বৃহস্পতিবার ০৬ আগস্ট ২০২০
Online Edition

খুলনা-৪ আসনের উপ-নির্বাচনে আ’লীগ মনোনীত প্রার্থী আব্দুস সালাম মুর্শেদীর মনোনয়নপত্র দাখিল

 

খুলনা অফিস : খুলনা-৪ আসনের (রূপসা-তেরখাদা-দিঘলিয়া) উপ-নির্বাচনে মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী সাবেক ফুটবলার বাংলাদেশ এক্সপোর্টার্স এসোসিয়েশনের (ইএবি) সভাপতি, এনভয় গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও বাংলাদেশ গার্মেন্টস ম্যানুফেকচারার্স এন্ড এক্সপোটার্স এসোসিয়েশনের (বিজিএমইএ) সাবেক সভাপতি আব্দুস সালাম মুর্শেদী। রোববার দুপুরে খুলনা বিভাগীয় আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা ও খুলনা-৪ আসনের উপ-নির্বাচনের রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. ইউনুচ আলীর কাছে এ মনোনয়নপত্র দাখিল করেন। 

খুলনা জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এস এম মোস্তফা রশিদী সুজার মৃত্যুতে শূন্য ঘোষিত খুলনা-৪ আসনের উপ-নির্বাচনে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে আগামী ২০ সেপ্টেম্বর। ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী রিটার্নিং অফিসারের কাছে মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ সময় ২৬ আগস্ট বিকেল ৫টা পর্যন্ত। মনোনয়নপত্র বাছাই ২৮ আগস্ট (মঙ্গলবার) এবং প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ তারিখ ৪ সেপ্টেম্বর (মঙ্গলবার)। প্রতীক বরাদ্দ ৫ সেপ্টেম্বর (বুধবার)।

আব্দুস সালাম মুর্শেদীর মনোনয়নপত্র দাখিলের সময় উপস্থিত ছিলেন- খুলনা মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি ও নব-নির্বাচিত মেয়র তালুকদার আব্দুল খালেক, কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগ নেতা এস এম কামাল হোসেন, মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সংসদ সদস্য মুহাম্মদ মিজানুর রহমান মিজান, জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শেখ হারুনুর রশিদ, বঙ্গবন্ধুর ভ্রাতুষ্পুত্র বিসিবির পরিচালক শেখ সোহেল, সাবেক এমপি মোল্লা জালাল উদ্দিন, আওয়ামী লীগ নেতা কাজি আমিনুল হক, কামরুজ্জামান জামাল, আক্তারুজ্জমান বাবু, হুমায়ূন কবীর ববি, শেখ মো. আকবর আলী, মুন্সী মাহবুব আলম সোহাগ, ছাত্রনেতা এসএম আসাদুজ্জামান রাসেলসহ আওয়ামী লীগ ও অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের নেতারা।

এদিকে আওয়ামী লীগ মনোনীত আব্দুস সালাম মুর্শেদী ছাড়া উপ-নির্বাচনের রিটার্নিং অফিসারের দপ্তর থেকে আরো দুইজন প্রার্থী মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেন। জাতীয় পার্টির এস এম আনিসুর রহমান ও স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র গ্রহণ করেন সাবেক সেনা কর্মকর্তা মেজর ডা. শেখ হাবিবুর রহমান। তবে তারা মনোনয়নপত্র জমা দেননি। ফলে আব্দুস সালাম মুর্শেদীর বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। বিএনপি এ নির্বাচনে প্রার্থী না দেয়ায় ও জাতীয় পার্টি তাদের প্রার্থীতা প্রত্যাহার করে নেয়ায় সংসদীয় আসনটি পুনরায় আওয়ামী লীগের দখলেই থাকছে।

খুলনা জেলা বিএনপির সভাপতি এডভোকেট এসএম শফিকুল আলম মনা বলেন, দলীয় চেয়ারপার্সনকে কারাগারে রেখে সরকারের পাতানো এই নির্বাচনে বিএনপি অংশ নেবে না। 

খুলনা জেলা জাতীয় পার্টির সভাপতি শফিকুল ইসলাম মধু সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে (ফেসবুক) এক বিবৃতিতে বলেন, খুলনা-৪ উপ-নির্বাচনে দল থেকে কোনো প্রার্থী মনোনয়ন দেয়া হয়নি। এ কারণে দলের পক্ষ থেকে কেউ মনোনয়ন সংগ্রহ করলেও তা বাতিল হয়ে যাবে। এদিকে আওয়ামী লীগ বাদে অন্য বড় দলগুলো ভোটে অংশ না নেয়ায় এলাকাগুলোতে ভোটের আমেজ দেখা যায়নি।

তবে রিটার্নিং অফিসার ও আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা মো. ইউনুচ আলী বলেন, ভোটগ্রহণের প্রস্তুতি রয়েছে নির্বাচন কমিশনের। তফসিল অনুযায়ী গতকাল রোববার মনোনয়নপত্র সংগ্রহ ও দাখিলের শেষ দিন ছিল। আব্দুস সালাম মুর্শেদী ছাড়া আর কেউ মনোনয়নপত্র জমা দেননি। ফলে একজন মনোনয়নপত্র জমা দেয়ায় এখন শুধু বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচনের ঘোষণা সময়ের ব্যাপার মাত্র।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ