বুধবার ১৯ জানুয়ারি ২০২২
Online Edition

উৎসে আয় কর কমানোর চিন্তা করছে সরকার ---বাণিজ্যমন্ত্রী

 

স্টাফ রিপোর্টার: ব্যবসায়ী সমাজের সার্বিক সহযোগিতায় সারা পৃথিবীতে বাংলাদেশ উন্নয়নের রোড মডেলে পরিণত হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ। সম্প্রতি পোশাক খাতের শ্রমিকদের জন্য ৮ হাজার টাকা মজুরি কমিশন মজুরি নির্ধারণ করে দেওয়ায় ব্যবসা পরিচালনায় কিছুটা ব্যয় বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। উৎসে আয় কর কমানোর চিন্তা করছে সরকার।

গতকাল বৃহস্পতিবার ঢাকা চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রি (ডিসিসিআই)’র ‘ডিসিসিআই প্রেসিডেন্টস এক্সিকিউটিভ ফ্লোর’ উদ্বোধন অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন ঢাকা চেম্বারের সভাপতি আবুল কাসেম খান, ডিসিসিআই ঊর্ধ্বতন সহ-সভাপতি কামরুল ইসলাম, পরিচালক ইঞ্জিনিয়ার আকবর হাকিম, হোসেন এ সিকদার প্রমুখ।

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, সম্প্রতি পোশাক খাতের শ্রমিকদের জন্য ৮ হাজার টাকা মজুরি কমিশন মজুরি নির্ধারণ করে দেওয়ায় ব্যবসা পরিচালনায় কিছুটা ব্যয় বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এতে সরকার ব্যবসা-বাণিজ্য পরিচালনায় ব্যয় হ্রাসের জন্য উৎসে কর কমানোর মতো উদ্যোগ নেওয়ার বিষয়টি সক্রিয়ভাবে বিবেচনা করছে।

তোফায়েল আহমেদ বলেন, বহির্বিশ্বে বাংলাদেশের ব্যবসায়ীদের ব্যবসায়িক কার্যক্রম সম্প্রসারণের লক্ষ্যে বর্তমান সরকার ইতোমধ্যে বিভিন্ন দেশের সঙ্গে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (এফটিএ) স্বাক্ষরের প্রচেষ্টা অব্যাহত রেখেছে। ভিয়েতনামের সঙ্গে এফটিএ স্বাক্ষরের বিষয়টিতে বেশ অগ্রগতি হয়েছে বলেও তিনি জানান।    

আবুল কাশেম বলেন, বিশ্ব প্রতিযোগিতার বাজারে এখন টিকে থাকাই বড় কঠিন বিষয় হয়ে দাড়িয়েছে। অথচ প্রতি নিয়তই কারখানা পরিচালনায় ব্যয় বাড়ছে। কিন্তু পণ্যের দাম বাড়ছে না। এভাবে চলতে থাকলে বিশ্ব প্রতিযেগিতায় আমরা এক পিছে পড়ে যাবো। এ নিয়ে সরকারকে এখনই ভাবতে হবে। তা নাহলে আমাদের শ্রমিকরা বেকার হয়ে পড়বে।

তিনি আরও বলেন, আমরা চাই শ্রমিকদের বেতন বাড়িয়ে দিতে। এতে তারা খুশি থাকেন। আর শ্রমিকরা খুশিতে থাকলে কাজ বেশি হয়। কিন্তু আমরা বেচে থাকতে পারলেই শ্রমিকদের খুশির ব্যাপার। আমাদের বেচে থাকার যুদ্ধাটাই বড় কঠিন হয়ে গেছে। এখানে আমাদের তেমন কিছুই করার নেই। চাইলেই আমরা বেতন ২০ হাজার টাকা করতে পারি না। কারখানা বন্ধ হয়ে গেলে বেতন বাড়িয়ে কি লাভ হবে। কারখানা বাচিয়ে সব কিছুই করতে হবে।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ