মঙ্গলবার ০৪ আগস্ট ২০২০
Online Edition

খুলনায় দৃশ্যমান হচ্ছে সোলার এলইডি প্রকল্প

খুলনা অফিস : খুলনা মহানগরীর কেডিএ এভিনিউতে সড়কের দুই পাশে সারি সারি সাদা ল্যাম্পপোস্ট। আগে  থেকেই এখানে সড়কের মিড আইল্যান্ডে বেজঢালাইয়ের কাজ করা হয়। রোববার থেকে ওই বেজঢালাইয়ের ওপর ল্যাম্পপোস্ট স্থাপনের কাজ শুরু হয়েছে।

জানা যায়, রাতের শহরে আলো ছড়াতে শহরের ৫২ কিলোমিটার সড়কে একইভাবে ২০৬৮টি ল্যাম্পপোস্ট স্থাপন করা হবে। এসব সাদা রঙের ল্যাম্পপোস্্েট জ্বলবে সোলার এলইডি-নন এলইডি সড়কবাতির সাদা আলো। বিদ্যুতের বিকল্প উৎসের ব্যবহার ও ব্যয় কমানো নিশ্চিত করতে এ উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।

জানা যায়, ‘ সোলার স্ট্রিট লাইটিং প্রোগ্রাম ইন সিটি করপোরেশন’ প্রকল্পের আওতায় এসব সড়কবাতি স্থাপন করা হচ্ছে। এডিবি’র অর্থায়নে ঢাকা গ্লোরিয়া টেকনোলজি কোম্পানি লিমিটেড এই প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে। চীন থেকে এরই মধ্যে ল্যাম্পপোস্ট, এলইডি লাইট, সৌরশক্তিচালিত ডিভাইস, কন্ট্রোল বোর্ড, ক্যাবল ও আয়তাকার সোলার প্যানেল আনা হয়েছে। প্রকল্পের আওতায় এরই মধ্যে ৩৬০টি ল্যাম্পপোস্টের বেজঢালাইয়ের কাজ শেষ হয়েছে। আগামী দুই মাসের মধ্যে ২০৬৮টি ল্যাম্পপোস্ট স্থাপনের কাজ শেষ হলে সোলার এলইডি সড়কবাতির কার্যক্রম চালু করা হবে।

এই প্রকল্পের আওতায় মহানগরীর গুরুত্বপূর্ণ ৭৭টি স্থানে পরিপূর্ণ সেট অর্থাৎ এলইডি লাইট, ল্যাম্পপোস্ট, সৌরশক্তিচালিত ডিভাইস ও সহজে বহনযোগ্য আয়তাকার সোলার প্যানেল স্থাপন করা হবে। এর মধ্যে শিববাড়ি মোড়ে ৪টি, মেট্রোপলিটন পুলিশের আট থানায় ৮টি, রূপসাঘাট সংলগ্ন এলাকায়, রূপসা ব্রিজ, রয়্যাল মোড়, গল্লামারী, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়, সোনাডাঙ্গা বাসস্ট্যান্ড, গোয়ালখালী মোড়, নতুন রাস্তার মোড়, দৌলতপুর, রেলিগেট, খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, ফুলবাড়িগেটে দুইটি করে সোলার বাতি স্থাপন করা হবে।

এ ব্যাপারে খুলনা সিটি করপোরেশনের নির্বাহী প্রকৌশলী (বিদ্যুৎ) জাহিদ হোসেন শেখ বলেন, সোলার প্যানেলের লিথিয়াম আয়ন ব্যাটারি সূর্যালোকে চার্জের সুবিধা থাকায় তা হবে পরিবেশ বান্ধব ও বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী। 

এছাড়া মধ্যরাতে স্বয়ংক্রিয়ভাবে আলোর তীব্রতা কমিয়ে ড্রিম লাইটে পরিণত করার ব্যবস্থা থাকবে। পাশাপাশি সড়কে কোথাও অবৈধ সংযোগে বিদ্যুৎ চুরি হচ্ছে কিনা ওভারলোডিংয়ের মাধ্যমে তা জানা যাবে। এতে বিদ্যুৎ ব্যবহারের ব্যয় অনেকটা কমিয়ে আনা সম্ভব হবে।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ