রবিবার ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২০
Online Edition

অবিলম্বে নেতবৃন্দকে মুক্তি দেয়া না হলে কঠোর আন্দোলন -মকবুল আহমদ

স্টাফ রিপোর্টার : জামায়াতে ইসলামীর ভারপ্রাপ্ত আমীর মকবুল আহমদ বলেছেন, যারা জীবনে ভাংচুৃর অগ্নিসংযোগে বিশ্বাস করেননি তাদেরকে গাড়ী ভাংচুরের মিথ্যা মামলায় রিমান্ডে নেয়া হয়েছে। একসাথে ১৬ দিনের রিমান্ড ইতিহাসে দেখা যায়নি। এক মাঘে শীত যায় তা চিন্তা করবেন না। জুলুম নির্যাতন করে ইসলামী আন্দোলন শেষ করতে পারবেন না। আল্লাহরও পরিকল্পনা আছে। ইতিহাসে দেখা যায়, যারা ইসলামী আন্দোলন শেষ করতে চেয়েছিল তারাই শেষ হয়ে গেছে। অবিলম্বে জামায়াত নেতবৃন্দকে মুক্তি দেয়া না হলে কঠোর আন্দোলনের কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে। এমন কী বৃহত্তর আন্দোলনের মাধ্যমে জালিম সরকারের পতন ঘটানো হবে বলে তিনি হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন। জামায়াতের আমীর মাওলানা মতিউর রহমান নিজামী, সেক্রেটারি জেনারেল আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদ ও নায়েবে আমীর মাওলানা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীসহ গ্রেফতারকৃত নেতৃবৃন্দের মুক্তির দাবিতে কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে গতকাল শুক্রবার বিকেলে রাজধানীর আল ফালাহ মিলনায়তনে ঢাকা মহানগরী আয়োজিত দোয়ার মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। গতকাল রাজধানী ঢাকাসহ দেশব্যাপী দোয়া দিবস পালন করা হয়। দোয়ার মাহফিলে মহান আল্লাহর কাছে আওয়ামী সরকারের জুলুম নির্যাতনের বিচার চেয়ে আল্লাহর রহমত কামনা করা হয়। ঢাকা মহানগরী জামায়াতের সেক্রেটারি হামিদুর রহমান আযাদ এমপির সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন ভারপ্রাপ্ত সেক্রেটারি জেনারেল এটিএম আজহারুল ইসলাম, সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল অধ্যাপক মুজিবুর রহমান, মহানগরী সহকারী সেক্রেটারি মাওলানা আব্দুল হালিম। দোয়া পরিচালনা করেন নায়েবে আমীর ও সাবেক এমপি মাওলানা আব্দুস সুবহান। এ সময় উপস্থিত ছিলেন জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল আব্দুল কাদের মোল্লা, ডা. শফিকুর রহমান, সাবেক এমপি শাহজাহান চৌধুরী, কেন্দ্রীয় নেতা মাওলানা এটিএম মাসুম, মহনগরী জামায়াতে সহকারী সেক্রেটারি নূরুল ইসলাম বুলবুল, ডা. রেদওয়ানুল্লাহ শাহেদীসহ কেন্দ্রীয় ও মহানগরী নেতৃবৃন্দ। মকবুল আহমদ বলেন, সরকার ইসলামী আন্দোলনের বিরুদ্ধে গভীর ষড়যন্ত্রে লিপ্ত। যে মামলায় নেতৃবৃন্দকে গ্রেফতার করা হয়েছে মহামান্য আদালত সে মামলায় তাদের প্রত্যেককে জামিন মঞ্জুর করেছেন। কিন্তু ষড়যন্ত্রমূলকভাবে নতুন করে ৫টি মিথ্যা মামলা দিয়ে তাদেরকে রিমান্ডে নিয়েছে। আওয়ামীলীগ বিরোধী দলে থাকলে গণতন্ত্রের কথা বলে আর সরকারে গেলে গণতন্ত্র নিয়ে ষড়যন্ত্র করে। তিনি সরকারকে সতর্ক করে দিয়ে বলেন, গর্ত খুরবেন না, একদিন সে গর্তে নিজেদেরকেই পড়তে হবে। আপনারা যা শুরু করেছেন তা বিরোধী দলের জন্য যত না ক্ষতিকর, তার চেয়ে সরকারই অধিক ক্ষতিগ্রস্ত হবে। সকল বিরোধী দলকে ঐক্যবদ্ধ করে বৃহত্তর আন্দোলন ঘোষণা করা হবে বলে তিনি উল্লেখ করেন। তিনি আরো বলেন, জামায়াত নেতৃবৃন্দের বিরুদ্ধে কতিপয় মিডিয়া অপপ্রচার চালাচ্ছে। নেতৃবৃন্দের বিরুদ্ধে ভাংচুর ও অগ্নিসংযোগের মামলা দেয়া হয়েছে। মিথ্যা মামলায় তাদেরকে ১৬ দিনের রিমান্ডও মঞ্জুর করা হয়েছে। কিন্তু সরকারকে মনে রাখতে হবে এক মাঘে শীত যায় না। তিনি ডিএমপি কর্তৃক রাজধানীতে মিছিল মিটিং প্রজ্ঞাপন সম্পর্কে বলেন, পুলিশ প্রশাসনের বক্তব্য রাজনৈতিক নেতাকেও হার মানিয়েছে। রাজনীতি করতে চাইলে ইউনিফর্ম খুলে রাজপথে আসুন, জনগণের কাতারে শামিল হন। তিনি সরকারকে সতর্ক করে দিয়ে বলেন, ইতিহাস থেকে শিক্ষা নিন। জুলুম-নির্যাতন কখনই কাউকে স্থায়িত্ব দিতে পারেনি। অতীতে বাকশাল গঠন করে শেষ রক্ষা হয়নি। এবারও শেষ রক্ষা করতে পারবেন না। তিনি আরো বলেন, আমরা এ সরকারের ১৬-১৭ মাসে তেমন কোন কর্মসূচি দেয়নি। সরকার ভারতীয় এজেন্ডা বাস্তবায়ন করার জন্য জামায়াত-শিবিরের ওপর দলন-পীড়নের পথ বেছে নিয়েছে। কিন্তু এ দেশের জনগণ তা মেনে নেবে না। জুলুম-নির্যাতন চালিয়ে জামায়াতকে নির্মূল করতে পারবেন না। অবিলম্বে জামায়াত নেতৃবৃন্দসহ সকল বন্দিদের মুক্তি দিন। জুলুম চালিয়ে প্রতিপক্ষকে নির্মূল করতে পারবেন না। অতীতে যারা কোন শক্তিকে নির্মূল করতে চেয়েছে তারাই ইতিহাসের আস্তাকুঁড়ে নিক্ষিপ্ত হয়েছে। তিনি সরকারকে গণতান্ত্রিক ও সাংবিধানিক পন্থা অনুসরণের আহবান জানান। মাওলানা আব্দুস সুবহান বলেন, জামায়াত একটি নিয়মতান্ত্রিক, গণতান্ত্রিক ও সাংবিধানিক রাজনৈতিক দল। তাই সরকারের উচিত এই সুশৃংখল শক্তিকে লায়াবিলিটি মনে না করে এ্যাসেট মনে করা। কিন্তু সরকার জামায়াতকে নেতিবাচক দৃষ্টিতেই দেখছে। তারা এ সংগঠনকে উৎখাত করতে চায়। কিন্তু ফুঁ দিয়ে দ্বীনের এ প্রদীপকে নিভিয়ে দিতে পারবেন না। তিনি আরো বলেন জামায়াতের প্রতি জুলুম করা হচ্ছে। মজলুমের প্রতি আল্লাহর অনুগ্রহ থাকে। যে অবস্থা চলছে তাতে জনগণের কাঠগড়ায় এই জালেমদের বিচার হওয়া উচিৎ। অতীতে জুলুম করে তারা টিকতে পারেনি। তারা সাবেক আমীরে জামায়াত গোলাম আযমের নাগরিকত্ব নিয়ে ষড়যন্ত্র করেছিল। কিন্তু এ ইস্যুতে তাদের লজ্জাজনক পরাজয় ঘটেছে। তারা নেতৃবৃন্দকে গ্রেফতার ও রিমান্ডের নামে দুর্ব্যবহার করছে। কিন্তু জাতি এদেরকে ক্ষমা করবে না। তিনি নেতৃবৃন্দের নিঃশর্ত মুক্তি দাবি করেন। এ টি এম আজহার বলেন, সরকার করদ রাজ্য বানানোর নীল নকশাকে নির্বিঘ্ন করার জন্যই জামায়াত-শিবিরসহ বিরোধী দলের ওপর দলন-পীড়ন চালাচ্ছে। সরকার দেশ ও জাতিসত্তা বিরোধী ষড়যন্ত্রে লিপ্ত। কিন্তু জীবন থাকতে দেশের মানুষ স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব অন্যের হাতে তুলে দেবে না। তিনি আরো বলেন, সরকার দুষ্টের লালন ও শিষ্টের দমন করছে। তারা ছাত্রলীগের সন্ত্রাসী ও চাপাতি বাহিনীকে গ্রেফতার না করে উল্টো জামায়াত শিবিরের নেতা-কর্মীদের গ্রেফতার করে কারারুদ্ধ করছে। তিনি সরকারকে সতর্ক করে দিয়ে বলেন, গ্রেফতার নির্যাতন চালিয়ে কোন লাভ হবে না। প্রয়োজনে লাখ লাখ জামায়াত শিবির নেতা-কর্মী স্বেচ্ছায় কারাবরণ করতে প্রস্তুত। সরকার যা শুরু করেছে তাতে জেলখানা ও বাহির এক হতে বেশী সময় লাগবে না। তিনি বলেন, কোন রাজনৈতিক দলের প্রধানের রিমান্ডের দৃষ্টান্ত আওয়ামীলীগ সরকার প্রথম স্থাপন করেছে। তারা নেতৃবৃন্দকে একাধারে ১৬ দিনের রিমান্ডে নিয়েছে। নেতৃবৃন্দের নিঃশর্ত মুক্তি দিন। জুলুম-নির্যাতনের পথ পরিহার করুন। আগামী দিনের জন্য সতর্ক থাকুন। আগামীতে রিমান্ডের সময়সীমা আরো দীর্ঘ হতে পারে। অধ্যাপক মুজিবুর রহমান বলেন, এ সরকারের কাছে গণতন্ত্রের ব্যাখ্যা সম্পূর্ণ আলাদা। গণতন্ত্রের সংজ্ঞা হচ্ছে Of the people, For the people, By the people. কিন্তু আওয়ামী গণতন্ত্রের সংজ্ঞা হচ্ছে Of the party, For the party, By the party, মূলত এটি গণতন্ত্রের বিরুদ্ধে সুস্পষ্ট অবস্থান। তারা নেতৃবৃন্দের বিরুদ্ধে দলন-পীড়ন চালাচ্ছে। তাই আন্দোলনের মাধ্যমে এবং আল্লাহর কাছে ফরিয়াদ করে চোখের পানিতে নেতৃবৃন্দের মুক্তি নিশ্চিত করতে হবে। এ এইচ এম হামিদুর রহমান আযাদ এমপি সভাপতির বক্তব্যে বলেন, কোন প্রকার ওয়ারেন্ট ছাড়াই নেতৃবৃন্দকে অন্যায় ও জোরপূর্বকভাবে গ্রেফতার করা হয়েছে। বিশ্বে এমন নজীর কোথাও নেই। যে মামলার অজুহাতে গ্রেফতার করা হয়েছে আদালত সে মামলায় জামিন দিলেও পুনরায় মিথ্যা মামলা দিয়ে সরকার প্রতিহিংসা চারিতার্থ করছে। শান্তির দূতদের বিরুদ্ধে গাড়ী ভাংচুর ও অগ্নিসংযোগের মামলা দিয়ে সরকার লজ্জাহীনতার পরিচয় দিয়েছে। তারা মহানগর আমীরের বিরুদ্ধেও মামলা দিয়েছে। কিন্তু তার কিছু হলে গোটা রাজধানী অচল করে দেয়া হবে। তিনি সরকারকে সতর্ক করে দিয়ে বলেন, সোজা আঙ্গুলে ঘি না উঠলে প্রয়োজনে কঠোর ও বৃহত্তর কর্মসূচি দিয়ে নেতৃবৃন্দসহ সকল নেতা-কর্মীর মুক্তি নিশ্চিত করে সরকারের পতন নিশ্চিত করা হবে। মাওলানা আবদুল হালিম বলেন, জিহাদ, হিজরত ও শাহাদাত-ই মুমিন জীবনের মোক্ষম লক্ষ্য। তাই এ পথ থেকে কোন মুমিন বিচ্যুত হতে পারে না। তাই দোয়া ও নেতৃবৃন্দ মুক্ত না হওয়া পর্যন্ত নিয়মতান্ত্রিক আন্দোলন অব্যাহত রাখতে হবে। ঢাকার থানায় থানায় দোয়া: জামায়াতে ইসলামীর আমীর মাওলানা মতিউর রহমান নিজামী, নায়েবে আমীর মাওলানা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদী ও সেক্রেটারী জেনারেল আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদকে গ্রেফতার ও রিমান্ডের প্রেক্ষিতে আল্লাহর রহমত ও সাহায্য কামনার জন্যে কেন্দ্র ঘোষিত কর্মসূচী দোয়া দিবস উপলক্ষে জামায়াতে ইসলামীর ঢাকা মহানগরীর বিভিন্ন থানায় ও ওয়ার্ডে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। পল্টন থানা ঃ জামায়াতে ইসলামী ঢাকা মহানগরী পল্টন থানার উদ্যোগে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। থানা আমীর ড. মুহাম্মদ শফিকুল ইসলাম মাসুদের সভাপতিত্বে মাহফিলে প্রধান অতিথি ছিলেন কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী সহকারী সেক্রেটারী মাওলানা আবদুল হালিম। বিশেষ অতিথি ছিলেন মহানগরী কর্মপরিষদ সদস্য ফরিদ হোসাইন, থানা সেক্রেটারী মোকাররম হোসাইন খান, শাহ মোস্তফা জামাল, দিদারুল আলম মজুমদার, শাখাওয়াত হোসাইন ও আইয়ুব আলী ফরায়েজী প্রমুখ। খিলগাঁও থানা ঃ জামায়াতে ইসলামী ঢাকা মহানগরী খিলগাঁও থানার উদ্যোগে এক দোয়ার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। থানা আমীর সালেহ আহমদের পরিচালনায় অনুষ্ঠিত মাহফিলে প্রধান অতিথি ছিলেন মহানগরী কর্মপরিষদ সদস্য ও শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশন ঢাকা মহানগরীর সভাপতি কবির আহমদ। এছাড়া আরো উপস্থিত ছিলেন থানা কর্মপরিষদ সদস্য মুহাম্মদ শাহজালাল, ওয়ার্ড সভাপতি মুহাম্মদ শহীদুল ইসলাম ও ইব্রাহীম হোসেন প্রমুখ। উত্তরখান থানা ঃ জামায়াতে ইসলামী ঢাকা মহানগরী উত্তরখান থানার উদ্যোগে এক দোয়ার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। থানা কর্মপরিষদ সদস্য দেলোয়ার হোসেনের সভাপতিত্বে মাহফিলে বক্তব্য রাখেন থানা আমীর আলমগীর মোহাম্মদ ইউসুফ, থানা সেক্রেটারী কামাল উদ্দিন রায়হান, কর্মপরিষদ সদস্য বোরহান উদ্দিন ও ইফতেখার হাসান। বংশাল থানা ঃ জামায়াতে ইসলামী ঢাকা মহানগরী বংশাল থানার উদ্যোগে এক দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। থানা আমীর এস এম রুহুল আমিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মাহফিলে প্রধান অতিথি ছিলেন মহানগরী কর্মপরিষদ সদস্য মঞ্জুরুল ইসলাম ভূঁইয়া। এছাড়া আরো উপস্থিত ছিলেন থানা সেক্রেটারী আহসান উল্লাহ, আব্দুর রহমান, আঃ জববার, তাজুল ইসলাম, জাকির মোমেন ও ডাঃ আবু বকরসহ নেতৃবৃন্দ। কোতোয়ালী থানা ঃ জামায়াতে ইসলামী ঢাকা মহানগরী কোতোয়ালী থানার উদ্যোগে এক দোয়ার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। থানা আমীর আব্দুস সবুর মাতুববরের সভাপতিত্বে মাহফিলে আরো উপস্থিত ছিলেন থানা সেক্রেটারী এডভোকেট শহীদুল ইসলাম, মাওলানা আবুল খায়ের, হাফেজ মাসুদসহ এলাকার বিশিষ্ট ওলামা ও সর্বস্তরের জনগণ। সূত্রাপুর থানা ঃ জামায়াতে ইসলামী ঢাকা মহানগরী সূত্রাপুর থানার উদ্যোগে এক দোয়ার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। থানা আমীর এ বি এম সাইফুল্লার সভাপতিত্বে মাহফিলে আরো বক্তব্য রাখেন থানা সেক্রেটারী মোখলেছুর রহমান, থানা কর্মপরিষদ সদস্য রেজাউর রহমান খান, কামরুল আহসান হাসান, আব্দুল কুদ্দুস, মিয়া মুহাম্মদ মোহাযির, আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ বাবুল, মাওলানা রফিকুল ইসলাম, নজরুল ইসলাম, কামরুজ্জামান ও মাওলানা নুরুজ্জামান প্রমুখ। কাফরুল থানা ঃ জামায়াতে ইসলামী ঢাকা মহানগরী কাফরুল থানার উদ্যোগে এক দোয়ার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। থানা আমীর লস্কর মোঃ তাসলীমের সভাপতিত্বে মাহফিলে আরো বক্তব্য রাখেন থানা সেক্রেটারী অধ্যাপক আনোয়ারুল করিম, ডাঃ মইনুদ্দীন, আঃ মতিন খান। দোয়া পরিচালনা করেন মীর বাহার আমিরুল ইসলাম। বিমান বন্দর থানা ঃ জামায়াতে ইসলামী ঢাকা মহানগরী বিমানবন্দর থানার উদ্যোগে এক দোয়ার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। থানা আমীর এইচ এম আতিকুর রহমানের সভাপতিত্বে ও সেক্রেটারী আ ন ম মিঠুর পরিচালনায় আরো উপস্থিত ছিলেন এনামুল হক শিপন, আলফাজ উদ্দীন ভূঁইয়া ও আবু শাফিন। কদমতলী থানা ঃ জামায়াতে ইসলামী ঢাকা মহানগরী কদমতলী থানার উদ্যোগে দোয়ার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। থানা আমীর শাহাদাৎ হোসাইন হেলালের সভাপতিত্বে মাহফিলে আরো উপস্থিত ছিলেন মাওলানা এ বি এম আহসান ফারুক, থানা কর্মপরিষদ সদস্য লোকমান হোসাইন, আহসান উল্লাহ, মুনির হোসাইন ও ডাঃ আমির হোসেন প্রমুখ। লালবাগ থানা ঃ জামায়াতে ইসলামী ঢাকা মহানগরী লালবাগ থানার উদ্যোগে এক দোয়ার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। থানা আমীর এডভোকেট খন্দকার রেজাউল করিমের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন লালবাগ থানার শিবির সভাপতি সোহেল রানা মিঠু, জামায়াত নেতা নজরুল ইসলাম, এনামুল কুদ্দুস, জাকির হোসেন, আমিনুর রহমান। গুলশান থানা ঃ জামায়াতে ইসলামী ঢাকা মহানগরী গুলশান থানার উদ্যোগে এক দোয়ার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। থানা আমীর আমিনুর রহমান মুনিরের সভাপতিত্বে আলোচনা রাখেন থানা কর্মপরিষদ সদস্য এড. শামছুল হক, বীর মুক্তিযোদ্ধা নূরুজ্জামান, ২০ নং উত্তর ওয়ার্ড নেতা মাওলানা মোকাররম হোসাইন। এছাড়া থানর সকল ওয়ার্ডে পৃথকভাবে দোয়ার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। যাত্রাবাড়ী থানা ঃ জামায়াতে ইসলামী ঢাকা মহানগরী যাত্রাবাড়ী থানার উদ্যোগে দোয়ার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। থানা আমীর আব্দুস সবুর ফকিরের সভাপতিত্বে দোয়ার মাহফিলে আরো উপস্থিত ছিলেন থানা নায়েবে আমীর মাহমুদ হোসাইন, সেক্রেটারী মিজানুর রহমান মালেক, থানা কর্মপরিষদ সদস্য মোঃ আব্দুল্লাহ, খন্দকার এমদাদুল হক, খসরু আব্দুল্লাহ। এছাড়া থানার ২১ টি সাংগঠনিক ওয়ার্ডে পৃথক পৃথকভাবে দোয়ার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। খিলক্ষেত থানা ঃ জামায়াতে ইসলামী ঢাকা মহানগরী খিলক্ষেত থানার উদ্যোগে দোয়ার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। থানা আমীর কুতুব উদ্দীনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মাহফিলে আরো উপস্থিত ছিলেন থানা কর্মপরিষদ সদস্য বজলুর রহমান, আঃ আলিম শামীম। বক্তব্য রাখেন ওমর ফারুক ভুইয়া ও মতিউর রহমানসহ নেতৃবৃন্দ। ধানমন্ডি থানা ঃ জামায়াতে ইসলামী ঢাকা মহানগরী ধানমন্ডি থানার উদ্যোগে দোয়ার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। থানা আমীর হেমায়েত হোসাইনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত দোয়া মাহফিলে আরো উপস্থিত ছিলেন এড. জসিম উদ্দীন তালুকদার, থানা কর্মপরিষদ সদস্য মাওলানা আঃ গাফ্ফার, মুহাম্মদ আলীসহ থানা নেতৃবৃন্দ। পল্লবী থানা ঃ জামায়াতে ইসলামী ঢাকা মহানগরী পল্লবী থানার উদ্যোগে আলোচনা সভা ও দোয়ার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। থানা আমীর আবদুস সালামের সভাপতিত্বে ও থানা সেক্রেটারী মোঃ আশরাফুল আলমের পরিচালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে দোয়া পরিচালনা করেন শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের জেনারেল সেক্রেটারী অধ্যাপক মাওলানা হারুনুর রশীদ খান। অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন মহানগরী শূরা সদস্য মোঃ আব্দুল গফুর। আদাবর থানা ঃ জামায়াতে ইসলামী ঢাকা মহানগরী আদাবর থানার উদ্যোগে আলোচনা সভা ও দোয়ার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। থানা আমীর মোঃ দেলোয়ার হোসাইনের সভাপতিত্বে দোয়া অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় স্কুল কার্যক্রম সম্পাদক আহমাদুল্লাহ, ছাত্রশিবির ঢাকা মহানগরী পশ্চিমের সভাপতি মোঃ মাকসুদুর রহমান, জামায়াতে ইসলামী আদাবর থানা সেক্রেটারী আ ন ম হাসান নোমান, ছাত্রশিবির আদাবর থানা সভাপতি রফিক ফরাজী প্রমুখ। উত্তরা থানা ঃ জামায়াতে ইসলামী ঢাকা মহানগরী উত্তরা থানার উদ্যোগে দোয়ার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। থানা সেক্রেটারী এড. জাকির হোসাইনের সভাপতিত্বে আরো উপস্থিত ছিলেন অধ্যক্ষ মীম আতিকুল্লাহ, মোঃ নূরুল আমীন, মেজবাহ উদ্দীন নাইমসহ নেতৃবৃন্দ। তুরাগ থানা ঃ জামায়াতে ইসলামী ঢাকা মহানগরী তুরাগ থানার উদ্যোগে আলোচনা সভা ও দোয়ার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। থানা আমীর মাওলানা ফারুক হোসাইনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন মহানগরী কর্মপরিষদ সদস্য শহীদ ফারুকী। এছাড়া আরো উপস্থিত ছিলেন থানা সেক্রেটারি শাহেদুর রহমান মোল্লা, থানা কর্মপরিষদ সদস্য বশীর আহমদ, মুহিবুল্লাহ প্রমুখ। সবুজবাগ থানা ঃ জামায়াতে ইসলামী ঢাকা মহানগরী সবুজবাগ থানার উদ্যোগে আলোচনা সভা ও দোয়ার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। থানা আমীর মাওলানা ফরিদুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মাহফিলে আরো উপস্থিত ছিলেন থানা সেক্রেটারী মুনির হোসাইন, থানা কর্মপরিষদ সদস্য বজলুর রহমান, নাসির উদ্দীন মজুমদার, হাফিজুর রহমান শামীম। দক্ষিণখান থানা ঃ জামায়াতে ইসলামী ঢাকা মহানগরী দক্ষিণখান থানার উদ্যোগে আলোচনা সভা ও দোয়ার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। থানা আমীর এম এ আর জাহাঙ্গীরের সভাপতিত্বে আরো উপস্থিত ছিলেন ওয়ার্ড সভাপতি ডাঃ আবু তাহের, রফিকুল ইসলাম, আঃ মতিন, শামসুল হক প্রমুখ। মীরপুর পূর্ব থানা ঃ জামায়াতে ইসলামী ঢাকা মহানগরী মীরপূর পূর্ব থানার উদ্যোগে আলোচনা সভা ও দোয়ার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। থানা আমীর আব্দুর রহমান মুসার সভাপতিত্বে মাহফিলে আরো উপস্থিত ছিলেন নায়েবে আমীর শহীদুল্লাহ, মাওলানা হাবিবুর রহমান, শাহ আলম তুহিন, মাও. শাহজালাল, আব্দুল আউয়াল প্রমুখ। শ্যামপুর থানা ঃ জামায়াতে ইসলামী ঢাকা মহানগরী শ্যামপুর থানার উদ্যোগে আলোচনা সভা ও দোয়ার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। থানা আমীর আ জ ম রুহুল কুদ্দুসের সভাপতিত্বে মাহফিলে আরো বক্তব্য রাখেন থানা সেক্রেটারী এম এ রব, কর্মপরিষদ সদস্য মোঃ সামসুদ্দিন, আমিনুল ইসলাম, নেসার উদ্দীন প্রমুখ। মোহাম্মদপুর থানা ঃ জামায়াতে ইসলামী ঢাকা মহানগরী মোহাম্মদপুর থানার উদ্যোগে আলোচনা সভা ও দোয়ার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। ওয়ার্ড সভাপতি শফিউর রহমানের সভাপতিত্বে মাহফিলে বক্তব্য রাখেন থানা আমীর মাওলানা রফিক আহমদ, থানা সেক্রেটারী মুহাম্মদ জাহিদুর রহমানসহ নেতৃবৃন্দ। এছাড়া থানার প্রায় সকল ওয়ার্ডে দোয়ার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। শাহআলী থানা ঃ জামায়াতে ইসলামী ঢাকা মহানগরী শাহআলী থানার উদ্যোগে আলোচনা সভা ও দোয়ার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। থানা আমীর মোঃ মিজানুল হকের সভাপতিত্বে দোয়া পরিচালনা করেন থানা কর্মপরিষদ সদস্য মাওলানা আবু দাউদ। এছাড়া আরো উপস্থিত ছিলেন মোঃ আমজাদ হোসেন, আঃ সাত্তার মিয়া, আনোয়ার হোসাইন প্রমুখ। শাহবাগ থানাঃ জামায়াতে ইসলামী ঢাকা মহানগরী শাহবাগ থানার উদ্যোগে আলোচনা সভা ও দোয়ার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। থানা আমীর মোঃ হেলাল উদ্দীনের সভাপতিত্বে মাহফিলে আরো উপস্থিত ছিলেন থানা কর্মপরিষদ সদস্য আঃ করিম শাহীন ও ইঞ্জিনিয়ার সাইফ প্রমুখ। মতিঝিল থানাঃ জামায়াতে ইসলামী ঢাকা মহানগরী মতিঝিল থানার উদ্যোগে আলোচনা সভা ও দোয়ার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। থানা আমীর মুহাম্মদ লুৎফুর রহমানের সভাপতিত্বে ও থানা সেক্রেটারী মুহাম্মদ কামাল হোসাইনের পরিচালনায় দোয়ার মাহফিলে আরো উপস্থিত ছিলেন থানা কর্মপরিষদ সদস্য মোঃ গিয়াসউদ্দিন, আলমগীর হাসান রাজু ও মোঃ সানাউল্লাহ প্রমুখ। ডেমরা থানা ঃ জামায়াতে ইসলামী ঢাকা মহানগরী ডেমরা থানার উদ্যোগে আলোচনা সভা ও দোয়ার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। থানা আমীর মুহাম্মদ হাফিজুর রহমানের সভাপতিত্বে দোয়ার মাহফিলে আরো উপস্থিত ছিলেন থানা কর্মপরিষদ সদস্য এম এস ইসলাম, মাও. আব্দুস সোবহান, মাও. আবু হানিফ, মোঃ নূরুল হক, গিয়াস উদ্দীন প্রমুখ। এছাড়া থানার ৯টি ওয়ার্ডেও দোয়ার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। নিউমার্কেট থানা ঃ জামায়াতে ইসলামী ঢাকা মহানগরী নিউমার্কেট থানার উদ্যোগে দোয়ার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। থানা কর্মপরিষদ সদস্য বদরুল আলমের সভাপতিত্বে মাহফিলে আরো উপস্থিত ছিলেন হাবিবুর রহমান যাকারিয়া ও আবুল খায়ের। কলাবাগান থানা ঃ জামায়াতে ইসলামী ঢাকা মহানগরী কলাবাগান থানার উদ্যোগে দোয়ার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। থানা আমীরের সভাপতিত্বে মাহফিলে আরো উপস্থিত ছিলেন থানা সেক্রেটারী, কর্মপরিষদ ও মজলিসে শূরা সদস্যবৃন্দ। মিরপুর পশ্চিম থানা ঃ জামায়াতে ইসলামী ঢাকা মহানগরী মিরপুর পশ্চিম থানার উদ্যোগে ১৩ মসজিদে দোয়ার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। থানা আমীর মাহফুজুর রহমানের সভাপতিত্বে ও থানা সেক্রেটারির পরিচালনায় মাহফিলে থানা কর্মপরিষদ সদস্যসহ নেতৃবৃন্দ ও সর্বস্তরের জনগণ উপস্থিত ছিলেন। রামপুরা থানা ঃ জামায়াতে ইসলামী ঢাকা মহানগরী রামপুরা থানার উদ্যোগে দোয়ার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। থানা সেক্রেটারি শোয়াইব হোসেন মিল্লাতের সভাপতিত্বে দোয়ার মাহফিলে আরো উপস্থিত ছিলেন মোঃ আঃ হালিম, সৈয়দ হাসান ইমাম, ফজলে হোসেন ফজলুসহ নেতৃবৃন্দ। ক্যান্টনমেন্ট থানা ঃ জামায়াতে ইসলামী ঢাকা মহানগরী ক্যান্টনমেন্ট থানার উদ্যোগে আলোচনা সভা ও দোয়ার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। থানা আমীর মোঃ নাজিম মোল্লার সভাপতিত্বে দোয়ার মাহফিলে আরো উপস্থিত ছিলেন থানা সেক্রেটারী মোঃ শাহ আলম, থানা কর্মপরিষদ সদস্য মোঃ ওমর ফারুক, মোঃ আবুল হায়াত, আঃ রাজ্জাক, মাওলানা সিরাজুল ইসলাম প্রমুখ। বাড্ডা থানা ঃ জামায়াতে ইসলামী ঢাকা মহানগরী বাড্ডা থানার উদ্যোগে আলোচনা সভা ও দোয়ার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। থানা কর্মপরিষদ সদস্য ফখরুদ্দীন মোঃ কেফায়েত উল্লাহ, মোঃ লিয়াকত আলী, ইঞ্জিনিয়ার কামাল উদ্দিন আহমদ, মাওলানা আবুল কাশেমসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ। শেরেবাংলা থানা ঃ জামায়াতে ইসলামী ঢাকা মহানগরী শেরেবাংলা থানার উদ্যোগে ৮ ওয়ার্ডে দোয়ার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। এতে থানা আমীর আ জ ম কামাল উদ্দীন ও সেক্রেটারি আমিনুল ইসলামসহ নেতৃবৃন্দ। চকবাজার থানা ঃ জামায়াতে ইসলামী ঢাকা মহানগরী চকবাজার থানার উদ্যোগে আলোচনা সভা ও দোয়ার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। এতে থানা আমীর মফিজুল ইসলামসহ নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। দারুসসালাম থানা ঃ জামায়াতে ইসলামী ঢাকা মহানগরী দারুসসালাম থানার আমিন বাজার ইউনিয়নের উদ্যোগে আলোচনা সভা ও দোয়ার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। ইউনিয়ন সভাপতি মোঃ আসাদুল ইসলামের সভাপতিত্বে সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন দারুসসালাম থানা আমীর মাওলানা বেলাল হোসাইন, এছাড়া সাদেকুল ইসলাম, আঃ করিম, শাহাদাৎ হোসেন, মালানা কাওছারুল আলম প্রমুখ। এছাড়া ৯,১০ ও ১২ নং ওয়ার্ডে অনুরূপ মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। হাজারীবাগ থানা ঃ জামায়াতে ইসলামী ঢাকা মহানগরী হাজারীবাগ থানার উদ্যোগে আলোচনা সভা ও দোয়ার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। এতে থানা আমীর সেক্রেটারীসহ নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। কামরাঙ্গীরচর থানা ঃ জামায়াতে ইসলামী ঢাকা মহানগরী কামরাঙ্গীরচর থানার উদ্যোগে আলোচনা সভা ও দোয়ার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। থানা আমীর কামরুজ্জামানের পরিচালনায় উপস্থিত ছিলেন থানা সেক্রেটারী মাওলানা মোহাম্মদ শহীদুল্লাহ, শাহ আলম মিয়াজী, শাহ আলম আকন্দ, আনোয়ার হোসেনসহ থানা ওয়ার্ড নেতৃবৃন্দ। গেন্ডারিয়া থানা : জামায়াতে ইসলামী গেন্ডারিয়া থানার উদ্যোগে থানা অফিসে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। থানা কর্মপরিষদ সদস্য ইঞ্জিনিয়ার হাবিবুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরার সদস্য ও ঢাকা মহানগরীর কর্মপরিষদ সদস্য মঞ্জুরুল ইসলাম ভূঁইয়া। এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন থানা কর্মপরিষদ সদস্য মোহাম্মদ ইব্রাহিম, আবুল কাসেম ভূঁইয়া, সিকদার আবদুল কুদ্দুস প্রমুখ। একইস্থানে বাদ ফজর ৮১ নং ওয়ার্ডের উদ্যোগে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। চট্টগ্রাম অফিস : চট্টগ্রামের দেওয়ানবাজার বাংলাদেশ ইসলামিক একাডেমি জামে মসজিদে বাদ জুমা মুসল্লীদের উদ্দেশে মসজিদ পরিচালনা কমিটির সভাপতি মাওলানা মুমিনুল হক চৌধুরী বলেছেন, দেশে রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাস চলছে। সরকার দেশ পরিচালনায় ব্যর্থ হয়ে ইসলামী আন্দোলনের নেতাকর্মীদের ওপর জুলুম-অত্যাচার নির্যাতন চালাচ্ছে। অবিলম্বে জামায়াতে ইসলামীর তিন শীর্ষ নেতাসহ সারাদেশে গ্রেফতারকৃতদের মুক্তির দাবি জানিয়ে বিআইএ জামে মসজিদে বাদ জুমা অনুষ্ঠিত দোয়া মাহফিলে তিনি কথা বলেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ অধ্যক্ষ আব্দুল হাই, বিশিষ্ট সমাজসেবক মুহাম্মদ জাফর সাদেক, মুহাম্মদ নজরুল ইসলাম, অধ্যাপক মুহাম্মদ নুরুল্লাহ, মুহাম্মদ উল্লাহ, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী নূর মোহাম্মদ, মাওলানা মোখতার আহমদ প্রমুখ। মাওলানা মুমিনুল হক চৌধুরী দেশ ও জাতিকে রক্ষার জন্য আল্লাহর নিকট দোয়া কামনা করে মোনাজাত পরিচালনা করেন। বাকলিয়ায় দোয়া মাহফিল : দেশ ও জাতিকে রক্ষায়, নৈরাজ্য ও বিশৃক্মখলা হতে দেশবাসীকে মুক্তির জন্য বাকলিয়া জামে মসজিদে এক দোয়া মাহফিল হাফেজ মাওলানা এমএ আলীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়। এতে বক্তব্য রাখেন বিশিষ্ট সমাজসেবক মুহাম্মদ মনছুর, খোরশেদ আলম প্রমুখ। সারাদেশে পুলিশকর্তৃক জামায়াতের গ্রেফতারকৃত নেতাকর্মীদের মুক্তির দাবি জানিয়ে নন্দন কাননে এক দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। এতে দোয়া পরিচালনা করেন, অধ্যক্ষ মাওলানা সাইয়্যেদ আবু নোমান। উপস্থিত ছিলেন, মাওলানা আনোয়ার হোসাইন, মাওলানা মুহাম্মদ ইয়াহিয়া, মাওলানা সলিমুল্লাহ, মাওলানা হাবিব আহমদ, মাওলানা আব্দুল গফফার প্রমুখ। চকবাজার : চকবাজারে এক দোয়া মাহফিলে মোনাজাত করেন, অধ্যক্ষ মাওলানা মোসলেহ উদ্দিন, মাওলানা সাইয়্যেদ আবু নোমান। অপর এক দোয়া মাহফিলে দোয়া পরিচালনা করেন মাওলানা মাহমুদুল হাসান। উপস্থিত ছিলেন অধ্যক্ষ মাওলানা মীম ফারুক সিদ্দিকী, অধ্যক্ষা মাওলানা মীর আহমদ, অধ্যক্ষ মাওলানা আব্দুর রহীম, শায়খুল হাদিস মাওলানা মোসলেহ উদ্দীন, শায়খুল হাদিস মাওলানা মকবুল আহমদ, অধ্যক্ষ মাওলানা আব্দুর রহমান প্রমুখ। কোতোয়ালী উত্তর থানা : গ্রেফতারকৃত জামায়াতে ইসলামী ও ইসলামী ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীদের মুক্তির জন্য চট্টগ্রাম মহানগরীর কোতোয়ালী উত্তর থানার চন্দনপুরা, কলেজ রোড, চকবাজার, চট্টেশ্বরী রোড, কাতালগঞ্জ, উর্দুগলী, কাপাস গোলাসহ থানা এলাকার বিভিন্ন মসজিদে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত মাহফিলে মোনাজাত পরিচালনা করেন মাওলানা মুহাম্মদ ইলিয়াছ। উপস্থিত ছিলেন মাওলানা মুহাম্মদ ওসমান, মাওলানা হেলাল উদ্দীন, মাওলানা এমএস উল্লাহ, মাওলানা ফারুক আহমদ, হাবিবুর রহমান প্রমুখ। কোতোয়ালী দক্ষিণ থানা : গ্রেফতারকৃত জামায়াতে ইসলামী ও ইসলামী ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীদের মুক্তির জন্য চট্টগ্রাম মহানগরীর কোতোয়ালী দক্ষিণ থানা এলাকার আন্দরকিল্লা, টেরিবাজার, বদরপতি, আছাদগঞ্জ, খাতুনগঞ্জ, পাথরঘাটা, চামড়াগুদাম, ফিরিঙ্গিবাজার, ব্রীজঘাটা, রিয়াজউদ্দিন বাজার, স্টেশন রোড, এনায়েত বাজারসহ গুরুত্বপূর্ণ মসজিদে মসজিদে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। এতে মোনাজাত পরিচালনা করেন মাওলানা নিজাম উদ্দীন, মাওলানা এমআর নূরী, মাওলানা মুহাম্মদ ইসহাক, আব্দুর রহমান, মাওলানা মুহাম্মদ রফিক প্রমুখ। পতেঙ্গা থানা : জামায়াতে ইসলামী ও ইসলামী ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীদের মুক্তির জন্য চট্টগ্রাম মহানগরীর পতেঙ্গা থানার দক্ষিণ, উত্তর ও দক্ষিণ হালিশহর ওয়ার্ডে, কাঠঘড় উত্তর পতেঙ্গা কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে মাওলানা জাকের হোসাইনের সভাপতিত্বে এক দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। এতে উপস্থিত ছিলেন মাওলানা আকবর আহমদ, ছাত্রনেতা মোহাম্মদ আলী প্রমুখ। দক্ষিণ হালিশহর এলাকায় মাওলানা মহিউদ্দিনের সভাপতিত্বে এক দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। এতে বক্তব্য রাখেন, মুহাম্মদ ইউসুফ, মাওলানা আব্দুল মান্নান প্রমুখ। চান্দগাঁও থানা : চান্দগাঁও থানার বিভিন্ন এলাকার জামে মসজিদে বাদ জুমা দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত মাহফিলে উপস্থিত ছিলেন, থানা আমীর মাওলানা জয়নুল আবেদীন চৌধুরী জামশেদ, মাওলানা মিয়া মোহাম্মদ হোসাইন শরীফ, অধ্যাপক জসিম উদ্দিন, নূরুল মোস্তফা হেলালী, জসিম উদ্দীন সরকার, মুহাম্মদ ফোরকানুল ইসলাম প্রমুখ। এছাড়া বিভিন্ন মসজিদে দোয়া মাহফিল পরিচালনা করেন, মাওলানা নুরুল আবছার, মাওলানা কাজী নাছির, মাওলানা রিদুয়ানুল হক, মাওলানা হেলাল উদ্দিন প্রমুখ। ডাবলমুরিং থানা : ডাবলমুরিং থানার উদ্যোগে ধনিয়ালাপাড়া, পানওয়ালাপাড়া, বেপারীপাড়া, মহুরী পাড়া, দাইয়াপাড়া ও আগ্রাবাদ বিভিন্ন স্থানে মসজিদে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। এতে মোনাজাত পরিচালনা করেন, মাওলানা আবুল হোসাইন, আবুল কালাম, মাওলানা ছানাউল্লাহ, মাওলানা আব্দুল গাফ্ফার প্রমুখ। বন্দর থানা : বন্দর থানার উদ্যোগে ফকিরহাট, বারিক বিল্ডিং, পোর্ট কানেকটিং রোড, পোর্ট কলোনী, মুনির নগরসহ বিভিন্ন স্থানে মসজিদে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। দোয়া পরিচালনা করেন, মাওলানা সিরাজুল ইসলাম, মাওলানা ছাবের আহমদ, মাওলানা কামাল উদ্দিন প্রমুখ। হালিশহর থানা : জামায়াতে ইসলামী ও ইসলামী ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীদের মুক্তির জন্য চট্টগ্রাম মহানগরীর হালিশহর থানার নয়াবাজার, কাঁচারাস্তার মাথা, এস ক্লাবসহ বিভিন্ন এলাকার মসজিদে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। দোয়া পরিচালনা করেন, মাওলানা আবুল কালাম, মাওলানা হাবিবুর রহমান ও মাওলানা জসিম উদ্দিন প্রমুখ। খুলনা অফিস : গ্রেফতারকৃত জামায়াতে ইসলামী ও ইসলামী ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীদের মুক্তির জন্য দোয়া দিবস খুলনা মহানগরী, থানায় ও ওয়ার্ডে ওয়ার্ডে পালিত হয়েছে। খুলনা মহানগরী জামায়াতের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত দোয়া মাহফিলে সভাপতিত্ব করেন মহানগরীর ভারপ্রাপ্ত আমীর অধ্যাপক আব্দুল মতিন। এসময় উপস্থিত ছিলেন মহানগরী নায়েবে আমীর মাষ্টার শফিকুল আলম, সেক্রেটারি মাওলানা আবুল কালাম আজাদ, সহকারী সেক্রেটারি খন্দকার আব্দুল খালেক, অধ্যাপক মাহফুজুর রহমান ও খান গোলাম রসুল প্রমুখ। খুলনা সদর থানা আমীর মাওলানা আবু বকর সিদ্দিক-এর সভাপতিত্বে দোয়া মাহফিলে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন খুলনা সদর থানার সেক্রেটারি শেখ মোঃ অলিউল্লাহ, মুস্তাফিজুর রহমান টিংক প্রমূখ। সোনাডাঙ্গা থানা আমীর অধ্যাপক জি এম শফিকুল ইসলামের সভাপতিত্বে গতকাল সকালে থানা অফিসে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। এতে উপস্থিত ছিলেন মাওলানা শাহারুল ইসলাম, মোঃ আব্দুল গফুর, মনিরুল ইসলাম পান্না, মাওলানা আব্দুর রাজ্জাক প্রমূখ। খালিশপুর থানা নায়েবে আমীর অধ্যাপক শেখ রেজাউল হকের সভাপতিত্বে দোয়া অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন থানা সেক্রেটারি আবুল হাসান বুলবুল, আজিজুর রহমান প্রমূখ। দৌলতপুর থানা আমীর বীর মুক্তিযোদ্ধা বি এম জসিম উদ্দীনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত দোয়া অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন থানা সেক্রেটারি অধ্যাপক ইমাম মহিত, মাওলানা মোস্তফা হুসাইন, আ স ম আব্দুল্লাহ প্রমূখ। খানজাহান আলী থানার উদ্যোগে এক দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। দোয়া মাহফিলে সভাপতিত্ব করেন খানজাহান আলী থানা আমীর মোঃ আজিজুর রহমান স্বপন। খানজাহান আলী থানা জামায়াতের উদ্যোগে থানা আমীর হাফেজ আমিনুল ইসলামের সভাপতিত্বে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। তেরখাদা উপজেলার ইখড়ি কাটেংগা জামে মসজিদে দোয়া মাহফিল মাওলানা কবিরুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়। এতে অতিথি ছিলেন জেলা জামায়াতের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক অধ্যাপক স ম এনামুল হক। ডুমুরিয়া উপজেলার ডুমুরিয়া দক্ষিণপাড়া জামে মসজিদে দোয়া মাহফিল নজরুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়। ফুলতলা উপজেলার বিভিন্ন মসজিদে মসজিদে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। এখানে থানা আমীর এটিএম গাউসুল আজম হাদী ও শেখ সিরাজুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন। পশ্চিম রূপসা মৈশাঘুনী জামে মসজিদে দোয়া মাহফিল মাওলানা লাবিবুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়। পূর্ব রূপসায় মসজিদে মসজিদে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। এখানে থানা আমীর মাস্টার ফজলুল হক, সেক্রেটারি ডাঃ রেজাউল কবীর উপস্থিত ছিলেন। কয়রা উপজেলার ঘুঘরাকাঠি বাজার জামে মসজিদ, বড়বাড়ি বাজার শেখ সরদার পাড়া জামে মসজিদ, কয়রা মালিবাড়ি জামে মসজিদ, আবু বকর সিদ্দিক জামে মসজিদে পৃথক পৃথক দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। এসব দোয়া মাহফিলে উপস্থিত ছিলেন মাওলানা নুরুল ইসলাম, মাওলানা সাইফুল্লাহ, মাওলানা মহিবুল্লাহ, মাওলানা আমজাদ হোসেন, ডাঃ মাকসুদুল আলম, অধ্যাপক ওয়ালিউল্লাহ, মাওলানা রফিকুল ইসলাম, মাওলানা আলী হোসেন, মাওলানা নুরুল ইসলাম প্রমুখ। খুলনা বিজেপির প্রতিবাদ ও মুক্তি দাবি বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির (বিজেপি) খুলনা নগর ও জেলা নেতৃবৃন্দ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় ও নগর নেতাকর্মীদের গ্রেফতারের প্রতিবাদ ও নিঃশর্ত মুক্তির দাবি জানিয়েছেন। বিবৃতিদাতারা হলেন সংগঠনের নগর সভাপতি এডভোকেট লতিফুর রহমান লাবু ও সাধারণ সম্পাদক সিরাজ উদ্দিন সেন্টু, জেলা আহবায়ক ফরহাদ হোসেন ও সদস্য সচিব এডভোকেট শাহাদাত হোসেন। টঙ্গী সংবাদদাতা : গতকাল বাদ জুমা টঙ্গীর প্রতিটি মসজিদে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। এর আগে বাদ ফজর টঙ্গী জামায়াতের উদ্যোগে টঙ্গী চেরাগ আলী স্কুইব রোডে জামায়াত অফিসে দোয়া মাহফিল হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন থানা আমীর মাওলানা গোলামুল কুদ্দুস। দোয়া মাহফিল পরিচালনা করেন থানা সেক্রেটারি মোঃ আফজাল হোসাইন। প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন গাজীপুর জেলা শূরা ও কর্মপরিষদ সদস্য ডাঃ ইহতিশামুল হক শাহীন। দোয়া মাহফিলে মোনাজাত পরিচালনা করেন তামিরুল মিল্লাত কামিল মাদরাসার উপাধ্যক্ষ মাওলানা সফিক উল্যাহ আল মাদানী। মোনাজাতকালে জামায়াতের রুকন ও কর্মীদের কান্নায় আকাশ ভারী হয়ে উঠে। দোয়া মাহফিলে প্রায় ৫শ নেতা কর্মী উপস্থিত ছিলেন। গতকাল মৌলভীবাজার জেলার সর্বত্র দোয়া দিবস পালিত হয়। দোয়া মাহফিলসমূহে সর্বস্তরের জনগণ অংশগ্রহণ করেন এবং এ জালিম সরকারের হাত থেকে জাতিকে মুক্ত করার জন্য মহান আল্লাহর দরবারে প্রার্থনা জানান। মৌলভীবাজার পৌরসভা : মৌলভীবাজার পৌর জামায়াতের আমীর মাওলানা হারুনুর রশীদ তালুকদারের সভাপতিত্বে জামায়াত নেতৃবৃন্দের মুক্তির দাবিতে এক সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। রাজনগর : রাজনগর উপজেলা জামায়াতের উদ্যোগে নেতৃবৃন্দের মুক্তি কামনা করে এক দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। এতে জামায়াতের উপজেলা নেতৃবৃন্দসহ বিশিষ্ট উলামায়ে কেরাম অংশ গ্রহণ করেন। কুলাউড়া : কুলাউড়া উপজেলার বিভিন্ন স্থানে জামায়াতের আহবানে জাতীয় নেতৃবৃন্দের মুক্তি কামনায় দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। এতে সর্বস্তরের জনসাধারণ অংশগ্রহণ করেন। জুড়ী : জুড়ী উপজেলার বিভিন্ন মসজিদে জামায়াতের শীর্ষ নেতৃবৃন্দের মুক্তি কামনায় বাদ জুমা দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। নয়া বাজার ফাজিল মাদরাসার অধ্যক্ষ মাওলানা আব্দুর রহমান বাদ জুমা নেতৃবৃন্দের জন্য মোনাজাত করেন। বড়লেখা : জামায়াত নেতৃবৃন্দের আহবানে বড়লেখা উপজেলার বিভিন্ন স্থানে বাদ জুমা মুসল্লিগণ মুক্তির জন্য দোয়া মাহফিল করেন। এতে স্থানীয় জামায়াত নেতৃবৃন্দ ও বিশিষ্ট আলেমগণ উপস্থিত ছিলেন। কমলগঞ্জ : কমলগঞ্জ উপজেলা সদরে উপজেলা আমীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল গণি তরফদারের সভাপতিত্বে কেন্দ্রীয় জামায়াত নেতৃবৃন্দের মুক্তির দাবিতে এক আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। শ্রীমঙ্গল : শ্রীমঙ্গল উপজেলার বিভিন্ন স্থানে জামায়াত নেতৃবৃন্দের মুক্তির জন্য দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। স্থানীয় অফিসে উপজেলা আমীর আব্দুল আউয়াল তরফদারের পরিচালনায় এক দোয়া মাহফিল হয়। এতে উলামায়ে কেরামসহ বহু লোক উপস্থিত ছিলেন। ঝালকাঠি সংবাদদাতা : জামায়াতে ইসলামীর তিন শীর্ষনেতার নিঃশর্ত মুক্তির দাবিতে ঝালকাঠিতে গতকাল দোয়া দিবস পালন করা হয়। এ উপলক্ষে ঝালকাঠি শহর শাখার উদ্যোগে স্থানীয় কার্যালয়ে গতকাল দোয়া অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। শহর আমীর এডভোকেট ফারুক হোসেন খানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ দোয়া অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন জেলা নায়েবে আমীর মোঃ ফরিদুল হক, বিশেষ অতিথি ছিলেন জেলা সেক্রেটারি এডভোকেট আমিনুল ইসলাম। এছাড়া জেলার রাজাপুর, কাঁঠালিয়া ও নলছিটিতে দোয়া দিবস পালিত হয়েছে। অন্যদিকে এ কর্মসূচির বাধা দিতে গতকাল পবিত্র জুমাবারের দিন সারা ঝালকাঠি জেলার গুরুত্বপূর্ণ এলাকার বিভিন্ন মসজিদের চারপাশে সশস্ত্র পুলিশ পাহারা দিতে দেখা যায়। এতে সাধারণ মুসল্লীদের মাঝে নানা প্রশ্ন উঠে আসতে থাকে। কুড়িগ্রাম সংবাদদাতা : কুড়িগ্রাম শহর ও সদর জামায়াতের উদ্যোগে কেন্দ্রীয় নেতাদের মুক্তির দাবিতে দোয়া মুনাজাত করা হয়েছে। জেলার বিভিন্ন উপজেলায় প্রায় ১ হাজার নারী-পুরুষ নফল রোজা রেখে জামায়াতের শীর্ষ ৩ নেতাসহ সকল বন্দীর আশুমুক্তির জন্য উৎসর্গ করেছে। গতকাল বিকেলে জেলা জামায়াত কার্যালয়ে আয়োজিত দোয়া মাহফিলে উপস্থিত ছিলেন জেলা আমীর অধ্যাপক আজিজুর রহমান সরকার, জেলা সেক্রেটারি দেওয়ান আমিনুল ইসলাম, সাবেক জেলা আমীর আ.ন.ম সোলায়মান প্রমুখ। দোয়া মোনাজাত করেন সাবেক জেলা আমীর আনম সোলায়মান। সাতক্ষীরা সংবাদদাতা : গ্রেফতারকৃত জামায়াতে ইসলামী ও ছাত্রশিবিরের নেতা-কর্মী ও সমর্থকদের মুক্তির জন্য সাতক্ষীরা জেলাব্যাপী মসজিদে মসজিদে দোয়া দিবস পালিত হয়েছে। জামায়াতের সাতক্ষীরায় ফজর বাদ বিশেষ করে বাদ জুমআ জেলা-উপজেলা, ইউনিয়ন, ওয়ার্ড ও ইউনিট সংগঠনের উদ্যোগে বিভিন্ন মসজিদে এ দোয়ায় মাহফিলের আয়োজন করা হয। দোয়া দিবসের বিভিন্ন মাহফিলে বক্তব্য রাখেন জেলা আমীর মুহাদ্দিস আব্দুল খালেক, সিনিয়র জেলা নায়েবে আমীর সাবেক এমপি অধ্যক্ষ মাওলানা আব্দুল খালেক, নায়েবে আমীর মাওলানা রবিউল বাশার, জেলা সেক্রেটারি নুরুল হুদা, সিনিয়র সহকারী সেক্রেটারি অধ্যাপক মাওলানা রফিকুল ইসলাম, সাবেক এমপি মাওলানা এ,এম, রিয়াসাত আলী, সাবেক এমপি গাজী নজরুল ইসলাম, অধ্যক্ষ মাওলানা আব্দুল বারীসহ উপজেলা আমীর, ইউনিয়ন এবং ওয়ার্ড জামায়াত নেতৃবৃন্দ। জেলার তালা, কলারোয়া, সাতক্ষীরা সদর, শহর, আশাশুনি, দেবহাটা, কালিগঞ্জ ও শ্যামনগর উপজেলা সদরসহ বিভিন্ন ইউনিয়নে ফজর বাদ বিশেষ করে বাদ জুম'আ মসজিদে মসজিদে এ দোয়া দিবস উপলক্ষে বিশেষ মুনাজাত করা হয়। দিনাজপুর অফিস : গতকাল শুক্রবার দিনাজপুর জেলার ১৩ উপজেলার প্রায় সাড়ে ৬ হাজার মসজিদের অধিকাংশ মসজিদে বিশেষ মুনাজাত অনুষ্ঠিত হয়। জামায়াত নেতৃবৃন্দের মুক্তির জন্য কোন দোয়া না করতে ইসলামিক ফাউন্ডেশন পূর্বেই ইমামদের নির্দেশনা দিয়ে দেয়। সরকারের জঘন্য এ নির্দেশনা কোনো মসজিদেই কার্যকর হয়নি। গতকাল জুমার নামায শেষে জামায়াতের শীর্ষ নেতাসহ ইসলামপন্থী দ্বীনি ভাইদের মুক্তি এবং স্বদেশী ও বহিঃশক্তির হাত থেকে দেশ বাঁচানোর ফরিয়াদ জানিয়ে বিশেষ দোয়া করা হয়। শহরের মসজিদে মসজিদে যেন জামায়াতের কর্মসূচি পালিত না হতে পারে সে জন্য আগে থেকেই পুলিশ মোতায়েন করা হয়। দিনাজপুরের স্টেশন রোড জামে মসজিদ, আহলে হাদীস মসজিদ, পাহাড়পুর মসজিদ ও জেলরোড জামে মসজিদে বিপুল সংখ্যক পুলিশের উপস্থিতিতেই দ্বীনি ভাইদের মুক্তির জন্য দোয়া অনুষ্ঠিত হয়। একটি সূত্র জানায়, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে ইমামদের প্রতি দোয়া না করার ব্যাপারে দিক-নির্দেশনা দেয়া হয়। কিন্তু সরকারের সে অন্যায় নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করেই ইমামগণ ইসলামী নেতৃবৃন্দের মুক্তির জন্য দোয়া করেন। এ ছাড়া জামায়াতের উদ্যোগে বিভিন্ন ওয়ার্ড, ইউনিয়ন ও ইউনিটে পৃথক পৃথকভাবে বিশেষ দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। ভোলা সংবাদদাতা : জামায়াতে ইসলামীর শীর্ষ নেতৃবৃন্দের মুক্তির দাবিতে জামায়াতে ইসলামী ভোলা শাখার উদ্যোগে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল ভোলা জেলা কার্যালয়ে ভোলা জেলা আমীর মাওলানা ফজলুল করীমের সভাপতিত্বে দোয়া মাহফিলে জেলা সেক্রেটারি মাওলানা মো. ওয়ালী উল্যাহ, পৌরসভা আমীর ডা. রফিকুল ইসলাম, সেক্রেটারি, সদর আমীর মাস্টার নুরুল ইসলাম, সেক্রেটারি মাওলানা নজরুল ইসলামসহ জামায়াত ও শিবিরের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। প্রতিবাদে তারা বলেন, জামায়াত নেতৃবৃন্দের মুক্তি না দিলে জামায়াত দেশবাসীকে সাথে নিয়ে কঠোর আন্দোলনের কর্মসূচি ঘোষণা করতে বাধ্য হবে। এছাড়াও ভোলার চরফ্যাশন উপজেলায় খাশ মহল মসজিদ থেকে বিক্ষোভ পুলিশের বাধায় পন্ড হয়ে পরে দোয়া মাহফিল করেছেন চরফ্যাশন খাশ মহল মসজিদে। মোনাজাতে জামায়াতে ইসলামীর চরফ্যাশন থানা আমীর মাওলানা মোস্তফা কামাল, সেক্রেটারি শাহ মো. হারুনুর রশীদসহ জামায়াত ও শিবিরের শত শত নেতাকর্মী এবং সাধারণ মানুষ অংশগ্রহণ করেন। সুনামগঞ্জ সংবাদদাতা : জামায়াতের তিন শীর্ষ নেতাসহ সকল রাজবন্দিদের মুক্তির দাবিতে সুনামগঞ্জে দোয়া মাহফিল পালিত হয়েছে। গতকাল জুমার নামাজ শেষে শহরের বিভিন্ন মসজিদে বিশেষ মোনাজাতের আয়োজন করা হয়। এতে সুনামগঞ্জ জেলা জামায়াতের আমীর হাতিমুর রহমান, পৌর আমীর এডভোকেট শামসউদ্দিন, জেলা প্রচার সেক্রেটারি মোমতাজুল হাসান আবেদ, শিবির সভাপতি কুদরতে এলাহী মারুফ উপস্থিত ছিলেন। এছাড়াও ছাতক, বিশ্বম্ভরপুর, দোয়ারাবাজার, জামালগঞ্জ উপজেলাতেও এই কর্মসূচি পালন করা হয়। তাহিরপুর উপজেলার আনোয়ারপুর বাজারে দোয়া মাহফিল শেষে উপজেলা শিবিরের একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করা হয়। বাজারের বিভিন্ন রাস্তা প্রদক্ষিণ শেষে এক সমাবেশে মিলিত হন তারা। সমাবেশে বক্তারা মতিউর রহমান নিজামী, আলী আহসান মুজাহিদ, দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদী, সুনামগঞ্জ জেলা সেক্রেটারি তোফায়েল আহমদ খানসহ আটক সকল নেতাকর্মীর মুক্তির দাবি জানান। এতে বক্তব্য রাখেন উপজেলা শিবিরের সভাপতি মিয়া মোহাম্মদ কাঞ্চন, সুনামগঞ্জ সরকারি কলেজ সভাপতি আনোয়ার উদ্দিন, শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সভাপতি ডা. নুরুল আমিন, দেলোয়ার হোসেন, জয়নাল আবেদীন, রেজাউল করিম প্রমুখ। রংপুর অফিস : জামায়াত ও ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীদের মুক্তির জন্যে জামায়াতে ইসলামী রংপুর জেলা শাখার উদ্যোগে গতকাল রংপুরের ৮ উপজেলা ৩টি পৌর এলাকা এবং ৮৩টি ইউনিয়নের বিভিন্ন মসজিদে বাদ জুমা এবং বাদ আছর দলের শাখা কার্যালয়সমূহে কেন্দ্রঘোষিত দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। কর্মসূচি অনুযায়ী বাদ জুমা জেলার শত শত মসজিদে জামায়াতের ৩ শীর্ষ নেতাসহ জামায়াতে ইসলামী ও ইসলামী ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীদের মুক্তি, সুস্থতা ও কল্যাণ কামনা করে দোয়া করা হয়। এছাড়া মহিলা জামায়াতের উদ্যোগে পৃথক দোয়া অনুষ্ঠিত হয়। এছাড়া জামায়াতে ইসলামী রংপুর শহর শাখার উদ্যোগে স্থানীয় শাপলা চত্বরস্থ কার্যালয়ে বিকেলে এক দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত দোয়া অনুষ্ঠানে দলের জেলা আমীর মাহবুবুর রহমান বেলাল, জেলা সেক্রেটারি আনোয়ারুল ইসলাম, শহর আমীর নুরুল আমীন, শহর সেক্রেটারি শাহারুল হুদা, সদর উপজেলা আমীর মাওলানা নজরুল ইসলাম সিদ্দিকী, সেক্রেটারি ওবায়দুল্লাহ সালাফি, শিবিরের নেতাকর্মীবৃন্দ সদর উপজেলার ১১টি ইউনিয়ন এবং রংপুর পৌরসভার ১৫টি ওয়ার্ড শাখা জামায়াত এবং মহিলা জামায়াতের উদ্যোগে স্থানীয়ভাবে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। কর্মসূচি অনুযায়ী মিঠাপুকুর উপজেলা জামায়াত কার্যালয়ে বিকেলে এবং উপজেলার ১৭টি ইউনিয়নে বিভিন্ন মসজিদে ও জামায়াত ও মহিলা জামায়াতের উদ্যোগে পৃথক দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। এসব দোয়া অনুষ্ঠানে উপজেলা আমীর গোলাম রববানী, সেক্রেটারি মাওলানা আশরাফ সিদ্দিকী, মোহাম্মদ আবু তালেব, জামায়াত নেতা মাওলানা হাফিজুর রহমান চেয়ারম্যানসহ জামায়াত-শিবিরের নেতাকর্মীবৃন্দ অংশ নেন। পীরগঞ্জ উপজেলা জামায়াতের উদ্যোগে স্থানীয় শাখা কার্যালয় এবং উপজেলার ১৫টি ইউনিয়নে জামায়াত ও মহিলা জামায়াতের উদ্যোগে পৃথক দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। এসব দোয়া অনুষ্ঠানে উপজেলা আমীর মাওলানা গোলাম মোস্তফা, জেলা আইন বিষয়ক সেক্রেটারি এডভোকেট আব্দুস সালাম প্রধান, উপজেলা নায়েবে আমীর অধ্যক্ষ লুৎফর রহমান, সেক্রেটারি মাওলানা মোকছেদ আলী, আব্দুল করিমসহ নেতাকর্মীবৃন্দ অংশগ্রহণ করেন। বদরগঞ্জ উপজেলা জামায়াত কার্যালয়ে এবং উপজেলার ১০টি ইউনিয়ন এবং পৌরসভার বিভিন্ন মসজিদে, ওয়ার্ডে জামায়াত ও মহিলা জামায়াতের উদ্যোগে পৃথক দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। উপজেলা আমীর শাহ মুহাম্মদ রুস্তম, নায়েবে আমীর এটিএম মাহবুবুল আলম, সেক্রেটারি মাওলানা আব্দুল হান্নান, পৌর আমীর মাওলানা জমসেদ আলীসহ জামায়াত ও শিবিরের নেতাকর্মীসহ বিভিন্ন স্তরের বিপুলসংখ্যক মানুষ এই দোয়া অনুষ্ঠানে অংশ নেন। উপজেলা কার্যালয়ে জামায়াতও পৃথকভাবে উপজেলার ৯টি ইউনিয়নে বিভিন্ন মসজিদে ও মহিলা জামায়াতের উদ্যোগে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। এসব দোয়া অনুষ্ঠানে উপজেলা আমীর মাওলানা এটিএম আজম খান, সেক্রেটারি বখতে জামান, জামায়াত নেতা মোত্তালিব হোসাইন, বেলাল হোসাইনসহ নেতাকর্মীগণ অংশ নেন। গাজীপুর : জামায়াতে ইসলামী গাজীপুর পৌরসভার উদ্যোগে কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দের গ্রেফতারের প্রতিবাদে এবং তাদের মুক্তির দাবিতে জেলা জামায়াত কার্যালয়ে এক আলোচনা সভা ও দোয়া অনুষ্ঠিত হয়। গাজীপুর পৌর আমীর মোঃ খায়রুল হাসানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত দোয়া ও আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জামায়াতে ইসলামীর গাজীপুর জেলা আমীর আবুল হাসেম খান, বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জেলা সেক্রেটারি ড. অধ্যক্ষ মাওলানা ছামিউল হক ফারুকী, জেলা সহকারী সেক্রেটারি অধ্যাপক জামাল উদ্দীন। নেতৃবৃন্দ শীর্ষ নেতাদের মুক্তির জন্য আল্লাহর দরবারে দোয়া করেন এবং মিথ্যা মামলায় রিমান্ডের নামে হয়রানি ও নির্যাতনের পথ পরিহার করে অবিলম্বে নিঃশর্ত মুক্তি দানের জন্য সরকারের প্রতি আহবান জানান। পরিশেষে জেলা আমীর সকলকে নিযে তাদের মুক্তির জন্য দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করেন। কক্সবাজার সংবাদদাতা : গতকাল জুমাবার দোয়া দিবসে কক্সবাজার শহরসহ জামায়াতের সর্বত্র দোয়া অনুষ্ঠিত হয়। পেকুয়া, মহেশখালী, কুতুবদিয়া, চকরিয়া উত্তর-দক্ষিণ, পৌর চকরিয়া, হারবাং, উখিয়া-টেকনাফ, রামু, কক্সবাজার সদর ও ঈদগাঁওতে অধিকাংশ জামে মসজিদে কান্নাজড়িত কণ্ঠে দোয়া পরিচালিত হয়। শহর জামায়াতে ইসলামীর উদ্যোগে শহর আমীর শামসুল আলা বাহাদুরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত দোয়া মাহফিলে বক্তব্য রাখেন জেলা আমীর মুহাম্মদ শাহজাহান, এডভোকেট সালামতুল্লাহ, জিএম রহিমউল্লাহ, এডভোকেট ফরিদ উদ্দিন, জেলা, শহর ও ছাত্র নেতৃবৃন্দ। কুমিল্লা অফিস : গতকাল জামায়াতে ইসলামী কুমিল্লা শহর শাখার উদ্যোগে শীর্ষ নেতৃবৃন্দ এবং সকল রাজবন্দীর মুক্তির জন্য দোয়াদিবস পালন করা হয় বিকেল ৫টায় ফারুকী হাউজ মসজিদে। জামায়াতে ইসলামী কুমিল্লা শহর নায়েবে আমীর মাস্টার আমিনুল হকের সভাপতিত্বে দোয়া অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন শহর সেক্রেটারি মোসলেহ উদ্দিন, শহর রাজনৈতিক সেক্রেটারি বিশিষ্ট মুক্তিযোদ্ধা আমিনুল হক, শহর জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি অধ্যাপক এ. কে. এম. এমদাদুল হক মামুন, শহর মজলিসে শূরা সদস্য মাহবুবুর রহমান। দোয়া পরিচালনা করেন জামায়াতে ইসলামী কুমিল্লা আদর্শ সদর পূর্ব থানার আমীর মাওলানা আবদুল আলীম। নোয়াখালী সংবাদদাতা : গতকাল শুক্রবার বিকেলে শীর্ষ জামায়াত নেতাদের মুক্তির দাবি ও সুস্বাস্থ্য কামনায় নোয়াখালীতে বিভিন্ন উপজেলা, থানা, ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড পর্যায়ে জামায়াত দোয়া অনুষ্ঠান করে। জেলা জামায়াত কার্যালয়ে নোয়াখালী শহর জামায়াতের উদ্যোগে আয়োজিত দোয়া অনুষ্ঠানে দোয়া পরিচালনা করেন অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য উপাধ্যক্ষ আবদুর রব। এতে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন জেলা জামায়াত আমীর মাওলানা আবদুল মুনয়েম, জেলা সেক্রেটারি মাওলানা আলাউদ্দিন, সহকারি সেক্রেটারি মাওলানা সাইয়্যেদ আহমেদ, মাস্টার আবু তাহের, শহর আমীর হাফেজ আবদুল্লাহ, শিবির শহর সভাপতি আবু তাহের, জেলা দক্ষিণ সভাপতি হাফেজ মহিউদ্দিনসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতা-কর্মী। চৌমুহনী : জুমার নামায শেষে চৌমুহনী বড় জামে মসজিদে দোয়া মাহফিলে উপস্থিত ছিলেন জেলা সেক্রেটারি মাওলানা আলাউদ্দিন, চৌমুহনী পৌরসভা নায়েবে আমীর নাসিমুল গণি চৌধুরী মহল, বেগমগঞ্জ উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মাওলানা বুরহান উদ্দিন, শিবির উত্তর জেলা সভাপতি আবদুল বাকের। দোয়া অনুষ্ঠানে জামায়াতের নেতাদের সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘ হায়াত কামনা করে দোয়া করা হয়। এছাড়া নোয়াখালীর চাটখিল, বেগমগঞ্জ, কোম্পানীগঞ্জ, হাতিয়া, সুবর্ণচরসহ জেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন, ওয়ার্ড ও বিভিন্ন মসজিদে দোয়া অনুষ্ঠিত হয়। বগুড়া অফিস : জামায়াতে ইসলামীর শীর্ষ নেতৃবৃন্দের মুক্তির দাবিতে বগুড়া শহর জামায়াতের উদ্যোগে গতকাল শুক্রবার বাদ আছর স্থানীয় শাহ ওয়ালীউল্লাহ মিলনায়তনে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। শহর আমীর অধ্যক্ষ আবিদুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন জেলা আমীর অধ্যক্ষ শাহাবুদ্দিন। বক্তব্য রাখেন জেলা সেক্রেটারি অধ্যক্ষ মাওলানা আব্দুল হক সরকার, সহকারী সেক্রেটারি এডভোকেট রিয়াজ উদ্দিন, মাওলানা মোফাজ্জল হক, রাজনৈতিক সেক্রেটারি মাওলানা আলমগীর হুসাইন, শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের জেলা সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা শহীদুর রহমান, শহর জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি মাজেদুর রহমান জুয়েল, শহর শিবির সভাপতি নুরুল ইসলাম আকন্দ, শিবিরের উত্তর জেলা সভাপতি আব্দুল হালিম, দক্ষিণ জেলা সভাপতি রায়হানুল হক রানা প্রমুখ। নীলফামারী সংবাদদাতা : জামায়াতে ইসলামী নীলফামারী সদর উপজেলা ও শহর শাখার উদ্যোগে এক আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল হয়। গতকাল বিকেলে আলহেলাল একাডেমী জামে মসজিদে অনুষ্ঠিত দোয়া মাহফিলটি সদর উপজেলা আমীর অধ্যাপক আবু হেলালের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়। দোয়ায় উপস্থিত ছিলেন জামায়াতের জেলা, থানা ও শহর শাখার নেতৃবৃন্দসহ প্রায় ৫ শতজন। দেশব্যাপী দোয়া দিবস উপলক্ষে জেলার সকল উপজেলা জামে মসজিদে মাওলানা মতিউর রহমান নিজামীর সুস্থতা কামনা করে দোয়া অনুষ্ঠিত হয়। এদিকে জামায়াতের শীর্ষ নেতৃবৃন্দকে গ্রেফতারের প্রতিবাদে গত বৃহস্পতিবার জামায়াতে ইসলামী নীলফামারী সদর উপজেলা ও শহর শাখার উদ্যোগে বিকালে এক প্রতিবাদ সভা জামায়াতের জেলা কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়। সদর উপজেলা আমীর অধ্যাপক আবু হেলালের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় বক্তব্য রাখেন জামায়াতের জেলা, থানা ও শহর শাখার নেতৃবৃন্দ। সভায় বক্তারা অবিলম্বে কেন্দ্রীয় নেতাদের মুক্তি ও মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবি জানান। রাজবাড়ী : গ্রেফতারকৃত জামায়াতে ইসলামী ও ইসলামী ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীদের মুক্তির জন্য জামায়াতের পক্ষ থেকে গতকাল সারাদেশে ‘‘দোয়া দিবস’’ পালনের কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়েছে। রাজবাড়ী জেলার সকল উপজেলার বিভিন্ন মসজিদে জুমাবাদ দোয়া করা হয়। উক্ত দোয়া অনুষ্ঠানে উপজেলা নেতৃবৃন্দ উপস্থিত থাকেন। রাজবাড়ী জেলা আমীর এডভোকেট নূরুল ইসলাম গোয়ালন্দ উপজেলার এক মসজিদে জুম্মার নামায আদায় করেন এবং নামায শেষে দোয়া পরিচালনা করেন। জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মোঃ হাসমত আলী হাওলাদার মোল্লা ম্যানসন জামে মসজিদে জুম্মা নামায আদায় করেন। নামায শেষে দোয়া অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকেন। জেলা বায়তুলমাল সেক্রেটারি আব্দুল জববার উপজেলা জামে মসজিদে নামায আদায় করেন এবং নামায শেষে দোয়া করা হয়। সদর উপজেলা আমীর মাওলানা সাইয়্যেদ আহম্মদ কাজীকান্দা জামে মসজিদে দোয়া পরিচালনা করেন। কিশোরগঞ্জ সংবাদদাতা : জামায়াতে ইসলামী কিশোরগঞ্জ শহর শাখার উদ্যোগে এক প্রতিবাদ সমাবেশ ও দোয়ার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। শহর আমীর মুঃ ফজলুল হকের সভাপতিত্বে সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন জেলা আমীর অধ্যাপক আবদুস সালাম, জেলা সেক্রেটারি অধ্যাপক মোঃ রমজান আলী প্রমুখ। সমাবেশ শেষে কেন্দ্রিয় নেতৃবৃন্দের জন্য দোয়া করা হয়। পাবনা সংবাদদাতা : গতকাল পাবনায় জামায়াতের শীর্ষ নেতৃবৃন্দের মুক্তির জন্য কুরআন খতম ও দোয়ার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। জেলার সাঁথিয়া, চাটমোহর, ভাঙ্গুড়া, ফরিদপুর, বেড়া, সুজানগর , ঈশ্বরদী, আটঘোরিয়া ও পাবনা সদর উপজেলা শাখায় বাদ জুময়া ও বাদ আসর মসজিদে মসজিদে ও দলীয় কার্যালয়ে এ মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। দোয়ার মাহফিলে পবিত্র কুরআন খতম ও দোয়া ইউনুস তেলাওয়াত করা হয়। জামায়াতের উপজেলা আমীর ও সেক্রেটারিসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ এ দোয়ার মাহফিলে অংশগ্রহণ করেন। দোয়ার মাহফিলে গ্রেফতারকৃত নেতৃবৃন্দেরও সু-স্বাস্থ্য কামনা ও তাদের মুক্ত করে দেয়ার জন্য আল্লাহর দরবারে অশ্রু ঝরান হাজার হাজার নেতা-কর্মী। সিরাজগঞ্জ সংবাদদাতা : জেলার ১০টি উপজেলার মসজিদে মসজিদে গতকাল বাদজুমা দোয়া দিবসের কর্মসূচি পালিত হয়। এতে স্ব স্ব এলাকার জামায়াতের থানা আমির, নায়েবে আমির, ইউনিয়ন ও ইউনিট সভাপতিগণ অংশগ্রহণ করেন। ইসলামী ছাত্রশিবির সিরাজগঞ্জ শহর শাখার উদ্যোগে ফুলবাড়ি জামে মসজিদে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। এতে শহর সভাপতি সাইদুল ইসলামের সভাপতিত্বে উপস্থিত ছিলেন, সেক্রেটারি ইমরান তালুকদার, শাহাদৎ হোসেন, আমিনুল ইসলাম মল্লিক প্রমুখ। রাজশাহী অফিস : জামায়াতের শীর্ষ নেতাদের মুক্তি ও সুস্থতা কামনা করে গতকাল রাজশাহী মহানগর জামায়াতের উদ্যোগে দোয়া দিবস পালিত হয়েছে। মহানগর জামায়াতের ভারপ্রাপ্ত আমীর অধ্যাপক নজরুল ইসলামের সভাপতিত্বে দোয়া অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, নায়েবে আমীর অধ্যাপক আবুল হাসেম, শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশন নেতা আব্দুল মালেক প্রমুখ। দোয়া অনুষ্ঠানে সারাদেশে আটক জামায়াত শিবির নেতাকর্মীদের মুক্তি ও সুস্থতার জন্য মহান আল্লাহর নিকট সাহায্য প্রার্থনা করেন। নগরীর বিভিন্ন মসজিদে আটক জামায়াত নেতাদের মুক্তি কামনা করে দোয়া করা হয়। বাঘা রাজশাহীর বাঘা উপজেলা জামায়াতের উদ্যোগে আলোচনা সভা ও দোয়া অনুষ্ঠান পালিত হয়। বাঘা উপজেলা জামায়াতের আমীর মাওলানা জিন্নাত আলীর সভাপতিত্বে এতে উপস্থিত ছিলেন অধ্যাপক নজরুল ইসলাম, পৌরসভার সাবেক চেয়ারম্যান আব্দুর রাজ্জাক প্রমুখ। উপজেলার বিভিন্ন মসজিদে জামায়াত নেতাদের মুক্তি কামনা করে দোয়া মোনাজাত করা হয়। তানোর তানোর উপজেলার মন্ডুমালা পৌরসভা জামায়াতের উদ্যোগে দোয়া দিবসে জামায়াতের কেন্দ্রীয় শীর্ষ নেতাদের মুক্তি ও সুস্থতা কামনা করে বিশেষ দোয়া মোনাজাত করা হয়। পৌর সভাপতি আনিসুর রহমানের সভাপতিত্বে এ সময় জামায়াত নেতা জামিলুর রহমান, আমিনুল ইসলাম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। মোহনপুর মোহনপুর উপজেলা জামায়াতের উদ্যোগে গতকাল দোয়া দিবস অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় নেতৃবৃন্দ আমীরে জামায়াত, সেক্রেটারি জেনারেল ও মাওলানা সাঈদীর নিঃশর্ত মুক্তির জন্য দোয়া করা হয়। অনুষ্ঠানে মোহনপুর উপজেলা আমীর আব্দুল খালেক, সেক্রেটারি এফএম ইসমাইল আলম, আব্দুল গফুর মৃধা, ক্বারী হাবিুর রহমান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। বরিশাল অফিস : বরিশাল মহানগরী জামায়াতের সকল প্রশাসনিক ও সাংগঠনিক থানা এবং ওয়ার্ডে দোয়া দিবস পালিত হয়। এতে মহানগরী ও জেলার নেতৃবৃন্দ উপস্থিত থেকে দোয়া ও মুনাজাত পরিচালনা করেন। আলেকান্দা সাংগঠনিক থানার ১৫ নং ওয়ার্ডের ফরেস্টার বাড়ি জামে মসজিদে ওয়ার্ড সভাপতি মো. জিয়াউর রহমানের সভাপতিত্বে দোয়ার অনুষ্ঠান করা হয়। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন জামায়াতে ইসলামী বরিশাল পূর্ব জেলার আমীর অধ্যাপক আব্দুল জববার, অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন থানা আমীর অধ্যাপক মু. শাহে আলম, মহানগরী কর্মপরিষদ সদস্য এডভোকেট সালাহ উদ্দিন মাসুম, সেক্রেটারি মো. দেলোয়ার হোসেন, ১১নং ওয়ার্ড সভাপতি মো. আ. আজিজ, ১২নং ওয়ার্ড সভাপতি মো. বজলুর রহমান, ১৪নং ওয়ার্ড সভাপতি মো. আ. রউফ প্রমুখ। এদিকে মহানগরীর সাংগঠনিক রূপাতলী থানার দোয়া অনুষ্ঠান নগরীর ২৫নং ওয়ার্ডের চৌধুরী বাড়ি জামে মসজিদে অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন মহানগরী জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি মাওলানা মতিউর রহমান। উপস্থিত ছিলেন রূপাতলী থানার আমীর মাস্টার মিজানুর রহমান, সেক্রেটারি প্রকৌশলী সাইফুল ইসলামসহ ওয়ার্ড সভাপতি ও সেক্রেটারিবৃন্দ। বি এম কলেজ সাংগঠনিক থানার দোয়া অনুষ্ঠান নগরীর ২২নং ওয়ার্ডের কাজিপাড়া জামে মসজিদে অনুষ্ঠিত হয়। ওয়ার্ড সভাপতি মো. কামাল হোসেনের সভাপতিত্বে দোয়া অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিএম কলেজ থানার সহকারী সেক্রেটারি অধ্যাপক আনোয়ার হোসেনসহ থানার নেতৃবৃন্দ। বরিশাল সদর থানার বিভিন্ন ইউনিয়নে মসজিদে মসজিদে দোয়ার আয়োজন করা হয়। সদর থানার আমীর মাওলানা জয়নাল আবেদীনের সভাপতিত্বে দোয়ার অনুষ্ঠান স্থানীয় চন্দ্রমোহন বাজার জামে মসজিদে অনুষ্ঠিত হয়। দোয়া অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন ১০নং চন্দ্রমোহন ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মুক্তিযোদ্ধা মো. ইস্রাইল পন্ডিত। সদর থানার ৮নং চাঁদপুরা ইউনিয়নের সভাপতি মাওলানা আলী আশরাফের সভাপতিত্বে স্থানীয় খোন্তখালী মোল্লাবাড়ি জামে মসজিদে দোয়া অনুষ্ঠান করা হয়। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন থানা সেক্রেটারি মাওলানা সফিউল্লাহ তালুকদার। ৯নং টুঙ্গিবাড়িয়া ইউনিয়ন সেক্রেটারি মাওলানা আ. সোবহানের সভাপতিত্বে স্থানীয় সিংহেরকাঠী জামে মসজিদে দোয়ার অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। দোয়া অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন মসজিদের পেশ ইমাম। ৭নং চরকাউয়া ইউনিয়নের স্থানীয় দক্ষিণ চরআইচা খেয়াঘাট জামে মসজিদে ইউনিয়ন সভাপতি মাওলানা সোহরাব হোসেনের সভাপতিত্বে দোয়া অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। সদর থানার ৫নং চরমোনাই ইউনিয়ন জামায়াতের সেক্রেটারি মাওলানা নুর হোসেনের পরিচালনায় স্থানীয় পসুরীকাঠী খানবাড়ি জামে মসজিদে দোয়ার অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। সদর থানার কাশিপুর ইউনিয়নের লাকুটিয়া বাবুবাজার জামে মসজিদে দোয়ার অনুষ্ঠান করা হয়। দোয়া পরিচালনা করেন জামায়াতে ইসলামী চরবাড়িয়া ইউনিয়নের সভাপতি মাওলানা আবুল বাশার। এদিকে মহানগরীর কাউনিয়া আমানতগঞ্জ সাংগঠনিক থানার বিভিন্ন মসজিদে দোয়া অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। থানা কার্যালয়ে আয়োজিত দোয়া অনুষ্ঠানে যাওয়ার পথে ডিবি পুলিশ থানা আমীর অধ্যাপক সুলতানুল আরেফীনকে গ্রেফতার করে। এছাড়াও নগরীর সকল ওয়ার্ডে মসজিদে মসজিদে দোয়ার আয়োজন করা হয়। এতে মহানগরী জামায়াতের নেতৃবৃন্দসহ সকল স্তরের নেতাকর্মী অংশগ্রহণ করে। গ্রেফতার ও পুলিশী অভিযানের নিন্দা এদিকে কাউনিয়া আমানতগঞ্জ থানার আমীর অধ্যাপক সুলতানুল আরেফীনকে ডিবি পুলিশ কর্তৃক গ্রেফতার এবং মহানগরী জামায়াতের নেতাকর্মীদের বাসায় র্যা ব ও পুলিশের অন্যায় অভিযানের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ করেছেন মহানগরী জামায়াতের আমীর এডভোকেট মুয়ায্যম হোসাইন হেলাল, নায়েবে আমীর মুক্তিযোদ্ধা বজলুর রহমান বাচ্চু, সেক্রেটারি অধ্যক্ষ আমিনুল ইসলাম খসরু, সহকারী সেক্রেটারি মাওলানা মতিউর রহমান ও অধ্যক্ষ জহিরউদ্দিন মু. বাবর। নেতৃবৃন্দ সরকারকে এ ধরনের বাকশালী, ফ্যাসিবাদী আচরণ বন্ধের আহবান জানান এবং গ্রেফতারকৃত সকল নেতাকর্মীকে নিঃশর্ত মুক্তি দাবি করেন। সিলেট ব্যুরো : বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমীর মাওলানা মতিউর রহমান নিজামী, নায়েবে আমীর মাওলানা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদী, সেক্রেটারি জেনারেল আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদের মুক্তি, জুলুম-নির্যাতন বন্ধ ও সুস্থতা কামনা করে নগরীর বিভিন্ন মসজিদে দোয়া অনুষ্ঠিত হয়। দোয়া মাহফিলে অংশগ্রহণ করেন কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও সিলেট মহানগরী আমীর এডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের, মহানগরীর নায়েবে আমীর ডা: সায়েফ আহমদ, সেক্রেটারি সিরাজুল ইসলাম শাহীন, সহকারী সেক্রেটারি মো: ফখরুল ইসলাম, মাওলানা সোহেল আহমদ, জামায়াত নেতা হাফিজ আব্দুল হাই হারুন, আব্দুল মুকিত, জাহেদুর রহমান চৌধুরী, আব্দুল্লাহ আল মুনিম প্রমুখ। নগরীর হাজী কুদরত উল্লাহ, তেলীহাওর, শেখঘাট, মুন্সিপাড়া, সরকারি আলিয়া মাদরাসা, পশ্চিম পীর মহল্লাহ শাহপরান জামেয়া, পানিটুলা, শাহরুমী, আখলকুয়া, বালুচর, নয়াবাজার, শিবগঞ্জ, হাতীম আলী মোকাম মসজিদ, লামাপাড়া মসজিদ, পশ্চিম তেররতন, টুলটিকর, সবুজবাগ, বৈশাখী, রায়নগর, দপ্তরীপাড়া, সোনারপাড়া, খানবাড়ী, পাঠানপাড়া, গোটাটিকর, আরমপুর, কদমতলী, মোমিনখলা, কাত্মরাইল, বারোখলা, আল-আমিন, নিকাবন, পিরের চক, দাসপাড়া, পুরবী, নালাগাঁও, শাহপরান নোভা, মীরবক্সটুলা, তাতীপাড়া, আল হামরা, উপশহরের জামে মসজিদসমূহসহ প্রায় শতাধিক মসজিদে বিশেষ দোয়া অনুষ্ঠিত হয়। দোয়া পূর্ব সভায় সমাবেত মুসল্লিদের উদ্দেশে জামায়াত মহানগরীর আমীর এডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের বলেন, সরকার সম্পূর্ণ অন্যায়ভাবে হয়রানির উদ্দেশে জামায়াতের শীর্ষ নেতাদের মিথ্যা মামলায় জড়িয়ে গ্রেফতার করেছে। এ সকল মামলার সাথে জামায়াত নেতাদের ন্যূনতম কোন সম্পর্ক নেই। জুলুমের সীমা সরকার অতিক্রম করে চলছে। তাদের জানা থাকা উচিত- মজলুমের ফরিয়াদ আল্লাহর আরশকে ভারী করে তুলছে। দেশের কোটি কোটি মানুষ চোখের পানি ফেলে নীরব প্রতিবাদ করছে। ইতিপূর্বে বহু জালিমশাহীর পতন হয়েছে। যত শক্তিধর হোন না কেন মহান আল্লাহর কুদরতের নিকট তা খুবই তুচ্ছ। তাই আল্লাহী গজব থেকে বাঁচতে হলে নিরপরাধ নেতৃবৃন্দকে মুক্তি দিন। জুলুম-নির্যাতন বন্ধ করুন। জনগণের জানমালের ও ইজ্জতের নিরাপত্তা নিশ্চিত করুন। তিনি দলীয় নেতা-কর্মীসহ দেশবাসীকে ধৈর্যসহকারে পরিস্থিতি মোকাবিলা ও বেশী বেশী দোয়ার মাধ্যমে আল্লাহর সাহায্য কামনা করতে আহবান জানান। কোন সপর্ক নেই বিগত ০১ জুলাই বৃহস্পতিবার সিলেট নগরীতে মসজিদ থেকে নামাজ পড়ে বের হবার পর মুসল্লিদের ওপর হঠাৎ পুলিশের বেধড়ক লাঠি পেটায় বিক্ষুব্ধ জনতা কয়েকটি গাড়ী ভাংচুর করে। এর মধ্যে সিটি কর্পোরেশন, বিদ্যুত বিভাগ ও সাধারণ জনগণের গাড়ী রয়েছে। কোন প্রতিষ্ঠান, বিভাগ বা জনগণের ক্ষতি করে আন্দোলন হোক জামায়াতে ইসলামী তা বিশ্বাস করেনা। কতিপয় জাতীয় ও স্থানীয় দৈনিকে অর্থমন্ত্রীর বাড়ীতে হামলার যে কল্পনাপ্রসূত সংবাদ প্রকাশ করেছে, তা সম্পূর্ণ মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও বানোয়াট। এ ধরনের ধ্বংসাত্মক কর্মকান্ডের সাথে জামায়াতের কোন সর্ম্পক নেই। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে যা হয়েছে তার জন্য আমরা মর্মাহত ও ব্যথিত। আন্দোলন সংগ্রামে নেতৃবৃন্দ সকল মহলের গঠনমূলক সহযোগিতা কামনা করেন। বিবৃতিদাতা নেতৃবৃন্দ হলেন- মহানগরীর জামায়াতের আমীর এহসানুল মাহবুব জুবায়ের, নায়েবে আমীর ডা: সায়েফ আহমদ, সেক্রেটারি সিরাজুল ইসলাম শাহীন, দক্ষিণ জেলা আমীর মাওলানা হাবিবুর রহমান, নায়েবে আমীর অধ্যাপক আব্দুল হান্নান, সেক্রেটারি মুক্তিযোদ্ধা মতিউর রহমান, উত্তর জেলা আমীর হাফিজ আনওয়ার হোসাইন খান, সেক্রেটারি মাওলানা সৈয়দ ফয়জুল্লাহ বাহার প্রমুখ। ফরিদপুর সংবাদদাতা : গতকাল ফরিদপুরে বিভিন্ন স্থানে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। ফরিদপুর শহরের একটি মসজিদে আসর নামাজের পর দোয়া অনুষ্ঠানপূর্বক এক আলোচনায় ফরিদপুর জেলা জামায়াতের আমীর মো. দেলোয়ার হুসাইন, পৌর আমীর অধ্যক্ষ মো. বদরুদ্দিন বক্তব্য রাখেন। পরে দোয়া অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন ফরিদপুর জেলা জামায়াতের আমীর মো. দেলোয়ার হুসাইন। এ দোয়া অনুষ্ঠানে ফরিদপুর জেলা জামায়াতের নায়েবে আমীরসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। ফরিদপুর পৌর সভার ৯টি ওয়ার্ডে পৃথক পৃথক দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। এ দোয়া অনুষ্ঠানগুলোতে জামায়াত নেতা গোলাম রসুল, শামীম আতাহার, মো. জামালউদ্দিন, আবুল বাশার খান, ডা. মেহেদী হাসান, মাওলানা এমদাদুল হক দোয়া অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন। এছাড়া মহিলা জামায়াতের উদ্যোগে পৃথক ৯টি দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। জামায়াত নেত্রী মমতাজ বেগম, মনোয়ারা বেগম, সুলতানা বেগম, ফাতিমা মনির, জাবিনা তোফা দোয়া অনুষ্ঠানগুলো পরিচালনা করেন। জানা যায়, জামায়াতের শীর্ষ নেতৃবৃন্দের মুক্তির দাবিতে গতকাল বিকেলে ফরিদপুরে জামায়াতের মিছিলে পুলিশ বেধড়ক লাঠিপেটা করে। এতে জামায়াতের ফরিদপুর জেলা নায়েবে আমীর মো. খালেছ, পৌর সেক্রেটারি সৈয়দ ইস্রাইল হক, মুসল্লি, পথচারী সহ কমপক্ষে ১৫ জন আহত হয়। আছর নামাজ পড়ে মুসল্লিরা মসজিদ থেকে বের হয়ে আসলে ওই সময় জামায়াতের বের হওয়া মাত্র পুলিশ লাঠি হকিস্টিক নিয়ে তাদের উপর ঝাঁপিয়ে পড়ে। গতকাল বুধবার হাটবার হওয়ায় হাটের লোকজন দিগ্বিদিক ছোটাছুটি শুরু করে। পুলিশ আশেপাশে দোকানগুলোতে ঢুকে বেধড়ক লাঠিপেটা করে। এসময় দোকানপাট বন্ধ হয়ে যায়। শহরে থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে। পুলিশ সকাল থেকেই শহরের ব্যস্ততম চকবাজারে অবস্থিত জামায়াত অফিস ঘেরাও করে রাখে। শহরে গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় পুলিশ মারমুখী অবস্থা নিয়ে থাকে। এ অবস্থায় শহরে এক ভীতিকর অবস্থার সৃষ্টি হয়। এর আগে দুপুরে জামায়াতের উদ্যোগে কোর্ট চত্বর থেকে জামায়াতের পৌর আমীর সৈয়দ ইস্রাইল হকের নেতৃত্বে ও পশ্চিম খাবারপুর ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ চত্বর থেকে ফরিদপুর-বরিশাল মহাসড়কে জামায়াতের ফরিদপুর সদর উপজেলা আমীর মো. জসীম উদ্দীনের নেতৃত্বে পৃথক দুটি বিক্ষোভ মিছিল বের হয়। নরসিংদী সংবাদদাতা : নরসিংদী জেলা জামায়াতের আমীর মাওলানা আ ফ ম আবদুস ছাত্তার বলেন, সরকার যদি মনে করে জামায়াত শীর্ষ নেতাদের বিভিন্ন মিথ্যা মামলায় জড়িয়ে ইসলামী আন্দোলনকে বাঁধাগ্রস্ত করবে তাহলে তা হবে চরম বোকামী। তিনি গতকাল শুক্রবার সদর উপজেলা জামায়াত আয়োজিত কেন্দ্রীয় নেতাদের মুক্তির দাবিতে আল্লাহর রহমত কামনায় অনুষ্ঠিত দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন। সদর আমীর অধ্যক্ষ শামছুল ইসলাম তালুকদারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত দোয়া মাহফিলে বিশেষ অতিথি ছিলেন নায়েবে আমীর অধ্যাপক মোছলেহউদ্দিন, অধ্যাপক শেখ আব্দুল মালেক, আব্দুল কাদির মাস্টার, মুক্তিযোদ্ধা জহিরুল হক মানিক ও মাওলানা আব্দুর রশিদ হাসেমী প্র্মুখ। অপরদিকে জামায়াত শীর্ষ নেতাদের গ্রেফতার করে রিমান্ডের নামে নির্যাতন বন্ধ, তাদের মুক্তি, সুস্থতা কামনা করে জুমার নামাযের পর সদর উপজেলা, পলাশ, শিবপুর, রায়পুরা মসজিদে মসজিদে দোয়া করা হয়েছে। অনেকে রোজা রেখেছে। সাঁথিয়া ( পাবনা) সংবাদদাতা : জামায়াতে ইসলামীর শীর্ষ নেতৃবৃন্দসহ সকল নেতা কর্মীদের মিথ্যা মামলা থেকে মুক্তির জন্য সাঁথিয়া উপজেলার বিভিন্ন মসজিদে মসজিদে বিশেষ মোনাজাত করা হয়। এসব মসজিদের মধ্যে উল্ল্যেখযোগ্য হলো- সাঁথিয়া উপজেলা জামে মসজিদ, সাঁথিয়া পুরান বাজার জামে মসজিদ, বোয়াইলমারী কামিল মাদ্রারাসা মসজিদ, সাঁথিয়া বাজার কাশেমিয়া জামে মসজিদ, সাঁথিয়া ফকির পাড়া জামে মসজিদ, সাঁথিয়া হাফেজিয়া জামে মসজিদ, সাঁথিয়া কারিগর পাড়া জামে মসজিদ, বোয়াইলমারী জামে মসজিদ, বায়তুল মাসুর জামে মসজিদ কোনাবাড়ীয়া , ঈমাম হোসাইন স্টাস্ট জামে মসজিদ, দৌলতপুরসহ কাশিনাথপুর, মনমথপুর, ধূলাউড়ী, আতাইকুলা, ভুলবাড়ীয়া, তেবাড়ীয়া, গৌরীগ্রাম, নন্দনপুর, জোড়গাছা, বনগ্রাম, ক্ষেতুপাড়াসহ উপজেলার বিভিন্ন বাজার কেন্দ্রিক জামে মসজিদ ও গ্রামের মসজিদ সমূহে দোয়া ও বিশেষ মোনাজাত করা হয়। ভাঙ্গুড়া (পাবনা) প্রতিনিধি জামায়াতের শীর্ষ নেতাদের মুক্তির দাবিতে গতকাল শুক্রবার বাদ জুমা পাবনার ভাঙ্গুড়া উপজেলার মসজিদে মসজিদে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। উপজেলা আমীর মাওলানা আলী আছগর আলীর নেতৃত্বে ভাঙ্গুড়া কলেজ মসজিদে অনুষ্ঠিত দোয়া মাহফিলে উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মাওলানা আব্দুর রহিম, পৌর সভাপতি মাওলানা মমতাজ উদ্দিন আনছারী, পৌর সেক্রেটারি আজাহার আলীসহ প্রমুখ নেতৃবৃন্দ অংশগ্রহণ করেন। কুমিল্লা : জামায়াতে ইসলামী কুমিল্লা উত্তর জেলায় ব্যাপকভাবে দোয়া দিবস পালন করা হয়। গ্রাম-পাড়ার মসজিদসহ বিভিন্ন সামাজিক প্রতিষ্ঠানে দোয়া অনুষ্ঠান পালন করা হয়। অনেক নেতাকর্মী রোজা রেখে দোয়ায় শরিক হন। নরসিংদী : জামায়াতে ইসলামীর গ্রেফতারকৃত জামায়াত-শিবিরের নেতাকর্মীদের মুক্তির জন্য জামায়াতে ইসলামী নরসিংদী জেলার সদর উপজেলার পক্ষ থেকে সকাল ৯টায় স্থানীয় অফিস মিলনায়তনে ‘দোয়া-মাহফিল' অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। সদর উপজেলা আমীরের সভাপতিত্বে আয়োজিত উক্ত মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন এবং দোয়া পরিচালনা করেন জেলা আমীর মাওলানা আ ফ ম আব্দুস সাত্তার। বক্তব্য রাখেন মাওলানা মোছলেহুদ্দীন, মকবুল হোসেন, জহিরুল ইসলাম মানিক, ইয়াহিয়া ইদ্রিস, সফিকুল ইসলাম ভূইয়া, মনিরুল ইসলাম বকুল, শিবির নেতা মোঃ মাহফুজুর রহমান ভূঁঞা প্রমুখ। বেলকুচি (সিরাজগঞ্জ) সংবাদদাতা : বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর শীর্ষ নেতৃবৃন্দসহ দেশব্যাপী জামায়াত-শিবিরের নেতাকর্মীদের গ্রেফতারের নিন্দা জানিয়ে ও অবিলম্বে গ্রেফতারকৃতদের মুক্তির দাবি করে গতকাল জামায়াতে ইসলামী বেলকুচি পৌরসভার উদ্যোগে এক প্রতিবাদ সমাবেশ ও দোয়া অনুষ্ঠান স্থানীয় শ্যাম-কিশোর স্কুল মাঠে অনুষ্ঠিত হয়। বেলকুচি পৌরসভার ভারপ্রাপ্ত আমীর মোঃ আবুল হোসেন ভূঁইয়ার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত দোয়া মাহফিল ও প্রতিবাদ সমাবেশে বক্তব্য রাখেন, বেলকুচি উপজেলা আমীর অধ্যাপক নূর-উন-নবী সরকার। উপজেলা নায়েবে আমীর আব্দুল মান্নান, উপজেলা সেক্রেটারি আরিফুল ইসলাম সোহেল, জামায়াত নেতা মাওলানা আব্দুর রাজ্জাক, মাওলানা সানোয়ার হোসাইন ও শিবির সভাপতি আবু ওয়ারেছ প্রমুখ। বেগমগঞ্জ (নোয়াখালী) সংবাদদাতা : গতকাল জুমার নামাযের পর চৌমুহনী বড় মসজিদে জামায়াতের কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দসহ সারা দেশের শতশত নেতাকর্মীর মুক্তির লক্ষ্যে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। দোয়া মাহফিলে উপস্থিত ছিলেন নোয়াখালী জেলা সেক্রেটারি মাওলানা আলাউদ্দিন, বেগমগঞ্জ উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মাওলানা বোরহান উদ্দিন, জামায়াত নেতা নাসিমুল গণি চৌধুরী মহলসহ বিভিন্ন পর্যায়ের ব্যবসায়ী, সুধী ও মুসল্লিগন। বেড়া সংবাদদাতা : জামায়াতের শীর্ষ নেতাদের মুক্তি ও সুস্বাস্থ্য কামনায় বেড়া উপজেলার বিভিন্ন মসজিদ ও স্থানে বিশেষ দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। এ উপলক্ষে বেড়া পৌরসভা, চাকলা, নতুন ভারেঙ্গা, জাতসাকিনী, হাটুরিয়া-নাকালিয়া, কৈটলা ইউনিয়নের বিভিন্ন মসজিদ ও স্থানে বিশেষ দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। এতে কর্মীরা ও এলাকাবাসী স্বতঃর্স্ফূতভাবে অংশ নেয়। কুষ্টিয়া সংবাদদাতা জানান, বাদ জুমা কুষ্টিয়া হাজী শরীয়তুল্লাহ এতিমখানা জামে মসজিদে জামায়াতের ভারপ্রাপ্ত জেলা আমীর অধ্যাপক খোন্দকার আলী মহসীনের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন জামায়াতের জেলা সেক্রেটারি শাহজাহান আলী মোল্লা, সহ-সেক্রেটারি অধ্যাপক আবুল হাশেম, সদর থানা আমীর মোহাম্মদ আলী, শহর আমীর হাফেজ রফিক উদ্দিন আহমদ প্রমুখ। সিদ্ধিরগঞ্জ (নারায়ণগঞ্জ) সংবাদদাতা জানান, সিদ্ধিরগঞ্জের অধিকাংশ মসজিদে বাদ জুমা দোয়া অনুষ্ঠান করা হয়। সিদ্ধিরগঞ্জ বিদ্যুৎ কেন্দ্রে এক বিশেষ দোয়া মাহফিলে দোয়া পরিচালনা করেন জামায়াতে ইসলামীর নারায়ণগঞ্জ জেলা আমীর মাওলানা মঈন উদ্দীন আহমাদ। সকালে সিদ্ধিরগঞ্জ থানা জামায়াতের উদ্যোগে এক দোয়ার মাহফিলে বক্তব্য রাখেন থানা আমীর জাকির হোসাইন এবং দোয়া করেন ওলামা পরিষদের সভাপতি মাওলানা হাবিবুল্লাহ বাহার। এছাড়াও সকাল থেকে রাত পর্যন্ত বিভিন্ন ওয়ার্ডের উদ্যোগে পুরুষ ও মহিলা সংগঠনের পক্ষ থেকে ২০টি দোয়ার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। ময়মনসিংহ সংবাদদাতা জানান, গতকাল জেলা শহরসহ বিভিন্ন উপজেলা শাখার নেতৃবৃন্দের উদ্যোগে মসজিদে মসজিদে মাওলানা মতিউর রহমান নিজামী ও আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদসহ গ্রেফতারকৃত জামায়াত ও শিবিরের নেতাকর্মীদের মুক্তির জন্য দোয়া অনুষ্ঠিত হয়। ভালুকা উপজেলা জামায়াতের উদ্যোগে ভালুকা পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় মসজিদে দোয়া অনুষ্ঠানে উপজেলা আমীর অধ্যাপক ইউছুফ আলী, উপজেলা সেক্রেটারি আব্দুর রহমান, পৌর আমীর সাইফুল্লাহ পাঠান ফজলু। এছাড়াও ময়মনসিংহ শহর শাখার প্রতিটি ওয়ার্ডের ইউনিট সমূহে নেতৃবৃন্দর মুক্তি কামনায় দোয়া অনুষ্ঠিত হয়। ফুলপুর (ময়মনসিংহ) সংবাদদাতা জানান, ফুলপুরে জামায়াতে ইসলামীর উদ্যোগে দোয়া দিবস পালিত হয়েছে। এ উপলক্ষে দলীয় কার্যালয়সহ বিভিন্ন মসজিদে জামায়াতের শীর্ষ তিন নেতাসহ সকল নেতাকর্মীকে মুক্তির দাবিতে দোয়া অনুষ্ঠিত হয়। যশোর সংবাদদাতা জানান, জেলা আমীর মাওলানা আজীজুর রহমান ও যশোর জেলা সেক্রেটারি মাস্টার নূরুন যশোর শহরের শংকরপুর মসজিদে দোয়ার অনুষ্ঠানে ছিলেন জেলা নায়েবে আমীর অধ্যাপক আব্দুর রশিদ শেখহাটি মসজিদ থেকে দোয়া পরিচালনা করেন। সহকারী সেক্রেটারি বেলাল হুসাইন ছিলেন নীলগঞ্জ শাহপাড়া জামে মসজিদে। শার্শা আমীর ছিলেন নাভরন ট্রাস্ট মসজিদে, ঝিকরগাছা আমীর মাওলানা আরশাদুল আলম ছিলেন লাউজানী কমপ্লেক্স মসজিদে, সদর আমীর মাওলানা আব্দুল মালেক, পরিচালনায় ছিলেন রূপদিয়া জামে মসজিদে, বাঘারপাড়া আমীর নাসির উদ্দীন মহিয়া জামে মসজিদে, মনিরামপুর আমীর অধ্যাপক ফজলুল হক ছিলেন বেগারেতলা জামে মসজিদে, অভয়নগর আমীর মাওলানা আব্দুল আজিজ ছিলেন চেঙ্গুটিয়া জামে মসজিদ এবং কেশরপুরের আমীর মাস্টার আব্দুস সামাদ সাতবাড়িয়া মসজিদে থেকে দোয়া পরিচালনা করেন। চুয়াডাঙ্গা সদর সংবাদদাতা জানান, পৌর জামায়াতের উদ্যোগে বিভিন্ন স্থানে দোয়া দিবস পালিত হয়। পৌর আমীরের নেতৃত্বে জামায়াত কার্যালয়ে অফিস সম্পাদক আনোয়ার হোসেনের নেতৃত্বে রাশেদ আল আসলি, বায়তুল সম্পাদক কামাল উদ্দীনের নেতৃত্বে ফুলচারা জামে মসজিদ, মোমিনপুর ইউনিয়ন সভাপতি আশরাফুল আলম মাস্টারের নেতৃত্বে শরিষাভাঙ্গা জামে মসজিদে, জামায়াত নেতা শাহেন উজ্জামানের নেতৃত্বে বোয়ালমারী মসজিদে দোয়ার মাহফিলে অনুষ্ঠিত হয়। কুমিল্লা (দক্ষিণ) সংবাদদাতা জানান, কেন্দ্র ঘোষিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে লাকসামের সাতচল্লিশটি মসজিদে দোয়া ও বিশেষ মোনাজাত করা হয়েছে। গতকাল জুমার নামাজের পর এ সকল দোয়া অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন শহর জামায়াতের আমীর মাওলানা নুর মোহাম্মদ তাহেরী, সেক্রেটারি মাওলানা আনোয়ার হোসেন শামীম, অধ্যক্ষ মাওলানা আলী আশ্রাফসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ। কোর্টচাঁদপুর (ঝিনাইদহ) সংবাদদাতা জানান, গতকাল বিকেলে স্থানীয় পোস্ট অফিসসহ মোড় হতে এক বিক্ষোভ মিছিল বের হয়ে শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে ব্রীজঘাট চার রাস্তা মোড়ে গিয়ে মিছিল শেষে শিবির সভাপতি মো. আশরাফুল ইসলাম সংক্ষিপ্ত বক্তব্য দেন। এদিকে জুমার নামাজ আদায়ের পূর্বে পৌরসভার সকল মসজিদে ১০ জন করে পুলিশ মোতায়েন ছিল বলে বিভিন্ন মসজিদের নামাজীরা ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন বলে ইমামগণ জানান। দামুড়হুদা (চুয়াডাঙ্গা) সংবাদদাতা জানান, জুমায়ার নামাজে দোয়া অনুষ্ঠান দর্শনা কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত দোয়া পরিচালনা করেন জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মাওলানা আজিজুর রহমান। দোয়া অনুষ্ঠানে বিপুল সংখ্যক মুসল্লি অংশগ্রহণ করে। পলাশ (নরসিংদী) সংবাদদাতা জানান, উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের মসজিদসমূহে আল্লাহর কাছে কায়মনো বাক্যে দোয়া করা হয়েছে। জুলুমবাজ সরকারের নির্যাতন-নিপীড়ন থেকে সকলকে পরিত্রাণ দান, সবার এখতিয়ারের মনোবল ও সাহস প্রদানের জন্যও দোয়া করা হয়। সোনাগাজী (ফেনী) সংবাদদাতা : কেন্দ্র ঘোষিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে উপজেলা জামায়াতের উদ্যোগে ইউনিয়ন পর্যায়ে মসজিদে মসজিদে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। এ উপলক্ষে উপজেলা সদরে স্থানীয় আল হেলাল একাডেমী মসজিদে দোয়ার মাহফিলে আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন জেলা জামায়াতের কর্মপরিষদ সদস্য ইঞ্জিনিয়ার ফখর উদ্দিন চেয়ারম্যান, উপজেলা আমীর মাওলানা কালিম উল্লাহ, সেক্রেটারি মাওলানা মোহাম্মদ মোস্তফা, পৌর আমীর মাওলানা মোহাম্মদ হোসাইন প্রমুখ। চাটখিল (নোয়াখালী) সংবাদদাতা জানান, উপজেলার সর্বত্র বাদ জুমা মসজিদে আলোচনা ও বিশেষ দোয়ার আয়োজন করা হয়েছে। এছাড়া বৃহস্পতিবার কড়িহাটি বাজার, থিলপাড়া বাজার, সোমপাড়া বাজারসহ উপজেলার ইউনিয়ন ও ওয়ার্ডের অনেক স্থানে নেতৃবৃন্দের মুক্তির দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল করা হয়েছে। ত্রিশাল (মোমেনশাহী) সংবাদদাতা : জানান গতকাল বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ত্রিশাল উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন শাখার উদ্যোগে মসজিদগুলোতে দোয়া অনুষ্ঠিত হয়। ত্রিশাল পৌরসভার ইসলামীক সেন্টার মসজিদ, ত্রিশাল ইউনিয়নের ছলিমপুর জামে মসজিদ, ধানীখোলা ইউনিয়নের খানবাড়ি জামে মসজিদ, আমিরা বাড়ি ইউনিয়নের বগার বাজার জামে মসজিদ, হরিরামপুর ইউনিয়নের মড়লের বাজার জামে মসজিদ, বইলর ইউনিয়নের বইলর জামে মসজিদ, বালিপাড়া ইউনিয়নের স্টেশন জামে মসজিদ, মুক্ষপুর ইউনিয়নের সানকিভাঙ্গা জামে মসজিদ, মঠবাড়ী ইউনিয়নের পেড়াবাড়ি জামে মসজিদে অনুষ্ঠিত দোয়া মাহফিলে ইউনিয়নের জামায়াত সভাপতিসহ উপজেলা নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। তাছাড়া গ্রেফতারকৃত জামায়াতের ত্রিশাল উপজেলা আমীর মাওলানা আনম আব্দুল্লাহিল বাকীর মুক্তির দাবিতে এক প্রতিবাদ সমাবেশ স্থানীয় দলীয় কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়। এতে অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন জামায়াতে ইসলামীর উপজেলা সেক্রেটারি নজরুল ইসলাম, প্রচার সম্পাদক খালেদ মোশাররফ কানন, শিবিরের সাবেক জেলা সভাপতি মোস্তাফিজুর রহমান শামীম, উপজেলা ছাত্রশিবির সভাপতি রাশেদুল হাসান খান রাসেল প্রমুখ। পলাশবাড়ী (গাইবান্ধা) সংবাদদাতা জানান, উপজেলা জামায়াতের আমীর অধ্যক্ষ মাওলানা রুহুল আমিন সরকারের সভাপতিত্বে দোয়া দিবসে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন গাইবান্ধা জেলা জামায়াতের সাংগঠনিক সেক্রেটারি অধ্যক্ষ মাওলানা নজরুল ইসলাম লেবু। সমাবেশে অন্যান্যদের মাঝে বক্তব্য রাখেন উপজেলা জামায়াতের নায়েবে আমীর উপাধক্ষ মাওলানা সাইদুর রহমান, সেক্রেটারি মাওলানা আঃ মজিদ আকন্দ প্রমুখ। নোয়াখালী সংবাদদাতা জানান, শীর্ষ জামায়াত নেতাদের মুক্তির দাবি ও সুস্বাস্থ্য কামনায় বিভিন্ন উপজেলা, থানা, ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড পর্যায়ে জামায়াত দোয়া অনুষ্ঠান করে। জেলা জামায়াত কার্যালয়ে নোয়াখালী শহর জামায়াতের উদ্যোগে আয়োজিত দোয়া অনুষ্ঠানে দোয়া পরিচালনা করেন অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি বাংলাদেশ জামায়াত ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য উপাধ্যক্ষ আবদুর রব। এতে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন জেলা জামায়াত আমীর মাওলানা আবদুল মুনয়েম, নায়েবে আমীর ইসহাক খন্দকার শহর আমীর হাফেজ আবদুল্লাহ, জহিরুল আলম প্রমুখ। সুবর্ণচর (নোয়াখালী) সংবাদদাতা জানান, উপজেলার প্রায় প্রতিটি মসজিদে বাদ জুমা জামায়াতের শীর্ষ নেতাদের সুস্বাস্থ্য এবং ষড়যন্ত্রমূলক মামলা থেকে মুক্তির জন্য মহান আল্লাহর দরবারে দোয়া করা হয়। বিরামপুর (দিনাজপুর) সংবাদদাতা জানান উপজেলা জামায়াত কার্যালয়ে পৌরসভা শাখার উদ্যোগে বিকেলে এক আলোচনা সভা ও দো'আ মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। পৌর আমীর সাজেদুর রহমান মোহনের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথির আলোচনা রাখেন উপজেলা আমীর মুহাদ্দিস অধ্যাপক এনামুল হক। অন্যান্যের মধ্যে আলোচনা রাখেন উপজেলা সাংগঠনিক সেক্রেটারি উপাধ্যক্ষ মাওলানা তা'জুল ইসলাম, তারবিয়্যাত সেক্রেটারি মাওলানা আশরাফুল ইসলাম, উপজেলা রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক সেক্রেটারি অধ্যাপক আবুল হোসেন, পৌর সেক্রেটারি বোরহানুল ইসলাম, সাংগঠনিক সেক্রেটারি তোতা মিয়া দেওয়ান, ওয়ার্ড সভাপতি অধ্যাপক এএসএম ফারুক, শিবিরের থানা সভাপিত আব্দুল হালিম ও পৌর সভাপতি শাহিনুর রহমান প্রমুখ। দিওড় ইউনিয়নের উদ্যোগে দিওড় বটতলী জামে মসজিদে এক আলোচনাসভা ও দো'আ মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। ইউনিয়ন সভাপতি সহঃসুপার মাওলানা আনোয়ার হোসাইনের সভাপতিত্বে প্রধা্ন অতিথির আলোচনা রাখেন উপজেলা বায়তুলমাল সেক্রেটারি হাফিজুল ইসলাম, ইউনিয়ন সেক্রেটারি মাওলানা নজরুল ইসলাম প্রমুখ। মুকুন্দপুর ইউনিয়ন শাখার উদ্যোগে ভেলারপাড়া বড় মসজিদে এক সমাবেশ ও দো'আ মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। ইউনিয়ন সভাপতি আবুল বাসারের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথির আলোচনা রাখেন উপজেলা আমীর মুহাদ্দিস অধ্যাপক এনামুল হক। অন্যান্যের মধ্যে ছিলেন বায়তুলমাল সেক্রেটারি বাবুল হোসেন, মাহমুদুর রহমান, রইচ উদ্দীন প্রমুখ। জোতবানী ইউনিয়ন শাখার উদ্যোগে কেটরাহাট জামে মসজিদে এক সমাবেশ ও দো'আ মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। ইউনিয়ন সভাপতি মাওলানা আবুল কালাম আজাদের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথির আলোচনা রাখেন মুকুন্দপুর ইউনিয়ন সভাপতি আবুল বাসার। অন্যান্যের মধ্যে আলোচনা রাখেন, ইউনিয়ন সেক্রেটারি মোত্তালেব হোসেন, নাজির হোসেন, কোবাদ হোসেন প্রমুখ। পলিপ্রয়াগপুর, খানপুর, কাটলা ইউনিয়নের উদ্যোগে আলোচনা সভা ও দো'আ মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। এছাড়াও উপজেলার অনেক মসজিদে জুমআর নামাযের পর স্বতঃস্ফূর্তভাবে সাধারণ জনতা শীর্ষস্থানীয় জাতীয় নেতৃবৃন্দের মুক্তির জন্য আল্লাহর দরবারে দো'আ করেন। রায়গঞ্জ (সিরাজগঞ্জ) সংবাদদাতা : দোয়া দিবসে রায়গঞ্জ উপজেলা জামায়াতের উদ্যোগে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল বাদ জুমা উপজেলার ডাকবাংলা মসজিদে সংগঠনের থানা আমীর আলী মর্তুজার সভাপতিত্বে এ অনুষ্ঠান শুরু হয়। সেখানে জামায়াতে ইসলামীর শীর্ষ নেতৃবৃন্দের গ্রেফতার ও রিমান্ডে নেয়ার ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করে তাদের সুস্বাস্থ্য ও আশুমুক্তি কামনা করে দোয়া করেন বিশিষ্ট আলেমে দ্বীন মাওলানা খোদাবক্স সরকার। উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন, ওয়ার্ড ও গ্রামের মসজিদে মসজিদেও অনুরূপ কর্মসূচি পালিত হয়। দাগনভূঞা সংবাদদাতা : গতকাল বাদ জুমা দাগনভূঞায় কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে পৌর জামায়াতের উদ্যোগে মিলাদ ও দোয়া অনুষ্ঠিত হয়। এতে মিলাদ পরিচালনা করেন শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সভাপতি জিয়া উদ্দিন, মোনাজাত পরিচালনা করেন পৌর জামায়াতের আমীর গাজী মাওলানা ছালেহ উদ্দীন, ওই সময় উপজেলা পৌর জামায়াত নেতা ও কর্মী ও শতাধিক মুসল্লী উপস্থিত ছিলেন। গ্রেফতারকৃত জামায়াত ও শিবির নেতাকর্মীদের মুক্তির জন্য দোয়া করা হয়। উপজেলার অনেক নেতা ও কর্মী মা-বোনেরা রোযা পালন করেন। নরসিংদী : জামায়াতে ইসলামী নরসিংদী সদর দক্ষিণ শাখার উদ্যোগে এক দোয়া অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। থানা আমীর আঃ জাববারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত দোয়া অনুষ্ঠানে জামায়াতের স্থানীয় নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে দোয়া পরিচালনা করেন মাওলানা জিয়াউর রহমান। উক্ত অনুষ্ঠানে জামায়াতে ইসলামীর শীর্ষ তিন নেতার মুক্তি কামনা করে মহান আল্লাহর দরবারে মোনাজাত করা হয়। মাগুরা : জামায়াতে ইসলামী মাগুরা জেলা শাখার উদ্যোগে জেলার বিভিন্ন স্থানে দোয়া অনুষ্ঠিত হয়। মাগুরা শহরস্থ আল-আমিন কমপ্লেক্স জামে মসজিদে দোয়া পরিচালনা করেন মাওলানা খন্দকার আইয়ুব আলী। মাগুরা শহরস্থ বাটিকাডাঙ্গা জামে মসজিদে দোয়া পরিচালনা করেন জেলা সেক্রেটারি মাওলানা লিয়াকত আলী খান। মাগুরা সদর উপজেলার মঘী বাজার জামে মসজিদে দোয়া পরিচালনা করেন জেলা আমীর আব্দুল মতিন। মাগুরা সদর উপজেলার জগদল বাজার জামে মসজিদে দোয়া পরচিালনা করেন আবুল কালাম। শালিখা উপজেলার শাফলাট জামে মসজিদে দোয়া পরিচালনা করেন শালিখা থানা আমীর মাওলানা মশিউর রহমান। এ ছাড়া শালিখার বিভিন্ন মসজিদে শীর্ষ তিন নেতার মুক্তির জন্যে দোয়া অনুষ্ঠিত হয়। মহম্মদপুর উপজেলার শ্যামনগর জামে মসজিদে দোয়া পরিচালনা করেন মহম্মদপুর থানা আমীর গোলাম আকবর। এ ছাড়া উপজেলার বিভিন্ন মসজিদে শীর্ষ তিন নেতার মুক্তির জন্যে দোয়া অনুষ্ঠিত হয়। শ্রীপুর উপজেলার খামারপাড়া জামে মসজিদে দোয়া পরিচালনা করেন থানা আমীর সাইফুল্লাহ। এ ছাড়া উপজেলার বিভিন্ন মসজিদে শীর্ষ তিন নেতার মুক্তির জন্যে দোয়া করেন। বাড়িতে বাড়িতে অসংখ্য মহিলা পুরুষ রোযা রেখেছেন এবং সন্ধ্যায় ইফতারীর সময় দোয়াতে কান্নায় ভেঙ্গে পড়েন। তারা মহান আল্লাহর কাছে এই তিন নেতার আশু মুক্তির জন্যে দোয়া করেন। সোনারগাঁ (নারায়নগঞ্জ) : সোনারগাঁ উপজেলা সেক্রেটারি প্রিন্সিপাল মাওলানা মোঃ ইকবাল হোসাইন ভূইয়ার সভাপতিত্বে স্থানীয় কার্যালয়ে এক প্রতিবাদ সমাবেশ ও দোয়ার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। প্রতিবাদ সভায় বক্তব্য রাখেন ডাঃ কামরুজ্জামান মিয়া, ইঞ্জিনিয়ার হুসনি আকবর, নুরুল ইসলাম প্রমুখ। সভায় জামায়াতের তিন শীর্ষ নেতাসহ জামায়াত নেতৃবৃন্দের মুক্তি দাবি করা হয় এবং আশু মুক্তির জন্য দোয়া করা হয়। এ ছাড়াও উপজেলার কমপক্ষে ২৫টি স্থানে মুসল্লীদের নিয়ে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ