শুক্রবার ০৭ আগস্ট ২০২০
Online Edition

জেএসসির প্রথম দিনে অনুপস্থিত ৪৩৬৪২

স্টাফ রিপোর্টার : জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট ( জেএসসি) পরীক্ষার প্রথম দিনে গতকাল বৃহস্পতিবার সারা দেশে ৪৩ হাজার ৬৪২ জন পরীক্ষার্থী অনুপস্থিত ও ১৭ জন বহিষ্কৃত হয়েছে। জেএসসিতে মোট পরীক্ষার্থী ২০ লাখ ৪৪ হাজার ৩৫৮ জন। একই সঙ্গে জুনিয়র দাখিল সার্টিফিকেট (জেডিসি) পরীক্ষাও শুরু হয়েছে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নিয়ন্ত্রক কক্ষের হিসেব অনুযায়ী, অনুপস্থিত পরীক্ষার্থীদের মধ্যে ঢাকা বোর্ডে ১৪ হাজার ১৩১ জন, চট্টগ্রামে ৩ হাজার ১৯৬ জন, রাজশাহীতে ৫ হাজার ২৯৩ জন, বরিশালে ৩ হাজার ২৫৬ জন, সিলেটে ২ হাজার ৯৮৬ জন, দিনাজপুরে ৫ হাজার ৫৬৬ জন, কুমিল্লায় ৪ হাজার ৩৫৪ জন এবং যশোরে ৪ হাজার ৮৬০ জন।

দুই পরীক্ষায় মোট পরীক্ষার্থী ২৬ লাখ ৭০ হাজার ৩৩৩ জন। এর মধ্যে ১৪ লাখ ৪৬ হাজার ৬০১ জন ছাত্রী। ১২ লাখ ২৩ হাজার ৭৩২ জন ছাত্র। সারা দেশে মোট ২৯ হাজার ৬৭৭টি প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা এই দুই পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছে।

এবার ২৬ লাখ ৭০ হাজার ৩৩৩ জন শিক্ষার্থী অংশে নেবে। এবার জেএসসি-জেডিসির ২৬ লাখ ৭০ হাজার ৩৩৩ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ১৪ লাখ ৪৬ হাজার ৬০১ জন ছাত্রী এবং ১২ লাখ ২৩ হাজার ৭৩২ জন ছাত্র। ছাত্রদের থেকে এবার ২ লাখ ২২ হাজার ৮৬৯ জন ছাত্রী বেশি। আট বোর্ডের অধীনে এবার জেএসসিতে ২২ লাখ ৬৭ হাজার ৩৪৩ জন এবং মাদ্রাসা বোর্ডের অধীনে জেডিসিতে ৪ লাখ ২ হাজার ৯৯০ জন পরীক্ষা দেবে। বিদেশের নয়টি কেন্দ্রে এবার ৫৭৮ জন জেএসসি পরীক্ষায় অংশ নেবে।

প্রশ্নপত্র ফাঁস হওয়া সম্ভব নয়: প্রশ্নফাঁসের অপকর্ম ঠেকাতে আমাদের যা যা করণীয় আমরা তাই করেছি। ফলে এই পরীক্ষায় প্রশ্নফাঁস হওয়া সম্ভব নয় বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ। গতকাল বৃহস্পতিবার মতিঝিল সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয় ও বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের পরীক্ষা কেন্দ্র পরিদর্শন শেষে তিনি এ কথা বলেন। শিক্ষামন্ত্রী বলেন, পাবলিক পরীক্ষায় সকল অপকর্ম ঠেকাতে পাঁচ মন্ত্রণালয় কাজ করছে। চার স্তরের নিরাপত্তাবাহিনী নিয়োজিত রয়েছে। ফলে এবার প্রশ্নপত্র ফাঁসের কেউ সুযোগ পাবে না। তিনি বলেন, ফেসবুকসহ বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে যারা ভুয়া প্রশ্নপত্র ছড়িয়ে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করছে তাদের মনিটরিং করা হচ্ছে। দ্রুত তাদের গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনা হবে।

মন্ত্রী বলেন, বর্তমানে ছেলে-মেয়ের মধ্যে সমতা এসেছে। বরং এবার ছেলেদের চেয়ে ২ লাখ ২২ হাজার ৮৬৯ জন বেশি মেয়ে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করছে। ঝরে পড়ার হারও আগের চেয়ে অনেক কমে গেছে। তবে এখনও যতটুকু ঝরে পড়ছে সেসব শিক্ষার্থীদের ধরে রাখার জন্য নানারকম কর্মসূচি গ্রহণ করা হচ্ছে।

মানসম্মত শিক্ষার বিষয়ে নুরুল ইসলাম নাহিদ বলেন, অনেকে বলেন আমাদের শিক্ষার মান বাড়েনি। এটি ঠিক নয়; বরং আগের চেয়ে অনেক পরিবর্তন এসেছে। পাবলিক পরীক্ষা আয়োজন ও ফলাফল প্রকাশে একটি শৃঙ্খলা আনা হয়েছে। বিশ্বের দরবারে মানসম্মত শিক্ষা প্রতিষ্ঠা করা একটি চ্যালেঞ্জ। সেই একই চ্যালেঞ্জ নিয়ে আমরা এগিয়ে যাচ্ছি।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাদরাসা বিভাগ ও কারিগরি শাখার অতিরিক্ত সচিব জাকির হোসেন ভূঁইয়া, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান মু. জিয়াউল হক, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব নাজমুল হক, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদফতরের দায়িতপ্রাপ্ত মহাপরিচালক অধ্যাপক সামছুল হুদা প্রমুখ।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ