতা-কর্মীকে আটক করে পুলিশ। আটককৃতরা হলো- ধলা গ্রামের শহীদুল ইসলাম, তেঁতুলবাড়িয়া গ্রামের আব্দুল লতিফ, ই¯্রাফিল হোসেন, হিন্দা গ্রামের মমিন তালুকদার, জোড়পুকরিয়া গ্রামের মোজাম্মেল হক, শাহ আলম, সাহারবাটি গ্রামের আব্দুস সালাম, ঝোড়াঘাট গ্রামের মোজাম্মেল হক, বাড়িয়াপাড়া গ্রামের আলহাজ, কাজিপুর গ্রামের আব্দুল হালিম, জারাফত আলী, হাড়াভাঙ্গা গ্রামের আহমদ আলী, শাহ আলম, ভাটভাড়া গ্রামের আজিজুল হক, খোকন হোসেন, হেমায়েতপুর গ্রামের শামীম রেজা, আলাল, মটমুড়া গ্রামের আকবর আলী, হযরত আলী, রায়পুর গ্রামের বিল্লাল হোসেন, রায়েরকান্দি গ্রামের আব্দুল গফুর ও চাঁদপুর গ্রামের গোলাম মোস্তফা। ২৯ অক্টোবর কক্সবাজার সদর উপজেলার পিএমখালী ইউপি সদস্য মোস্তাক আহমেদকে পুলিশ আটক করে। ওই মামলায় ৫ নম্বর আসামী লায়েক ইবনে ফাজেল গত ৩ বছর কাতারে অবস্থান করেও আসামী হিসাবে গণ্য হয়। নাটোর সদর থেকে ২০ দলীয় জোটের ২ নেতা-কর্মী আটক। আটককৃতরা হলো- জামায়াত নেতা ও এনএস সরকারি কলেজের সাবেক জিএস শামসুল ইসলাম কল্লোল এবং যুবদল সাবেক জেলা আহবায়ক বাবুল চৌধূরী। 

৩১ অক্টোবর যশোরের শার্শা থেকে ২০ দলীয় জোটের ১৬ নেতা-কর্মীকে আটক করে পুলিশ। আটককৃতরা হলো-বসন্তপুর গ্রাম আব্দুর রাজ্জাক, আব্দুল মতলেব, গোড়পাড়া থেকে ইব্রাহিম আলী, আব্দুল্লাহ, লিয়াকত আলী, শেখ আব্দুল গাফ্ফার, আসাদুজ্জামান, আলিয়ানী গ্রামের আইউব আলী, ছাফেদ আলী, পাঁচকায়বা গ্রামের মনিরুজ্জামান, দক্ষিণ বুরুজবাগান গ্রামের কোরবান আলী, আব্দুল আলীম, উলাশী গ্রামের হাবিবুর রহমান ও উপজেলা জামায়াত আমীর হাবিবুর রহমানসহ ১৬ জন। নাটোর জেলার বিভিন্ন স্থান থেকে ২০ দলীয় জোটের ৭ নেতা-কর্মীকে আটক করে পুলিশ। আটককৃতরা হলো- জামায়াতের কামরুন্নাহার মিনা, বিএনপি সদর থানা যুগ্ম-সম্পাদক নজরুল ইসলাম, বিএনপি কর্মী জাহিদুল ইসলাম, যুবদল নেতা মাসুম বিল্লাহ, ছাত্রদল কর্মী শামীম আহমেদ, সিংড়া উপজেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম-সম্পাদক ইব্রাহিম খলিল ফটিক ও জামায়াত কর্মী আলা উদ্দিন। সিরাজগঞ্জের বেলকুচি থেকে ২০ দলীয় জোটের ৩ নেতা-কর্মীকে আটক করে পুলিশ। আটককৃতরা হলো- বেলকুচি উপজেলা পরিষদ ভাইস-চেয়ারম্যান ও জামায়াত নেতা আরিফুল ইসলাম সোহেল, উপজেলা যুবদল সাবেক সভাপতি বনি আমিন ও যুবদল রাজাপুর ইউনিয়ন সাবেক সভাপতি আলী আশরাফ। যশোরের চৌগাছা থেকে ২০ দলীয় জোটের ৯ নেতা-কর্মীকে আটক করে পুলিশ। আটককৃতরা হলো- চৌগাছা শহরের বিএনপি নেতা আমির হোসেন বাবু, দিঘলসিংহা গ্রামের বিএনপি নেতা মিজানুর রহমান, মহসীন আলী, দিঘড়ী মাদ্রাসার শিক্ষক ও জামায়াত নেতা মাওলানা রইচ উদ্দিন, ইব্রাহিম হোসেন, সিরাজুল ইসলাম, আন্দুলিয়া গ্রামের শহীদুল ইসলাম, সুখপুকুরিয়া গ্রামের জামায়াত নেতা ইদ্রিস আলী এবং কাবিলপুর গ্রামের নাছির উদ্দিন।

জাপা : ১৮ অক্টোবর চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত দেয়ায় জাতীয় পাটির নেতা ও চট্টগ্রাম সিটি সাবেক মেয়র মাহমুদুল ইসলাম চৌধূরীর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে স্বপন কুমার দাস নামে এক ব্যক্তি। ২৮ অক্টোবর নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জে পৌর মিলনায়তনে উপজেলা জাতীয় পার্টির দ্বি-বার্ষিক সম্মেলনে কমিটি গঠন নিয়ে নূরুল হক সবুজ গ্রুপ ও হাকিম শহীদ উল্লাহ গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষে ৭ জন আহত হয়। 

জাতীয় ঐক্য ফ্রন্ট : ২২ অক্টোবর ঢাকার উত্তরায় আ.স.ম আব্দুর রবের বাসা থেকে ডিবি পুলিশ তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা ও জাতীয় ঐক্য ফ্রন্ট নেতা ব্যারিষ্টার মঈনুল হোসেনকে আটক করে। চট্টগ্রামের কোতোয়ালী থানায় জাতীয় ঐক্য ফ্রন্টের দুই নেতা বিএনপির কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মাহবুবুর রহমান শামীম ও নগর সাধারণ সম্পাদক আবুল হাশিম বক্করকে জিইসি মোড় থেকে আটক করে পুলিশ। 

ইসলামী ঐক্যজোট : ৪ অক্টোবর চট্টগ্রামে ইসলামী ঐক্যজোটের সিনিয়র নায়েবে আমীর আল্লামা শাহ মহিবুল্লাহ বাবু নগরী সংগঠন থেকে পদত্যাগ করেছে, একই সাথে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের নায়েবে আমীরের পদ থেকেও পদত্যাগ করে বলেছেন আমি ‘আওয়ামী লীগের এজেন্টদের সাথে নেই’। 

তাবলীগ জামায়াত : ১২ অক্টোবর গাজীপুরের টঙ্গীতে ওযাহাতী জোড়ের সিদ্ধান্ত মতে মাওলানা সা’দের কোন সিদ্ধান্ত মানবে না বাংলাদেশ। মাওলানা সা’দের বিরুদ্ধে অভিযোগ তিনি নিজে তাবলীগ জামায়াতের আমীর হিসেবে দাবী করেন, যেটা শরীয়ত বিরোধী। 

জেএমবি : ১৫ অক্টোবর চাঁপাইনবাবগঞ্জের নাচোল আমলাইন পেয়ারা বাগান থেকে জেএমবি সদস্য শিবগঞ্জ উপজেলার রাঘবপুর গ্রামের তৌফিকুল ইসলাম, কাইঠ্যাপাড়া গ্রামের সুলাভ সানাউল্লাহ, গোমস্তাপুর উপজেলার নন্দলালপুর গ্রামের মনিরুল ইসলাম লাদেন ও বেণীচক গ্রামের জিয়াউর রহমানকে আটক করে র‌্যাব-৫। ১৯ অক্টোবর নীলফামারীর ডোমার উপজেলার চিলাহাটি থেকে জেএমবি সদস্য সোনিয়া বেগম, সুমি আক্তার, সাইফুল ইসলাম, আব্দুল জলিল ও রাশিদা বেগমকে আটক করে পুলিশ। 

এবিটি : ১৫ অক্টোবর ঢাকার বসুন্ধরা শপিং কমপ্লেক্স থেকে আনছারউল্লাহ বাংলা টিমের সদস্য আব্দুল্লাহকে আটক করে পুলিশ। 

সর্বহারা : ৫ অক্টোবর সিরাজগঞ্জের তাড়াশ পুলিশ সর্বহারা পার্টির ৫ সদস্যকে আটক করে। 

ইউপিডিএফ (প্রসীত) : ৭ অক্টোবর খাগড়াছড়ির দীঘিনালায় চোংরাছড়ির শিমুলতলী এলাকায় ইউপিডিএফ (প্রসীত গ্রুপের)-এর হাতে জেএসএস কর্মী মঞ্জু চাকমা খুন হয়। ১৭ অক্টোবর রাঙ্গামাটির নানিয়ারচরে বিহারপাড়ায় ইউপিডিএফ দু’গ্রুপের দ্বন্দ্বে গনতান্ত্রিক গ্রুপের কর্মী শান্ত চাকমা খুন হয়।

জেএসএস : ২৪ অক্টোবর রাঙ্গামাটির নানিয়ারচরে উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান শক্তিমান চাকমা হত্যা মামলায় জেএসএস নেতা সুভাষ চাকমা, চঙ্গরাম দেওয়ান, ঋতু চাকমা ও জ্যোতিময় চাকমা আদালতে হাজির হয়ে জামিনের আবেদন করলে আদালত তাদের জামিন নামঞ্জুর করে জেল হাজতে পাঠায়। গত ৩ মে শক্তিমান চাকমাকে হত্যা করা হয়। [সমাপ্ত]

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ