বৃহস্পতিবার ২১ জানুয়ারি ২০২১
Online Edition

শরণার্থী সংকট সমাধানে একযোগে কাজ করবে ইতালি ও জার্মানি

২০ জুন, ডয়েচে ভেলে, এএফপি : ইউরোপীয় ইউনিয়নে (ইইউ) প্রবেশ করা বিপুল সংখ্যক শরণার্থীর ঢল সামলাতে ইতালির সঙ্গে একযোগে কাজ করার পরিকল্পনা করছেন জার্মান চ্যান্সেলর অ্যাঙ্গেলা মার্কেল। ইইউ’র বাইরে থেকে বিপুল সংখ্যক শরণার্থী ইতালিতে অনুপ্রবেশের বিষয়টি সীমিত রাখতে দেশটিকে সহযোগিতার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন তিনি। গত সোমবার ইতালির প্রধানমন্ত্রী জুসেপে কন্তে সঙ্গে এক বৈঠকে এই প্রতিশ্রুতি দেন মার্কেল।

বার্লিনে অনুষ্ঠিত বৈঠকে মার্কেল বলেন, আমরা ইতালির পারষ্পরিক সংহতির মনোভাবকে সহযোগিতা করতে চাই। জার্মানি শরণার্থী সংকটের ক্ষেত্রে ইউরোপের সংহতির ব্যাপারটি বোঝে।

বৈঠকে মার্কেল এবং কন্তে দু’জনই ইইউ’র সীমানারেখার পুলিশ বিভাগ ‘ফ্রন্টেক্স' আরও শক্তিশালী করার ব্যাপারে একমত হন। এছাড়া আন্তর্জাতিক সংগঠনগুলো কযোগে আফ্রিকা ও মধ্যপ্রাচ্য থেকে ইউরোপে অভিবাসনের কারণ চিহ্নিত করে সেটি প্রতিরোধেরও চেষ্টা চালানো হবে বলে উল্লেখ করেন মার্কেল।

জার্মান চ্যান্সেলর বলেন, অভিবাসন প্রত্যাশীদের ইইউ’র পুরো অঞ্চলে প্রবেশাধিকারের অনুমোদন পাওয়ার আগে আশ্রয় প্রার্থনার আবেদন নিজ দেশ কিংবা ট্রানজিট দেশ থেকে প্রক্রিয়াকরণ করা উচিত।

গত কয়েক বছরে ইইউ’তে আশ্রয় নিতে লাখ লাখ শরণার্থী ভূমধ্যসাগর পাড়ি দিয়েছে৷শরণার্থীদের ভিড়ে ইতালিতে অভিবাসন-বিরোধী মনোভাব তৈরি হয়েছে। কেননা, ভূমধ্যসাগর হয়ে আসা ওই অভিবাসন প্রত্যাশীদের বেশিরভাগই ইতালিতে নেমে ইইউ’তে প্রবেশের চেষ্টা করে৷ এদের অনেকের শেষ পর্যন্ত গন্তব্য হয় জার্মানি।

এছাড়া, ইতালির বর্তমান সরকার বেশ কট্টর অভিবাসন নীতি অনুসরণ করছে। সম্প্রতি দেশটি ৬০০’র বেশি শরণার্থী ভর্তি একটি জাহাজকে তাদের বন্দরে প্রবেশের অনুমতি দেয়া হয়নি। যার ফলে, শরণার্থীরা কয়েকদিন সমুদ্রে ভাসার পর তাদের স্পেনে নিয়ে যাওয়া হয়। এদিকে ইতালির উপকূলরক্ষী বাহিনীর একটি জাহাজ ৫২২ জন অবৈধ অভিবাসী নিয়ে মঙ্গলবার রাতে বন্দর নগরী সিসিলিতে পৌঁছেছে। এদের মধ্যে বেশ কয়েকজনকে গত সপ্তাহে লিবিয়ার উপকূলের অদূর থেকে মার্কিন নৌবাহিনী উদ্ধার করেছিল। 

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ