বৃহস্পতিবার ০২ জুলাই ২০২০
Online Edition

নিজেকে সব সময় প্রস্তুত রাখেন ইমরুল 

স্পোর্টস রিপোর্টার : ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফরের কোনো ফরম্যাটের দলে থাকলেও কোনো ম্যাচেই খেলার সুযোগ পাননি বাঁ-হাতি ওপেনার ইমরুল কায়েস। সর্বশেষ টেস্ট খেলেন  ঘরের মাঠে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে। শেষ ওয়ানডে এবং টি-টোয়েন্টি খেলেছেন গত বছরের শেষ দিকে দক্ষিণ আফ্রিকা সফরে। গত এপ্রিলে অনুষ্ঠিত বিসিএলের এক ম্যাচে নর্থজোনের বিপক্ষে ১০৭ রানের একটি ইনিংসও ছিল তার। তবুও জাতীয় দলের জায়গা হারাতে হয় টেস্ট দলের পরীক্ষিত এই ওপেনারকে। তার জায়গায় ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে টেস্টে ইনিংস ওপেন করেন লিটন দাস। টি-টোয়েন্টিতেও তামিমের ওপেনিং সঙ্গী ছিলেন লিটন। ওয়ানডেতে ওপেনার ছিলেন এনামুল হক বিজয়। আগামী মাসে আরব আমিরাতের মাটিতে অনুষ্ঠিতব্য এশিয়া কাপ ক্রিকেটের জন্য ৩১ সদস্য বিশিষ্ট প্রাথমিক দল ঘোষণা করা হয়েছে। এবার ইমরুল কায়েস রয়েছেন এশিয়া কাপের দলে। আজ সোমবার থেকেই শুরু টাইগারদের কন্ডিশনিং ক্যাম্প। যেখানে কাজ করা হবে ফিটনেস নিয়ে। এরপর হবে আসল প্রস্তুতি। তবে আনুষ্ঠানিক প্রস্তুতি শুরুর আগেই নিজেকে প্রস্তুত করার জন্য গতকাল রোববার মিরপুরে এসে হাজির বাংলাদেশ দলের এই ওপেনার। সেখানেই তিনি কথা বলেন মিডিয়ার সঙ্গে। ইমরুল কায়সে জানালেন, সব সময়ই নিজেকে প্রস্তুত রাখেন তিনি। কারণ, যখনই ডাক পড়বে, তখনই যেন নিজেকে উজাড় করে দিতে পারেন, সে লক্ষ্য নিয়েই কাজ করে যাচ্ছেন তিনি। আপনারা জানেন, ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফরে গেলেও কোন ম্যাচ খেলার সুযোগ পাইনি। তবে আমি ঈদের ছুটির শুরুর পূর্ব পর্যন্ত অনুশীলন করছি। মাঝে ঢাকার বাইরে গিয়েছিলাম, ট্রিটমেন্টের জন্য। যতদিন আমি এখনে ছিলাম, ততদিন অনুশীলন করেছি। তিনি বলেন, ‘প্রতিটা ক্রিকেটারের পরিকল্পনা থাকে, দেশের হয়ে ভালো খেলার। আমিও নিজেকে সেভাবেই প্রস্তুত করি। কেউ সফল হয় আবার হয়তো কেউ হয় না। আমি নিজেকে সে ভাবেই প্রস্তুত করছি।’বাংলাদেশ দলে এখন প্রতিযোগিতা অনেক বেড়ে গেছে। এক পজিশনে অনেকগুলো খেলোয়াড় চলে এসেছে। এ কারণে নির্বাচকদের সুবিধা হয়, কেউ খারাপ করলে তার পরিবর্তে আরেকজনকে দলে নেয়ার। আবার একবার জায়গা হারালে সেটা ফিরে পাওয়ার  লড়াই চলে বাকিদের মধ্যে। বিষয়টাকে দলের জন্যই ভালো হিসেবে দেখছেন ইমরুল কায়েস। দলের মধ্যে প্রতিযোগিতা নিয়ে জানতে চাইলে ইমরুল বলেন, ‘যখন কোনো দলে সুস্থ প্রতিযোগিতা থাকে, তখন স্বাভাবিকভাবেই সেই দলের পারফরম্যান্স অনেক ভালো হয়। আপনারা দেখছেন, ওয়ানডে বা শর্ট ভার্সনের ক্রিকেটে আমরা অনেক ভালো খেলছি। এমন প্রতিযোগিতা থাকলে সবাই চেষ্টা করে নিজের জায়গাটা ধরে রাখতে। এটা একদিক থেকে ইতিবাচক ও আরেকদিক থেকে একটু নেতিবাচকও বটে। 

৩১ সদস্যের প্রাথমিক দল : মাশরাফি মুর্তজা, সাকিব আল হাসান, তামিম ইকবাল, ইমরুল কায়েস, এনামুল হক বিজয়, মুশফিকুর রহিম, মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ, সৌম্য সরকার, সাব্বির রহমান, সাইফ উদ্দিন, মোস্তাফিজুর রহমান, মোসাদ্দেক হোসেন, লিটন দাস, আবু হায়দার রনি, নাজমুল ইসলাম অপু, মেহেদী মিরাজ, মুমিনুল হক, নুরুল হাসান সোহান, রুবেল হোসেন, আরিফুল হক, আবু জায়েদ রাহী, নাজমুল হোসেন শান্ত, শরিফুল হক, তাইজুল ইসলাম, নাঈম হাসান, ফজলে রাব্বি, খালেদ আহমেদ, জাকির হোসেন, সানজামুল ইসলাম, মোহাম্মদ মিঠুন ও কামরুল ইসলাম রাব্বী।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ