মঙ্গলবার ০৪ আগস্ট ২০২০
Online Edition

স্ত্রীর অত্যাচারে স্বামীর জীবন মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে আদালতে মামলা

কেশবপুর (যশোর) সংবাদদাতা : যশোরের কেশবপুরে স্থাবর, অস্থাবর সম্পত্তি স্ত্রীর নামে লিখে না দেয়ায় ওই স্ত্রী ও তার স্বজনদের একের পর এক অত্যাচার ও ষড়যন্ত্রের শিকার হয়ে এক যুবক জীবন মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে দিনাতিপাত করছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেেছ। এ ব্যাপারে নিরাপত্তা চেয়ে থানায় জিডি করেও রেহাই না পাওয়ায় অবশেষে নির্যাতিত যুবক যশোর বিজ্ঞ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলা দায়ের করেছেন। ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার আড়ুয়া গ্রামে।

অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, ১৯৯৪ সালে উপজেলার আড়ুয়া গ্রমের ওবাইদুল্লাহ গাজীর সাথে পার্শ্ববর্তী ডুমুরিয়া উপজেলার সোভনা গ্রামের পরশউল্লাহ শেখের মেয়ে ঝরণা খাতুনের বিয়ে হয়। দাম্পত্য জীবনে তাদের ঘরে ২ মেয়ে ও ১ ছেলে রয়েছে। বিয়ের পর থেকে ওবাইদুল্লাহ গাজীর সাথে প্রায় সময় ঝগড়া বিবাদ লেগেই থাকতো তার স্ত্রী ঝরণা খাতুনের। এরই সূত্র ধরে, ঝরণা খাতুন, তার ভাই খলিলুর রহমান ভাড়াটে সন্ত্রাসী এনে ওবাইদুললাহ গাজীকে মারপিটসহ খুন জখমের হুমকি দেয়। এ ঘটনায় জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে তিনি গত ২৭ অক্টোবর তার স্ত্রী ও ভাই খলিলসহ ৪ জনের বিরুদ্ধে থানায় একটি সাধারণ ডায়েরী করেন। যার নং- ১১৪৭। বর্তমান ঝরণা খাতুন সমস্ত সম্পত্তি নিজ নামে লিখে নেয়ার জন্যে সন্ত্রাসীদের দিয়ে তার স্বামীকে ভয়ভীতি ও হুমকি দিচ্ছে। ফলে ওবাইদুল্লাহ গাজী পালিয়ে রাত্রিযাপন করছে। এ কারণেই তিনি আদালতে মামলাটি করেছেন। আগামী ২৯ নবেম্বর আদালত আসামীদের স্বশরীরে আদালতে হাজির হওয়ার নির্দেশ দিয়েছে। মামলার অন্য আসামীরা হলো, আড়ুয়া গ্রামের কামাল গাজী, জামাল গাজী ও রাকিব গাজী। 

এ ব্যাপারে খলিলুর রহমান তার বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, সে আমার বোনকে ঠিকমত খেতে পরতে দেয় না। সে আমার বিরুদ্ধে আদালতে মিথ্যা মামলা করেছে।

ঘর ছাড়লো গৃহবধু

যশোরের কেশবপুরে হিজলতলা গ্রামে বখাটের অত্যাচারে স্বামীর ঘর করা হলো না দীনমজুরের স্ত্রী এক সন্তানের জননী আমেনা খাতুনের। এ ঘটনার বিচার চেয়ে বুধবার থানায় একটি অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়েছে। 

অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, ২০১৪ সালে হিজলতলা গ্রামের আজিবার সরদারের ছেলে সুমনের সাথে শিকারপুর গ্রামের আমেনা বেগমের বিয়ে হয়। সংসার করাকালে তাদের ঘরে একটি ৩ বছরের কন্যা সন্তান রয়েছে। সংসার চালানোর জন্য সুমন ইট ভাটায় শ্রমিকের কাজ করার কারণে বাড়ি থাকতে পারে না। এ সুযোগে গত ৬ মাস ধরে প্রতিবেশী প্রভাবশালী আঃ আজিজ সরদারের ছেলে আলম বিভিন্ন সময়ে আমেনা বেগমকে কুপ্রস্তাব, মোবাইলে অকথ্য ভাষায় গালমন্দ, হুমকিসহ উত্ত্যক্ত করে আসছে। বখাটে আলমের কুপ্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় গত ২ নবেম্বর আমেনা বেগমকে এসিড মারার হুমকি দেয়া হয়। এ ঘটনায় সে ভয়ে পিতার বাড়িতে চলে যায়। গত ৬ নভেম্বর রাত সড়ে ৮ টায় বিষয়টি আলমের কাছে জানতে চাইলে সে আমেনা বেগমের শাশুড়ি মরিয়ম বেগমকে অকথ্য ভাষঅয় গালমন্দসহ ছুলের মুঠি ধরে মারপিট করে। এ ঘটনায় মরিয়ম বেঘম বাদি হয়ে আলম ও আব্দুল মজিদকে আসামী করে থানায় একটি অভিযোগপত্র দাখিল করেছে। এ ব্যাপারে আলম জানান, আমি এসবের কিছুই জানি না। তারা আমার সম্পর্কে মিথ্যা বলেছে। থানার এসআই ফকির ফেরদৌস বলেন, অভিযোগ পেয়েছি। অচিরেই তদন্তে যাব। সত্যতা পেলে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ