শুক্রবার ০৫ জুন ২০২০
Online Edition

মেহেরপুরে ইজিবাইক চালক হত্যা মামলায় ৩ জনের মৃত্যুদণ্ড

মেহেরপুর সংবাদদাতা: মেহেরপুরে চঞ্চল্যকর ইজি বাইক চালক হত্যা মামলার রায়ে তিন আসামীকে মৃত্যুদন্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত। অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক নুরুল ইসলাম মঙ্গলবার দুপুরে জনাকীর্ণ আদালতে এ রায় ঘোষণা করেন। সাজাপ্রাপ্ত আসামীরা হলো- মেহেরপুর সদর উপজেলার গোপালপুর মাঝপাড়ার আব্দুল কুদ্দুসের ছেলে আলমগীর হোসেন (২৭), রামনগর কলোনী পাড়ার জিন্নাত আলীর ছেলে মামুন হোসেন (২২) ও একই গ্রামের আজিম উদ্দীনের ছেলে ওয়াসিম (২৩)। একই সাথে তাদের ৫০ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে। এছাড়া অপর একটি ধারায় তাদের যাবজ্জীবন কারাদন্ড ও ২০ হাজার টাকা করে জরিমানা অনাদায়ে ২ বছর করে কারাদন্ড দেয়া হয়। মামলার অপর দুই আসামী ফিরোজ হোসেন ও কাবলু ইসলাম কে তিন বছর করে কারাদন্ড ও ২০ হাজার টাকা করে জরিমানার আদেশ দেয়া হয়েছে। 
মামলার বিবরণে জানা গেছে, মৃত্যুদন্ড প্রাপ্ত তিন আসামী ২০১৬ সালের ২৭ অক্টোবর সন্ধ্যায় ভাড়া যাওয়ার কথা বলে মোবাইল ফোনে মেহেরপুর শহরের হোটেল বাজারের জলিল খাঁর ছেলে ইজি বাইক চালক এনায়েত হোসেন খোকন কে ডেকে নেয়। এরপর তারা ইজিবাইকে চড়ে টেংরামারি মাঠের বটতলার মোড়ে যায়। সেখানে এনায়েত হোসেন কে ইজিবাইক থেকে নামিয়ে মাঠের মধ্যে নিয়ে গলায় দড়ি পেঁচিয়ে হত্যা করে ইজিবাইকটি ছিনতাই করে নিয়ে যায়। পরদনি ২৮ অক্টোবর সকালে খবর পেয়ে পুলিশ লাশ উদ্ধার করে। এদিন নিহতের স্ত্রী রোকেয়া আক্তার রুমা বাদী হয়ে মেহেরপুর সদর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করে। পুলিশ নিহত এনায়েত হোসেনের মোবাইল ফোনের কল লিষ্ট ধরে আসামীদের গ্রেফতার করে। পরে তারা ১৬৪ ধারায় হত্যার ঘটনার জবানবন্দী দেয়। অন্য দুই আসামী ছিনাতাইকৃত ইজিবাইক কেনা-বেচার সাথে জড়িত ছিল বলে প্রমাণিত হয়।
এদিকে একই দিনে একই সময়ে অপর এক মামলায় শ্বাশুড়ি হত্যার দায়ে জামাই আজিরুল ইসলামকে আমৃত্যু কারাদন্ড দিয়েছেন আদালত। মেহেরপুর জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক গাজী রহমান এ দন্ডাদেশ দেন।
মামলার বিবরণে জানা গেছে, ২০০৮ সালের ৩১ জুলাই মেহেরপুর সদর উপজেলার উত্তর শালিকা গ্রামে শ্বাশুড়ি সায়েরা খাতুনের সাথে কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে ক্ষিপ্ত হয়ে জামাই আজিরুল একটি কাঠ দিয়ে শ্বাশুড়ির মাথায় সজোরে আঘাত করে। এতে ঘটনাস্থলেই মারা যায় শ্বাশুড়ি সায়েরা খাতুন।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ