সোমবার ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২১
Online Edition

নিরপেক্ষ পোশাকের আড়ালে নির্লজ্জ পক্ষপাতিত্ব!!!!!

রুকসানা ফেরদৌসী : (১)  ২৩ অক্টোবর শাহরিয়ার কবিরের নেতৃত্বে ৮ সদস্যের একটি টিম নির্বাচন কমিশনে যান। এর মধ্যে আলোচিত ২ জন বিচারক ছিলেন: নিজামুল হক নাসিম ও শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিক। জামায়াতকে স্বতন্ত্রভাবে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে না দেয়ার অদ্ভুত এক দাবি নিয়ে তারা তথায় গিয়েছিলেন। এর দ্বারা প্রমাণ হয় তারা ভিন্ন মতের প্রতি মোটেও শ্রদ্ধাশীল নন। আদালতকে ব্যবহার করে রাজনৈতিক নিবন্ধন বাতিল করে ও শান্তি পাচ্ছেন না, এখন আসছেন স্বতন্ত্রে। এই দেশ কারো পৈতৃক সম্পত্তি নয়, সবার অধিকার রয়েছে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করার।
বিচারপতি নিজামুল হক ও শামসুদ্দিন চৌধুরী জামায়াতের শীর্ষ নেতাদের ফাঁসির রায় দিয়েছেন, শাহরিয়ার কবির ছিলেন সাক্ষী।  বিচারক হবেন নিরপেক্ষ,  এখানে সাক্ষী, বিচারক এক হয়ে বিচারের আরেকটা পক্ষের বিরুদ্ধে অবস্থান করছেন। তাহলে এটা কীভাবে বিচার হলো??? কি নির্লজ্জ বিচারব্যবস্থা!!!!  যারা নিজের পোশাক আর শপথের ন্যূনতম মান ও বজায় রাখতে জানেনা তাদের কাঁধে কীভাবে ন্যায়বিচারের দায়িত্ব তুলে দেয়া হয়??? ন্যায়বিচার না পাওয়া পরিবারগুলোর অশ্রু, আর্তনাদের ভার কিয়ামতের দিন ঐ কাঁধ বইতে পারবে তো???
(২) আমরা বড় ন্যায়পরায়ণ জাতি। এখানে অন্যায় করে পার পাওয়ার কোন সুযোগ’ই নাই। তবে হ্যা অন্যায়টা যদি কোন মানির মানহানির হয়, তবেই কেবল আপনার রেহাই নেই, ঘূর্ণিঝড়ের বেগে সমস্ত দেশ থেকে মামলা ছুটে আসবে আপনার দিকে।
যার মানহানি হয়েছে সে নিজে যেখানে মামলা করেছে, সেখানে আরো এতজন কেন??? মনে হয় মামলার মধ্য দিয়ে তারাও শব্দটার সাথে নিজেদের সম্পর্কের রেজিস্ট্রি করে নিচ্ছেন।
ক্ষমতাবানদের মুখের কথাই যেখানে আইন, সেখানে ন্যায়বিচার নির্বাসিত থাকবে সেটাই স্বাভাবিক।  মানহানি মামলার সব ধারা জামিনযোগ্য হলেও ব্যারিস্টার মইনুল হোসেনের মতো বর্ষীয়ান আইনজীবীকে হেনস্তা করা হচ্ছে।
রাষ্ট্রনিজেসহ সংঘটিত করা হাজার হাজার অপরাধ নিরবে নিভৃতে চাপা দেয়া হচ্ছে, আর অপ্রয়োজনীয় বিষয়ে ব্যস্ত রাখা হচ্ছে আদালত কে।
যদিও তাকে জামিন না দেয়ায় প্রমাণিত হয়েছে বিচারকরা প্রকৃত ক্ষমতা ভোগ করতে পারছেন না আবার অনেকেই করছেন পক্ষপাতিত্ব।
চোরকে চোর ই  বলা হয়, ধার্মিক নয়, অনেক সময় চোরের মার বড় গলাও শুনতে পাই।  ডাকাত কে ডাকাত আর চোরকে চোর বলতে পারাটা ও সাহসের ব্যাপার।
মইনুল হোসেনদের মাধ্যমে মজলুমদের সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে, সব মজলুম ই জনতা। এর ন্যায়বিচার একদিন হবে, জনতার আদালতে, যেখানে পক্ষপাতিত্বের কোন সুযোগ নেই।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ