বৃহস্পতিবার ০৬ আগস্ট ২০২০
Online Edition

আওয়ামীলীগ ক্ষমতাকে দীর্ঘায়িত করতে রাজনৈতিক সংকটকে জটিল করছে

স্টাফ রিপোর্টার : জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে গতকাল বুধবার বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর উদ্যোগে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। ঢাকায় অনুষ্ঠিত সভায় জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের নায়েবে আমীর মঞ্জুরুল ইসলাম ভুঁইয়া আওয়ামী সরকারকে উদ্দেশ্য করে বলেছেন, অতীত ইতিহাস থেকে শিক্ষাগ্রহণ করে অবিলম্বে নির্দলীয় সরকারের অধীনে গ্রহণযোগ্য নির্বাচন দিন অন্যথায় দেশের জনগণ গণতন্ত্রকে পুনরুদ্ধার করতে ৭ নবেম্বরের চেতনায় উজ্জীবিত হয়ে রাজপথের আন্দোলনে আপনাদেরকে বাধ্য করবে। তিনি আরোও বলেন, বাংলাদেশের জনগণ বাকশাল চায়নি বলেই ৭ নবেম্বর সৃষ্টি হয়েছিল। ৭ নবেম্বর পরবর্তী সিপাহী-জনতার সরকার ক্ষমতায় এসে প্রকৃত মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করে জাতিকে মুক্ত করেছিলেন। বাংলাদেশের নাগরিকদের সভা সমাবেশ সংগঠন করার মৌলিক অধিকার প্রতিষ্ঠা করেছিল। অন্যদিকে বর্তমান ক্ষমতাসীন স্বৈরাচার ও ফ্যাসিবাদী আওয়ামী সরকার ক্ষমতায় এসে আবারো পূর্বের ন্যায় অঘোষিতভাবে দেশে বাকশাল কায়েম করেছে। তাই দেশ, জাতিসত্তা, স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় এই অগণতান্ত্রিক শক্তির দুঃশাসনের বিরুদ্ধে সকলকে জেগে উঠে ঐক্যবদ্ধ প্রয়াস চালাতে হবে।
গতকাল বুধবার রাজধানীর একটি মিলনায়তনে জামায়াতে ইসলামী ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের উদ্যোগে আয়োজিত জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। কেন্দ্রীয় মজলিশে শুরা সদস্য ও ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের কর্মপরিষদ সদস্য মুহাম্মদ আব্দুস সবুর ফকিরের সঞ্চালনায় আলোচনা সভায় আরও বক্তব্য রাখেন ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের কর্মপরিষদ সদস্য কামাল হোসেন, ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের কর্মপরিষদ সদস্য ও শ্রমিক নেতা আব্দুস সালাম, সুপ্রীম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী জামায়াত নেতা এডভোকেট আব্দুর রাজ্জাক প্রমুখ নেতৃবৃন্দ।
মঞ্জুরুল ইসলাম ভুঁইয়া বলেন, ৭ নবেম্বর জাতীয় জীবনে একটি ঐতিহাসিক দিন। ১৯৭৫ সালের এই দিনে সিপাহী জনতা ঐক্যবদ্ধ হয়ে রাজপথে নেমে এসে দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের বিরুদ্ধে পরিচালিত আগ্রাসন ও ষড়যন্ত্র ‘নারায়ে তাকবীর আল্লাহু-আকবার’ ধ্বনিতে মোকাবেলা করেছিল। তৎকালীন শাসক গোষ্ঠী দেশের স্বাধীনতা বিকিয়ে দিয়ে এবং নিজেদের ক্ষমতা চিরস্থায়ী করার জন্য মানুষের বাক স্বাধীনতা, ব্যক্তি ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতাকে গলাটিপে হত্যা করে একদলীয় বাকশাল কায়েম করেছিল। আওয়ামী বাকশালী সরকার অগণতান্ত্রিক ও স্বৈরাচারী পন্থায় মানুষের ন্যায়সঙ্গত প্রতিবাদের উপর দমন-পীড়ন চালিয়েছিল। এ অবস্থায় স্বাধীনতা রক্ষায় অকুতোভয় দেশ প্রেমিক সৈনিক ও জনতার ঢল নামে রাজপথে। এক অনিশ্চিত ও শ্বাসরুদ্ধকর অবস্থা থেকে সিপাহী জনতা ঐক্যবদ্ধভাবে আন্দোলনের মাধ্যমে দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বকে হেফাজত করে দেশের জনগণকে মুক্ত করেছিল। আজও  দেশের রাজনীতি, অর্থনীতি ও সাংস্কৃতিকে নিয়ন্ত্রণ করে একটি মহল প্রভুত্ব কায়েম করতে চায়। তাই ৭ নবেম্বরের চেতনায় দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় দেশের জনগণকে আবারো ঐক্যবদ্ধভাবে এগিয়ে আসতে হবে।
তিনি আরও বলেন, সরকার গণতন্ত্র ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধকে নির্বাসিত করে দেশে ঘোলাটে পরিস্থিতি সৃষ্টি করেছে। ৫ জানুয়ারির তামাশা ও ভাঁওতাবাজির নির্বাচনের মাধ্যমে আবারও ক্ষমতায় এসে নতুন করে খুন, গুম অপহরণ ও গুপ্তহত্যাসহ নানাবিধ অপকর্মে লিপ্ত হয়। আইনের শাসনের পরিবর্তে রাজনৈতিক হয়রানীর মাধ্যমে বিরোধী দলীয় নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে কাল্পনিক মামলা, গণগ্রেফতার ও নির্মম ও নিষ্ঠুর নির্যাতন চালায়। তারা কথিত মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচারের নামে প্রহসন করে জাতীয় নেতাদের একের পর এক নির্মম ও নিষ্ঠুরভাবে হত্যা করে। সরকার নিজেদের ক্ষমতাকে দীর্ঘায়িত করার জন্যই সংবিধানের নামে রাজনৈতিক সংকটকে আরও জটিল করে তুলছে। এ থেকে মুক্তির জন্য সর্বাগ্রে দরকার সকল দলের অংশগ্রহণে একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন। অথচ বিগত জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও কয়েকটি সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে এটা স্পষ্ট প্রতীয়মান যে, এই সরকারের অধীনে কোন প্রকার সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে পারে না। তাই নির্দলীয় তত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য জাতীয় নির্বাচন এবং গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে সংলাপের পাশাপাশি রাজপথে দেশবাসীকে ঐক্যবদ্ধ শান্তিপূর্ণ দুর্বার গণআন্দোলন গড়ে তোলার আহবান জানান।
ঢাকা মহানগরী উত্তর : জামায়াতে ইসলামীর মজলিশে শুরা সদস্য, ঢাকা মহানগরী উত্তরের কর্মপরিষদ সদস্য ও মোহাম্মদপুর থানা পশ্চিমের আমীর মাওলানা দেলাওয়ার হোসাইন বলেছেন,  মূলত জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের চেতনা আধিপত্যবাদী ও স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ববিরোধী অপশক্তির বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ সংগ্রামের চেতনা। তাই ৭ নবেম্বরের চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে স্বৈরাচার, ফ্যাসীবাদ, জুলুমতন্ত্র ও অগণতান্ত্রিক শক্তির মোকাবিলায় সকলকে  সোচ্চার হতে হবে। তিনি দেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব ও ইসলামী মূল্যবোধ রক্ষায় সকলকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহবান জানান।
রাজধানীর একটি মিলনায়তনে কেন্দ্র ঘোষিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে জামায়াতে ইসলামী ঢাকা মহানগরী উত্তরের মোহাম্মদ থানা পশ্চিম আয়োজিত বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষ্যে এক আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলে সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। থানা সেক্রেটারি আব্দুল ওয়াজেদের পরিচালনায় আলোচনা সভায় উপস্থিত ছিলেন জামায়াত নেতা এনামুল  হক, আবুল কালাম আজাদ, কাজী আখিরুজ্জামান, এবাদত হোসেন ও মাওলানা বদরুল হক প্রমুখ।
মাওলানা দেলাওয়ার বলেন, অবাধ গণতন্ত্র, সাম্য, সামাজিক ন্যায়বিচার ও আইনের শাসনের প্রতিষ্ঠায় প্রত্যাশা নিয়েই আমরা স্বাধীনতা অর্জন করেছি। কিন্তু স্বাধীনতা পরবর্তী সরকারের বিভেদের রাজনীতির কারণেই আজও আমরা কাঙ্খিত লক্ষ্যে পৌঁছতে পারিনি। একটি সদ্য স্বাধীন রাষ্ট্র পুনর্গঠনে যখন জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করা উচিত ছিল তখন ক্ষমতাসীনরা জাতিকে বহুধাবিভক্ত করে রাজনৈতিক ফায়দা হাসিল করেছে। তারা নিজেদের ক্ষমতাকে নিরঙ্কুশ করার জন্যই দেশের সকল রাজনৈতিক দল নিষিদ্ধ ঘোষণা করে দেশে একদলীয় বাকশালী শাসন কায়েম করেছিল। তারা তামাশা ও ভাওতাবাজীর নির্বাচনের মাধ্যমে ক্ষমতায় এসে নতুন করে বাকশাল কায়েমের দিবাস্বপ্ন দেখছে। কিন্তু তাদের সে স্বপ্ন কখনো বাস্তবরূপ নেবে না বরং ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনের মাধ্যমে জনগণ তা রুখে দেবে।
তিনি বলেন, মূলত সিপাহী-জনতার ঐক্য ও সম্মিলিত প্রয়াসের মাধ্যমে আধিপত্যবাদী অপশক্তির হাত থেকে দেশ ও জাতিকে রক্ষা করা হয়। সিপাহী-জনতার সাথে সকল পেশা ও শ্রেণির মানুষ রাজপথে নেমে আসে এবং দেশ, জাতি, ইসলাম ও ইসলামী মূল্যবোধ রক্ষায় স্লোগানে স্লোগানে রাজপথ মুখরিত করে তোলে। এর মাধ্যমে দেশের বৃহত্তর জনগোষ্ঠীর প্রকৃত চিন্তা-চেতনা, বোধ-বিশ্বাস, আবেগ-অনুভূতি ও দেশপ্রেমের স্ফূরণ ঘটে। তাই ৭ নভেম্বরের চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে দেশকে আধিপত্যবাদ ও দুঃশাসন মুক্ত করতে  সকলকে ঐক্যবদ্ধ প্রয়াস চালাতে হবে। তিনি হৃত গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে সকলকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহবান জানান।
রূপনগর থানা: রূপনগর থানার উদ্যোগে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। জামায়াত নেতা জামাল উদ্দীনের পরিচালনায় আলোচনা সভায় সভাপতির বক্তব্য রাখেন থানা আমীর মো. নাসির উদ্দীন। উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় জামায়াত নেতৃবৃন্দসহ এলকার গণ্যমান্য ব্যক্তিগণ।
ভাষানটেক থানা: ভাষানটেক থানার উদ্যোগে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষ্যে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতির বক্তব্য রাখেন জামায়াতে ইসলামী ঢাকা মহানগরী উত্তরের মজলিশে শুরা সদস্য ও থানা আমীর আলাউদ্দীন মোল্লা। উপস্থিত ছিলেন জামায়াত নেতা আলী হায়দার, ইকবাল হোসেন খান, কাউসার, মাহতাব, হারুন ও মিজান প্রমুখ।
কাফরুল থানা উত্তর: কাফরুল থানা উত্তরের উদ্যোগে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। আলোচনা সভায় সভাপতির বক্তব্য রাখেন ঢাকা মহানগরী উত্তরের মজলিশে শুরা সদস্য ও থানা আমীর আব্দুল মতিন খান। উপস্থিত ছিলেন জামায়াত নেতা খান মোস্তফা হাবীব. ড. জয়নাল আবেদীন, মোস্তফা  কামাল পাশা, কেরামত বিন আহমদ মিয়াজী, সোহরাব হোসেন, সাইদুল ইসলাম ও মতিউর রহমান প্রমূখ।
হাতিলঝিল থানা পশ্চিম: হাতিরঝিল থানা পশ্চিমের উদ্যোগে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষ্যে এক আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। আলোচনা সভায় সভাপতির বক্তব্য রাখেন ঢাকা মহানগরী উত্তরের মজলিশে শুরা সদস্য ও থানা আমীর মু. আতাউর রহমান সরকার। উপস্থিত ছিলেন থানা সেক্রেটারি ইউসুফ আলী মোল্লা, জামায়াত নেতা সুলতান মাহমুদ ও আবু সাঈদ মন্ডল প্রমূখ।
আদাবর থানা: জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে আদাবর থানার উদ্যোগে নগরীতে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। জামায়াত নেতা হাসান আব্দুল্লাহ সাকিবের পরিচালনায় আলোচনা সভায় সভাপতির বক্তব্য রাখেন থানা সেক্রেটারি এস এম আব্দুল হান্নান। উপস্থিত ছিলেন জামায়াত নেতা শামসুল আলম, ইঞ্জিনিয়ার শফিক, মো. আবু জাফর, আব্দুর রহমান ও আব্দুর রশীদ প্রমুখ।
কুষ্টিয়া জেলা: জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে কুষ্টিয়া জেলা জামায়াতের উদ্যোগে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে কুষ্টিয়া জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি অধ্যাপক আবুল হাসেম পরিচালনায় প্রধান অতিথি ছিলেন জেলা জামায়াতের আমীর অধ্যাপক খন্দকার এ কে এম আলী মহসিন। বিশেষ অতিথি ছিলেন জেলা জামায়াতের সিনিয়র নায়েবে আমীর অধ্যাপক ফরহাদ হোসাইন, নায়েবে আমীর শাজাহান আলী মোল্লা, জেলা জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি হাফেজ রফিউদ্দীন আহমেদ সহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।
ফরিদপুর সংবাদদাতাঃ ৭ নবেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে ফরিদপুর পৌর জামায়াতের উদ্যোগে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। গতকাল বিকাল ৪টায় স্থানীয় ফরিদপুর জেলা জামায়াতের কার্যালয়ে এ আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন ফরিদপুর জেলা জামায়াতের আমীর অধ্যাপক আব্দুত তাওয়াব। ফরিদপুর জেলা পৌর আমির ইমতিয়াজ উদ্দিন আহমেদের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মাওলানা বদরুদ্দীন আহমেদ, পৌর নায়েবে আমির এস.এম আবুল বাশার, শিবির শহর শাখা সেক্রেটারি তৌহিদুল ইসলাম, মুন্সি গোলাম রসুলসহ স্থানীয় জামায়াতের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।
বরিশাল মহানগরী: জামায়াতে ইসলামী বরিশাল মহানগরীর উদ্যোগে ৭ই নবেম্বর বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা করা হয়। সভায়  প্রধান অতিথি ছিলেন জামায়াতে ইসলামী বরিশাল মহানগরীর নায়েবে আমীর অধ্যক্ষ আমিনুল ইসলাম খসরু, অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন বরিশাল মহানগরীর সেক্রেটারি জহির উদ্দিন মোঃ বাবর।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ