মঙ্গলবার ০২ জুন ২০২০
Online Edition

১০ বছরের অপকর্ম ও পাপের বিচারে  শেখ হাসিনাকেই কারাগারে যেতে হবে

 

খুলনা অফিস : গ্রেনেড হামলা মামলার ফরমায়েশি রায় প্রত্যাখ্যান করে বিএনপির কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মহানগর সভাপতি সাবেক এমপি নজরুল ইসলাম মঞ্জু বলেছেন, গত ১০ বছরে দেশে যতো নারকীয় হত্যাকান্ড, খুন, গুম, দুর্নীতি, অনিয়ম, দুরাচার, স্বেচ্ছাচারিতা হয়েছে তার জন্য শেখ হাসিনার বিচার হবে এবং তাকে কারাগারে যেতে হবে। তিনি বলেন, শেখ হাসিনা জানেন আবারও ক্ষমতায় যেতে না পারলে তার পরিণতি কি হবে। এ জন্য যে কোন উপায়ে বিএনপিকে নির্বাচনের বাইরে রেখে তারা মসনদ দখলের পায়তারা করছে। কিন্ত সে সুযোগ আর তারা পাবেনা। আগামী এক মাসের ভেতরে পরিস্থিতি পাল্টে যাবে এবং জনগনের বিজয় হবে। 

ষড়যন্ত্রমূলকভাবে দেশনায়ক তারেক রহমানসহ বিএনপির নেতৃবৃন্দের বিরুদ্ধে ফরমায়েশি আদালতের রায়ের প্রতিবাদে কেন্দ্র ঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরে নগরীর কে ডি ঘোষ রোডে দলীয় কার্যালয়ের সামনে অনুষ্ঠিত বিক্ষোভ সমাবেশে সভাপতির বক্তৃতায় নগর বিএনপির সভাপতি নজরুল ইসলাম মঞ্জু এ কথা বলেন। বেলা ১১ টার দিকে শুরু হওয়া সমাবেশস্থলের আশেপাশে সকাল থেকেই ছিল বিপুল সংখ্যক পুলিশের কর্ডন। প্রশাসনের কড়া নজরদারির মধ্য দিয়ে দলের নেতাকর্মীরা খন্ড খন্ড ভাবে সমাবেশস্থলে হাজির হন। নগরীর প্রতিটি থানায়, ওয়ার্ডে দলীয় নেতাকর্মীদের বাড়ি বাড়ি পুলিশের তল্লাশি ও গণগ্রেফতার অভিযান এবং গায়েবী মামলা দায়েরের তিব্র নিন্দা জানান নজরুল ইসলাম মঞ্জু। বলেন, সরকার পুলিশের ওপর ভর করে ক্ষমতায় থাকতে চায়। কিন্ত পরিস্থিতি বদলে গেলে পুলিশের আচরন বদলে যাবে। 

তিনি বলেন, আওয়ামীলীগ ক্ষমতায় থাকলেই দেশে গণতন্ত্রের গলা টিপে হত্যা করা হয়, বাক স্বাধীনতা কেড়ে নেয়া হয়, বাকশাল কায়েম করে সবাইকে বাকশাল করতে বাধ্য করা হয়। 

কেন্দ্রীয় বিএনপি নেতা মঞ্জু বলেন, সরকার জোর করে গ্রেনেড হামলা মামলার রায় আগাম আদায় করেছে, যাতে নির্বাচনকে সামনে রেখে আগামী এক মাস এ নিয়ে তারা মিথ্যাচারে লিপ্ত থাকতে পারে। তারা তারেক রহমান সহ বিএনপির নেতাদের বিরুদ্ধে মিথ্যাচারা চালাবে। বিএনপির নেতাকর্মীদেরকে ধৈর্য্য ধারণ করার মাধ্যমে পরিস্থিতি মোকাবেলা করতে হবে। তিনি বলেন, বিএনপি জনগনের দল এবং বারবার জনগনের ভোটে দলটি ক্ষমতায় আসে। এ জন্য তাদেরকে মানুষ হত্যা করতে হয়না। বরং আওয়ামীলীগকেই ক্ষমতায় আসার জন্য এবং ক্ষমতা ধরে রাখার জন্য মানুষ হত্যা করতে হয়। নির্বাচনের আগে এই সরকারের পদত্যাগ, নির্বাচন কমিশনের পদত্যাগ ও নতুন কমিশন গঠন, নির্বাচনে সেনা মোতায়েন, সকল নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া গায়েবী মামলা প্রত্যাহার ও বন্দীদের নিঃশর্ত মুক্তিসহ বিএনপির ৭ দফা মেনে নেয়ার জোর দাবি জানান তিনি। 

শেখ সাদির পরিচালনায় সমাবেশে বক্তব্য রাখেন সাবেক এমপি শেখ মুজিবর রহমান, জাফরউল্লাহ খান সাচ্চু, মোল্লা আবুল কাশেম, রেহানা আক্তার, স ম আব্দুর রহমান, জাহিদুল ইসলাম, ফখরুল আলম, অধ্যাপক আরিফুজ্জামান অপু, মাহবুব কায়সার, নজরুল ইসলাম বাবু, মেহেদী হাসান দীপু, মহিবুজ্জামান কচি, আজিজুল হাসান দুলু, ইকবাল হোসেন খোকন, সাদিকুর রহমান সবুজ, এহতেশামুল হক শাওন, জালু মিয়া, সাজ্জাদ আহসান পরাগ, মাসুদ পারভেজ বাবু, কে এম হুমায়ুন কবির, একরামুল হক হেলাল, শামসুজ্জামান চঞ্চল, কামরান হাসান, নিয়াজ আহমেদ তুহিন, রবিউল ইসলাম রবি, বদরুল আনাম, ইশতিয়াকউদ্দিন লাভলু, জামিরুল ইসলাম, তরিকুল্লাহ খান, আফসারউদ্দিন মাস্টার, মীর কবির হোসেন, হাবিব বিশ্বাস, আবু সাঈদ হাওলাদার আব্বাস, মোঃ ওহেদুজ্জামান, আবুল কালাম শিকদার, আলমগীর হোসেন বাদশা, তরিকুল ইসলাম, সরদার রবিউল ইসলাম, মাহমুদ আলম বাবু মোড়ল, শফিকুল ইসলাম শাহিন, তারেক হাবিবুল্লাহ, আসলাম হোসেন, নাসির খান, ওমর ফারুক, বাচ্চু মীর, মোস্তফা কামাল, আব্দুল আলিম, তৌহিদুল ইসলাম খোকন, আবু সাঈদ শেখ, মাহবুব হোসেন, নিঘাত সীমা, হাসনা হেনা, সাবিনা ইয়াসমিন, কাজী মাহমুদ আলী, মিজানুর রহমান খোকন, লিটন খান, শাহাবুদ্দিন মন্টু, আব্দুর রহমান, সাইমুন ইসলাম রাজ্জাক, মেহেদী হাসান সোহাগ, জাহিদুর রহমান রিপন, জি এম রফিকুল হাসান, জাহাঙ্গীর হোসেন, খান মইনুল হাসান মিঠু, মোহাম্মদ আলী, জাকারিয়া লিটন, কাজী নজরুল ইসলাম, ওলিয়ার রহমান ওলি, মুছা খান, হেদায়েত হোসেন হেদু, মনিরুল ইসলাম, ওহেদুজ্জামন খোকন, আবু বক্কার, ডা. ফারুক হোসেন, আলম হাওলাদার, আলমগীর হোসেন, তরিকুল ইসলাম বাশার, ওহিদুজ্জামান ওহিদ প্রমুখ। 

সভা থেকে বুধবার রাতে দৌলতপুর থেকে গ্রেফতার ৩ নং ওয়ার্ড যুবদল নেতা তৌহিদুল হুদা লিটনের নিঃশর্ত মুক্তি দাবি করা হয়ে। 

এদিকে ষড়যন্ত্রমূলকভাবে দেশনায়ক তারেক রহমানসহ বিএনপির নেতৃবৃন্দের বিরুদ্ধে ফরমায়েশি আদালতের রায়ের প্রতিবাদে কেন্দ্র ঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী গতকাল বৃহস্পতিবার সকাল ১০ টায় কেডি ঘোষ রোডে দলীয় কার্যালয়ের সামনে অনুষ্ঠিত খুলনা জেলা বিএনপির বিক্ষোভ সমাবেশে খুলনা জেলা বিএনপির সভাপতি এডভোকেট এস এম শফিকুল আলম মনা বলেছেন, এ রায় উদ্দেশ্যপ্রণোদিত এবং রাজনৈতিক প্রতিহিংসা চরিতার্থ করতে অনির্বাচিত সরকার আদালকে ব্যবহার করে আরেকটি ন্যাক্কারজনক দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। রাজনৈতিক কর্মসূচি পালন এবং আইনী প্রক্রিয়ার মাধ্যমে এ রায়ের মোকাবেলা করা হবে বলে ঘোষণা দেন তিনি। সরকার ক্ষমতায় থাকার জন্য বিএনপির বিরুদ্ধে নানা ষড়যন্ত্র করছে দাবি করে তিনি বলেন, খালেদা জিয়াকে জেলে রেখে, তারেক রহমানকে দেশে ফিরতে না দিয়ে এবং হাজার হাজার নেতাকর্মীকে জেলে রেখে এক তরফা নির্বাচনের খায়েস তাদের পূরণ হবে না। 

 

সভায় বক্তব্য রাখেন সাধারণ সম্পাদক আমীর এজাজ খান, খান জুলফিকার আলী জুলু, মনিরুজ্জামান মন্টু, শেখ আব্দুর রশিদ, কামরুজ্জামান টুকু, আশরাফুল আলম নান্নু, চৌধুরী কওসার আলী, খান আলী মুনসুর, মেজবাউল আলম, আবুল খয়ের খান, মোল্লা খায়রুল ইসলাম, মোস্তফা উল বারী লাভলু, এডভোকেট মাসুম আল রশিদ, এডভোকেট তছলিমা খাতুন ছন্দা, শামসুল আলম পিন্টু, ওয়াইহদুজ্জামান রানা, শামীম কবির, তৈয়েবুর রহমান, ইবাদুল হক রুবায়েদ, উজ্জল কুমার সাহা, ইলিয়াস মল্লিক, আতাউর রহমান রনু, আব্দুল মান্নান মিস্ত্রি, গোলাম মোস্তফা তুহিন, আহসানুল হক লড্ডন, সুলতান মাহমুদ, খায়রুল ইসলাম খান জনি, মোল্লা মোশারফ হোসেন মফিজ, মোল্লা সাইফুর রহমান, খন্দকার ফারুক হোসেন, জাফরী নেওয়াজ চন্দন, কাজী মিজানুর রহমান, সাইফুল হাসান রবি, কাজী ওয়াইজউদ্দিন সান্টু, আরিফুর রহমান আরিফ, গোলাম কিবরিয়া আশা, মনির হোসেন, শেখ আব্দুস সালাম, রফিকুল ইসলাম বাবু, জসিমউদ্দিন লাবু, শামসুল বারিক পান্না, রাহাত আলী লাচ্চু, ডা. আলমগীর হোসেন, তারভিরুল আযম রুম্মান, শাহানুর রহমান আরজু, শাহাদাত হোসেন ডাবলু, আজিজুল ইসলাম, পূর্ণিমা হোসেন, আসলাম পারভেজ, বিকাশ মিত্র, জাকির গাজী, মোল্লা বিল্লাল হোসেন, মনিরুজ্জামান মনি, মোল্লা মাহবুবুর রহমান, ফখরুল ইসলাম বুলু, জহুরুল হক, ইসমাইল হোসেন, আবু হানিফ, হারুনর রশিদ, এডভোকেট সেতারা সুলতানা, মনি বেগম, মনিরা সুলতানা, জাকির হোসেন, মোফাজ্জেল হোসেন মফু, আব্দুল মালেক, মোকাররম হোসেন, জহুর আকুঞ্জি, আবু তাহের পাঠান, মহিউদ্দিন মিন্টু, হায়দার আলী, এডভোকেট নান্নু, দিদারুল ইসলাম, হাবিবুর রহমান হাবিব, সাইফুল মোড়ল, সাইফুল পাইক, শহিদুল ইসলাম, শফিকুল ইসলাম বাচ্চু, আব্দুর রব আকুঞ্জি, শহিদুল ইসলাম ছোট্ট, মিজানুর রহমান খোকন, মোস্তাফিজুর রহমান, মোস্তাকিন বিল্লাহ প্রমুখ।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ