শুক্রবার ১৪ আগস্ট ২০২০
Online Edition

পর্যটক বাড়ছে প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের লীলাভূমি কুমিল্লায়

মুহাম্মদ নূরে আলম: পত্নতাত্বিক নিদর্শন আর ছায়াঘেরা সবুজ প্রকৃতির অপরূপ শোভায় সুশোভিত-কুমিল্লায় বাড়ছে পর্যটকদের আনাগোনা। ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে মাঝামাঝি স্থানে অবস্থিত প্রাচীন এ জেলাজুড়ে রয়েছে অসংখ্য দৃষ্টিনন্দন স্থান। বিশেষ করে কোটবাড়ি, শালবন বিহার, ময়নামতি ওয়ার সিমেট্রি, পল্লী উন্নয়ন একাডেমী বার্ড, ময়নামতি জাদুঘর ও আশপাশের এলাকা ঘিরেই ভ্রমণ পিপাসুদের আগ্রহ বেশি লক্ষ্য করা যায়। যোগাযোগ মাধ্যম সহজ হওয়ার ফলে কুমিল্লায় সারাবছরই দেশ-বিদেশের পর্যটক দর্শনার্থীদের উপস্থিতি চোখে পড়ে।

ত্রিপুরার রাজারা এক সময় গ্রীষ্মকালীন অবকাশ যাপন কেন্দ্র হিসেবে গোড়াপত্তন করেছিলেন গোমতীর তীরের এই কুমিল্লার। সমতটের এ জনপদে রয়েছে আদি নিদর্শন শালবন বিহার’র, পবানমুড়া, ইটাখোলামুড়া, ময়নামতি ঢিবি, রানীর বাংলো, ময়নামতি জাদুঘর আরও আছে অপূর্ব প্রাকৃতিক ঘেরা সবুজ বৃক্ষবেষ্টিত লালমাটির লালমাই পাহাড় প্রাচীন সভ্যতার নীরব সাক্ষী। সেই সাথে রয়েছে দ্বিতীয় বিশ্ব যুদ্ধে শহীদদের সমাধিস্থল ‘ময়নামতি ওয়ার সিমেট্রি’। দৃষ্টিনন্দন এ স্থানটিও রয়েছে পর্যটকদের ঘুরে দেখার তালিকায়।

এ ছাড়াও কুমিল্লা নগরীর ধর্মসাগর, চিড়িয়াখানা ছাড়াও নগরীর পাশ ঘেঁষে বয়ে চলা গোমতী নদীটিও হয়ে উঠেছে পর্যটনের কেন্দ্র বিন্দু। বিশেষ করে নাগরিক জীবনের ব্যস্ততাকে পেছনে ফেলে স্বস্থির অন্বেষায় থাকা মানুষগুলো ভিড় জমায় বিকেলের গোমতী পাড়ে। তাদের পদচারণায় মুখর হয়ে উঠে সর্পিল গোমতীর দু’ধার।

দর্শনীয় স্থান: ১ শালবন বৌদ্ধ বিহার। ২ ময়নামতি ওয়ার সিমেট্রি। ৩ বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন একাডেমী (বার্ড)। ৪ শাহ সুজা মসজিদ। ৫ বীরচন্দ্র গণপাঠাগার ও নগর মিলনায়তন। ৬ উটখাড়া মাজার। ৭ বায়তুল আজগর জামে মসজিদ ৮ নূর মানিকচর জামে মসজিদ। ৯ কবি তীর্থ দৌলতপুর (জাতীয় কবি কাজী নজরুলের স্মৃতি বিজড়িত স্থান)। ১০ গোমতী নদী। ১১ নওয়াব ফয়জুন্নেছার স্বামী গাজী চৌধুরীর বাড়ী সংলগ্ন মসজিদ।

শালবন বিহার: কুমিল্লার ঐতিহ্য ধারণকারী স্থাপনাগুলোর মধ্যে পর্যটকদের প্রথম পছন্দ শালবন বৌদ্ধ বিহার। পূর্বে এই প্রত্মস্থানটি শালবন রাজার বাড়ি নামেই পরিচিত ছিল। ১১৫টি ভিক্ষুকক্ষ বিশিষ্ট বিহারটির মধ্যভাগে একটি মন্দির ও উত্তর দিকের মাঝামাঝি স্থানে প্রবেশ তোরণ এটির বিশেষ আকর্ষণ। এখানে প্রাপ্ত পোড়ামাটির মুদ্রা বিশ্লেষণে জানা যায়, দেব বংশের ৪র্থ রাজা শ্রী ভবদেব খিস্ট্রীয় আট শতকে এ বিহারটি নির্মাণ করেন। ধূসর লাল রঙের বড় ইটের গাঁথুনিতে প্রাচীন সভ্যতার এ প্রত্মতাত্বিক স্থাপনা দেখতে প্রতিনিয়তই বাড়ছে পর্যটকের সংখ্যা। একক ভ্রমণের পাশাপাশি এখানে দেশের দূরদূরান্ত থেকে বিভিন্ন কলেজ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা শিক্ষা সফরে আসেন। ঐতিহাসিক এ স্থাপনাটি দেখতে দেশি-বিদেশি পর্যটক ভীড় ক্রমে বেড়েই চলছে। এর পাশেই রয়েছে ময়নামতি জাদুঘর। যেখানে সংরক্ষিত আছে খননের সময় এ বিহারে প্রাপ্ত প্রাচীন পুড়া মাটির ফলক মূর্তি ও মুদ্রা। এছাড়াও জেলা প্রাপ্ত সকল প্রতœতাত্বিক নিদর্শন এ জাদুঘরেই সংরক্ষণ করে রাখা হায়। বর্তমানে যাদুঘরটিতে রয়েছে দর্শনীয় সব পুরাকীর্তি এবং বিভিন্ন রাজবংশীয় ইতিহাস, ব্যবহৃত তৈজসপত্র, স্বর্ণ ও রৌপ্য মুদ্রা, বেত্রাঞ্জের ছোট ছোট বুদ্ধ মুর্তি, দেব-দেবির মূর্তি, পোড়া মাটির ফলকচিত্র, অলংকৃত ইট, পাথরের মূর্তি, মাটি ও তামার পাত্র, দৈনন্দিন ব্যবহার সামগ্রী- দা, কাস্তে, খুন্তি, কুঠার, ঘটি, বাটি, বিছানাপত্র ইত্যাদি। যাদুঘরের পাশে বন বিভাগ নতুন ২টি পিকনিক স্পট করেছে। বাংলাদেশে বেশ কয়টি জাদুঘরের মধ্যে ময়নামতি উল্লেখযোগ্য।

জানা গেছে, গত বছরের জুন থেকে চলতি বছরের আগষ্ট মাস পর্যন্ত শালবন বিহার ও ময়নামতি জাদুঘরে এসেছিলেন প্রায় ৬ লাখ দর্শনার্থী। এর মধ্যে বিদেশী পর্যটক ছিলো ২ সহস্রাধিক। সময়ের সাথে সাথে যার পরিমাণ আরো বাড়ছে।

জানতে চাইলে কুমিল্লা ময়নামতি জাদুঘর ও শালবন বিহারের কাস্টরিয়ান (জিম্মাদার) ড. আহমেদ আবদুল্লাহ বলেন, সারা বিশ্বেই শালবন বিহারের আলাদা একটা ভাবমূর্তি রয়েছে। এখানে যেমন দেশি পর্যটক রয়েছে তেমনি বিদেশি পর্যটকও রয়েছে। আর দিন-দিন এ সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে। তিনি বলেন, গত অর্থবছরে শালবন বিহারের পর্যটকদের কাছ থেকে সরকার রাজস্ব আয় করেছে ১ কোটি ১০ লাখ টাকা। আমরা আশা করি এ ধারা অব্যাহত থাকবে।

রুপবান মুড়া লালমাই পাহাড়: কুমিল্লা শহর হতে ৮ কিমি. পশ্চিমে লালমাই-ময়নামতি পাহাড় শ্রেণির মধ্যবর্তী এবং কুমিল্লা কালির বাজার সড়কের দক্ষিণ পাশে অবস্থিত। অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ঢিবিটি সম্প্রতিকালে প্রত্মতাত্ত্বিক খনন পরিচালনা করে ৩৪.১৪ মি. ২৫ মি. পরিমাপের ১ টি বৌদ্ধ বিহার ও ২৮.৯৬ মি ২৮.৯৬ মি. পরিমাপের ক্রুশাকার মন্দিরের ধ্বংসাবশেষ উন্মোচন করা হয়েছে। মন্দিরের পূর্ব পার্শ্বস্থ প্রকৌষ্ঠ থেকে বেলে পাথরের অভয় মুদ্রায় দন্ডায়মান বৃহদাকার ১ টি বৌদ্ধ  মূর্তি পাওয়া যায়। খননে প্রাপ্ত স্থাপত্য নিদর্শন ও প্রত্ম সম্পদ বিশ্লেষণে এই প্রত্মকেন্দ্রের সময়কাল প-িতগণ খ্রি. ৭ম থেকে ১২শ শতাব্দী বলে অনুমান করেন। 

ইটাখোলা মুড়া: লালমাই পাহাড় সেনানিবাস এলাকা, রুপবান মুড়া প্রত্মকেন্দ্রের উত্তর পাশে অবস্থিত আরও ১ টি অত্যন্ত গুরুত্বপুর্ণ প্রত্মকেন্দ্র স্থানীয়ভাবে ইটাখোলা মুড়া নামে পরিচিত। এই স্থানে সম্প্রতি খনন পরিচালনা করে ৩৯.৬২ মি ৩৯.৬২ মি. পরিমাপের ১টি বৌদ্ধ বিহার, ৬০.৬৬ মি. ২৫ মি. পরিমাপের ১টি আয়তাকার মন্দির এবং বেশ কয়েকটি স্তুপের সন্ধান পাওয়া গেছে। উন্মোচিত মন্দিরটিতে মোট ৫টি নির্মাণ যুগের নিদর্শন আবিষ্কৃত হয়। 

ভোজ রাজার বাড়ী: ময়নামতি পাহাড় সেনানিবাস এলাকায় এই প্রত্মকেন্দ্রটি কুমিল্লা শহর হতে ৮ কিমি. পশ্চিমে কোটবাড়ী-টিপরা বাজার ক্যান্টনমেন্ট সড়কের পশ্চিম পাশে অবস্থিত। স্থানীয়ভাবে এটি ভোজ রাজার বাড়ী নামে পরিচিত। সম্প্রতি খননের ফলে ১টি বৌদ্ধ বিহারের আংশিক কাঠামো আবিষ্কৃত হয়েছে। বিহারটি বাহ্যিক পরিমাপ ১৭৩.৪৩ মি. ১৭৩.৪৩ মি. এর দক্ষিণ বাহু সম্পুর্ণ খননের ফলে দু’প্রান্তে দুটি কক্ষ ছাড়াও ৩১ টি কক্ষ উন্মোচিত হয়েছে। ফলে সিড়ি কক্ষ ছাড়া বিহারে ১২৪ টি কক্ষ আছে বলে অনুমিত হয়। বিহারের উত্তর বাহুর মধ্যভাগে মূল ফটকটির আংশিক নিদর্শন উন্মোচিত হয়েছে এবং এর কেন্দ্রস্থলে প্রদক্ষিণ পথসহ ১টি ক্রশাকার চর্তুমুখী মন্দির আবিষ্কৃত হয়েছে। ক্রুশাকার মন্দিরটির পরিমাপ ৪৬.৩৩ ৪৬.৩৩ মি.। এই প্রত্মস্থানে খননের ফলে কেন্দ্রীয় মন্দির হতে ১টি ব্রোঞ্জের বৃহদাকার বুদ্ধ মুর্তি, ২টি স্থানীয় নরম পাথরে তৈরী বুদ্ধ মূর্তি এবং ১টি রৌপ্য মুদ্রা উদ্ধার করা হয়েছে। এছাড়া অনেকগুলো পোড়ামাটির ফলক পাওয়া গেছে। এ পর্যন্ত খননের ফলে মোট ৪টি নির্মাণ যুগের নিদর্শন পরিলক্ষিত হয়। আবিষ্কৃত স্থাপত্য কাঠামো এবং প্রত্মসম্পদের বিবেচনায় এ নিদর্শনটির সময়কাল ৮ম হতে ১২শ শতাব্দী নিরুপন করা যেতে পারে। 

আনন্দ বিহার: কুমিল্লা শহর থেকে ৭ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিম এবং লালমাই ময়নামতি পাহাড়ের পূর্ব প্রান্ত ঘেঁষে অপেক্ষাকৃত নিচু ও সমতল  ভূমিতে আনন্দ বিহার প্রত্নস্থলটি অবস্থিত। ১৯৭৫ খ্রি: থেকে এখানে প্রত্নতাত্ত্বিক খনন কাজ শুরু করা হয়। আয়তনে এ বিহার শালবন বিহার থেকে অনেক বড়। বর্গাকারে নির্মিত এ বিহারের প্রত্যেক বাহুর দৈঘ্য ৬২৫ ফুট। প্রতি বাহুুতে বৌদ্ধ ভিক্ষু কক্ষ উম্মোচিত হয়েছে। বিহারের মধ্যবর্তী স্থানে ক্রুশাকার কেন্দ্রীয় মন্দির উম্মোচিত হয়েছে। খননের ফলে এখানে বৃহদাকার একটি ব্রোঞ্জের মূর্তিসহ বিভিন্ন ধরণের গুরুত্বপূর্ণ প্রতœতত্ত্ব আবিষ্কৃত হয়েছে। 

কোটিলা মুড়া: কুমিল্লা সদর থেকে ৮ কিমি. এবং আনন্দ বিহার থেকে ১ কিমি. উত্তরে ময়নামতি পাহাড়ের মধ্যবর্তী স্থানে এ গুরুত্বপূর্ণ প্রত্নস্থলটি অবস্থিত। খননের ফলে পাশাপাশি দাঁড়িয়ে থাকা ৩টি স্তূপের নির্দশন উন্মোচিত হয়েছে। বৌদ্ধ ধর্মের ত্রি-রত্ন (বৌদ্ধ,ধর্ম ও সংঘ) ৩টি স্তূপ বাংলাদেশে আর কোথায়ও পাওয়া যায়নি। প্রত্নতাত্ত্বিক দৃষ্টিকোণ থেকে এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ স্থাপত্য নিদর্শন। ত্রি-রত্ন স্তূপের সাথে লাগোয়া পশ্চিম পাশে আরও ৯টি স্তূপ এবং পূর্ব পাশে পূর্ব-পশ্চিমে লম্বালম্বি ৩টি হলঘরের নির্দশন পাওয়া যায়। এগুলোর সময়কালকে খ্রিস্টিয় সাত-তের শতক বলে অনুমান করা হয়। চারপত্র মুড়াকোটিলা মুড়া থেকে প্রায় ২ কিমি. উত্তর-পশ্চিমে সেনানিবাস এলাকায় একটি উঁচু সমতল পাহাড়ের চুড়ায় এই নির্দশনটি অবস্থিত। এখানে খনন করে ছোট আকৃতির মন্দিরের ধবংসাবশেষ উন্মোচিত হয়েছে এবং তিনটি নির্মাণ যুগের নিদর্শন পাওয়া গিয়েছে। এ স্থাপত্য নিদর্শনটি  নামকরণের যথার্থতা রয়েছে। খননের ফলে এখানে ৪টি তা¤্রলিপি পাওয়া গিয়েছে বিধায় ঢিবিটি চারপত্র মুড়া নামে অভিহিত করা হয়েছে। স্থাপত্য শৈলী অনুযায়ী এর সময়কালকে খ্রিঃ এগার-বার শতকে ন্যস্ত করা যায়।  

বাংলাদেশ পল্লী উন্নয় একাডেমী (বার্ড) :  কুমিল্লায় ঘুরতে আসবেন অথচ বার্ড দেখবেন না- তা কী করে হয়? এখানে প্রবেশ করলেই চোখে পড়ে ছায়া সুনিবিড়, মায়া-মমতায় ঘেরা রাস্তা, নির্জন প্রাকৃতি পরিবেশন। দু’পাশে নানা রকম রং-বেরংয়ের ফুল ও ফলের বাগান। পাখির কূজন আর ফুলের গন্ধ চারদিক ঘিরে রেখেছে বার্ডকে। বার্ডের ভিতরে রয়েছে নীলাচল পাহাড়। নির্জন প্রকৃতির এক অকৃত্রিম ভাললাগার জায়গা হচ্ছে নীলাচল। বার্ড মূলত বিভিন্ন পেশায় নিয়োজিত মানুষের প্রশিক্ষণ একাডেমি। এর অভ্যন্তরে প্রবেশ করতে ফি লাগে না, তবে অনুমতি নিতে হবে। বার্ডের ভেতরের সুন্দর রাস্তা দিয়ে সামনে এগুলেই দুই পাহাড়ের মাঝখানে দেখতে পাবেন অনিন্দ্যসুন্দর বনকুটির। ১৯৫৯ সালে বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন একাডেমী (বার্ড) প্রতিষ্ঠা করেন ড. আখতার হামিদ খান।

ময়নামতি ওয়ার সিমেট্রি : ময়নামতি ওয়ার সিমেট্রি, কুমিল্লাতে অবস্থিত একটি দ্বিতিয় বিশ্ব যুদ্ধ সমাধি। ১৯৩৯ থেকে ১৯৪৫ সাল পর্যন্ত দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে নিহত ব্রিটিশ, কানাডিয়ান, অস্ট্রেলিয়ান, আফ্রিকান, জাপানী, আমেরিকান, ভারতীয় ও নিউজিল্যান্ডের ৭৩৭ সৈন্যের সমাধিস্থল এটি। নিহত সৈন্যদের প্রতি সম্মান জানাতে প্রতিবছর প্রচুর দেশী-বিদেশী দর্শনার্থী এ সমাধিক্ষেত্রে আসেন। এটি ১৯৪৬ সালে তৈরি হয়েছে।

কুমিল্লা নগর থেকে ৮ কিলোমিটার পশ্চিমে কুমিল্লা-সিলেট মহাসড়কের পশ্চিম পাশে ছায়াঘেরা স্নিগ্ধ নৈসর্গিক পরিবেশে অবস্থিত ময়নামতি ওয়ার সিমেট্রি। সকাল ৭টা-১২টা এবং দুপুর ১টা-৫টা পর্যন্ত দর্শনার্থীরা এখানে প্রবেশের সুযোগ পান। আর এ সময়টাতেই বছরজুড়ে এর প্রবেশ গেইটের সামনে মানুষের ভিড় দেখা যায়।

রাণী ময়নামতির বাংলো : জেলার বুড়িচং উপজেলার সাহেববাজারের কাছে আছে রাণী ময়নামতির প্রাসাদ। স্থানীয়রা ‘একে বলে রাণীর বাংলো।’ অষ্টম শতকের এ স্থাপনাটি লালমাই পাহাড়ের চূড়ায় অবস্থিত। রাণীর বাংলোটির দেয়াল উত্তর-দক্ষিণে ৫১০ ফুট লম্বা ও ৪শ’ ফুট চওড়া। সেখানে স্বর্ণ ও পিতলের দ্রবাদি পাওয়া গেছে। লালমাই পাহাড় ও রাণীর প্রাসাদ ঘিরে প্রতিদিনই অসংখ্য দর্শনার্থীর উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ