বৃহস্পতিবার ০৬ আগস্ট ২০২০
Online Edition

বড়পুকুরিয়ায় কয়লা গায়েবে মন্ত্রী-এমপি ও উপদেষ্টারা জড়িত ---আনু মুহাম্মদ 

স্টাফ রিপোর্টার : তেল-গ্যাস, খনিজ সম্পদ ও বিদ্যুৎ বন্দর রক্ষা জাতীয় কমিটির সদস্য সচিব অধ্যাপক আনু মুহাম্মদ বলেছেন, বড়পুকুরিয়া খনির কয়লা লোপাটের সাথে শুধুমাত্র কর্মকর্তারা জড়িত নয়, এর সাথে মন্ত্রী-এমপি ও উপদেষ্টারাও জড়িত। তাদেরও বিচার করতে হবে।

গতকাল রোববার দিনাজপুরের ফুলবাড়ীতে ফুলবাড়ী গণআন্দোলনের একযুগ ‘ফুলবাড়ী ট্রাজেডি দিবস’ উপলক্ষে তেল গ্যাস খনিজ সম্পদ ও বিদ্যুৎ বন্দর রক্ষা জাতীয় কমিটি আয়োজিত এক সমাবেশে এসব কথা বলেন।

প্রতিবাদ সমাবেশে তেল গ্যাস খনিজ সম্পদ ও বিদ্যুৎ বন্দর রক্ষা জাতীয় কমিটির ফুলবাড়ী শাখার আহ্বায়ক সৈয়দ সাইফুল ইসলাম জুয়েলের সভাপতিত্বে বক্তব্য দেন গণসংহতি আন্দোলনের কেন্দ্রীয় কমিটির সমন্বয়ক জোনায়েদ সাকি, ইউনাইটেড কমিউনিস্ট লীগের সম্পাদক মোশারফ হোসেন নান্নু, বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটির নেতা শাহীন রহমান, বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির কেন্দ্রীয় নেতা আনছার আলী দুলাল, কেন্দ্রীয় নেতা এসএম খালেক, আদিবাসী নেতা রবীন্দ্রনাথ সরেন, জাসদের কেন্দ্রীয় নেতা রফিকুল ইসলাম, জাতীয় ক্ষেতমজুর সমিতি ও গণফ্রন্টের কেন্দ্রীয় নেতা সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান আমিনুল ইসলাম বাবলু, তেল গ্যাস খনিজ সম্পদ ও বিদ্যুৎ বন্দর রক্ষা জাতীয় কমিটির দিনাজপুর জেলা শাখার আহ্বায়ক মোশারফ হোসেন, সদস্য সচিব মনিরুজ্জামান, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র ইউনিয়নের সাবেক সভাপতি চন্দন সরকার, সিপিবি দিনাজপুর জেলা সভাপতি অ্যাডভোকেট মেহেরুল ইসলাম, ফুলবাড়ী শাখার সাধারণ সম্পাদক এসএম নুরুজ্জামান প্রমুখ।

অধ্যাপক আনু মুহাম্মদ বলেন, তদন্তের নামে অতীতের মতো যদি কয়লা লোপাটের ঘটনা ধামাচাপা দেয়ার চেষ্টা করা হয় তাহলে গণআন্দোলনের মাধ্যমে প্রকৃত দোষীদের চিহ্নিত করে গণআদালতে তাদের বিচার করা হবে। তিনি বলেন, বড়পুকুরিয়া কয়লা লুণ্ঠনের ঘটনা নতুন নয়। সারাদেশে সরকারি পৃষ্ঠপোষকতায় যে লুটপাট চলছে, বড়পুকুরিয়া কয়লা খনির কয়লা লুণ্ঠন তারই একটি অংশ।

আনু মুহাম্মদ বলেন, শুধু কয়লা লুণ্ঠন হয়নি, ব্যাংক থেকে টাকা লুণ্ঠন, দেশের বিভিন্ন স্বার্থ চুক্তির মাধ্যমে বিদেশীদের হাতে তুলে দিয়ে কমিশন বাণিজ্য চলছে সরকারের পৃষ্ঠপোষকতায়। 

তিনি বলেন, রামপাল বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণের মধ্য দিয়ে আজ সুন্দরবনকে ধ্বংস করে দেয়া হচ্ছে। তাই বাংলাদেশের জাতীয় সম্পদ আজ হুমকির মুখে। এই জাতীয় সম্পদ রক্ষা করতে হলে ২০০৬ সালের ২৬ আগস্ট যেভাবে ফুলবাড়ীতে গণআন্দোলন গড়ে উঠেছিল, এখন সারাদেশে সেই গণআন্দোলন গড়ে উঠার প্রয়োজন হয়ে দেখা দিয়েছে।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ