বুধবার ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২০
Online Edition

জোতবাজার খেয়াঘাটে সেতুর ভিত্তি স্থাপিত ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী

মান্দা (নওগাঁ) সংবাদদাতা : মান্দা উপজেলা সদর প্রসাদপুর বাজার সংলগ্ন প্রসাদপুর খেয়াঘাটে বহুল আলোচিত ও প্রত্যাশিত সেতু নির্মাণের আশ্বাস ও নানা সময়ে প্রতিশ্রতি দিয়ে আজ পর্যন্ত কোন উদ্যোগ না নেওয়ায় এবং পাশ কেটে অত্যন্ত কম গুরুত্বপূর্ণ জনমানবহীন প্রত্যন্ত এলাকায় অর্থহীন মাত্র গুটিকয়েক গ্রামের জন্য বিপুল পরিমাণ টাকা ব্যয়ে জোতবাজার খেয়াঘাট সংলগ্ন আত্রাই নদীর ওপর সেতু নির্মাণ করার জন্য চরম হতাশা, ক্ষুদ্ধ এবং উৎকন্ঠা প্রকাশ করেছেন সদর এলাকাবাসীসহ অত্র এলাকাধীন লাখ লাখ জনতা। প্রসাদপুর খেয়াঘাটে সাম্ভাব্য ২২০ মিটার এ সেতু নির্মাণে সর্বোচ্চ ২০ কোটি টাকা ব্যয় হতে পারে।  তারা মন্ত্রী ও নেতাদের খামখেয়ালী কর্মকান্ডে চরম বিরক্ত প্রকাশ করেছেন। তবে তাদের অন্য কোন উপায় না থাকায় মানব বন্ধন বা কোন কর্মসূচি না দিলেও অবিলম্বে এ বিষয়ে সরকারে উপর মহলে লিখিত অভিযোগ দাখিলের প্রস্তুতি নিচ্ছেন বলে জানা গেছে।
কারণ হিসেবে সচেতন মহল দাবী করেন, মান্দা উপজেলা সদর প্রসাদপুর বাজারে সমস্ত অফিস-আদালত, ৫০ শয্যা হাসপাতাল, সব সরকারী-বেসরকারী ব্যাংক, উন্নত মার্কেটসহ নানা এনজিও অফিস অবস্থিত। কিন্তু অজ্ঞাত কারণে এখানে সেতু নির্মাণ না হয়ে এক প্রকার চরম উদাসীনতা ,অবহেলা এবং বঞ্চিত করে স্থান পরিবর্তন করে মাত্র ৭ কিলোমিটার দূরে এ সেতু নির্মাণ ও স্থানান্তর করা হয়েছে। আরো প্রকাশ, এ নির্মাণাধীন সেতু থেকে মন্ত্রীর বাড়ি মাত্র ৩/৪ কিলোমিটার । এ কারণে ক্ষমতার দাপটে বিপুল টাকা অপব্যয়ে ছোট্র একটি বাজার এলাকায় এ সেতুর ভিত্তিপ্রস্তর স্থান করা হয়েছে। এছাড়া প্রসাদপুর খেয়াঘাটের অবৈধভাবে পাওয়া পাটনী রামনাথ চৌধুরীর নানা ষড়যন্ত্রের কারণে জোতবাজারে সেতুর দাবী ওঠে এসেছে বলেও জানা গেছে। জাতীয় সংসদে বারবার প্রসাদপুর খেয়াঘাটে সেতুর দাবী করা হলেও আজ অবধী তা আলোর মুখ দেখছে না। অথচ এর আগে কম গুরুত্বপূর্ণ দূর্গাপুর খেয়াঘাটে প্রায় ৮ লাখ টাকা ব্যয়ে সেতু ও আরো প্রায় ২ কোটি টাকা ব্যয়ে রাস্তা নির্মাণ করা হয়েছে। আবার জোতবাজারে এ সেতু আরো ২০ বছর পরে নির্মাণ করলেও চলত বলে এক জরিপে উঠে এসেছে। অবিলম্বে প্রসাদপুর খেয়াঘাটে সেতু নির্মাণের জন্য এলাকাবাসী জোরালো দাবী জানিয়েছেন।
এদিকে ‘গ্রামীণ সড়কে গুরুত্বপূর্ণ সেতু নির্মাণ’ শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের তত্বাবধানে ১৮ কোটি ৮১ লাখ ২৫ হাজার টাকা ব্যয়ে ২১৭ মিটার দৈর্ঘ্যরে
গতকাল শনিবার বিকেলে উপজেলার জোতবাজার খেয়াঘাট সংলগ্ন আত্রাই নদীর ওপর সেতু নির্মাণ কাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের ফলক উন্মোচন শেষে উপজেলা আওয়ামীলীগের আয়োজনে এক জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী মুহা. ইমাজ উদ্দিন প্রামানিক এমপি।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ