বৃহস্পতিবার ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২০
Online Edition

লাভজনক হওয়ায় টার্কি মুরগির চাষ

এফ, এ আলমগীর, (চুয়াডাঙ্গা): চুয়াডাঙ্গায় দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে টার্কি মুরগির খামার। ভালো লাভবান হওয়ায় এই মুরগির খামারের দিকে ঝুঁকছে মানুষ। গতবছর জেলায় ছোট বড় ২০টির মত টার্কি মুরগির খামার ছিলো। বর্তমানে জেলায় ছোট বড় প্রায় ৩৮টি খামার গড়ে উঠেছে। এরমধ্যে চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলায় ৮টি,আলমডাঙ্গায় ৮টি দামুড়হুদা উপজেলায় ১২টি ও জীবননগর উপজেলায় ১০টি। এসকল খামারে ছোট বড় প্রায় ৩ হাজার মুরগি রয়েছে। চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদা উপজেলার সীমান্তবর্তী কুতুবপুর গ্রামের মানিকের ছেলে নতুন খামারি শহিদুল ইসলাম জানান, গত বছরের জুলাই মাসে তিনি ঢাকা থেকে ১লক্ষ টাকা দিয়ে ৪৫ টি ৬ মাস বয়সী মুরগি কিনে আনে। বাড়ীতে ছোট ছোট ৩টি টিনের সেড বানিয়ে মুরগি পালন করতে থাকে এর কয়েক দিনের মাথায় ঐ মুরগি ডিম দিতে শুরু করে। বছরে এই মরগি ১১০ টি থেকে ১৪০ টি পর্যন্ত ডিম দেয়। এই মুরগী খুব দ্রুত বাড়ে ৬ মাসের মুরগি প্রায় ৬/৭ কেজি পর্যন্ত ওজন হয়। ১টি টার্কি মুরগির ওজন প্রায় ১৬ কেজি পর্যন্ত হয়ে থাকে। এলাকার বাজারে  প্রতি কেজি মুরগির মাংস  বিক্রি হয় সাড়ে ৪শ থেকে ৫শ টাকায়। দামুড়হুদা উপজেলা প্রাণিস¤পদ কর্মকর্তা ডাঃ মশিউর রহমান জানান, আমাদের দেশের অনুকূল আবহাওয়া ও পরিবেশ পশু-পাখি পালন অন্যান্য দেশের তুলনায় সহজ ও উপযোগী। টার্কির দাম তুলনামূলক একটু বেশি। চর্বি কম হওয়ায় অন্যান্যের মুরগীর  তুলনায় এর মাংস খুবই সুস্বাদু। তবে স্থানীয়  ভাবে এখানে এখনও এর বাজার গড়ে উঠেনি। ঢাকায় এর মাংসের প্রচুর চাহিদা রয়েছে টার্কি মুরগি এখনো পাখি শ্রেণীর অর্ন্তভুক্ত। রোগ-বালাই ও উৎপাদন খরচ কম হওয়ায় এটি পালন করে সহজেই লাভবান হওয়া যায়।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ