মঙ্গলবার ২৭ অক্টোবর ২০২০
Online Edition

মুসলিম ইতিহাসের গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা

আখতার হামিদ খান : ॥ পূর্বপ্রকাশিতের পর ॥
১৮৫৮ খৃ: : কয়েকজন ফরাসী পর্যটক মিসরের আলেকজান্দ্রিয়া বন্দরে অবস্থিত এক প্রাচীন গীর্জা থেকে হস্তীদন্ত নির্মিত একটি কৌটায় ৬২৮ খৃ: মিসরের রোমান শাসনকর্তা মুকাসের নিকট মহানবী (স:) কর্তৃক প্রেরিত মূল পত্রখানি উদ্ধার করেন। প্রখ্যাত যুগ-সংস্কারক হযরত মওলানা শাহসূফী আবু বকর সিদ্দিকী (র:) হুগলী জেলার ফুরফুরা শরীফে জন্মগ্রহণ করেন।
১৮৬২ খৃ: ঃ সমাজ সংস্কারক পীর মুহসীন উদ্দীন দুদু মিয়া ইন্তেকাল করেন। দিল্লীর শেষ মোগল সম্রাট দ্বিতীয় বাহাদুর শাহ ৮৭ বছর বয়সে রেংগুনে নির্বাসিত অবস্থায় ইন্তেকাল করেন।
১৮৬৬ খৃ: ঃ দারুল ‘উলুম দেওবন্দ প্রতিষ্ঠিত হয়।
১৮৭৩ খৃ: ঃ প্রখ্যাত আলিমও সূফী মওলানা কেরামত আলী জৌনপুরী (র:) রংপুর শহরে ইন্তেকাল করেন।
১৮৭৫ খৃ: ঃ আলীগড় কলেজ স্থাপিত হয়।
১৮৯৭ খৃ: ঃ সাইয়ীদ জামালউদ্দীন আফগানী ইস্তাম্বুলে ৯ মার্চ ইন্তেকাল করেন।
১৯০৫ খৃ: ঃ অকটোবর মাসে বংগ ভংগ আদেশ ঘোষিত হয়।
১৯০৬ খৃ: ঃ নবাব সলিমুল্লাহর উদ্যোগে ডিসেম্বর মাসে ঢাকায় শাহবাগ এলাকায় অনুষ্ঠিত নিখিল ভারত কনফারেন্সে মুসলিম লীগের জন্ম হয়।
১৯২২ খৃ: ঃ তুর্কী সাধারণতন্ত্র ঘোষিত হয়। মুস্তাফা কামাল পাশা প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন।
১৯২৫ খৃ: ঃ নযদ ও হিজাজের শাসনকর্তা আবদুল আযীয ইবনে সউদের আমন্ত্রণে ভারতীয় খিলাফত কমিটির পক্ষ থেকে হযরত মওলানা শাহ সুলায়মান নদভীর নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল জনুয়ারী মাসে হেজাজ যাত্রা করে।
১৯২৬ খৃ: ঃ বাদশাহ আযয ইবনে সউদ সমগ্র হেজাজ প্রদেশ নিজ শাসনাধীনে আনেন। মে মাসে তুরস্কের উসমানিয়া খিলাফতের শেষ সুলতান দ্বিতীয় আবদুল মজিদ খান সুইজারল্যা-ে ইন্তেকাল করেন। ৭ জুন মক্কা নগরে একটি ইসলামী কংগ্রেস অনুষ্ঠিত হয়।
১৯২৯ খৃ: ঃ কায়েদে আযম মুহাম্মদ আলী জিন্নাহ তাঁর ঐতিহাসি ১৪ দফা দাবী উপস্থাপিত করেন (মার্চ মাস)।
১৯৩৮ খৃ: ঃ প্রাচ্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ দার্শনিক কবি ড: স্যার মুহম্মদ ইকবাল ২১ এপ্রিল লাহোরে ইন্তেকাল করেন।
১৯৩৯ খৃ: ঃ ১৭ মার্চ ফুরফুরা শরীফের পীর হযরত মওলানা শাহ সূফী আবু বকর সিদ্দিকী (র:) ইন্তেকাল করেন। তিনি মুযাদ্দাদে যামান ছিলেন।
১৯৪০ খৃ: ঃ ২৩মার্চ লাহোরে অনুষ্ঠিত ভারতীয় মুসলিম নেতৃবৃন্দের এক বিরাট সমাবেশে শেরে বাংলা এ.কে. ফজলুল হক উপমহাদেশের মুসলিম অধ্যুষিত অঞ্চলসমূহ নিয়ে স্বাধীন সার্বভৌম রাষ্ট্রসমূহ গঠনের প্রস্তাব রাখেন। এ প্রস্তাবকে ‘লাহোর প্রস্তাব’ বলা হয়।
১৯৪৩ খৃ: ঃ হযরত মওলানা আশরাফ আলী থানভী ইন্তেকাল করেন। তিনি উপমহাদেশে ইসলামী সংস্কার কর্মের জন্য ‘হাকীমুল উম্মত’ উপাধিতে ভূষিত হন।
১৯৪৫ খৃ: ঃ কায়রোতে আরব লীগ গঠিত হয়।
১৯৪৭ খৃ: ঃ ভারত বিভক্ত হয়ে পাকিস্তান নামে একটি নতুন মুসলিম রাষ্ট্রের উদ্ভব হয়।
১৮৪৮ খৃ: ঃ প্যালেস্টাইনে ইহুদী ও আরবদের মধ্যে যুদ্ধ আরম্ভ হয়।
১৯৪৯ খৃ: ঃ বিশ্বের ১৩টি মুসলিম দেশের প্রতিনিধিদের একটি আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক সম্মেলনে করাচীতে অনুষ্ঠিত হয়।
১৯৫২ খৃ: ঃ ২১ ফেব্রুয়ারী বাংলা ভাষার জন্য আন্দোলনকারী ছাত্রদের উপর গুলীবর্ষণ। কয়েকজন ছাত্রের শাহাদত লাভ।
১৯৫৪ খৃ: ঃ বাগদাদ প্যাকট সম্পাদিত হয়।
১৯৬৪ খৃ: ঃ মুগাদিশুতে অনুষ্ঠিত এক সম্মেলনে মুসলিম উম্মাহর নানা সমস্যা নিরসনের জন্য একটি ইসলামী শীর্ষ বৈঠক ডাকার প্রস্তাব নেওয়া হয়।
১৯৬৫ খৃ: ঃ মক্কাতে বিশ্ব মুসলিম লীগ সম্মেলনে অনুষ্ঠিত হয়। পাক-ভারত যুদ্ধ সংঘটিত হয়।
১৯৬৭ খৃ: ঃ মুসলিম বিশ্ব কংগ্রেসের ৭ম অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয়। ১৪টি আরব রাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রিগণ ২৫ আগস্ট কায়রোতে এক জরুরী বৈঠকে বসেন।
১৯৬৯ খৃ: ঃ রাবাতে অনুষ্ঠিত মুসলিম রাষ্ট্রপ্রধানদের শীর্ষ সম্মেলন।
১৯৭০ খৃ: ঃ ১৫-২৩ মার্চ জেদ্দায় মুসলিম দেশগুলোর পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের প্রথম বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
১৯৭১ খৃ: ঃ ২৬ মার্চ বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষিত হয়। ১৬ ডিসেম্বর পাক বাহিনীর আত্মসমর্পনের মাধ্যমে চূড়ান্তভাবে বাংলাদেশ স্বাধীনতা লাভ করে।
১৯৭২ খৃ: ঃ মার্চ মাসে জেদ্দায় অনুষ্ঠিত তৃতীয় পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের বৈঠকে ইসলামী সম্মেলনের সনদ গৃহীত হয়। এর পর থেকে প্রতি বছর বিভিন্ন দেশে ইসলামী পররাষ্ট্র মন্ত্রীদের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে।
১৯৭৪ খৃ: ঃ ফেব্রুয়ারী মাসে লাহোর অনুষ্ঠিত দ্বিতীয় ইসলামী শীর্ষ সম্মেলনে বাংলাদেশ ইসলামী সম্মেলনে সংস্থা (ও আই সি) এর সদস্য পদ লাভ করে।
১৯৮১ খৃ: ঃ জানুয়ারী মাসে তৃতীয় ইসলামী শীর্ষ বৈঠকে ঐতিহাসিক মক্কা ঘোষণা ঘোষিত হয়।
১৯৮৩ খৃ: ঃ ৬-১০ ডিসেম্বর ঢাকায় অনুষ্ঠিত চতুর্দশ ইসলামী পররাষ্ট্রমন্ত্রী সম্মেলনে ঢাকা ঘোষণা গৃহীত হয়।
১৯৮৪ খৃ: ঃ ১৬ জানুয়ারী থেকে ও. আই. সি. এর উদ্যোগে মরক্কোর ক্যাসাব্লাংকা নগরীতে চারদিন ব্যাপী মুসলি রাষ্ট্রপ্রধানদের শীর্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। এই সম্মেলনে বাংলাদেশ ১১ দফা কর্মসূচী পেশ করে। (সমাপ্ত)

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ