বুধবার ০২ ডিসেম্বর ২০২০
Online Edition

ফুটবলারদের আবাসিক ক্যাম্প শুরু

স্পোর্টস রিপোর্টার : এশিয়ান গেমস ও সাফ ফুটবলের জন্য প্রস্তুতি ক্যাম্প শুরু করেছে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন। আজ রোববার  থেকে সাভারস্থ বিকেএসপিতে দু’সেশনে অনুশীলন করবে ফুটবলাররা। আপাতত দেশী কোচরা কাজ করলেও জুনের প্রথম সপ্তাহেই বৃটিশ কোচ জেমী ডে‘র তত্ত্বাবধানে চলবে প্রশিক্ষণ। দু’টি প্রতিযোগিতা সামনে থাকলেও বাফুফের প্রধান লক্ষ্য সাফ ফুটবলের ফাইনালে খেলা। এই টার্গেটের কথা ইতোমধ্যেই বৃটিশ কোচকে জানিয়ে দিয়েছে বাফুফে। তাই তো শক্তিশালী দল গঠনের জন্য প্রথমিক ক্যাম্পে ৪৪ জন ফুটবলারকে ডেকেছে বাফুফে। গতকাল শনিবার বাফুফে ভবনে সকলেই রিপোর্ট করতে পারেনি। ৩২ জন ফুটবলার এসেছিলেন। জানা গেছে, ঢাকা একাদশের হয়ে প্রীতি ম্যাচ খেলতে ৭ জন লন্ডন সফরে গেছেন।  দু’জন বিকেএসপিতেই রয়েছেন। আর ৩ জনের মধ্যে ২ জনের পরীক্ষা ও অন্যজন ইনজুরিতে আক্রান্ত।

বিকেএসপির উদ্দেশ্যে রওয়ানা দেয়ার আগে ফুটবলারদের সাথে আলোচনায় মিলিত হয়েছিলেন  বাফুফের সহ-সভাপতি ও ন্যাশনাল টিমস কমিটির চেয়ারম্যান কাজী নাবিল আহমেদ। সেখানে খেলোয়াড়দের একনিষ্ঠ অনুশীলনে জোর দিতে বললেন। বাফুফের বোর্ড সভায় খেলোয়াড়দের সঙ্গে মতবিনিময়ের পর কাজী নাবিল সাংবাদিকদের বলেন, ‘জাতীয় দলের ক্যাম্প আজ (শনিবার) থেকে শুরু। তাদের নিয়ে বিকেএসপিতে আবাসিক ক্যাম্প হবে। জুনের প্রথম সপ্তাহের শেষে প্রধান কোচ আসবে। অন্য দু’জনের নিয়োগ প্রক্রিয়াও সহসাই সম্পন্ন হবে। এরপরই তারা ঢাকায় আসবে।’

আগামী চার মাস খেলোয়াড়রা একই সঙ্গে থাকবেন। তাই বাফুফের এই কর্মকর্তা অনুশীলন ও খেলার প্রতি মনোযোগ দিতে বলেছেন খেলোয়াড়দের, ‘আগামী ৪ মাস একসঙ্গে থাকতে হবে ও কাজ করতে হবে। খেলায় একাগ্রচিত্তে তাদের সব মনোযোগ দেয়ার জন্য অনুরোধ করেছি।’

খেলোয়াড়দের মধ্যে কোনো অঙ্গীকারবোধের অভাব দেখছেন না কাজী নাবিল। সাফ ফুটবল হবে দেশের মাঠে। সেটি মনে করিয়ে এই কর্মকর্তার আহ্বান, ‘আগে বাইরে এশিয়ান গেমস খেলা হবে। সেটা আরও বেশি চ্যালেঞ্জিং হবে। সেপ্টেম্বরে সাফ ফুটবলের আসরে দেশের মাটিতে খেলার সুবিধা থাকবে। সেটা মাথায় রেখে সমর্থকরা বেশি থাকবে। খেলোয়াড়দের পারফরম্যান্স দেখানোর সুযোগ সবার সামনে আরো বেশি থাকবে। সেটাই ধারণা দিয়েছি তাদের।’

এশিয়ান গেমস ও সাফ ফুটবলের অনুশীলন একই সঙ্গে হচ্ছে। এটাকে ইতিবাচক দিক হিসেবে দেখছেন কাজী নাবিল, ‘আরও বেশি ভালো ও বড় টিম নিয়ে যত বেশি কাজ করতে পারবো তত প্রতিভা আমাদের মধ্যে প্রস্ফূটিত হতে পারবে। তাদের মধ্যেও সারাক্ষণ প্রতিযোগিতা বিরাজ করবে। আর আমরা প্রস্তুতির দিক দিয়ে পিছিয়ে নেই। কাতারে ও থাইল্যান্ডে ক্যাম্প হয়েছে। আমার ধারণা এগিয়ে আছি আমরা। জাতীয় দলের ৭ জন খেলোয়াড়ের লন্ডন সফর নিয়ে এই কর্মকর্তার ব্যাখ্যা, ‘আগে থেকে তাদের প্রোগ্রাম ঠিক করা ছিল। সেখানে আমরা ব্যাঘাত করতে চাইনি। এখন চলবে অ্যাসেসমেন্ট ও ফিটনেস । এখনও প্রধান কোচ যোগ দেয়নি। এখন যদি কারও ব্যক্তিগত প্রোগ্রাম থাকে, তাহলে ব্যাঘাত করা ঠিক নয়। তারা প্রোগ্রাম করে স্বতঃস্ফূর্ত মনে এসে ক্যাম্পে যোগ দিক।’

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ