মঙ্গলবার ০২ জুন ২০২০
Online Edition

নাব্যতা সংকটে শিমুলিয়া-কাঠালবাড়ি ফেরী সার্ভিস 

লৌহজং : আটকে আছে একটি ফেরী

এম. তরিকুল ইসলাম লৌহজং (মুন্সীগঞ্জ) : দক্ষিণবঙ্গের অন্যতম প্রবেশদ্বার বলে পরিচিত ঢাকা-মাওয়া-খুলনা মহাসড়কের শিমুলিয়া-কাঠালবাড়ি নৌ-রুটে নাব্যতা সংকটের কারনে  এ নৌ-রুটে চলাচলরত ফেরিগুলোকে চলাচলে মারাত্বক প্রতিবন্ধকতার শিকার হতে হচ্ছে । 

ওয়ান ওয়ে পদ্ধতিতে নৌ-চ্যানেলটিতি ফেরী চলাচল করায় ফেরী পাপাপারে নির্ধারিত এক ঘন্টার পরিবর্তে দেড় ঘন্টা বেশি সময় লাগছে ।যার ফলে এ রুটে যানবাহনের সংখ্যা বেড়ে গেলে ফেরীঘাটে যানজটের শিকার হতে হয় যানবাহন ও পরিবহনগুলোকে । সরেজমিনে দুপুরের দিকে ফেরীঘাটের বিভিন্ন স্থান পরিদর্শন কালে দেখা যায় ফেরীঘাটে যানবাহনের তেমন চাপ নেই তবে সকালের দিকে যে চাপ ছিলো দুপুর নাগাদ তা একেবারেই কমে আসছে । অন্যদিকে ফেরী ঘাটে চাপ না থাকলেও লঞ্চ ও সি-বোট ঘাটে যাত্রীদের কিছুটা ভিড় লক্ষ করা গেছে। 

বিআইডব্লিউটিএর নৌ-নিরাপত্তা ও ট্রাফিক ব্যাবস্থাপনা বিভাগের শিমুলিয়া ঘাটের টিআই সোলাইমান হোসেন জানান যাত্রীর চাপ সামাল দেওয়ার জন্য এ রুটে ৮৭ টি লঞ্চ চলাচল করছে সকালের দিকে নদীতে একটু ঢেউ ছিলো এখন নদী শান্ত আমরা কোন মতেই অতিরিক্ত যাত্রীবহন করতে দিচ্ছিনা । সকালে যাত্রীদের চাপ থাকলেও দুপুরে চাপ কমে, আবার বিকেলের দিকে একটু যাত্রী বেশি হয় । এ দিকে বিআইডব্লিউটিসির শিমুলিয়া ঘাটের এজিএম খন্দকার খালিদ নেওয়াজ জানান বর্তমানে ১ টি রোরো ফেরী বীরশ্রেষ্ঠ জাহাঙ্গীর রিক্স্র নিয়ে চালাচ্ছি আল্লাহ যা করবে তাই মানতে হবে , ঘাট সচল রাখতে হবে যাতে ৩০০ শত গাড়ি আসলেও সামাল দিতে পারি । রোরো ছাড়াও ৬ টি কে-টাইপ, ৩ টি মিডিয়াম ,৬ টি ড্রাম ও একটি ছোট ফেরিসহ মোট ১৭ টি ফেরি সার্ভিস দিচ্ছে এ নৌ-রুটে । তবে চ্যানেলে নাব্যতা সংকট থাকায় ওন-ওয়ে পদ্ধতিতে ফেরীগুলো চলাচল করতে হয়, সে কারণে চ্যানেলে একটি ফেরী ঢুকে গেলে অন্য ফেরীকে চ্যানেলের বাইরে ১৫-২০ মিনিট অপেক্ষা করে এ নৌ-রুটটিতে চলাচল করতে হয় । সে ক্ষেত্রে একটু সময় বেশি লাগছে ফেরীগুলো গন্তব্যে পৌছাতে । তবে এখনো চ্যানেলের আবস্থা পরিবর্তন হয়নি । 

এ দিকে সি-বোট ঘাটে গিয়ে দেখাযায় যাত্রীরা লাইফ জ্যাকেট নিয়ে সি-বোটে উঠছে ।এখানে সকালে বৃষ্টির কারণে যাত্রীদের চাপ কম থাকলেও বিকেলের দিকে কিছুটা যাত্রীদের চাপ দেখা গেছে । 

এ ব্যাপারে শিমুলিয়া ঘাটের ইজারাদার মেদিনিমন্ডল ইউপি চেয়ারম্যান আশরাফ হোসেনের  প্রতিনিধি সি-বোট ঘাটের পরিচালক ডিজিটাল মাতিন বলেন লাইফ জ্যাকেট ছাড়া কোন সি-বেটেকেই  আমরা যাত্রী বহন করতে  দিচ্ছিনা। সি-বোট ঘাটে দায়িত্বপালনরত সিরাজদিখানের এসিল্যান্ড মো.নজরুলইসলাম বলেন সি-বোটে নির্ধারিত ১৮০ টাকা ভাড়া নেওয়া হচ্ছে এবং সি-বোটগুলোতে যাত্রীরা লাইফ জ্যাকেট পরেই নদী পাড়ি দিচ্ছে । 

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ