বুধবার ০২ ডিসেম্বর ২০২০
Online Edition

আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে মুশফিকের ১৩ বছর

স্পোর্টস রিপোর্টার : শনিবার  আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ১৩ বছর পূর্তি হলো মুশফিকুর রহিমের। এই দীর্ঘ যাত্রায় পাশে পেয়েছেন বাংলাদেশের সমর্থকদের। তাই তাদের ধন্যবাদ দিতে ভোলেননি মুশফিক। সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম ফেসবুকের ভ্যারিফাইড পেজে তিনি লিখেছেন, “বিশ্বাস করতে পারছি না ১৩ বছর ধরে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করছি। কিভাবে সময় উড়ে চলে। এই দিনটি আমার স্মরনীয়,কারন বাংলাদেশ জাতীয় দলের হয়ে এদিনেই প্রথম জার্সি গায়ে চড়িয়েছিলাম। সব কিছুর জন্য আলহামদুলিল্লাহ। এই পবিত্র রমজান মাসে আল্লাহ সবার আশা পূর্ণ করুক। সবাইকে ধন্যবাদ। আমাদের জন্য দোয়া করবেন। দীর্ঘ ক্যারিয়ারে দেখেছেন অনেক উত্থান-পতন। তবে ভেঙে পরেননি কখনো। আর তার এই লেগে থাকা স্বাভাবটিই তাকে করেছে আরও অভিজ্ঞ। ২০০৫ সালে ইংল্যান্ড সফরের সবচেয়ে বড় চমকের নাম ছিল মুশফিক। নর্দাম্পটনশায়ারের বিপক্ষে প্রস্তুতি ম্যাচে অপরাজিত ১১৫ রানের এক ইনিংস দিয়েই চমকে দেওয়ার শুরু।মাত্র ১৬ বছরের একটা ছেলের কাছ থেকে এমন দুর্দান্ত পাফরম্যান্সের খবর উঠে আসে ইংলিশ মিডিয়াতেও। স্কোয়াডে জায়গা করে নেন দ্বিতীয় উইকেটকিপার হিসেবে। তবে ২৬ মে লর্ডসের প্রথম টেস্টে তার অভিষেক হয় একজন ব্যাটসম্যান হিসেবে!  মাঠের মুশফিকের একাগ্রতার অনেকটাই এসেছে তার পরিবার থেকে। সম্ভ্রান্ত এক পরিবারের ছেলে তিনি। ক্যারিয়ারের শুরুটা রাজসিক না হলেও, নিজের ক্যারিয়ারকে রাজকীয় করতে কখনো লক্ষ্যচ্যুত হননি তিনি। লেগে থেকেছেন। বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের সঙ্গে জড়িত সবাই এক বাক্যে স্বীকার করেন, দলের মধ্যে সবচেয়ে একাগ্রতা মুশফিকের। তিনিই সবচেয়ে পরিশ্রমী। বগুড়ার স্থানীয় একটি ক্রীড়াচক্রে ক্রিকেটে হাতেখড়ি। পরে বিকেএসপিতে ভর্তি হন। ২০০৬ সালে জিম্বাবুয়ে সফর দিয়ে ওয়ানডে ক্যারিয়ার শুরু হয় তার। এই সিরিকেই মুশফিক আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে তার প্রথম হাফ সেঞ্চুরি করেন এবং ২০০৭ এর বিশ্বকাপে নিজের নাম স্থায়ী করেন। একই বছর শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে দ্বিতীয় টেস্টে ৮০ রানের দুর্র্ধষ ইনিংস খেলেন মুশফিক।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ