রবিবার ০৯ আগস্ট ২০২০
Online Edition

রংপুরের পীরগঞ্জে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ২ ॥ আহত ৩০

রংপুর অফিস : রংপুরের পীরগঞ্জ উপজেলার খেজমতপুর এলাকায় এক মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় ২ ব্যক্তি নিহত এবং ৩০ জন আহত হয়েছে।
পুলিশ এবং প্রতক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে কুড়িগ্রাম থেকে ছেড়ে আসা ঢাকাগামী ইউনাইটেড পরিবহনের একটি বাস লালমনিরহাটের বুড়িমারী থেকে ছেড়ে আসা অপর একটি বাসকে ওভারটেক করতে গিয়ে উপজেলার খেজমতপুর এলাকায় রংপুর-ঢাকা মহাসড়কে বাসটি উল্টে গেলে এ দুর্ঘটনা ঘটে। এতে ঘটনাস্থলেই একজন ও পীরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেয়ার পর অপর একজন মারা যান। নিহত দুজন হলেন- খয়বর আলী ও সুকুমার রায়। তাদের বাড়ি কুড়িগ্রাম জেলায় বলে জানা গেছে।
দুর্ঘটনায় আহত হয় ৩০ জন বাসযাত্রী। দুর্ঘটনার পর পরই পীরগঞ্জ থানা পুলিশ, বড়দরগাহ হাইওয়ে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস উদ্ধার কাজে অংশ নেয়। এ ঘটনায় প্রায় এক ঘণ্টা ওই সড়কে যান চলাচল বন্ধ থাকে। দুর্ঘটনার বিষয়টি নিশ্চিত করে বড়দরগাহ হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মোয়াজ্জেম হোসেন জানান, আহতদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। আহতদের উদ্ধার করে পীরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এবং রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে । রংপুরের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার (ডি সার্কেল) হাফিজুর রহমান ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন

রংপুর নগরীর নিউ মার্কেটে অগ্নিকাণ্ড
রংপুর মহানগরীর প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত নিউ মার্কেটে অগ্নিকান্ডের ঘটনা ঘটেছে। মঙ্গলবার সন্ধার দিকে এই অগ্নিকান্ডের সূত্রপাত ঘটে। ফায়ার সার্ভিসের দশটি ইউনিট
প্রায় পৌনে তিন ঘন্টার চেষ্টায় এই আগুন নিয়ন্ত্রনে আনেন। আগুনে কমপক্ষে ৪ টি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের প্রায় কোটি টাকার মালামাল ভস্মিভূত হয়েছে।
ফায়ার সার্ভিস ও প্রত্যক্ষদর্শি সূত্রে জানা গেছে, সন্ধ্যা সাড়ে ৬ টার দিকে একটি ইলেক্টনিক্স দোকান থেকে শর্টসার্কিটের মাধ্যমে অগ্নিকান্ডের সূত্রপাত ঘটে। মূহুর্তে মধ্যেই আগুনের লেলিহান শিখা চারিদিকে ছড়িয়ে পড়ে মার্কেটের ভিতরে। এসয়ম অন্তত ৪টি দোকান আগুনে পুড়ে ছাই হয়ে যায়। অগ্নিকান্ডে ইলেক্ট্রনিক্স, ঘড়ি, ক্যাসেট, ক্রোকারিজ, চশমার দোকানগুলো বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। অগ্নিকান্ডের খবর পেয়ে রংপুর ফায়ার সার্ভিসের ৪টি, হারাগাছের ২টি, কাউনিয়ার ২টি ও মিঠাপুকুরের দুটি ইউনিট এসে আগুন নিয়ন্ত্রনে আনে। অগ্নিকান্ড ঘটার পরপরই আশপাশ এলাকার বিদ্যুৎ সংযোগ বন্ধ করে দেয়া হয়। পাশাপাশি নগরীর প্রধান প্রধান সড়কগুলোতে যানবাহন চলাচল বন্ধ করে দেয়া হয়। আগুন লাগার আশপাশ এলাকায় পুলিশ নজরদারি জোরদার করা হয়।
রংপুর ফায়ার সার্ভিসের সহকারি উপ-পরিচালক শামসুজ্জোহা জানান, ফায়ার সার্ভিসের রংপুর ইউনিটসহ বিভিন্ন ১০টি ইউনিট এসে আগুন নিয়ন্ত্রনে আনে। এতে ৪০ টি দোকান ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। ক্ষয়ক্ষতি এখনো নিরুপন করা হয়নি। অগ্নিকান্ডে সূত্রপাত কিভাবে হয়েছে এ বিষয়ে তদন্ত না করে কিছু বলা যাবেনা বলে তিনি জানান। এদিকে আগুন লাগার খবর জানতে পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শনে আসেন রংপুর সিটি মেয়র মোস্তাফিজার রহমান মোস্তফা, জেলা প্রশাসক এনামুল হাবীব, মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ আবদুল আলীম মাহমুদসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক ও ব্যবসায়ী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ। কোতয়ালি থানার ওসি রেজাউল ইসলাম বলেন প্রাথমিক ভাবে ধারনা করা হচ্ছে বিদ্যুতের সর্ট সার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে। অগ্নিকান্ডে বেশ কয়টি দোকান পুড়ে গেছে।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ