রবিবার ২০ সেপ্টেম্বর ২০২০
Online Edition

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবেলায় বাজেটে ৫ শতাংশ বরাদ্দ দাবি

স্টাফ রিপোর্টার : জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবেলায় প্রতি অর্থবছর জলবায়ু বাজেটে ৫ শতাংশ হারে বরাদ্দ বৃদ্ধির দাবি জানিয়েছে অ্যাকশন এইড বাংলাদেশ। গতকাল রোববার জাতীয় প্রেস ক্লাবের ভিআইপি লাউঞ্জে এক সাংবাদিক সম্মেলনে তারা এ দাবি জানায়।
সরকারের কাছে দাবি জানিয়ে বক্তারা বলেন, আগামী বাজেটে বিসিসিটিএফ এর অতিরিক্ত বরাদ্দের জন্য, কেননা জলবায়ু সহনশীল উন্নয়নের জন্য আগত  বৈদেশিক অনুদান ও সহায়তা পর্যাপ্ত না এবং তা সময় মতো তহবিলে জমা পড়ে না। এছাড়া বিসিসিটিএফ অর্থায়নে পরিচালিত প্রকল্পগুলোর পরিকল্পনা ও বাস্তবায়ন এবং অংশগ্রহণমূলক হওয়া প্রয়োজন, যাতে দুর্যোগে সর্বাধিক ক্ষতিগ্রস্ত জনগোষ্ঠীর অভিজ্ঞতা প্রকল্পের কার্যক্রম প্রতিফলিত হয়।
তারা সরকারের কাছে আবেদন করে বলেন, সামাজিকভাবে গ্রহণযোগ্য এবং প্রযুক্তিগতভাবে বাস্তবসম্মত সমাধানের জন্য গবেষণা ও উন্নয়ন খাতে আরও বেশি বরাদ্দ রাখতে হবে। এ সকল গবেষণার কেবলমাত্র প্রযুক্তি ও ব্যবস্থাপনাগত সমাধান নয় বরং মানবিক দৃষ্টিভঙ্গি বিবেচনায় রাখতে হবে।’
বক্তারা বলেন, প্যারিস চুক্তির ২০১৬ অঙ্গীকারগুলো আমরা যদিও অর্জন করতে পারি। তারপরও আগামী দিনগুলোতে ২ ডিগ্রি সেলসিয়াসের বেশি  বৈশ্বিক তাপমাত্রা কমানো সম্ভবপর নয়। যার ফলে আমরা ক্রমবর্ধমান ক্ষয়ক্ষতির সম্মুখীন হব। এ কারণে সামুদ্রিক ক্ষয়ক্ষতির সহনীয় পর্যায়ে রাখতে এ বিষয়ক জাতীয় কাঠামো ও প্রস্তুতি গঠন অপরিহার্য হয়ে পড়েছে। একই সাথে দুর্যোগ কবলিত জনগণের সুরক্ষা এবং জলবায়ু সহনশীলতা বৃদ্ধি করতে অর্থ বরাদ্দ করতে হবে।
বক্তারা আরও বলেন, দারিদ্র্যপীড়িত ও জলবায়ু ঝুঁকিপ্রবণ জেলাগুলোকে অগ্রাধিকার দিয়ে জেলাভিত্তিক একটা তহবিল কাঠামো গঠনের জন্য সরকারের কাছে আবেদন- জলবায়ু পরিবর্তনজনিত প্রভাব মোকাবেলায় নারী-শিশু ও তরুণ-তরুণীদের দক্ষতা বৃদ্ধি করতে হবে। একই সঙ্গে গ্রামীণ, উপ-শহর পর্যায়ে পরিবেশবান্ধব কর্মসংস্থান সৃষ্টির ব্যবস্থা থাকবে। এটা কেবলমাত্র জাতীয় প্রসঙ্গে জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে সৃষ্ট স্থানচ্যুতি অভিবাসন জনিত বিপদের আশঙ্কাও কমিয়ে আনবে। সাংবাদিক সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন ফারাহ কবির, ড. মিজান আর খান, শামসুল হক প্রমুখ।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ