মঙ্গলবার ১৯ জানুয়ারি ২০২১
Online Edition

সিরাজগঞ্জ-৫ (বেলকুচি- চৌহালী) আসনে জামায়াত প্রার্থী জোটের মনোনয়ন পেতে পারেন

আব্দুস ছামাদ খান, বেলকুচি (সিরাজগঞ্জ) সংবাদদাতা : আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী কেন্দ্রীয় মজলিসে সূরা সদস্য, সিরাজগঞ্জ জেলা জামায়াতের নায়েবে আমীর বেলকুচি উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান অধ্যক্ষ মোঃ আলী আলম এই আসনে নির্বাচন করার প্রস্তুতি নিয়েছেন। অধ্যক্ষ আলী আলম দীর্ঘ ১৬ বছর জেলা আমীরের দায়িত্বে ছিলেন। তিনি দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক ক্যারিয়ারে সিরাজগঞ্জ জেলাবাসীসহ বেলকুচি, চৌহালী ও এনায়েতপুর থানার মাটি ও মানুষের সাথে যার নিবিড় যোগাযোগ, গভীর সম্পর্ক। আন্দোলন সংগ্রামে সর্বজন বিদিত।
রাজনৈতিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক ধর্মীয় আচার- অনুষ্ঠানে এক বাক্যে সকলের কাছে তিনি আপনজন এবং পরিচিত মুখ। ২০০৯ সাল থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত কুউপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান থাকাকালীন সময়ে তার সততা স্বচ্ছতা, কর্তব্যপরায়নতা, দায়িত্ব পালনে নিষ্ঠা, সুন্দর আচরণ, ভাল ব্যবহার, সর্বমহলে “বিরলগুণ” বলে এখনও সমাদৃত আছে। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সিরাজগঞ্জ-৫ (বেলকুচি-চৌহালী) আসনে জামায়াত মনোনীত অধ্যক্ষ আলী আলম ২০ দলীয় প্রার্থী হতে পারেন মর্মে এলাকার জনগণের মুখে মুখে ব্যাপক গুঞ্জন ও আলোচনা প্রাধান্য পাচ্ছে। এই আসনে জামায়াতের বড় ভোট ব্যাংক রয়েছে।
১৯৯৬ সালে জাতীয় সংসদ সদস্য নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেছিলেন, তিনি প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী আওয়ামী লীগের আব্দুল লতিফ বিশ্বাসের কাছে হেরে জান। তখন বিএনপিরও একজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বীতায় নেমে নির্বাচন করেছিল। ২০০৮ সালে আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে আব্দুল লতিফ বিশ্বাস যখন বেলকুচি-চৌহালী আসনের এমপি এবং কেবিনেট মন্ত্রী তখনকার উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে কুউপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ফজলুল হক সরকারকে বিপুল ভোটের ব্যবধানে পরাজিত করে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন আলী আলম।
বর্তমানে এ উপজেলায় জামায়াতের একজন ভাইস চেয়ারম্যান, একজন ইউপি চেয়ারম্যান ও ৫ জন মেম্বর রয়েছে। জননন্দিত এই নেতা ১ টি দাখিল মাদ্রাসাসহ কয়েকটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠাতা। এ আসনে বিএনপির চেয়েও জামায়াতের জনসমর্থন বেশী থাকলেও ২০০১ সালের নির্বাচনে তিনি জোটের মনোনয়ন পাওয়ার ক্ষেত্রে অনেক এগিয়ে ছিলেন। জোটের স্বার্থ রক্ষায় কেন্দ্রীয় নির্দেশে তিনি ত্যাগ শিকার করে জোটের পক্ষে কাজ করেন। এবার ত্যাগ স্বীকার নয়, জনগণের স্বার্থে তিনি নির্বাচন করবেন। জোটবদ্ধভাবে নির্বাচন হলে তিনিই এবার প্রার্থী হবেন বলে আলী আলম তার আশাবাদ ব্যক্ত করেন। আলী আলম এলাকায় সভা-সমাবেশ, ইসলামী জালসা, মাদ্রাসা-মসজিদে ও ভোটারদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে গণসংযোগ করছেন। তার পক্ষে জামায়াত কর্মীরাও গ্রাম-পাড়া, মহল্লার ঘরে ঘরে গিয়ে নির্বাচনী প্রচারণার কাজে ব্যস্ত রয়েছেন। জোটবদ্ধভাবে জামায়াতের এই প্রার্থী মনোনয়ন পেলে যতো বাধা বিপত্তি আসুক না কেনো বিপুল ভোটে তিনি জয়লাভ করবেন বলে বিভিন্ন মহলে আলোচনা উঠেছে। এলাকার বিভিন্ন হাটে-বাজারে, চায়ের দোকানে, পাড়া মহল্লার মানুষের মুখে মুখে আলী আলমের সুনাম আর সুনামের আলো ঘরে ঘরে পৌঁছে গেছে। এখন শুধুমাত্র অপেক্ষায় জোটের মনোনয়ন।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ