বৃহস্পতিবার ০৬ আগস্ট ২০২০
Online Edition

ডা. জাফরুল্লাহর বিরুদ্ধে আরেকটি মামলা

স্টাফ রিপোর্টার : গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ও ট্রাস্টি ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরীর বিরুদ্ধে আরেকটি মামলা হয়েছে। হামলা, মারধর, ছিনতাই ও চাঁদা দাবির অভিযোগে মঙ্গলবার রাতে আশুলিয়া থানায় মামলাটি দায়ের করেন রাজধানীর এলিফ্যান্ট রোডের বাসিন্দা ও মির্জানগর এলাকার দি কটন টেক্সটাইল মিলস লিমিটেডের চেয়ারম্যান কাজী মহিবুর রব। মামলায় ২১ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা আরও ৪০ জনকে আসামী করা হয়েছে। এ নিয়ে বিভিন্ন অভিযোগে তার বিরুদ্ধে আশুলিয়া থানায় সাতটি মামলা দায়ের করা হলো।
নাম উল্লেখ করা আসামীরা হলেন গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের ট্রাস্টি ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী, ট্রাস্টি ডা. নাজিম উদ্দিন, নির্বাহী পরিচালক সাইফুল ইসলাম শিশির, প্রশাসনিক কর্মকর্তা আব্দুর রাজ্জাক, আব্দুস সালাম, সিরাজুল ইসলাম, আবু তাহের, দিলিপ কুমার, জমি বেচাকেনার মধ্যস্থ্যতাকারী আওলাদ হোসেন, গণস্বাস্থ্য ফার্মাসিউটিক্যালসের প্রশাসনিক কর্মকর্তা রায়হান কবির, ডা. আব্দুল কাদের, সন্ধ্যা রানী, ডা. ইকরাম হোসেন, ঠিকাদার খোকন, আব্দুর রহিম, গণ বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকার্রী রেজিস্ট্রার গোলাম মর্তুজা আলী বাবু, ইঞ্জিনিয়ার অনিল বাবু, শিরিন, বুলবুলি, মোরশেদ ও শাহ আলম।
কাজী মহিবুর রব মামলায় অভিযোগ করেন, গত রোববার  তার ক্রয় করা জমিতে শ্রমিক নিয়ে উন্নয়নমূলক কাজ করতে গেলে ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরীর হুকুমে আসামীরা চাপাতি, কিরিচ, লাঠিসোঠা, লোহার রড, জিআই পাইপ নিয়ে শ্রমিকদের মারধর করে রক্তাক্ত জখম করে। তারা এক লাখ পাঁচ হাজার টাকা মূল্যের একটি ক্যামেরা ও উন্নয়ন কাজের জন্য আনা আড়াই লাখ টাকা ছিনিয়ে নেয় এবং খুন জখম করার হুমকি দেয়।
আশুলিয়া থানার ওসি রিজাউল হক বলেন, অভিযোগের সত্যতা পেয়েই মামলা নথিভুক্ত করা হয়েছে।
এর আগে গত ২৪ অক্টোবর রাতে কাজী মহিবুর রব জমি দখল করে তার পুকুরের মাছ চুরির অভিযোগে আশুলিয়া থানায় ডা. জাফরুল্লাহর বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করেছেন। তার একদিন পর তিনি দলবল নিয়ে পিএইচএ ভবনের অডিউটোরিয়ামের ভেতরে প্রবেশ করে ব্যাপক ভাঙচুর করেন এবং কটন ক্রাফটস টেক্সটাইল লিমিটেড নামের ব্যানার ঝুলিয়ে দখলে দেন। মাছ চুরি, চাঁদা দাবি, জমি দখলের অভিযোগে ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরীসহ কয়েকজনের বিরুদ্ধে আশুলিয়া থানায় এ পর্যন্ত সাতটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ