শনিবার ০৪ জুলাই ২০২০
Online Edition

২৮ অক্টোবরে পল্টনে হত্যাকারী খুনিদের গ্রেফতার ও মহানগরী জামায়াতের আমীরসহ সকল নেতার মুক্তি দাবি

খুলনা : ২৮ অক্টোবর হত্যাকা-ের খুনিদের বিচারের দাবিতে গতকাল রোববার সকালে খুলনা মহানগরী জামায়াতে ইসলামীর আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলে ক্তব্য রাখছেন ভারপ্রাপ্ত আমীর মাস্টার শফিকুল আলম

খুলনা অফিস : বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী খুলনা মহানগরী নেতৃবৃন্দ বলেন, ২৮ অক্টোবর দেশের জাতীয় ইতিহাসের একটি কলঙ্কিত দিন। ঐ দিন ১৪ দলসহ আওয়ামী লীগের সন্ত্রাসীরা যে বর্বরতা সংঘটিত করেছে তা মানব সভ্যতার এ যুগে কল্পনাও করা যায় না। আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন ১৪ দলীয় জোটের সন্ত্রাসীরা হাইকমাণ্ডের নির্দেশে লগি-বৈঠার সন্ত্রাসী তাণ্ডব চালিয়ে সেদিন পল্টনে জামায়াতে ইসলামী ও ইসলামী ছাত্রশিবিরের ৮ জনসহ ১৪ জন নেতা-কর্মীকে নির্মমভাবে হত্যা করে। আহত করে সহস্রাধিক নেতা-কর্মীকে। সন্ত্রাসীরা পল্টনে লগি-বৈঠা দিয়ে পিটিয়ে নৃশংসভাবে তাদের হত্যা করেই ক্ষান্ত হয়নি তারা নিহতদের লাশের উপর উঠে উল্লাস-নৃত্য করেছিল। সেই লোমহর্ষক ও বর্বরোচিত হত্যাকাণ্ড দেশ ও সারা বিশ্বের মানুষ বিভিন্ন মিডিয়ার মাধ্যমে বিস্ময়ের সাথে অবলোকন করেছে। নেতৃবৃন্দ খুনিদের গ্রেফতার ও শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানান। তিনি বলেন, ২০০৮ সালের ২৯ ডিসেম্বর নির্বাচনের প্রহসন করে জরুরি সরকারের হাত ধরে বর্তমান সরকার ক্ষমতায় এসে ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি ভোট ডাকাতির প্রহসনের নির্বাচন করে দেশে রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাস পরিচালনা করছে। সরকার ক্ষমতায় বসে জামায়াতে ইসলামী ও ইসলামী ছাত্রশিবিরের নেতা-কর্মীদের বেছে বেছে হত্যা করছে এবং দেশব্যাপী গণগ্রেফতার অভিযান চালাচ্ছে। অভিযানের অংশ হিসেবে গত ২৭ অক্টোবর খুলনা মহানগরী আমীর মাওলানা আবুল কালাম আযাদসহ অন্যান্য নেতা-কর্মীদের অন্যায়ভাবে গ্রেফতার করে। নেতৃবৃন্দ অত্যন্ত শ্রদ্ধার সাথে সেদিনের শহীদদের স্মরণ করেন এবং তাদের শাহাদাত কবুল করার জন্য আল্লাহর দরবারে দোয়া করেন এবং তাদের পরিবার-পরিজনদের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করেন।বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশন খুলনা বিভাগের সভাপতি ও খুলনা মহানগরী জামায়াতের ভারপ্রাপ্ত আমীর মাষ্টার শফিকুল আলমের সভাপতিত্বে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলে বক্তব্য দেন-কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরার সদস্য ও খুলনা মহানগরী সেক্রেটারি অধ্যাপক মাহফুজুর রহমান, সহকারী সেক্রেটারি এডভোকেট শেখ জাহাঙ্গীর হুসাইন হেলাল, মাওলানা রহমাতুল্লাহ প্রমুখ।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ