মঙ্গলবার ২২ সেপ্টেম্বর ২০২০
Online Edition

কুরবানিদাতা ও গ্রহীতা উভয়ের জন্য সু-সংবাদ

সম্প্রতি ৩/১৪, ব্লক-জি, লালমাটিয়া, মোহাম্মদপুরস্থ জৈনপুরী রাহ্মানীয়া খানকা (দরবার) শরীফে এক বিশাল দু’আ ও তাফসির মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে দু’আ ও তাফসির করেন ওলীয়ে কামেল, হাদীয়ে বাঙ্গাল হজরত আল্লামা সৈয়দ মাহবুবুর রহমান জৈনপুরী পীর সাহেব। 

মোহাম্মদপুর থানা কমিটির সভাপতি, আলহাজ্জ ডা. মোঃ খলিলুর রহমান সাহেবের আহ্বানে, সেক্রেটারি  শেখ জহির আহমেদের পরিচালনায় এবং কেন্দ্রীয় সভাপতি আলহাজ্জ মোঃ শফিকুল ইসলাম চৌধুরী (সাবেক জি.এম. ডেসকো)এর সভাপতিত্বে এবং ঢাকা উত্তরের সেক্রেটারি শহিদুল আলম, আজীবন সদস্য খোরশেদ আলম চৌধুরী ও নায়েবে আমীর রুহুল আমিন খান মেহেদির ব্যবস্থাপনায় অনুষ্ঠিত মাহফিলে ওয়াজ করেন আদর্শ ইসলামী মিশন মহিলা কামিল এম.এ মাদরাসার প্রভাষক মাওলানা মোঃ মাঈনুদ্দিন, সহকারী অধ্যাপক মো. তোজাম্মেল হক ও মাওলানা মোঃ এমদাদুল হক প্রমুখ। তাফসিরকালে পীর সাহেব জৈনপুরী বলেন, হজরত ইবরাহিম (আ.) ও মা হাজেরা (আ.) যখন আল্লাহ তায়ালার চাহিদা অনুযায়ী তাহাদের প্রিয়তম সন্তানকে কুরবানি দিতে প্রস্তুত হন তখন আল্লাহ পাক তার চরম ভালোবাসা ও ত্যাগের খাঁটি নিয়ত উপলব্ধি করতে পেরে জিবরাঈল ফেরেশতার মাধ্যমে বেহেস্তের দুম্বা পাঠাইয়া দেন এবং হজরত ইবরাহিম (আ.)কে সতর্কবাণী শুনানোর স্বার্থে উপর থেকে উচ্চ স্বরে বলতে থাকেন আল্লাহু আকবার আল্লাহু আকবার, তৎশ্রবণে হজরত ইবরাহিম বলেন, লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু আল্লাহু আকবার ছুরির নিচ থেকে হজরত ইসমাঈল (আ.) বলেন, আল্লাহু আকবার ওয়া লিল্লাহিল হামদ্। এই তিনজনের সমন্বয়ে তাকবীরে তাশরিক তৈরি হয়। যারা কুরবানি দিতে অক্ষম তাহারা যদি ৯ জিলহজ্ব ফজর থেকে ১৩ তারিখ পর্যন্ত পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ বাদ উক্ত তাকবীর নিয়মিত পাঠ করবে তাকে কুরবানির ছওয়াব এবং উক্ত ৩ জনের নেকীর অংশীদার হবে। সাহেবে নেছাব (যাহারা কুরবানির পশু ক্রয়ে সক্ষম) তাহাদেরকে কুরবানি ও দিতে হবে এবং তাকবীরে তাশরিকও আদায় করতে হবে। প্রেস বিজ্ঞপ্তি।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ