সোমবার ১৭ জানুয়ারি ২০২২
Online Edition

ইদলিববাসীদের আশার আলো দেখাচ্ছে তুরস্ক-রাশিয়া চুক্তি

২০ সেপ্টেম্বর, আল জাজিরা, আনাদোলু এজেন্সি : সিরিয়ার সর্বশেষ বিদ্রোহী নিয়ন্ত্রিত প্রদেশ ইদলিবে একটি নিরাপদ অঞ্চল গঠনে তুরস্ক ও রাশিয়ার মধ্যে চুক্তি হওয়ায় নাগরিকরা আশার আলো দেখছে। সেখানে প্রচুর বিদ্রোহী যোদ্ধা ও তাদের অবকাঠামো ছাড়াও প্রায় ৩০ লাখ সাধারণ নাগরিকদের চিন্তা মাথায় রেখে চুক্তিটি করা হয়। ড. হাবিব কেসৌফ নামে একজন অধিবাসী জানান, তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোগানের আহ্বানে প্রায় ১৫-২০ কিলোমিটার এলাকার এই নিরাপদ অঞ্চলকে জনগণ স্বাগত জানিয়েছে। ইতোমধ্যেই প্রায় ১৫ লাখ মানুষ সরকার ও রুশ যৌথ হামলার ভয়ে এলাকাটি ছেড়ে অন্যত্র চলে গেছে।

উল্লেখ্য, গত ১৭ সেপ্টেম্বর ইদলিবে একটি নিরাপদ অঞ্চল গঠনে আঙ্কারা ও মস্কোর মধ্যে সমঝোতা হয় বলে জানান রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। তুরস্কের অনুরোধে রুশ প্রেসিডেন্ট সাড়া দিলে কিছু শর্তের ভিত্তিতে এমন একটি সমঝোতায় পৌঁছানো সম্ভব হয়। কারণ ইতোমধ্যেই শুধু তুরস্কই সিরিয়ার মোট ১৫লাখ শরণার্থীকে আশ্রয় দিয়েছে তাই আর তারা শরণার্থী বাড়াতে চায় না বলে এরদোগান জানান।

প্রয়োজনে ইদলিবে আরো সেনা মোতায়েন করবে তুরস্ক

তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মেভলুত চাভুসওগ্লু বলেছেন, হামলা ঠেকাতে তার দেশ সিরিয়ার ইদলিব প্রদেশে আরো সেনা মোতায়েন করবে। রাশিয়ার সাথে ১ সেপ্টেম্বর সোমবার এক চুক্তিতে পৌঁছার পর তিনি ১৮ সেপ্টেম্বর মঙ্গলবার এ কথা বলেছেন।

মন্ত্রিসভার বৈঠকে চাভুসওগ্লু বলেন, 'আমাদের বাড়তি সেনার প্রয়োজন তাহলে ইদলিব সীমান্ত সুরক্ষিত হবে। লোকজন যার যার অবস্থানে থাকবে। এ অঞ্চলে বিরুদ্ধে হামলা ঠেকাতে রাশিয়া প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে। এছাড়া ইদলিবে আমাদের ১২টি পর্যবেক্ষণ স্টেশন থাকবে।' চাভুসওগ্লু বলেন, ইদলিবের বেসামরিক বাফার জোন থেকে ১৫ অক্টোবরের মধ্যে ভারি অস্ত্রগুলো প্রত্যাহার করা হবে। সেখানে বেসামরিক লোকজন থাকবে, শুধুমাত্র সন্ত্রাসী গোষ্ঠীগুলোকে সরিয়ে নেয়া হবে। তুর্কি পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ইদলিবের সাথে আলেপ্পো, রাজধানী দামেস্ক ও ভূমধ্যসাগরীয় উপকূলের সঙ্গে সংযুক্ত সড়কগুলোকে চলতি বছরের শেষনাগাদ খুলে দেয়া হবে। রাশিয়ার সোচি শহরে তুর্কি প্রেসিডেন্ট রজব তাইয়েব এরদোগান ও রুশ প্রেসিডেন্ট ভøাদিমির পুতিনের মধ্যে বৈঠক হওয়ার পর চাভুসওগ্লু এসব কথা বললেন।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ