শনিবার ৩০ মে ২০২০
Online Edition

শাহবাগে কোটা পুনর্বহালের দাবিতে এখনো সড়ক অবরোধ

স্টাফ রিপোর্টার : শাহবাগে কোটা পুনর্বহালের দাবিতে ডাকা অবরোধ কর্মসূচি অনির্দিষ্টকাল চলবে বলে ঘোষণা দিয়েছেন মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চের মুখপাত্র আ ক ম জামাল উদ্দিন। তিনি বলেন, ‘পরিপত্র স্থগিত করে সোমবারের মন্ত্রিসভায় তা প্রত্যাহার করতে হবে। মুক্তিযোদ্ধার সন্তানদের  স্থলপথ, নৌপথ ও বিমানপথ অবরোধ করার আহ্বান জানাচ্ছি, এই একদফা একদাবি আমাদের। এখন থেকে দাবি আদায় না পর্যন্ত অবস্থান করার জন্য আহ্বান জানাচ্ছি। গতকাল’ শনিবার  বিকালে সাংবাদিকদের উপস্থিতিতে তিনি এই আহ্বান জানান। বুধবার (৩ অক্টোবর) রাত থেকে শুরু এই কর্মসূচি শনিবার পর্যন্ত চলছে। সারাদেশ থেকে সমাবেশে বিভিন্ন ব্যানারে এসেছেন অনেকে। মুক্তিযোদ্ধা সংসদ সন্তান কমান্ড হবিগঞ্জ, নারায়ণগঞ্জ, মাধবপুর উপজেলা ও চট্টগ্রাম মহানগরের  ব্যানার দেখা গেছে।
পঞ্চগড় থেকে মুক্তিযোদ্ধা সংসদ সন্তান কমান্ডের ব্যানারে থাকা নাজমুল বলেন, 'আমার বাবা একজন মুক্তিযোদ্ধা। ৩০ ভাগ কোটা পুনঃবহাল করা উচিত। এজন্য অবস্থান নিয়েছি।
বাবুল শিকদার হবিগঞ্জ এলাকার মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে নিজেকে পরিচয় দিয়ে বলেন, ‘এই দেশ আমরা রক্ত দিয়ে স্বাধীন করেছি। সরকারি চাকরিতে আমাদের সন্তানদের কোটা থাকবে না, তা হতেই পারে না। তারা না খেয়ে মরবে, তা দেখতে চাই না। শেখ হাসিনা মুক্তিযোদ্ধাদের এই দবি মেনে মুক্তিযোদ্ধার সন্তানদের জন্য কোটা সংরক্ষিত রাখবেন, এই আশায় অবস্থান নিয়েছি।’
বিকাল চারটায় সম্মিলিতভাবে আসা মুক্তিযোদ্ধারা ভাষণ দেন। প্রত্যেকেই শেখ হাসিনাকে অভয় দিয়ে সব ক্ষেত্রে ৩০ ভাগ কোটা বহাল করার দাবি জানান। ৬টা পর্যন্ত যান চলাচলে ধীরগতি ছিল। শাহবাগ মোড় দিয়ে ডাইভারশন পথচারীরা এর কারণে টিএসসি দিয়ে ঘুরে যান। বাংলামোটর ও প্রেসক্লাবগামী গাড়িগুলো দীর্ঘক্ষণ জ্যামে আটকে থাকে। ঢাকা মেডিক্যাল ও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যালে আসা আম্বুলেন্স প্রবেশ করতে বেগ পেতে হয়ে যানজটের কারণে।
আম্বুলেন্সে রোগী নিয়ে যাওয়া জামালপুর থেকে আসা সিদ্দিকী সোহেল বলেন,  ‘খুব কষ্ট হচ্ছে ভাই। রোগী কষ্ট পাচ্ছে জ্যামে বসে আছি। জ্যাম কখন ছাড়বে বুঝছি না। যান চলাচল স্বাভাবিক ও রাখতে পুলিশ ও আনসার সদস্যদের কোনও উপস্থিতি লক্ষ করা যায়নি। এর আগে মেডিক্যাল পরীক্ষা ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ৫১তম সমাবর্তনের নিরাপত্তার স্বার্থে শাহবাগ থেকে সরে যাওয়ার অনুরোধ করেছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ