সোমবার ১৩ জুলাই ২০২০
Online Edition

খুলনার উন্নয়নে দাখিল হচ্ছে ৬শ’ কোটি টাকার মেগা প্রকল্প

খুলনা অফিস : খুলনা সিটি কর্পোরেশন (কেসিসি) এলাকার উন্নয়নে মন্ত্রণালয়ে জমা দেয়া হচ্ছে ৬শ’ কোটি টাকার মেগা প্রকল্প। নগরীর উন্নয়নের দৃশ্যমান অগ্রগতি পরিকল্পনা শুরু হতে চলেছে। ইতোমধ্যে কেসিসি ৮ কোটি টাকার থোক বরাদ্দ পেতে যাচ্ছে। এ প্রক্রিয়া চূড়ান্তের পথে। বাকী প্রায় ৬শ’ কোটি টাকা বরাদ্দ পাওয়ার জন্য প্রকল্পের কাজ দ্রুতগতিতে এগিয়ে চলেছে। ঈদের আগেই প্রস্তাবিত প্রজেক্ট স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ে জমা দেয়া হবে। এ টাকা দিয়ে নগরীর নতুন সড়ক নির্মাণ ও পুরাতন সড়ক সংস্কার ও ড্রেন নির্মাণ করা হবে। বিগত পাঁচ বছরে এমন বড় অঙ্কের টাকা নগর উন্নয়নে আসেনি বলে সংশ্লিষ্টরা জানান। মেগা এ প্রকল্পের নাম দেয়া হয়েছে খুলনা শহরে নতুন সড়ক নির্মাণ ও পুরাতন সড়কের উন্নয়ন। বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির আওতায় (এডিপি) এ টাকা দেয়া হবে। ৬শ’ কোটি টাকার দু’টি প্রকল্পের মধ্যে খুলনা সিটি কর্পোরেশনের জলাবদ্ধতা দূরীকরণে ড্রেনেজ ব্যবস্থার উন্নয়ন এবং খুলনা শহরে নতুন রাস্তা নির্মাণ ও পুরাতন রাস্তা উন্নয়ন প্রকল্প।
কেসিসির নির্বাহী প্রকৌশলী-৩ মো. মশিউজ্জামান খান জানান, এডিপি থেকে বিশেষ থোক বরাদ্দ দেয়া হয়েছে ৮ কোটি টাকা। এ টাকার ৫ কোটি টাকা সড়ক ও বিদ্যুৎ উন্নয়নে এবং ৩ কোটি টাকা দুর্যোগ মোকাবেলার জন্য ড্রেনেজ ব্যবস্থা উন্নয়ন। ইতোমধ্যে নতুন পরিষদের কাউন্সিলর প্রতি ১০ লাখ টাকার কাজের স্কিম চাওয়া হয়েছে। অধিকাংশ কাউন্সিলর স্কিম জমা দিয়েছেন। ঈদের আগেই এ টাকা মন্ত্রণালয় থেকে ছাড় দেয়া হবে। এ টাকা আগামী জুন মাসের মধ্যে খরচ করার সময় বেঁধে দেয়া হয়েছে। তবে, সময় স্বল্পতার জন্য তা খরচ করতে জুলাই মাস পর্যন্ত লাগতে পারে বলে তিনি মনে করেন। এছাড়া এডিপি’র আওতায় আরও প্রায় ৬শ’ কোটি টাকার মেগা প্রকল্প তৈরি করা হচ্ছে। সড়ক ও ড্রেন উন্নয়ন এ প্রকল্পের কাজ নতুন মেয়র শপথ নেয়ার পরপরই টেন্ডার আহবান করা হতে পারে। ইতোমধ্যে সড়ক ও ড্রেনের চাহিদাপত্র চাওয়া হয়েছে। সংশ্লিষ্ট নতুন ওয়ার্ড কাউন্সিলরের সমন্বয়ে উপ-সহকারী প্রকৌশলীরা সড়ক ও ড্রেনের তালিকা জমা দিচ্ছেন।
কেসিসির নির্বাহী প্রকৌশলী-২ মো. লিয়াকত আলী খান জানান, তিনি নগরীর ৩১টি ওয়ার্ড থেকে প্রকল্পে তালিকাভুক্তকরণের জন্য নতুন ও পুরাতন সড়কের তালিকা সংগ্রহ করছেন। সড়কের তালিকা সংগ্রহ প্রায় শেষ পর্যায়ে। সড়কের জন্য প্রায় তিনশ’ কোটি টাকার প্রকল্প তৈরির কাজ এগিয়ে চলছে বলে তিনি জানান।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ