শনিবার ৩১ অক্টোবর ২০২০
Online Edition

সেপ্টেম্বর মাসে রাজনৈতিক সন্ত্রাস

মুহাম্মদ ওয়াছিয়ার রহমান : [ছয়]
১৬ সেপ্টেম্বর ঝিনাইদাহের মহেশপুর থেকে জামায়াতের ৬ নেতা-কর্মীকে আটক করে পুলিশ। আটককৃতরা হলো- যাদবপুর ইউনিয়ন জামায়াত আমীর আবুল হাশেম, সেক্রেটারী আব্দুল মোত্তালিব পোদ্দার, ভাষান পাতা গ্রামের হাফিজুর রহমান ও কালিপুর গ্রামের মঈন উদ্দিন। বগুড়ার সোনাতলা থেকে উপজেলা পরিষদ ভাইস-চেয়ারম্যান ও উপজেলা জামায়াতের নায়েবে আমীর এনামুল হককে পুলিশ আটক করে। ১৮ সেপ্টেম্বর ঝিনাইদাহের মহেশপুর থেকে ৬ জামায়াত কর্মীকে আটক করে পুলিশ। আটককৃতরা হলো- সূর্যদিয়া গ্রামের আনোয়ার হোসেন, যাদবপুর গ্রামের রেজাউল ইসলাম, কাঞ্চনপুর গ্রামের নাজমুল হক, পূর্ব দরিয়াপুর গ্রামের আব্দুস সামাদ মিস্ত্রী, আতিয়ার রহমান ও রলি গ্রামের ওয়ায়েজ মোল্লা। ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা উপজেলা জামায়াত সেক্রেটারী মাওলানা আল-আমিনকে পুলিশ আটক করে। ২০ সেপ্টেম্বর ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা জামায়াতের আমীর সৈয়দ গোলাম সরওয়ার, জেলা আইন বিষয়ক সম্পাদক এ্যাডঃ (শিক্ষা নবীশ) মনিরুজ্জামান, আশুগঞ্জ উপজেলা আমীর শাহজাহান, নাছিরনগর উপজেলা আমীর সৈয়দ আলী ও সরাইল উপজেলা সেক্রেটারী এনাম খানকে আটক করে পুলিশ। নাটোরের লালপুর থেকে জামায়াত-শিবিরের ৭ নেতা-কর্মীকে আটক করে পুলিশ। আটককৃতরা হলো- নাটোর জেলা শিবিরের বায়তুলমাল সম্পাদক পাইকপাড়া গ্রামের হামিদুল ইসলাম, আনোয়ার ইসলাম সুমন, ফরিদ উদ্দিন, আক্কেল আলী, কলোনী দক্ষিণ লালপুরের ফরহাদ হোসেন, কামরুল ইসলাম ও সামিউল আলম।
২৩ সেপ্টেম্বর সিলেট জেলার বিশ্বনাথ পুলিশ দক্ষিণ জেলা জামায়াত সেক্রেটারী মাওলানা লোকমান আহমেদ, বিশ্বনাথ উপজেলা আমীর আব্দুল কাইউম, নায়েবে আমীর এমাদ উদ্দিন, এ.এইচ.এম আখতার ফারুক, সেক্রেটারী মতিউর রহমান, সহকারী সেক্রেটারী আব্দুল মুসকিত আখতার, জামায়াত নেতা মাওলানা আনোয়ার হোসেন, জাহেদুর রহমান, এখলাসুর রহমান, আব্দুল নূর, বাবুল মিয়া, তালেব আহমেদ গোলাপ, আব্দুল মালিক, রজব আলী, কামাল আহমেদ, আব্দুস শহীদ ও নূরুল ইসলামকে আটক করে। ২৪ সেটেম্বর চট্টগ্রামে জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নায়েবে আমীর ও সাবেক এমপি আ.ন.ম শামসুল ইসলাম আদালতে হাজির হয়ে জামিনের আবেদন করলে আদালত তার আবেদন নামঞ্জুর করে তাকে জেল হাজতে পাঠায়। ২৫ সেপ্টেম্বর দিনাজপুরের নবাবগঞ্জ উপজেলার কলকুঠি গ্রামের জামায়াত কর্মী আব্দুর রহমানকে পুলিশ আটক করে। কুমিল্লার দেবিদ্বার থেকে উপজেলা পরিষদ ভাইস-চেয়ারম্যান ও উপজেলা জামায়াত সেক্রেটারী সাইফুল ইসলাম শহীদ, শিবির কর্মী আবু হানিফ সরকার, নাছির সরকার, জিয়াদ বিন আহাদ, জাহিদ হাসান, আরিফুল ইসলাম, শরিফুল ইসলাম, আলা উদ্দিন সরকার, আব্দুর করীম, সৌরভ আহমেদ, নাঈম সরকার ও রাকিবুল ইসলামকে একটি সাংগঠনিক সভা বৈঠক থেকে আটক করে পুলিশ।
২৭ সেপ্টেম্বর ঝিনাইদাহের মহেশপুর থেকে পুলিশ ৭ জামায়াত নেতা-কর্মীসহ ১০ জনকে আটক করে। আটককৃতরা হলো- গুড়দাহ গ্রামের মুনসুর আলী, নেপা গ্রামের আব্দুল হাকিম, ভগবতিতলা গ্রামের আলী জান, গোপালপুর গ্রামের জাকির হোসেন, ফতেপুর নিমতলা পাড়ার নাছির উদ্দিন, বাগদিরাইট গ্রামের সোহাগ আলী ও কুটিপাড়া গ্রামের শরিফুল ইসলাম। ২৮ সেপ্টেম্বর নীলফামারী সদর থেকে তিন উপজেলার ৯ মহিলা কর্মীসহ ৪৩ জামায়াত-শিবির নেতা-কর্মীকে আটক করে পুলিশ। আটককৃতরা হলো- জেলা জামায়াতের সাবেক সহকারী সেক্রেটারী অধ্যাপক আবু হেলাল, শিবির কর্মী জাকারিয়া, রামনগর ইউনিয়ন জামায়াত আমীর কামরুজ্জামান, সফুরা বেগম, সাহিদা বেগম, শেফালী বেগম, হাজেরা খাতুন, নূর নাহার বেগম, নাজমুন নাহার, লাইলী বেগম, রুমি বেগম ও তহমিনাসহ ৪৩ জন। ২৯ সেপ্টেম্বর জয়পুরহাট জেলার পাঁচবিবি উপজেলা জামায়াত সেক্রেটারী আসাদুল, বাঁশখুর গ্রামের ইউসূফ, আশরাফুল ও শহরের শান্তিনগর এলাকার সুজাউলকে আটক করে পুলিশ।
শিবির : ৯ সেপ্টেম্বর সিলেটের ওসমানীনগর থেকে সাবেক উপজেলা শিবির সেক্রেটারী সুলতান আহমদকে আটক করে। পরে পুলিশ তাকে ১টি রিভলবারসহ কোর্টে চালান দেয়। ১২ সেপ্টেম্বর ঢাকা মহানগর উত্তর শিবির সভাপতি শাফিউল আলম, তার ছোট ভাই ও তার বন্ধুকে আটক করে পুলিশ। ১৫ সেপ্টেম্বর চট্টগ্রাম মহানগরীর বিভিন্ন থানা থেকে ২৩ শিবির নেতা-কর্মীকে আটক করে পুলিশ। আটককৃতরা হলো- রফিক উল্লাহ, মোশররফ হোসাইন, মঈন উদ্দিন, আবু নাছের, শেখ আব্দুল্লাহ, এম.এ ইসলাম, সিরাজুল ইসলাম, আজম উদ্দিন, আসিফুর রহমান জুয়েল, শাহাদাৎ উল্লাহ, ইদ্রিস মাহমুদ, সাজ্জাদ হোসেন, রায়হান বিন সিদ্দিক ও নাঈমুল হাসান ইরফানসহ ২৩ জন। যশোরের চৌগাছায় সাবেক উপজেলা শিবির সভাপতি মিজানুর রহমানকে নিজ বাড়ী থেকে আটক করে পুলিশ। ২১ সেপ্টেম্বর সিলেট শহরের শ্যামলী আবাসিক এলাকা থেকে শিবির নেতা নাজমুল হোসেন বাবু, আব্দুল জলিল, নজরুল ইসলাম সাব্বির, গালিব আহমেদ ও কর্মী ময়েজ আহমেদ সাজুকে পুলিশ আটক করে। ২৭ সেপ্টেম্বর সুনামগঞ্জ শহরের হাসন নগর এলাকা থেকে জেলা শিবির সভাপতি জুনায়েদ আহমেদ, সিলেট মহানগর সভাপতি নজরুল ইসলাম, সুনামগঞ্জ শিবির নেতা আবু তাহের, আলিফ নূর, কর্মী ইয়াকুব আলী, রুহুল আমিন, বিল্লাল হোসেন, আবু তোহা, নাজির হোসেন, ফাহিম আহমেদ, পিয়াস মিয়া, আশিক বিল্লাহ, শরিফ মিয়া, ইমন আহমেদ, তাজুল ইসলাম, শাল্লা উপজেলা সভাপতি আবুল হোসেন ও কর্মী মাহফুজুর রহমানকে আটক করে পুলিশ। ৩০ সেপ্টেম্বর ঢাকার মতিঝিল ও যাত্রাবাড়ী থেকে ১৪ শিবির নেতা-কর্মীকে আটক করে পুলিশ। আটককৃতরা হলো- আব্দুর রহমান, মুজাহিদুল ইসলাম, ওমর ফারুক, রোকনুজ্জামান, মেহেদী হাসান, জুয়েল রানা, ইমরান হোসেন, সাহেদ ইসলাম, জহুরুল হক, আবুল কাশেম, আরিফ রব্বানী, রাকিবুল হাসান, কামরুল ইসলাম ও ফুয়াদ আব্দুল্লাহ।
২০ দলীয় জোট : ১ সেপ্টেম্বর রাজশাহী জেলার ও চারঘাট থেকে ২০ দলীয় জোটের ১১ নেতা-কর্মীকে আটক করে পুলিশ। আটককৃতরা হলো- চারঘাটের সারদা ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ডাবলু, ইউসুফপুর ইউনিয়ন বিএনপির ওয়ার্ড সাধারণ সম্পাদক মাইনুল ইসলাম, চারঘাট ইউনিয়ন বিএনপির ওয়ার্ড সাধারণ সম্পাদক মোশাররফ হোসেন, বিএনপি কর্মী গিয়াস উদ্দিন, শাহীনুর, আব্দুল মতিন, বাঘা উপজেলার যুবদল আহবায়ক সালেহ আহমেদ সালাম, চারঘাটের শলুয়া ইউনিয়ন জামায়াত সভাপতি গিয়াস উদ্দিন, সারদা ইউনিয়ন শিবির সভাপতি হাসিবুর রহমান সোহাগ, পুঠিয়ার শিবির কর্মী নাহিদুল ইসলাম ও আব্দুল ওয়াদুদ। কুষ্টিয়া জেলার বিভিন্ন স্থান থেকে পুলিশ ২০ দলীয় জোটের ৫৮ নেতা-কর্মীকে আটক করে। পুলিশ দাবী করে আটককৃতদের নিকট থেকে ৩৩টি ককটেল, ১১টি হাত বোমা ও ১০০ গ্রাম বোমা তৈরীর বারুদ উদ্ধার করে। ২ সেপ্টেম্বর যশোরের ঝিকরগাছা থেকে ২০ দলীয় জোটের ১৫ নেতা-কর্মীকে পুলিশ আটক করে। আটককৃতরা হলো- লাউজানী গ্রামের আল-আমিন, সাইফুল ইসলাম, আলম হোসেন, ইমদাদুল হক রনি, আবুল কালাম আজাদ, আব্দুস সামাদ, সেলিম হোসেন, লুৎফার রহমান মেম্বার, আব্দুর রহীম, ইয়ানুর রহমান, মিঠু, সাইদুর রহমান, রুবেল, আলমগীর হোসেন ও মল্লিকপুর গ্রামের সাগর। যশোরের শার্শা থেকে থেকে ২০ দলীয় জোটের ৯ নেতা-কর্মীকে পুলিশ আটক করে। আটককৃতরা হলো- দক্ষিণ বুরুজ বাগান গ্রামের আজগর আলী, আলা উদ্দিন জালাল, সিরাজুল ইসলাম, রিপন হোসেন, যাদবপুর গ্রামের মেহেদী হাসান জনি, রামপুর গ্রামের বাকি বিল্লাহ, রাঢ়িপুকুর গ্রামের রুস্তম আলী, বাগআঁচড়া গ্রামের আলমগীর কবীর ও মতিয়ার রহমান। ৩ সেপ্টেম্বর সিলেটের গোয়াইনঘাট থেকে ২০ দলীয় জোটের ৩ নেতা-কর্মীকে আটক করে পুলিশ। আটককৃতরা হলো- উপজেলা জাতীয়তাবাদী ওলামা দলের আহবায়ক এম.এম কামাল উদ্দিন, জামায়াত কর্মী ফরিদ উদ্দিন ও কামাল উদ্দিন।
৪ সেপ্টেম্বর মেহেরপুরের গাংনীতে উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান বাবলুসহ ২০ দলীয় জোটের ২৩ নেতা-কর্মীরা আটক করে পুলিশ। নাটোরের গুরুদাসপুর থেকে ২০ দলীয় জোটের ৫ নেতা-কর্মীকে আটক করে পুলিশ। আটককৃতরা হলো- বিএনপি নেতা জাফর ইকবাল, জাহিদুল, জামায়াত কর্মী খায়রুল ইসলাম, এজাহাদ ও রাজিবুল ইসলাম। ৬ সেপ্টেম্বর রাজশাহীর পুঠিয়া পুলিশ বিএনপি নেতা শাহ আলম এবং জামায়াত নেতা ও উপজেলা পরিষদ ভাইস-চেয়ারম্যান আহমদ উল্লাহকে আটক করে। ৮ সেপ্টেম্বর ঝিনাইদাহ জেলার মহেশপুরে ২০ দলীয় জোট নেতা উপজেলা জামায়াতের নায়েবে আমীর ও নাটিমা ইউনিয়ন চেয়ারম্যান ফকির আহমেদ, জামায়াত নেতা আব্দুর রাজ্জাক, আনোয়ার হোসেন, বাবলু দেওয়ান, মন্টু, বিএনপির খলিলুর রহমান ও লুৎফর রহমানকে পুলিশ আটক করে।
১৩ সেপ্টেম্বর মেহেরপুরের মুজিবনগর উপজেলা থেকে ২০ দলীয় জোটের ১৩ নেতা-কর্মীকে আটক করে পুলিশ। আটককৃতরা হলো- উপজেলা জামায়াত আমীর খানজাহান আলী, আশরাফুল আলম, আজিজুল মিস্ত্রী, ফজলুল হক, মহিউদ্দিন, হাসাদ সরদার, সিরাত আলী, নবী গাজী, জহুরুল, সুজন আলী, মনিরুদ্দিন, রবিউল ইসলাম ও রানা শেখ। ১৪ সেপ্টেম্বর যশোরের কেশবপুর থেকে ২০ দলীয় জোটের মজিদপুর গ্রামের বিএনপি কর্মী মোজাফ্ফার রহমান সরদার ও কুশলদিয়া গ্রামের জামায়াত কর্মী হতদরিদ্র জাকির হোসেনকে আটক করে পুলিশ। ১৬ সেপ্টেম্বর চট্টগ্রাম মহানগরী বিভিন্ন থানা থেকে ২০ দলীয় জোটের ১৯ নেতা-কর্মীকে আটক করে পুলিশ। আটককৃতরা ছাত্রশিবির, যুবদল ও ছাত্রদল নেতা-কর্মী। চুয়াডাঙ্গার জীবননগর থেকে ২০ দলীয় জোটের ২ জনকে আটক করে পুলিশ। আটককৃতদের মধ্যে রয়েছে হাসাদহ ইউনিয়ন জামায়াতের সাবেক আমীর কামাল উদ্দিন ও বাঁকা ইউনিয়ন বিএনপির ওয়ার্ড সভাপতি সুমন মিয়া। যশোরের শার্শা থেকে পুলিশ ২০ দলীয় জোটের ৮ নেতা-কর্মীকে আটক করে। আটককৃতরা হলো- কামাল হোসেন, আব্দুল কাদের, কবিরুল ইসলাম, ইমরান হোসেন, আমিরুল ইসলাম, আজগার আলী, এনায়েত আলী ও ইসমাইল হোসেন। দিনাজপুর নাবাবগঞ্জ উপজেলা জামায়াত আমীর আবুল কাশেমসহ ২০ দলীয় জোটের ২৯ জনকে  পুলিশ আটক করে। ৩০ সেপ্টেম্বর দিনাজপুরের নবাবগঞ্জ থেকে ২০ দলীয় জোটের ৯ নেতা-কর্মীকে পুলিশ আটক করে। আটককৃতদের মধ্যে ৭ জন জামায়াতের ও ২ জন বিএনপির নেতা-কর্মী।
লেবার পার্টি : ১১ সেপ্টেম্বর ঢাকায় জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে বিএনপির মানববন্ধন কর্মসূচী থেকে লেবার পার্টির ঢাকা মহানগর দক্ষিণের যগ্ম-সম্পাদক মাহবুবুল আলমকে আটক করে শাহবাগ থানা পুলিশ।
জাপা : ২২ সেপ্টেম্বর গাজীপুর শহীদ ময়েজ উদ্দিন ব্রিজের পাশে দলীয় নেতা-কর্মীদের হাতে লাঞ্ছিত হয় জাপা প্রেসিডিয়াম সদস্য আজম খান।
জেএমবি : ৫ সেপ্টেম্বর বগুড়ার শেরপুর থেকে ২টি বিদেশী পিস্তল, ১০ রাউন্ড গুলী, ৩টি ধারালো চাকু ও ১ জোড়া হ্যান্ডকাপসহ জেএমবির শহীদুল ইসলাম, বুলবুল সোহাগ, মাসুদ রানা, আতিকুর রহমান সৈকত ও মিজানুর রহমানকে আটক করে পুলিশ। ২৮ সেপ্টেম্বর লালমনিরহাটের পাটগ্রাম রসুলগঞ্জ এলাকা থেকে জেএমবি সদস্য রুহুল আমিন ও কোর্টতলী এলাকা থেকে খোকনকে আটক করে র‌্যাব-১৩।
আনছারুল্লাহ বাংলা টিম ঃ ২৮ সেপ্টেম্বর লালমনিরহাটের কালিগঞ্জে ভোটমারী নিজ বাড়ী থেকে এবিটি জেলা সমন্বয়কারী মেহেদী সাদ্দাম হোসেন সবুজকে ১টি বিদেশী পিস্তল, ১ রাউন্ড গুলী ও বইসহ আটক করে র‌্যাব-১৩।
তাবলীগ জামাত : ৮ সেপ্টেম্বর ঢাকার কাকরাইল মসজিদে তাবলীগ জামাতের দু’গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষ আহত কয়েকজন। মাওলানা সা’দ পন্থীরা কাকরাইল মসজিদে প্রবেশ করতে গেলে প্রতি পক্ষের লোকজন তাদের বাধা দেয়, ফলে সংঘর্ষ হয়। সা’দ পন্থী মাওলানা মুনির বিন ইউসুফ ও মাওলানা মুহাম্মদ উল্লাহ মসজিদে প্রবেশ করতে গেলে মাওলানা জোবায়ের পন্থীরা বাধা দেয়। অভিযোগ করা হয় সা’দ পন্থীরা হজ্জ্বে যেয়ে সৌদী বসে ষড়যন্ত্র করে মাওলানা সা’দ, সৈয়দ ওয়াছেকুল ইসলাম, মাওলানা মুনির বিন ইউসুফ ও মাওলানা মুহাম্মদ উল্লাহ, হজ্জ্ব থেকে ফিরে তারা কাকরাইল মসজিদ দখলের চেষ্টা করে বলে অভিযোগ। ২৭ সেপ্টেম্বর ঢাকায় একটি রেস্টুরেন্টে বিশিষ্ট আলেমগণ এক সংবাদ সম্মেলনে তাবলীগ জামাতের সঙ্কট নিরসনে সরকার যে ৫ দফা প্রস্তাব দেয়, তা তারা প্রত্যাখ্যান করে। সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন- মাওলানা জুনাইদ আল-হাবীব, মাওলানা আব্দুল কুদ্দুস, মওলানা বাহাউদ্দিন জাকারিয়া, মাওলানা লোকমান মাজহারী, মাওলানা শাহরিয়ার মাহমুদ, মাওলানা ফজলুল করীম কাশেমী, মাওলানা আজিজুর রহমান হেলাল প্রমূখ।
জেএসএস : ২২ সেপ্টেম্বর রাঙ্গামাটির নানিয়ারচরে জেএসএস-এর হাতে রামসুপারী পাড়ায় ইউপডিএফ-এর শ্যামল কান্তি চাকমা ওরফে সুমন্ত ও যুদ্ধ মোহন চাকমা ওরফে আকর্ষণ খুন হয়।  [সমাপ্ত]

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ