বৃহস্পতিবার ০২ জুলাই ২০২০
Online Edition

নির্বাচন কমিশনের বিচারাধীন বিষয়ে প্রজ্ঞাপন জারীর অধিকার নাই ---সুশীল ফোরাম

নির্বাচন কমিশন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নিবন্ধন বাতিল করে প্রজ্ঞাপন জারী করায় বিষ্ময় প্রকাশ করেছেন সুশীল ফোরামের সভাপতি মোঃ জাহিদ, ও সিনিয়র সহ-সভাপতি এস.এম শহীদুল্লাহ্ সহ ফোরামের নেতারা বলেন নির্বাচন কমিশনের শর্ত পূরন করে বাংলাদেশ জামাতে ইসলামী ২০০৮ সালের ৪ঠা নভেম্বর নিবন্ধন লাভ করে। ২০০৯ সালে তরিকত ফেডারেশনের দায়ের করা একটি রীট মামলার পরিপ্রেক্ষিতে শুনানীর জন্য হাইকোর্টের তিনজন বিচারপতির সমন্বয়ে বৃহত্তর বেঞ্চ গঠিত হয়। ঐ বেঞ্চের শুনানী শেষে হইকোর্ট বিভাগ ২০১৩ সালের ১লা আগস্ট বিভক্ত রায় প্রদানর করেন। প্রিজাইডিং জজ জামায়াতের নিবন্ধন বহাল রাখার পক্ষে ও অপর ২ জন বিচারপতি বিবন্ধনটি আইন সম্মত হয়নি বলে রায় প্রদান করেন। একই সাথে মামলাটির সাথে সাংবিধানিক প্রশ্ন জড়িত বিধায় বিচারপতিরা আপিলের জন্য সার্টিফিকেট প্রদান করেন। সুশীল ফোরামের সভাপতি মোঃ জাহিদ, ও সিনিয়র সহ-সভাপতি এস.এম শহীদুল্লাহ্ সহ ফোরামের নেতারা আরো বলেন, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে সুপ্রীম কোর্টের আপিল বিভাগে আপিল (আপিল নং- ১৩৯/২০১৩) দায়ের করা হয়। জামায়াতের নিবন্ধন নম্বরটি আপিল বিভাগে বিচারাধীন রয়েছে। এই অবস্থায় মামলার চূড়ান্ত নিষ্পত্তির আগে নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে নিবন্ধন বাতিল করে প্রজ্ঞাপন জারির কোন সুযোগ নেই। নির্বাচন কমিশনের প্রজ্ঞাপন জারি সম্পূর্ণ রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। নির্বাচন কমিশনের এই প্রজ্ঞাপন উচ্চ আদালতের প্রতি অশ্রদ্ধা প্রদর্শনের শামীল। সুশীল ফোরামের নেতারা নির্বাচন কমিশনের এই ভূমিকায় ক্ষুব্ধ এবং বিষ্মিত। ফোরামের নেতারা প্রজ্ঞাপন জারীর নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে অবিলম্বে তা প্রত্যাহার করার আহ্বান জানান। প্রেস বিজ্ঞপ্তি।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ