সোমবার ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২১
Online Edition

যে অঙ্গনে ফুটতো ফুল আজ সেখানে ঝরাপাতা

মানসুরা রহমান : মাদ্রাসা আরবি শব্দ দারসুন থেকে উদ্ভুত যার অর্থ পাঠ। মূল শব্দ হিব্রু মিদরাসা। যেকোন ধরনের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে মাদ্রাসা বলা যায়। হোক তা ধর্মীয় বা ধর্মনিরপেক্ষ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। মাদ্রাসা বলতে এমন এক স্থান বা প্রতিষ্ঠানকে বুঝায় যেখানে শিখন - শেখানো এবং পড়ালেখা চলে।
মাদ্রাসা আরবী শব্দটি ইংরেজী স্কুল বা বাংলায় বিদ্যালয় শব্দের সমার্থক। তবে সাধারণ দিক থেকে ধর্মীয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে মাদ্রাসা বলা হয়।
মাদ্রাসা শিক্ষায় প্রথম প্রতিষ্ঠান ছিল সাফা পর্বতের পাদদেশে যায়েদ বিন আরকামের বাড়িতে যেখানে স্বয়ং মুহাম্মদ (স.) ছিলেন শিক্ষক এবং শিক্ষার্থী ছিলেন তার কয়েকজন নওমুসলিম সাহাবী। হিজরতের পর মদিনায় মসজিদে আহলে মুফফা। শিক্ষক ছিলেন উবাদা ইবনে সামিত শিক্ষার্থীদের মধ্যে ছিলেন আবু হুরাইরা, মুয়াজ বিন জাবাল, গিফারী (রা.) প্রমুখ। সেকালের মাদ্রাসার পাঠ্যসূচীতে ছিলো কোরআন, হাদীস, ফারায়েজ প্রাথমিক চিকিৎসা, বংশ শাস্ত্র, তাজবিদ ইত্যাদি। এছাড়া অশ্ব চালনা যুদ্ধবিদ্যা হস্তলিপি বিদ্যা, শরীর চর্চা পাঠ্যসূচীর অন্তর্ভূক্ত ছিল। নবুওয়াতের প্রথম দিন থেকে উমাইয়া বংশের শাসনামলের প্রথম ভাগ পর্যন্ত প্রায় একশ বছর সময়কালকে মাদ্রাসা শিক্ষার প্রথম পর্যায় ধরা হয়।
একাদশ শতাব্দীতে পারস্যের বিখ্যাত ইসলামী দার্শনিক ও পন্ডিত ইবনে সিনা তাঁর এব বইয়ে মকতব সমূহের কর্মরত শিক্ষকদের নির্দেশনা হিসেবে মকতব সম্পর্কে শিশুদের প্রশিক্ষণ ও লালন পালনের ক্ষেত্রে শিক্ষকের ভূমিকা নামে একটি অধ্যায় লিখেছেন। সেখানে ছাত্রদের মাঝে প্রতিযোগিতা ও পারস্পরিক অনুসরণ করে শিক্ষালাভের মূল্যের পাশাপাশি শ্রেণীবদ্ধ আলোচনা ও বিতর্কের প্রতিযোগিতার বিভিন্ন উপকার ব্যাখ্যা করেছেন। ইবনে সিনা মকতবের শিক্ষার দুটি স্তরের শিক্ষার পাঠ্যক্রম বিস্তারিতভাবে উল্লেখ করে মকতবের পাঠ্যসূচীর ব্যাখ্যা দেন-
প্রাথমিক শিক্ষা ও মাধ্যমিক শিক্ষা
প্রাথমিক শিক্ষা : ইবনে সিনা লিখেছেন যে শিশুদেরকে ৬ বছর বয়স থেকেই মকতবে পাঠানোও ১৪ বছর বয়স পর্যন্ত প্রাথমিক শিক্ষা দেয়া উচিত। এ সময়ে তারা কুরআন, হাদিস, ইসলামী দর্শন ভাষা, সাহিত্য ইসলামী আচার ব্যবহার ও ব্যবহারিক (অর্থাৎ প্রকারের প্রায়োগিক) দক্ষতা আয়ত্ব করে।
মাধ্যমিক শিক্ষা : ইবনে সিনা মকতব ভিত্তিক শিক্ষার দ্বিতীয় স্তরকে এমন একটি বিশেষ যোগ্যতা অর্জনের ক্ষেত্র বলে আখ্যায়িত করেছেন যে সেক্ষেত্রে ছাত্রদের কর্তব্য হল, কোন সামাজিক মর্যাদার প্রতি ভ্রুক্ষেপ না করে প্রায়োগিক যোগ্যতা অর্জন করা। তিনি লিখেছেন যে চৌদ্দউর্ধ্ব ছেলেমেয়েদেরকে তাদের নিজ ইচ্ছামত কোন বিষয় বেছে নিয়ে যে বিষয় বিশেষজ্ঞতা অর্জন করতে দেয়া উচিত যাতে সে আগ্রহ বোধ করে, তা হতে পারে ব্যবহারিক দক্ষতা, সাহিত্য দ্বীনের দাওয়াত, জ্যামিতি, ব্যবসা - বাণিজ্য, কারুকর্ম অথবা অন্য যেকোন এমন বিষয় বা বৃত্তি যা অনুযায়ী সে ভবিষ্যতে জীবন গড়ে তুলতে চায়। তিনি আরো লিখেন যে এটা তাদের পরিবর্তনশীল সময় আর ছাত্র - ছাত্রীদের বেড়ে ওঠার বয়স অনুযায়ী তাদের জন্য নমনীয়তা রাখা প্রয়োজন, যার পাশাপাশি ছাত্র-ছাত্রীদের মানসিক বিকাশ ও তাদের নির্বাচিত বিষয়গুলোকেও বিবেচনায় রাখা বাঞ্চনীয়।
ভারতীয় উপমহাদেশে মাদ্রাসা ভারতীয় উপমহাদেশের প্রথম মকতব বা ফোরকানিয়া মাদ্রাসা সমূহ দিল্লী, লখনৌ মাদ্রাজ, ঢাকা ইত্যাদি, সর্বপ্রথম মাদ্রসার ইমারাত নির্মিত হয়েঝিল সুলতানের নির্মাতা ছিলেন মৌলানা কুতুবউদ্দিন কাশানি, শেখ বাহাউদ্দিন যাকারিয়া মলতানি ৫৭৮ হিজরী সনে এই মাদ্রাসায় শিক্ষা গ্রহণ করেন। সুলতানী আমলে মাদ্রাসার পাঠ্যক্রমে দিল আরবি নাহু (বাগবিধি) সরফ (রূপতত্ত্ব) বালাগত (অলস্কর শাস্ত্র) মানতিক (যুক্তিবিদ্যা) কালাম (জ্ঞানতত্ত্ব) তাসাউফ (অতীন্দ্রিয়বাদ)সাহিত্য,ফিকাহ (আইন শাস্ত্র)এবং দর্শন।
বাংলায় মাদ্রাসা -বাংলার প্রথম মুসলিম শাসক ইখতিয়ার উদ্দিন মুহাম্মদ বিন বখতিয়ার খলজী ১২০১ খ্রিষ্টাব্দে বাংলার রাজধানী গৌড়ে একটি মসজিদ ও মাদ্রাসা নির্মাণ করেন।সুলতান গিয়াস উদ্দিন একটি মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠা করেন ১২১২ খ্রিষ্টাব্দে। পরবর্তীকালে তার বংশধর সুলতান দ্বিতীয় গিয়াস উদ্দিন ও একটি মাদ্রাসা তৈরী করেন।মাদ্রাসা দুটির নাম যথাক্রমে লাখনুতী ও গৌড় মাদ্রাসা।হোসেন শাহ ও তার পুত্র নুসরাত শাহ গৌড়ে বেশ কয়েকটি মাদ্রাসা নির্মাণ করেন। এসব মাদ্রাসার অনেক গুলোর ধ্বংসাবশেষ এখনও বিদ্যমান। ১৬৬৪ খ্রিষ্টাব্দে সুবাহদার শায়েস্ত খানের উদ্যোগে ঢাকায় বুড়িগঙ্গা নদীর তীরে একটি মাদ্রাসা ও মসজিদ নির্মিত হয়। নবাব জাবার আলী খান স্থাপন করেন মুর্শিদাবাদ মাদ্রাসা। যার ভবনটি কালের সাক্ষী হিসেবে এখনও অটুট আছে।
১১৭৮ হিজরি সালে জমিদার মুন্সি সদরুদ্দীন আল মুসাভী বুহার গ্রামে বর্ধমান মাদ্রাসা স্থাপন করেন এবং লখনৌ থেকে আগত মৌলানা আব্দুল আলি বাহারুল উলুমকে শিক্ষক নিযুক্ত করেন। নওয়াবী আমলে মাদ্রাসা পরিচালনার জন্য পর্যাপ্ত পরিমান লাখেরাজ জমি বরাদ্দ দিত মাদ্রাসার শিক্ষক ও ছাত্রদের জন্য সরকার ভাতাও বৃত্তি দিত।
ইংরেজ শাসনামলে এদেশে মাদ্রাসা শিক্ষা একটি নতুন মোড় নেয়। মাদ্রাসাগুলোর নামে মুগল সরকারের বরাদ্দকৃত লাখেরাজ জমি বাজেয়াপ্ত করে। ফলে উনবিংশ শতাব্দীর গোড়ার দিকে অনেক মাদাসা বন্ধ হয়ে যায়। বাংলার গর্ভনর লর্ড ওয়ারেন হেপ্টিংস ১৭৮০ খ্রিষ্টাব্দে কলকাতা আলিয়া মাদাসা প্রতিষ্ঠা করেন। এই মাদাসার মূল লক্ষ্য ছিলো সরকারের জন্য কিছু সংখ্যক মুসলিম আইন অফিসার তৈরী করা। তবে সরকারে সমর্থন ও অনুগ্রহ থেকে বঞ্চিত হবার কারণে উনবিংশ শতাব্দীতে মাদ্রাসা শিক্ষার বিকাশ গতিরুদ্ধ হয়ে পড়ে।
কলকাতা মাদ্রাসা বাংলায় মাদ্রাসা শিক্ষার ক্ষেত্রে একটি নতুন ধারা প্রবর্তন করে। এই মাদ্রাসার প্রথম প্রধান মৌলভি বাহরুল উলুম মোল্লা মজমুদ্দীন দরসে নিজামির পাঠ্যক্রম দ্বারা প্রভাবিত হয়ে সেই আদলে নতুন শিক্ষাক্রম প্রণয়ন করেন। হেস্টিংস কর্তৃক নির্দেশিত হয়ে তিনি এ পাঠ্যক্রম ইসলামী আইনও বিচার ব্যবস্থাকে প্রাধান্য দেন।
বাংলার অধিকাংশ মাদ্রাসা দরসে নিজামির আদলে শিক্ষাদান পরিচালনা করে এই ব্যবস্থা ১৯৭০ দশক পর্যন্ত অব্যাহত ছিল।দরসে নিজামি পাঠ্যক্রম অনুযায়ী একজন ছাত্রকে ১৭,১৮ বছর বয়সেই আরবি ও ফার্সি ভাষায় লিখিত নির্বাচিত ৯৯ টি গ্রহের অন্তত একটি পড়ারও অনুধাবনের যোগ্যতা অর্জন করা হতো। ধর্মীয় পাঠ্যক্রম ছাড়া এই পাঠ্যক্রমে অন্তর্ভূক্ত ছিল ইউনানি চিকিৎসা বিদ্যা, কুটির শিল্প  ও কারিগরি প্রশিক্ষণ দরসে নিজামির মোট শিক্ষাকাল ৯ বছর।
বাংলাদেশ- বর্তমানে বাংলাদেশে প্রচলিত মাদ্রাসা শিক্ষাকে বৈশিষ্ট্য অনুযায়ী ৩ শ্রেণীতে বিন্যস্ত করা যায়-প্রাচীন কাঠামো ভিত্তিক দরসে নিজামি, পরিবর্তিত ও পরিবর্ধিত পাঠ্যক্রম ভিত্তিক দরসে নিজামি এবং আলিয়া নেসাব।
প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণীতে মাদ্রাসা সমূহকে কাওমী বা বেসরকারি মাদ্রাসা বলা হয়। ১৯৭৮ সালে প্রতিষ্ঠিত বেসরকারি শিক্ষা বোর্ড এসবের কার্যক্রম সমন্বয় করে। ১৯৯৮ পর্যন্ত সারা দেশে ২০৪৩টি মাদ্রাসা কাওমী মাদ্রাসা বোর্ডে নিবন্ধিত হয়েছে। ১৯৯৮ সনে অনুষ্ঠিত কেন্দ্রীয় পরিক্ষায় এসব মাদ্রাসার ৭টি স্তরের মোট ৭,৭১১ জন শিক্ষার্থী অংশ নেয়।এদের মধ্যে উত্তীর্ণ হয় ৫,৩৪৮ জন,স্তর ছিল ৭টি -তাকমিল (স্নাতকোত্তর) ফযিলত (স্নাতক) সানুবিয়্যা উলায়া (উচ্চ মাধ্যমিক) মগওয়াম ফিকাহ (মাধ্যমিক) ইবতেদায়ী (প্রাথমিক) এবং ইলমুল কিরাত ওয়াত আজদিদ (উচ্চতর কুরআন পাঠ) ও হিফজুল কুরআন।
বর্তমানে মাদ্রাসা শিক্ষা বাংলাদেশের জাতীয় শিক্ষা ব্যবস্থার একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ। বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড এবং ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় সহ অন্যান্য সরকারি সংস্থার প্রণীত শর্ত পূরণ করে এমন সকল ধরনের অনুমোদিত মাদ্রাসা সরকারি অনুদান পায়। সরকারি অনুদানপুষ্ট অধিকাংশ মাদ্রাসাতেই এখন বাংলা, ইংরেজী এবং বিজ্ঞান শিক্ষা প্রচলিত আছে। মাদ্রাসা শিক্ষা শেষে অনুমোদিত ডিপ্লোমার প্রাপ্ত স্নাতকরা উচ্চতর শিক্ষার জন্য কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় সমূহে ভর্তি হতে পারে। ২০০২ সালে বাংলাদেশে ইবতেদায়ী মাদ্রাসা ছিল ১৪,৯৮৭টি, দাখিল ৬,৪০২টি, আলিম ১,৩৭৬টি, ফাজিল ১,০৫০টি এবং কামিল ১৭২টি। এছাড়া কাওমী মাদ্রাসা ছিল প্রায় ৩,০০০টি।
ইতিহাস সাক্ষী এই মাদ্রাসা থেকেই আবির্ভুত হয়েছেন বাংলাদেশের কালজয়ী সব ইসলামীক মনীষীগণ। এ যেন সেই রাসূল (সা.) থেকে দীক্ষা নেয়া স্বনামধন্য শিষ্যগণ।
কালের পরিক্রমায় আজ সেই মাদ্রাসা শিক্ষা ব্যবস্থায় চলছে নৈতিকতা ধ্বংসের মহড়া। যার মধ্যে অন্যতম হলো পরিক্ষা হলে শিক্ষকদের সম্মুখে, শিক্ষকদের সহযোগীতায় চলছে নকলের হিড়িক। কিছু সংখ্যক ছাত্র ছাত্রী এ অনৈতিকতার বিরোধীতা করলে তাদেরকে নানা রকম টীকা-টীপ্পনীর স্বীকার হতে হচ্ছে।
হঠাৎ করেই মাদ্রাসা শিক্ষা ব্যবস্থায় ধ্বংস নামার মূল কারণ হলো নাস্তিক্যবাদের সূদুর প্রসারী ষড়যন্ত্র -তাদের লাভের পরিমান যেমন বাড়ছে তেমনি উদ্দেশ্য বাস্তবায়নের পথ হচ্ছে সুগম তার কারণ হলো- মাদ্রাসা শিক্ষা ব্যবস্থার এই বেহাল অবস্থা দেখে সচেতন অভিভাবকগণ তাদের ভবিষ্যতকে নিজ হাতে গলা টিপে হত্যা করবেন না নিশ্চয়ই যোগ্যতার মাপকাঠিতে নিজেকে ব্যবস্থার সিলেবাস পর্যাপ্ত নয়। তার উপর দেশের নামকরা ৫/১০টা মাদ্রাসা বাদে সব মাদ্রাসার একই অবস্থা। মকতবের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের কথা না হয় নাই বলা যাক।
নাস্তিক্যবাদের মূল টার্গেট হলো ছাত্র ছাত্রীদের কাছে শিক্ষকদের কে অপমানিত করা। যাতে কোমলমতি ছাত্র -ছাত্রীরা শিক্ষকদের কে ঘৃণা করে অভ্যস্ত হয়। বিশেষ করে তাদের নজর দাঁড়ি টুপির দিকে। কোরআনের ক্লাসেও তারা অনৈতিকতাকে অবলম্বন করে মূলত কোরআনকেই অপমানিত করছে। সারা দেশ জুড়েই শিক্ষাব্যবস্থার মান কমছে। তবে মাদ্রাসা হলো নাস্তিক্যবাদের মূল টার্গেট। পড়াশুনা না করে ছাত্র ছাত্রীরা নকল করে পাস করবে সার্টিফিকেট আদায় করবে এতে করে তারা কুরআন, হাদীস ও পাঠ্যবই থেকে নিজেদেরকে দূরে সরিয়ে নিবে। যার ফলে তারা হয়ে পরবে মেধা শূন্য। তাছাড়াও শ্রেষ্ঠ বিদ্যাপীঠ গুলো থেকে মাদ্রাসা থেকে আসা শিক্ষার্থীরা পছন্দের বিষয় না পাওয়া সহ নানা ভাবে বৈষম্যের শিকার হচ্ছেন।
মূলত নাস্তিক্যবাদের মূল টার্গেট হলো মাদ্রাসা শিক্ষা ব্যবস্থার মান কমিয়ে ছাত্র ছাত্রীদেরকে মাদ্রাসা বিমুখ করে তোলা।তাহলে তাদের উদ্দেশ্য চরিতার্থ করা সহজ হবে।
মাদ্রাসা শিক্ষার্থীদের সচেতনতাই পারে অশুভ ভবিষ্যতের হাত হতে রক্ষা করতে। শিক্ষকগণ তাদের আদর্শ নীতি সমস্ত বিসর্জন দিয়ে বোবা কালা কাঠ পুতুলে নিজেদের সাজিয়ে নিয়েছেন। অতি শীঘ্রই তাদের বোধদয় হবে এই আশা রেখে জাতি পথ চেয়ে আছে।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ