রবিবার ২৩ জানুয়ারি ২০২২
Online Edition

ছড়া

সাদা মেঘের খেলা  

হোসেন মোতালেব 

 

বর্ষা গেলে শরৎ এলে মেঘপরিরা মিলে  

নূপুর পায়ে নৃত্য করে আকাশ গাঢ় নীলে। 

 নীল আকাশের কোণে  কোণে সাদা মেঘের খেলা 

এরই ফাঁকে সূর্য হাসে চালায় আলোর ভেলা। 

 সেই ভেলাতে সওয়ার হয়ে মেঘপরিরা হাসে

আরশি হেন ঝিলের মাঝে শাপলাগলো ভাসে।

জল টলমল নদীর পাশে সাদা কাশের ফুলে

হিমেল হাওয়ার পরশ পেয়ে নাচে হেলে-দুলে।

তালের পিঠার গন্ধে আকুল মনমাতানো ঘ্রাণে

পাড়ায় পাড়ায় খুশির আমেজ প্রতি প্রাণে প্রাণে। 

সকালবেলা ঘাসের ডগায় একটু শিশির কণা 

কী অপরূপ, দেখতে যেন মুক্তা, মণি, সোনা।

হাসনাহেনা সুবাস ছড়ায়, ছড়ায় বকুল ফুলে 

   রোদে মেঘে হয় মিতালি নীল গগণের কূলে।

রূপের রানি শরৎ এলে রূপ ঝলমল করে

রূপবাহারে মুগ্ধ হয়ে কবি কাব্য গড়ে।

 

 

চাঁদের দেশে

নাসির ফরহাদ

 

চাঁদের দেশে যেতে হবে রকেট চড়ে, তার পরে?

আসমান আছে মাথার ওপর হাজার মাইল,পার করে।

চাঁদের শহর দেখতে ভালো দুধের মতোই সাদা বেশ,

চাঁদের হাসি দেখতে যেন সাগরের রূপচাঁদা বেশ।

চাঁদের দেশে বন্ধু এবং ফুটবল খেলার মাঠ আছে,

পুকুর ভরা ট্যাংরা, পুঁটি সাঁতার কাঁটার ঘাট আছে?

শুনছি এখন চাঁদের দেশে বসবাসের পথ আছে!

দাদু যাবে আমার সাথে, দাদীর ও কি মত আছে?

চন্দ্রভূমি ঘর বানাবো থাকবো সবাই একসাথে,

আমরা হবো চাঁদের মানুষ জোসনা পাবো সব রাতে।

 দেশের মানুষ সবাই যাবে আমরা যাওয়ার ঠিক পরে,

ফুল পাখিতে চাঁদের শহর দেখতে লাগবে তর তরে।

 

পাখি নাচে খুকু নাচে

ইদ্রিস ম-ল

 

মামার বাড়ির পুকুর পাড়ে

আমড়া গাছের ডালে

দেখলো খুকু দোয়েল পাখি

নাচছে তালে তালে

খুকু ডাকে  পাখিরে আয়

আমরা করি খেলা

আনন্দ আর ফুরতি করে

দিই কাটিয়ে বেলা

আায় কাছে আয় দোয়েল পাখি

মাটির উপর আয়

খেলা করি আমরা দু'জন

প্রাণ খুলে গান গাই।

খুকুর কথায় নাচ থামালো পাখি

কিচির মিচির করলো ডাকাডাকি

কি বুঝলো দোয়েল পাখি

উড়লো ডানা মেলে

মাটির উপর পা রাখলো

পিছনে গাছ ফেলে।

পেখম মেলে নাচে পাখি

গাই মুখে সে গান

দেখে খুকু ভীষণ খুশি

আল্লাদে আটখান

পাখি নাচে খুকু নাচে

পুকুর পাড়ের ধারে

পাল্লা  চলে নাচানাচির

কেউ না জেতে হারে।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ