শনিবার ৩০ মে ২০২০
Online Edition

জলে চলা মার্সিডিজ

‘সিলভার অ্যারোজ মেরিন' নামের একটি ব্রিটিশ কোম্পানি জার্মান মার্সিডিজ কোম্পানির সঙ্গে সহযোগিতায় এমন একটি বোট তৈরি করেছে, যা দেখলে আর চড়লে মনে হবে যেন মার্সিডিজ ক্যাব্রিও চড়ছেন! মার্সিডিজ সিলভার অ্যারো। না, গাড়ি নয়, বোট; চলে পানিতে। আইডিয়াটা এসেছে কিন্তু ‘সিলভার অ্যারোজ মেরিন' নামের একটি ব্রিটিশ কোম্পানির মাথায়, যারা ইয়ট তৈরিতে স্পেশালিস্ট৷ মার্সিডিজ তাদের সঙ্গে সহযোগিতা করছে। এই ইয়টে চড়লে নাকি মার্সিডিজ ক্যাব্রিও চড়ার মতো ফিলিং হবে।
‘সিলভার অ্যারোজ মেরিন'-এর সিইও জাকোপো স্পাদোলিনি বলেন, “এটা গাড়ির মতো হতে পারে না, কেননা সাগর তো আর রাস্তা নয়; পটভূমি সব সময়ে বদলে যাচ্ছে। কিন্তু সত্যিই আপনার মনে হবে যেন আপনি দিব্যি আরামে গাড়ি চালাচ্ছেন।”
মার্সিডিজ এস-ক্লাসের ক্যাব্রিও মডেলটির অনুকরণে এই ইয়টটি বানানো হয়েছে। বোটে চড়ে ক্যাব্রিও-তে চড়ার অনুভূতি- এটাই ছিল ডিজাইনের প্রেরণা। গর্ডেন ভাগেনার এই ডিজাইনের স্রষ্টা। ২০০৮ সাল থেকে তিনি মার্সিডিজ গাড়ির মডেলগুলোর ডিজাইনের দায়িত্বে। ভাগেনার বলেন, “বোটটা জলের ওপর অন্য যে সব বোট চলাফেরা করছে, তাদের থেকে দেখতে এতোটা আলাদা, কেননা এখানে গাড়ির ডিজাইনের ধরণটা বোটের ক্ষেত্রে প্রয়োগ করা হয়েছে। বোটটাকে দেখতে ‘কুল' হতে হবে। ‘কুল' বলতে লোকে বোঝায় - এ-রকম আমি আগে কখনো দেখিনি। তার অন্য দিকটা হলো ‘হট', মানে দারুণ বা সেক্সি।”
গাড়ি তৈরির কোম্পানি যে বোট তৈরি করবে, সেটা নতুন কিছু নয়। বহুদিন আগে থেকেই পোর্শে, অ্যাস্টন মার্টিন, ফেরারি বা বুগাত্তির মতো কোম্পানি ছোটবড় বোট তৈরি করে আসছে। আইডিয়াটা হল, ভূমধ্যসাগরের উপকূলে যে সব বিত্তবানরা ইয়ট নিয়ে ঘোরেন, তাদের গাড়ি কেনাতেও আগ্রহী করে তোলা। যারা একটা ইয়ট কেনার জন্য ২৫ লাখ ইউরো খরচা করতে পারেন, তাদের গাড়ি কেনাতে পারলেই বা খারাপ কি, বিশেষ করে গাড়ি বেচাই যখন এই সব কোম্পানির আসল ব্যবসা?

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ