বৃহস্পতিবার ০২ জুলাই ২০২০
Online Edition

হেলমেট বাহিনীর হামলার পর চরম নিরাপত্তাহীনতায় কেসিসি’র ওয়ার্ড কাউন্সিলর তপন ॥ থানায় জিডি

খুলনা অফিস : খুলনা মহানগর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ও ২৮নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর আজমল আহমেদ তপনের বাড়িতে হামলায় ঘটনায় তিনি ও তার পরিবার-পরিজন নিয়ে চরম নিরাপত্তাহীনতায় রয়েছেন । মঙ্গলবার খুলনা সদর থানায় নিজের ও পরিবারের সদস্যদের নিরাপত্তায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবিতে জিডি সাধারণ ডায়েরি করেছেন (নং-১৫৮২)। অন্যদিকে, হেলমেট বাহিনীর হামলাকারীদের গ্রেফতারপূর্বক দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে এলাকাবাসী বিক্ষোভ করেছেন।
আজমল আহমেদ তপনের ছোট ভাই নাজমুল আহমেদ স্বপনের দায়েরকৃত জিডিতে তিনি উল্লেখ্য করেন, গত ২৯ অক্টোবর রাত পৌণে ৯টার দিকে ১৫ থেকে ২০টি মোটরসাইকেল যোগে হেলমেট পরিহিত একদল সন্ত্রাসী তার বাসভবনে হামলা চালায়। তারা বাড়ির প্রধান ফটক দিয়ে ভিতরে ঢোকার চেষ্টা করে। কিন্তু ফটকটি অত্যন্ত সুরক্ষিত থাকায় তারা সেখানে দাঁড়িয়ে তাকে ও তার ভাই ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি নাজমুল আহমেদ স্বপনকে খোঁজে এবং গালি-গালাজ করে। তখন বাড়িতে কাউন্সিলর তপন উপস্থিত ছিলেন না। সেখানে সন্ত্রাসীরা এক ভীতিকর পরিস্থিতি সৃষ্টি করে। বাড়িতে উপস্থিত আমেরিকা প্রবাসী তার বড় ভাই আকমল আহমেদ, বড় ভাবী, শিশু ও বৃদ্ধসহ সকলেই আতঙ্কিত হয়ে পড়ে। সন্ত্রাসীরা বাড়িতে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে বিভিন্ন দরজা-জালানার কাচ ভাংচুর করে। সন্ত্রাসীরা তার নিকট আত্মীয় আসফাককে মারপিট করে আহত করে। এ অবস্থায় আওয়ামী লীগ নেতা আজমল আহমেদ তপনসহ পরিবারের সদস্যরা চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন বলে জিডিতে উল্লেখ করেছেন।
খুলনা সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. হুমায়ুন কবির বলেন, ওই ঘটনায় কাউকে গ্রেফতার করা সম্ভব হয়নি। ঘটনাটি তদন্ত করছেন এস আই আলতাফ হোসেন। আওয়ামী লীগ নেতা কাউন্সিলর আজমল আহমেদ তপনের বাড়িতে সোমবার রাতে হামলা করে দুর্বৃত্তরা। হামলায় তপনের চাচা আহত হয়।
অপরদিকে এ ঘটনার তীব্র নিন্দা প্রতিবাদ ও হামলাকারীদের গ্রেফতারপূর্বক দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে বিবৃতি দিয়েছেন কেন্দ্রীয় নেত্রী বেগম মন্নুজান সুফিয়ান এমপি, মহানগর সভাপতি তালুকদার আব্দুল খালেক, জেলা সভাপতি ও জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান শেখ হারুনুর রশীদ, মহানগর সাধারণ সম্পাদক ও ১৪ দলের সমন্বয়ক মুহাম্মদ মিজানুর রহমান মিজান এমপি, জেলার ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট সুজিত কুমার অধিকারী।
অন্যদিকে, হামলার ঘটনার তীব্র নিন্দা প্রতিবাদ ও হামলাকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে বিবৃতি দিয়েছেন খুলনা সিটি কর্পোরেশনের কর্মচারী ইউনিয়নের সভাপতি উজ্জ্বল কুমার সাহা, সাধারণ সম্পাদক শেখ মহিউদ্দিন হোসেন, মো. ওহিদুজ্জামান শেখ, খান হাবিবুর রহমান, স ম মোকাররম হোসেন, মো. ইমতিয়াজ হোসেন, জিয়াউল হাসান লিটু, মো. আহসান হাবীব, মো. সাইফুর রহমান প্রমুখ।
এদিকে, সোনালী অতীত ক্লাবের সভাপতির বাড়িতে হামলার প্রতিবাদে অনুরূপ বিবৃতি দিয়েছেন নেতৃবৃন্দ। বিবৃতিদাতারা হলেন-সহ-সভাপতি শেখ ইউনুস আলী গাজী, মো. আফজালুর রহমান, রঘুনাথ মিত্র, নূরুল ইসলাম খান কালু, এস এম মোশারফ হোসেন, কাজী নাসিবুল হাসান সানু, রেজাউল আহমেদ রাজ, এস এম মনির, মো. আবুল হোসেন, মুজিবর রহমান ফয়েজ, এমএ জলিল, এস এম সোহরাব হোসেন প্রমুখ।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ